Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

যখন নিজের স্মৃতিকেই বিশ্বাস হয় না

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
3 বার প্রদর্শিত
করেছেন (28,742 পয়েন্ট)   4 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

যখন নিজের স্মৃতিকেই বিশ্বাস হয় নাimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণমূলক লেখা 

মানসিক নির্যাতন, আত্মসন্দেহ ও সম্পর্কের মনস্তত্ত্ব

১৯ অক্টোবর ২০২৬


স্ত্রী প্রতিবার বলতেন, “আমি এমন কথা কখনো বলিনি।” কয়েক বছর পর স্বামী নিজের স্মৃতির ওপরও ভরসা করতে পারছিলেন না।


প্রথম দিকে তিনি প্রতিবাদ করতেন। বলতেন, কথাটা তো তুমি নিজেই বলেছিলে। সেদিনের ঘটনাটাও তো তোমার মনে থাকার কথা। কিন্তু প্রতিবার একই উত্তর পেতেন। স্ত্রী বলতেন, তিনি ভুল শুনেছেন, ভুল বুঝেছেন, কিংবা নিজের মতো করে কথা বানিয়ে নিচ্ছেন। কখনো তাঁকে অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণ বলা হতো, কখনো বলা হতো, তিনি ছোট বিষয় নিয়ে অকারণে ঝামেলা তৈরি করেন।


শুরুতে এসব কথায় তাঁর রাগ হতো। পরে মন খারাপ হতো। একসময় তিনি চুপ করে যেতে শিখলেন।


এখন কোনো কথা নিয়ে মতবিরোধ হলে তিনি আর নিশ্চিতভাবে নিজের বক্তব্য রাখতে পারেন না। মনে মনে ঘটনাটি মনে করার চেষ্টা করেন। কখন বলা হয়েছিল, কোথায় বসে ছিলেন, কথার আগে কী ঘটেছিল—সবকিছু মনে করতে চান। তবু কোথাও একটা সন্দেহ থেকে যায়। সত্যিই কি তিনি কথাটা ঠিকমতো মনে রেখেছেন? নাকি নিজের ভুলকে ঢাকতে চাইছেন?


যে মানুষটি একসময় নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে নিশ্চিত ছিলেন, তিনি ধীরে ধীরে নিজের স্মৃতিকেই সন্দেহ করতে শুরু করলেন।


সন্দেহের শুরুটা সব সময় বড় কোনো ঘটনা দিয়ে হয় না।


কখনো একটি কথার অস্বীকার, কখনো কোনো ঘটনার দায় অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া, কখনো নিজের আচরণের জন্য অন্য মানুষটিকেই দোষী বানানো—এভাবে একটি সম্পর্কের ভেতর অস্বস্তি জমতে পারে। সমস্যা তখনই গভীর হয়, যখন এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বারবার ঘটতে থাকা একটি আচরণে পরিণত হয়।


মানসিক নির্যাতনের এমন একটি ধরনকে বলা হয় গ্যাসলাইটিং। এতে একজন মানুষ ধারাবাহিকভাবে অন্যজনের অভিজ্ঞতা, স্মৃতি কিংবা বিচারবুদ্ধিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারেন। এমনভাবে কথা বলা হয়, যেন সমস্যার উৎস সব সময় সেই মানুষটি নিজেই। তিনি কিছু মনে করলে বলা হয়, তাঁর ধারণা ভুল। তিনি কষ্ট পেলে বলা হয়, তিনি অকারণে বাড়াবাড়ি করছেন। কোনো আচরণের প্রতিবাদ করলে বলা হয়, তাঁর কারণেই পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে।


এখানে শুধু একটি ঘটনার সত্যতা নিয়ে মতবিরোধ থাকে না। ধীরে ধীরে একজন মানুষের নিজের উপলব্ধির ওপর আস্থাই নড়বড়ে হয়ে যায়।


তবে একটি ঘটনা নিয়ে দুজনের স্মৃতি আলাদা হওয়া, কেউ কোনো কথা ভুলে যাওয়া কিংবা মতের অমিল হলেই তাকে গ্যাসলাইটিং বলা যায় না। মানুষের স্মৃতি সব সময় হুবহু এক থাকে না। গুরুত্বপূর্ণ হলো আচরণের ধারাবাহিকতা, তার ধরন এবং সেই আচরণ ব্যবহার করে কাউকে বারবার নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে সন্দেহে ফেলে রাখা হচ্ছে কি না।


যখন নিজের বিচারবুদ্ধিকেই আর বিশ্বাস করা যায় না


লোকটির জীবনে পরিবর্তনগুলো ধীরে ধীরে এসেছিল।


আগে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে তিনি খুব বেশি দ্বিধা করতেন না। কী কিনবেন, কোথায় যাবেন, কার সঙ্গে কথা বলবেন—নিজের বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিতেন। ভুল হলে স্বীকার করতেন, প্রয়োজন হলে সিদ্ধান্ত বদলাতেন। কিন্তু এখন সাধারণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও তিনি স্ত্রীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে চিন্তা করেন।


কোনো কথা বলার আগে ভাবেন, কথাটি পরে অস্বীকার করা হবে না তো? কোনো ঘটনা মনে করিয়ে দিতে গিয়ে থেমে যান, কারণ আবার যদি বলা হয় যে তিনি ভুল মনে রেখেছেন? নিজের কষ্টের কথা বলতে গিয়েও দ্বিধা করেন। হয়তো তাঁরই ভুল, হয়তো তিনি বিষয়টি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন—এমন ভাবনা তাঁকে বারবার পিছিয়ে দেয়।


ধীরে ধীরে নিজের সিদ্ধান্তের দায়ও তিনি অন্যের হাতে তুলে দিতে থাকেন। কী ঠিক, কী ভুল, কোন ঘটনাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত, কোন বিষয়টি ভুলে যাওয়া উচিত—এসব নিয়ে অন্যজনের মতামতই তাঁর কাছে বেশি নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠে।


বাইরে থেকে তাঁকে শান্ত মানুষ মনে হতে পারে। কেউ ভাবতে পারেন, তিনি ঝগড়া এড়িয়ে চলতে পছন্দ করেন। কিন্তু তাঁর নীরবতার পেছনে থাকতে পারে অন্য এক ভয়—নিজের বক্তব্যে স্থির থাকলে আবারও তাঁকে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা হবে।


এভাবে সম্পর্কের মধ্যে নিজের অবস্থান ধরে রাখার শক্তি কমে আসে। মানুষটি শুধু অন্যের সঙ্গে মতবিরোধ করতে ভয় পান না; নিজের মন কী বলছে, সেটাও গুরুত্ব দিয়ে শুনতে দ্বিধা করেন।


এটাই এমন আচরণের একটি গভীর ক্ষতি। একজন মানুষকে শুধু তাঁর বক্তব্য থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় না, নিজের বক্তব্যের ওপর বিশ্বাস রাখার ক্ষমতাও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।


সব দোষ নিজের বলে মনে হওয়া


লোকটি এখন প্রায়ই ভাবেন, সংসারে অশান্তি হলে নিশ্চয়ই তাঁরই কোনো ভুল হয়েছে। স্ত্রী রেগে গেলে আগের কথাগুলো খুঁজে দেখেন—কোথায় এমন কিছু বলেছিলেন, যা থেকে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। স্ত্রী কষ্ট পেয়েছেন বললে তিনি নিজের আচরণ নিয়ে ভাবেন, যদিও কী করেছেন তা সব সময় বুঝতে পারেন না।


নিজের ভুল খুঁজে দেখা অবশ্যই খারাপ কিছু নয়। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে আত্মসমালোচনার প্রয়োজন আছে। কিন্তু প্রতিটি সমস্যার জন্য নিজেকেই দায়ী ভাবা আত্মসমালোচনা নয়। সেখানে নিজের ভুল স্বীকার করার পাশাপাশি অন্যের আচরণের দায়টুকুও আলাদা করে দেখা দরকার।


একটি সম্পর্কের সমস্যা সব সময় একজন মানুষের একার তৈরি হয় না। কেউ ভুল করতে পারেন, কেউ রাগের মাথায় কষ্টদায়ক কথা বলতে পারেন, আবার কেউ নিজের দায় এড়াতে অন্যকে দোষী করে তুলতে পারেন। এই পার্থক্যগুলো বোঝা জরুরি।


কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নিজের অভিজ্ঞতাকে অস্বীকার করা হলে মানুষটি হয়তো আর সেই পার্থক্য করতে পারেন না। অন্যের আচরণে কষ্ট পেলেও ভাবেন, কষ্ট পাওয়াটাই বুঝি তাঁর ভুল। প্রতিবাদ করতে গিয়ে অপরাধবোধ হয়। নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এতটাই ক্লান্ত হয়ে পড়েন যে শেষ পর্যন্ত আর কথা বাড়াতে চান না।


এই নীরবতা দেখে অন্যরা হয়তো ভাবেন, সমস্যা মিটে গেছে। অথচ মানুষটির ভেতরে প্রশ্নগুলো রয়ে যায়। তিনি জানেন না, নিজের অনুভূতিকে বিশ্বাস করবেন, নাকি আবারও সেটিকে ভুল বলে সরিয়ে রাখবেন।


নিজের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রথম পদক্ষেপ


এমন পরিস্থিতিতে নিজের স্মৃতি প্রমাণ করার জন্য প্রতিটি কথোপকথনকে লড়াইয়ে পরিণত করা জরুরি নয়। একইভাবে, সম্পর্কের শান্তি বজায় রাখার জন্য নিজের অভিজ্ঞতাকে বারবার অস্বীকার করাও সমাধান নয়।


প্রথমে বোঝার চেষ্টা করা যেতে পারে, সম্পর্কের মধ্যে কী ঘটছে। কোনো একটি কথার অমিল, নাকি একই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটছে? মতবিরোধ হলে কি দুজনেই নিজেদের বক্তব্য বলার সুযোগ পান, নাকি প্রতিবার একজনকেই ভুল, অযৌক্তিক কিংবা দোষী প্রমাণ করা হয়? নিজের কষ্টের কথা বললে তা শোনার চেষ্টা করা হয়, নাকি সেই কষ্টকেই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়?


এসব প্রশ্নের উত্তর একদিনে পাওয়া যায় না। তবু প্রশ্নগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো মানুষকে শুধু নিজের ভুল খুঁজতে নয়, সম্পর্কের আচরণগুলোও নিরপেক্ষভাবে দেখতে সাহায্য করে।


নিরাপদ মনে হলে নিজের মনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, তারিখ কিংবা কথোপকথনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ লিখে রাখা যেতে পারে। এর উদ্দেশ্য কাউকে হারানো বা প্রতিটি ঘটনার চূড়ান্ত প্রমাণ তৈরি করা নয়। বরং নিজের অভিজ্ঞতাকে গুছিয়ে বোঝা, যাতে পরে কোনো ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হলে নিজের উপলব্ধি যাচাই করার একটি অবলম্বন থাকে।


বিশ্বস্ত কারও সঙ্গে কথা বলাও সহায়ক হতে পারে। এমন কেউ, যিনি তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত না দিয়ে মন দিয়ে শুনবেন। পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক কষ্ট তৈরি করলে কিংবা নিজের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা হারিয়ে ফেললে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। আর সম্পর্কে ভয় দেখানো, হুমকি বা অন্য কোনো নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকলে নিজের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি।


সব সম্পর্কের মতবিরোধ একই রকম নয়, আর সব সমস্যার সমাধানও একই পথে হয় না। কিন্তু কোনো সম্পর্কের মধ্যে নিজের অভিজ্ঞতা বলার অধিকার, প্রশ্ন করার সুযোগ এবং সম্মানের সঙ্গে মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকা দরকার।


খাতার পাতায় ফিরে পাওয়া কয়েকটি তারিখ


একদিন পুরোনো জিনিসপত্র গোছাতে গিয়ে লোকটি একটি খাতা খুঁজে পেলেন। খাতাটি অনেক দিনের। কয়েকটি পাতায় বাজারের হিসাব, কিছু অসমাপ্ত তালিকা, আর মাঝেমধ্যে নিজের হাতে লেখা ছোট ছোট নোট।


পাতা উল্টাতে উল্টাতে তিনি একটি তারিখের পাশে লেখা কয়েকটি লাইন দেখতে পেলেন। সেখানে একটি ঘটনার কথা লিখেছিলেন তিনি। আরেকটি পাতায় ছিল অন্য একটি দিনের বিবরণ। কথাগুলো খুব দীর্ঘ নয়, কোনো বড় ব্যাখ্যাও নেই। শুধু কী ঘটেছিল, তখন তাঁর কেমন লেগেছিল, সেটুকুই লেখা।


তিনি অনেকক্ষণ পাতাগুলোর দিকে তাকিয়ে রইলেন।


খাতাটি তাঁর সব প্রশ্নের উত্তর দিল না। এতে লেখা প্রতিটি কথা যে নির্ভুল, এমন নিশ্চয়তাও তিনি পেলেন না। তবু একটি বিষয় বুঝতে পারলেন—সেই সময়ে ঘটনাগুলো তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছিল বলেই তিনি লিখে রেখেছিলেন। তাঁর অভিজ্ঞতা ছিল, তাঁর অনুভূতিও ছিল। সেগুলোকে একেবারে অর্থহীন বলে উড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।


তিনি খাতাটি বন্ধ করলেন। বহুদিন পর নিজের মনে হওয়া কথাগুলোকে সঙ্গে সঙ্গে ভুল বলে ধরে নিলেন না।


হয়তো এটাই তাঁর জন্য খুব ছোট একটি শুরু। নিজের স্মৃতিকে অন্ধভাবে সত্য বলে মেনে নেওয়া নয়, আবার অন্য কারও অস্বীকারের কারণে নিজের অভিজ্ঞতাকে মিথ্যা ধরে নেওয়াও নয়। বরং সময় নিয়ে ঘটনা বোঝা, প্রয়োজন হলে সাহায্য চাওয়া এবং নিজের অনুভূতিকেও বিবেচনার মধ্যে রাখা।


কারণ একটি সম্পর্কের মধ্যে অন্যের কথা শোনা যেমন জরুরি, নিজের কথাটুকু শোনাও তেমনই জরুরি।


খাতাটি তিনি আবার আলমারিতে তুলে রাখলেন না। টেবিলের এক পাশে রেখে দিলেন।


এবার পাতাগুলোতে কী লেখা আছে, তা শুধু মনে রাখার জন্য নয়—নিজের অভিজ্ঞতাকে আর অবহেলা না করার জন্যও।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1422 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 28742। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 5011
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
চিকিৎসা যখন বাজারে পরিণত হয় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  প্রবন্ধ। এপ্রিল ২২, ২০২৬ বাংল&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
173 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সম্পর্কের সত্যি কখনো পোস্ট হয় না মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  বিশ্লেষণধর্মী। ০১ জুলাই, &#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
55 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যে নামটা আর ডাকা হয় না মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন গদ্য কবিতা । ২১ জুন,২০২৬ রাত বাড়লে মা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
125 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বাংলা সাহিত্যে ধর্ম: বিশ্বাস নাকি ব্যবহার? মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । এপ্রিল ৩০, ২০২৬ বাংলা সাহিত্যকে বোঝার চেষ্টা করলে ধর্মকে আলাদা করে দেখা যায় না। শুরু থেকেই এটি কখনো বিশ্বাস[...] বিস্তারিত পড়ুন...
668 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যখন কষ্টের নাম জানা হয় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী কলম | ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২[...] বিস্তারিত পড়ুন...
476 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1138 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    7 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    125 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    83 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    82 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

...