Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

স্ত্রীকে কেন ভালো লাগে না?

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (21,976 পয়েন্ট)   3 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

স্ত্রীকে কেন ভালো লাগে না?  

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  

বিশ্লেষণধর্মী। ৭ জুলাই, ২০২৬


"আগের মতো আর ওকে ভালো লাগে না।"


কথাটা অনেক পুরুষই কোনো না কোনো সময় মনে মনে বলেছেন। কেউ হয়তো বন্ধুর কাছে বলেছেন, কেউ বলেননি। কিন্তু আচরণে সেটা ধরা পড়ে যায়। আগে যে মানুষটা অফিস থেকে ফিরে স্ত্রীর সাথে গল্প করতেন, এখন তিনি ফোনে ব্যস্ত। আগে ছুটির দিন মানেই দুজনের একসাথে সময় কাটানো। এখন একই বাড়িতে থেকেও দুজন যেন আলাদা পৃথিবীতে বাস করেন।


তখন প্রশ্নটা মাথায় আসে—সত্যিই কি স্ত্রীকে আর ভালো লাগে না? নাকি ভালো লাগার জায়গাটা ধীরে ধীরে শুকিয়ে গেছে?


অনেকেই খুব সহজে বলেন, "বিয়ের পর মেয়েরা বদলে যায়।" আগের মতো সাজে না, আগের মতো হাসে না, আগের মতো যত্ন নেয় না। কথাগুলো কিছু ক্ষেত্রে সত্যিও হতে পারে।


কিন্তু একটা প্রশ্ন খুব কম মানুষই নিজেকে করেন—

আমি কি আগের মতো আছি?


যে মানুষটা একসময় দিনে কয়েকবার ফোন করতেন, তিনি কি এখনও করেন? যে মানুষটা কোনো কারণ ছাড়াই একটা ফুল নিয়ে বাড়ি ফিরতেন, তিনি কি এখনও ছোট ছোট আনন্দ তৈরি করার চেষ্টা করেন?


সম্পর্কের সমস্যা হলো, এটা একদিনে ভাঙে না। একটু একটু করে ভাঙে।


প্রথমে কথা কমে যায়। তারপর প্রশংসা কমে যায়। এরপর দুজনই ব্যস্ত হয়ে পড়েন নিজের নিজের জগতে। একসময় সংসার থাকে, দায়িত্ব থাকে, কিন্তু সম্পর্কটা আর আগের জায়গায় থাকে না।


আমরা একটা বড় ভুল করি। যে মানুষটা প্রতিদিন পাশে থাকে, তাকে খুব সহজেই ধরে নিই। মনে হয়, সে তো আছেই। তাই তার ভালো কাজগুলো চোখে পড়ে না। কিন্তু একটা ছোট ভুলই বড় হয়ে দেখা দেয়।


এভাবেই ভালো লাগার জায়গায় বিরক্তি জমতে শুরু করে।


এখন আরেকটা বিষয়ও কাজ করছে—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।


প্রতিদিন অন্যের সাজানো সুখ দেখি। কারও ঘুরতে যাওয়া, কারও হাসিমুখ, কারও রোমান্টিক ছবি। ধীরে ধীরে মনে হয়, শুধু নিজের জীবনটাই যেন ফিকে।


কিন্তু আমরা ভুলে যাই, মানুষ ছবি পোস্ট করে, সমস্যা না। হাসি দেখায়, কান্না না। তাই অন্যের জীবন দেখে নিজের সম্পর্ককে বিচার করা কখনোই ন্যায্য না।


আবার এটাও সত্যি, সব দোষ শুধু পুরুষের না।


অনেক স্ত্রীও আছেন, যারা সবসময় অভিযোগ করেন, স্বামীর প্রতি সম্মান দেখান না, তার মানসিক চাপ বোঝার চেষ্টা করেন না। সম্পর্কে যদি একজন শুধু সমালোচনা করেন আর অন্যজন শুধু চুপ করে থাকেন, তাহলে দূরত্ব তৈরি হবেই।


সংসার একা কেউ গড়ে না। আবার একা কেউ ভাঙেও না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দুজনের ছোট ছোট ভুলই একদিন বড় সমস্যায় পরিণত হয়।


কী করলে আবার ভালো লাগবে?


সম্পর্ক ফিরিয়ে আনতে বড় কোনো জাদু লাগে না। প্রতিদিনের ছোট ছোট যত্নই যথেষ্ট।


১. ফোনটা ১০ মিনিট দূরে রাখুন  

বাসায় ফিরে অন্তত প্রথম ১০ মিনিট স্ত্রীর চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন। জিজ্ঞেস করুন, “আজ দিনটা কেমন গেল?” শোনার জন্য শুনুন, উত্তর দেওয়ার জন্য না।


২. ধন্যবাদ বলার অভ্যাস করুন  

ভাতটা গরম, জামাটা ইস্ত্রি করা, বাচ্চার পড়া দেখা—এগুলো তার দায়িত্ব ভাবা বন্ধ করুন। ছোট কাজের জন্যও বলুন, “থ্যাংক ইউ”। কৃতজ্ঞতা সম্পর্ক বাঁচায়।


৩. কারণ ছাড়া প্রশংসা করুন  

“তোমাকে আজ ভালো লাগছে” বলতে উপলক্ষ লাগে না। যে মানুষটা আপনার জন্য সাজে, সে একটা কথা শুনতে চায়। সপ্তাহে একবার হলেও বলুন।


৪. তুলনা বন্ধ করুন  

অন্যের স্ত্রী কী রান্না করল, কোথায় ঘুরতে গেল—দেখা বন্ধ করুন। আপনার ঘরের মানুষটার যে গুণটা শুধু আপনার জন্য, সেটা খুঁজে বের করুন।


৫. ছোট সারপ্রাইজ ফিরিয়ে আনুন  

বেলি ফুল, তার পছন্দের চকলেট, বা ফেরার পথে একটা সিঙ্গারা। দাম না, ইচ্ছেটাই আসল। মনে করিয়ে দিন, আপনি এখনও তাকে ভাবেন।


৬. রাগের মধ্যেও সম্মান রাখুন  

ঝগড়া হবে। কিন্তু গালি না, খোঁটা না, পরিবার টেনে কথা না। রাগ মিটে যাবে, কিন্তু অসম্মানের দাগ থেকে যায়।


৭. ‘আমরা’ শব্দটা ফিরিয়ে আনুন  

“আমার অফিস”, “তোমার সংসার” না বলে বলুন “আমাদের সমস্যা”, “আমাদের প্ল্যান”। দায়িত্ব ভাগ করে নিন। একসাথে বাজার, একসাথে সিদ্ধান্ত—এতেই দূরত্ব কমে।


ভালোবাসা শুধু বিয়ের শুরুর দিনের উত্তেজনা না। ভালোবাসা মানে প্রতিদিন একই মানুষটাকে নতুন করে সম্মান করা, তার কষ্ট বোঝার চেষ্টা করা, রাগের মধ্যেও সম্পর্কটাকে গুরুত্ব দেওয়া।


হয়তো আপনার স্ত্রী আগের মতো নেই।


কিন্তু আপনিও কি আগের মতো আছেন?

এই প্রশ্নটার উত্তর যতটা সৎভাবে দিতে পারবেন, ততটাই পরিষ্কার হবে সমস্যার আসল কারণ।


অনেক সম্পর্ক ভাঙে না ভালোবাসা শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে। ভাঙে, কারণ দুজন মানুষই একসময় সম্পর্কের যত্ন নেওয়া বন্ধ করে দেন। তখন একই ছাদের নিচে থেকেও তারা একে অপরের কাছে অপরিচিত হয়ে যান।


তাই স্ত্রীকে আর ভালো লাগে না বলার আগে একবার সম্পর্কটার দিকে তাকান। হয়তো মানুষটা বদলায়নি। বদলে গেছে আপনাদের একে অপরকে দেখার অভ্যাস।


আপনার কী মনে হয়?  

একজন মানুষ কেন নিজের স্ত্রীকে আর ভালো লাগে না?  

সময়ের কারণে, অবহেলার কারণে, নাকি দুজনেই অজান্তে সম্পর্কটাকে যত্ন করা বন্ধ করে দেন?  

আপনার মতামত কমেন্টে লিখুন। আলোচনা হোক, দোষারোপ না।


#সম্পর্ক #দাম্পত্যজীবন #ভালোবাসা #সংসার #জীবনকথাimage

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1088 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 21976। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4208
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
“খারাপরা টিকে যায়, ভালোরা ভেঙে পড়ে—এটা কি কাকতাল, নাকি সিস্টেমের নীরব নিয়ম?” ভালো মù[...] বিস্তারিত পড়ুন...
449 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কিশোরদের মানসিক সংকট আমরা কেন দেখতে পাই না মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ৭ মার্চ ২০২৬ রাহি আমার পাশের বাড়ির ছেলে। বয়স সতেরো। গত বছর এই সময়টায় আমাদের গলির ক্রিকেট দলের অধিনায়ক �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
433 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

পৃথিবীর সব আলো জ্বলে উঠলে মাঝেমধ্যে— নিজের অন্ধকারটা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ থমকে দাঁড়িয়ে মনে হয়, এই যে এত আয়োজন, এর কোথাও কি আমি আছি? সবাই কুশল জানতে চাইলে অবলীলায় বলি— ভা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
19 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

   আমার বেস্ট ফ্রেন্ড এর খারাপ সময় আমি রাত জেগে কথা বলছি, সবসময় সাপোর্ট দিয়েছি। কিন্তু আমার খারাপ সময়ে একটু কথা বলতে চাইছি, মেসেজ সিন করে রেখে দেয়। মেসেজ দিলে বলে ব্যস্ত আছি, পরে কথা বল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
122 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

অশ্লীল শব্দচয়ন কে যতই মজা হিসেবে ব্যবহার করেন না কেন,সেটা আসলে কুশিক্ষা। এটা আমি মনে করি এবং আমি এগুলো একদমই পছন্দ করিনা। আপনি কিছু অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করে হাসতে হাসতে কথা বলবেন আর বলবেন আর[...] বিস্তারিত পড়ুন...
156 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    507 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    25 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    22 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...