Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

ই-নলেজ আইডিয়া

আপনার লেখার কি আছে নিজস্ব পরিচয়, স্বীকৃতি ও স্থায়ী ঠিকানা?

Author ID, স্বতন্ত্র eID, লেখার পরিচয় যাচাই, জীবন্ত পোর্টফোলিও ও ফ্রি প্রমোশন—লেখালেখির পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম।

বিস্তারিত পড়ুন ↓

আমাদের মনের ভেতর প্রতিদিন কত শত ভাবনা আসে, কত অনুভূতি জন্ম নেয়, কত কথা কাউকে বলতে ইচ্ছে করে! অথচ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার অনেক কিছুই হারিয়ে যায়। কিছু কথা কাউকে বলা হয় না, কিছু অনুভূতি ভাষা খুঁজে পায় না, আবার কিছু ভাবনা মুহূর্তের ব্যস্ততায় হারিয়ে যায় চিরতরে।

অথচ সেই ভাবনাগুলোই হয়তো একদিন একটি সুন্দর গল্প হয়ে উঠতে পারত, একটি কবিতা হয়ে কারও হৃদয় ছুঁতে পারত, কিংবা এমন কোনো লেখা হয়ে উঠতে পারত, যার মধ্যে অন্য কেউ খুঁজে পেত নিজের জীবনের গল্প।

তাই যা কিছু ভাবনায় আসে, তা এক বাক্যে হলেও লিখে রাখা উচিত। কে জানে, আজকের ছোট্ট একটি ভাবনাই হয়তো একদিন আপনার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় লেখাটি হয়ে উঠবে!

আর একটা কথা ভেবেছেন? একদিন হয়তো আপনি অনেক দূরে চলে যাবেন। সময়ের সঙ্গে মানুষের স্মৃতি থেকেও আপনার নাম মুছে যেতে পারে। কিন্তু আপনার রেখে যাওয়া লেখাগুলো আপনার অনুভূতি, চিন্তা ও অস্তিত্বের সাক্ষী হয়ে বেঁচে থাকতে পারে। কেউ হয়তো আপনার লেখা পড়ে নিজের জীবনের মিল খুঁজে পাবেন, আপনার অজানা কোনো অনুভূতি বুঝতে পারবেন। আপনি তাঁর কাছে অপরিচিত হয়েও লেখার মধ্য দিয়ে তাঁর অনুভূতির সঙ্গী হয়ে উঠতে পারেন। এটাই তো লেখার এক অসাধারণ ক্ষমতা!

কিন্তু এত সৃষ্টির স্থায়ী ঠিকানা কোথায়?

সোশ্যাল মিডিয়ায় পুরোনো লেখা টাইমলাইনের নিচে হারিয়ে যায়, আইডির কিছু হলে লেখার সোর্সও মুছে যায়। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে লেখাগুলো ছড়িয়ে থাকায় নিজের লেখক পরিচয়ের একটি পূর্ণাঙ্গ পোর্টফোলিও তৈরি করা কঠিন। নিজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত লেখার তারিখ বা তথ্যও পরিবর্তন করা সম্ভব। আবার কেউ লেখা কপি করে নিজের নামে প্রকাশ করলে মূল লেখককেই অনেক সময় নিজের লেখার পরিচয় ও প্রকাশনার উৎস খুঁজে বের করে প্রমাণ করতে হয়।

একজন লেখক কি তাঁর সময় ও শ্রম লেখালেখিতে ব্যয় করবেন, নাকি নিজের লেখার লিংক ফেরি করে বেড়াবেন?

এই সমস্যাগুলোর সমাধানের ভাবনা থেকেই গড়ে উঠেছে Enolej Idea। এটি কেবল লেখা প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম নয়; লেখকের নিজস্ব পরিচয়, প্রতিটি সৃষ্টির স্বতন্ত্র পরিচয়, লেখার সংরক্ষণ, স্বীকৃতি এবং পাঠকের সঙ্গে সংযোগ গড়ে তোলার একটি সমন্বিত ডিজিটাল লেখালেখির ইকোসিস্টেম।

১. নিজস্ব লেখক পরিচয় — Author ID

প্রতিটি লেখকের জন্য রয়েছে স্বতন্ত্র লেখক আইডি নম্বর। নিজের লেখক প্রোফাইলে পরিচিতি, প্রকাশিত লেখা ও লেখালেখির পথচলা একসঙ্গে তুলে ধরতে পারবেন। এই Author ID Bio, CV কিংবা নিজের বইয়েও ব্যবহার করতে পারবেন। ফলে লেখক হিসেবে আপনার পরিচয়ের জন্য থাকবে একটি নির্দিষ্ট ডিজিটাল ঠিকানা।

২. প্রতিটি লেখার আলাদা পরিচয় — eID

একজন লেখকের প্রতিটি সৃষ্টির জন্য রয়েছে স্বতন্ত্র eID। এটি নির্দিষ্ট লেখাটিকে তার মূল প্রকাশনা ও লেখকের পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করে। মনে রাখবেন, Author ID হলো লেখকের পরিচয়, আর eID হলো নির্দিষ্ট লেখার পরিচয়।

৩. eID Verification System

eID Verified: লেখার সঙ্গে স্বতন্ত্র eID ও মূল প্রকাশনার রেফারেন্স যুক্ত করার ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে লেখাটির পরিচয় ও Enolej Idea-তে মূল প্রকাশনার তথ্য তুলে ধরা যায়।

eID Scan: eID Verified চিহ্নযুক্ত লেখা স্ক্যান করে কয়েক সেকেন্ডে সংশ্লিষ্ট লেখক, eID ও মূল প্রকাশনার পরিচয় যাচাই করার সুবিধা।

eID Bridge: বাইরের প্রকাশনা বা প্ল্যাটফর্মেও eID ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করে, যাতে মূল লেখার পরিচয় ও Enolej Idea-তে প্রকাশিত লেখার সঙ্গে সংযোগ বজায় থাকে।

eID ব্যবস্থা লেখার পরিচয় ও মূল প্রকাশনার তথ্য যাচাই এবং স্বত্বের দাবির পক্ষে প্রাসঙ্গিক তথ্য সংরক্ষণে সহায়ক। এটি নিজে থেকে আইনি কপিরাইট নিবন্ধনের বিকল্প নয়।

৪. জীবন্ত লেখক পোর্টফোলিও

আপনার সব লেখা এক জায়গায় সাজিয়ে তৈরি করুন নিজের জীবন্ত পোর্টফোলিও। সময়ের সঙ্গে নতুন লেখা যুক্ত হবে, সমৃদ্ধ হবে আপনার লেখক পরিচয়। পাঠকও সহজেই এক জায়গা থেকে আপনার সব সৃষ্টির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন।

৫. লেখালেখির আরও সুবিধা

সিরিজ ও পর্ব: ধারাবাহিক লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজিয়ে রাখুন, যাতে পাঠক সহজেই পরবর্তী পর্বগুলো খুঁজে পান।

Draft ও Notes: অসম্পূর্ণ লেখা, প্রাথমিক ভাবনা ও প্রয়োজনীয় নোট সংরক্ষণ করুন।

এক ক্লিকে ই-বুক ও পাণ্ডুলিপি: নিজের প্রকাশিত লেখাগুলো একত্র করে ই-বুক বা পাণ্ডুলিপি তৈরি করুন।

পাঠকের সঙ্গে সংযোগ: মন্তব্য, প্রতিক্রিয়া ও প্রশ্নের মাধ্যমে পাঠকের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকুন।

Points, Badges ও Ranking: লেখালেখি ও পাঠক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে পয়েন্ট, ব্যাজ ও র‍্যাঙ্কিং অর্জনের সুযোগ।

ফ্রি প্রমোশন ও Google Discoverability: নিজের লেখা ও লেখক পরিচিতি আরও পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ।

আপনার লেখালেখির যাত্রা শুরু করতে পারেন আজই।

আপনি নতুন লেখক হোন কিংবা দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি করছেন—নিজের ভাবনা প্রকাশ করতে ভালোবাসলেই শুরু করতে পারেন। প্রতিটি লেখাই অসাধারণ হতে হবে, এমন নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের ভাবনাগুলোকে হারিয়ে যেতে না দেওয়া এবং ধীরে ধীরে নিজের লেখকসত্তাকে গড়ে তোলা।

আপনার ভাবনাগুলো মূল্যবান। সেগুলো শুধু আজকের জন্য নয়, ভবিষ্যতের জন্যও যত্ন করে রেখে দিন।

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline] →

Enolej Idea — Write. Preserve. Be remembered.

আচারে পবিত্র, বিবেকে কতটা?

লেখা যখন কণ্ঠে! শুনতে প্রস্তুত? প্রতি শনি, সোম ও বুধবার | বিকেল ৪টা ▶ FACEBOOK | ▶ YOUTUBE
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (30,677 পয়েন্ট)   31 মিনিট পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
eID স্ক্যান · লেখাটি যাচাই করা হচ্ছে, একটু অপেক্ষা করুন…

আচারে পবিত্র, বিবেকে কতটা?image

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণমূলক লেখা 

৩ নভেম্বর ২০২৬


সেদিন মাংসের দোকানে লোকটির সঙ্গে দেখা। বেশ কিছুক্ষণ ধরে তিনি মাংস দেখছিলেন। কোনটা তাজা, কোনটায় চর্বি বেশি, কোনটা নিলে বাড়ির সবাই খেতে পারবে, এসব নিয়ে তাঁর বেশ হিসাব। দোকানদারকে কয়েকবার মাংস উল্টেপাল্টে দেখাতে বললেন। একপর্যায়ে দাম নিয়েও বেশ দরদাম হলো। শেষে পছন্দমতো মাংস কিনে ব্যাগে ভরে নিলেন।


দোকান থেকে বেরিয়ে পাশের ফুলের দোকানে দাঁড়ালেন। কয়েকটা ফুল কিনলেন। ফুলওয়ালাকে দাম দেওয়ার সময় তাঁর কণ্ঠে বেশ নম্রতা। তারপর ধীর পায়ে মন্দিরের দিকে চলে গেলেন।


দৃশ্যটা দেখে আমার মনে একটা প্রশ্ন এল। একই মানুষ কয়েক মিনিটের ব্যবধানে কত ভিন্ন আচরণ করতে পারেন! মাংস কেনার সময় তাঁর চোখে ছিল হিসাব, দরদাম আর পছন্দের কঠোরতা। ফুল কেনার সময় সেই মানুষটিই বেশ বিনয়ী।


অবশ্য এতে আপত্তির কিছু নেই। দরদাম করা অন্যায় নয়, ফুল কেনাও অন্যায় নয়। ধর্মীয় উপাসনায় যাওয়া মানুষের ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়। কিন্তু আমার ভাবনাটা আটকে গেল অন্য জায়গায়। উপাসনালয়ে প্রবেশের আগে যে বিনয় তাঁর আচরণে দেখা গেল, সেই বিনয় কি দোকানের ভেতরেও থাকা সম্ভব ছিল না? মানুষের সঙ্গে ব্যবহারে, অন্য প্রাণীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিতে, নিজের প্রতিদিনের সিদ্ধান্তে সেই বিশ্বাসের কোনো ছাপ কি থাকা উচিত নয়?


আমরা ধর্মকে অনেক সময় কিছু নির্দিষ্ট আচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলি। কখন গোসল করতে হবে, কীভাবে উপাসনা করতে হবে, কোন খাবার গ্রহণ করা যাবে, কোনটি যাবে না, এসব নিয়ে আমাদের যথেষ্ট সচেতনতা আছে। ধর্মীয় বিধান মেনে চলার নিজস্ব গুরুত্বও রয়েছে। কিন্তু সেই বিধান পালনের পাশাপাশি মানুষের বিবেক কতটা সক্রিয় থাকছে, সেটি নিয়ে আলোচনা তুলনামূলকভাবে কম।


লোকটি যে মাংস কিনলেন, সেটি কোনো গাছ থেকে আসেনি। তার পেছনে একটি প্রাণীর জীবন ছিল। খাদ্যাভ্যাস মানুষের ব্যক্তিগত, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে জড়িত। মাংস খাওয়া বা না খাওয়া নিয়ে সবার মত এক হবে না। কিন্তু প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা, অপ্রয়োজনীয় কষ্ট কিংবা জীবনের প্রতি সম্পূর্ণ উদাসীনতাকে কি আমরা সহজেই উপেক্ষা করতে পারি?


আমরা খাবারের সতেজতা নিয়ে ভাবি, পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ভাবি, দাম নিয়ে ভাবি। কিন্তু খাবারের পেছনের জীবন নিয়ে ভাবার অভ্যাস কতটা আছে? একটি প্রাণীকে জবাই করার সময় আমাদের মনে কোনো প্রশ্ন আসে কি? নাকি বাজারের ব্যাগে মাংস ওঠার পর তার আগের অস্তিত্বটুকুও আমাদের চিন্তা থেকে মুছে যায়?


এই প্রশ্নের উত্তর সবার কাছে এক হবে না। কিন্তু প্রশ্নটি এড়িয়ে যাওয়ারও সুযোগ নেই।


ধর্মীয় পরিচ্ছন্নতার বিষয়েও আমাদের ভাবনার একটা সীমাবদ্ধতা আছে। কোনো মৃত মানুষের দেহ স্পর্শ করার পর কেউ ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী স্নান করেন, শুচিতার নিয়ম পালন করেন। অথচ সেই মানুষটি জীবিত থাকাকালে তাঁর সঙ্গে কেমন ব্যবহার করেছি, সেটি নিয়ে কি একই রকম সতর্কতা থাকে? বাহ্যিক শুচিতা নিয়ে আমাদের যতটা মাথাব্যথা, মনের ভেতরের হিংসা, অহংকার, বিদ্বেষ আর অন্যায় নিয়ে কি ততটা চিন্তা করি?


মন্দিরে ফুল দেওয়ার সময় হাত জোড় করা সহজ। মসজিদে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করাও সহজ। কিন্তু উপাসনালয় থেকে বেরিয়ে নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো কতটা সহজ? যে মানুষটি আমাদের চেয়ে দুর্বল, তার সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ করা কতটা সহজ? নিজের ভুল স্বীকার করে অন্যের কাছে ক্ষমা চাওয়ার সময় আমাদের বিনয় কোথায় থাকে?


আমার মনে হয়, এখানেই ধর্মীয় আচরণ আর ব্যক্তিগত বিবেকের মধ্যে সবচেয়ে বড় দূরত্ব তৈরি হয়। আমরা বিশ্বাসের পরিচয় বহন করি, কিন্তু সেই বিশ্বাসের দায়িত্ব সব সময় বহন করি না।


লোকটির দিকে আবার তাকালাম। তিনি তখন ফুল হাতে উপাসনালয়ের ভেতরে ঢুকে গেছেন। হয়তো তিনি আন্তরিকভাবেই প্রার্থনা করছেন। তাঁর বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো অধিকার আমার নেই। কিন্তু তাঁর মতো আমরাও কি কখনো নিজেদের আচরণ নিয়ে ভাবি? ধর্মীয় পরিচয়ের আড়ালে নিজের অসংগতিগুলোকে কি খুব সহজে মেনে নিই?


হয়তো লোকটি দোকানদারের সঙ্গে কোনো অন্যায় করেননি। হয়তো প্রাণীর প্রতি তাঁর নিজের বিশ্বাস ও উপলব্ধি আছে। আমি তাঁর মনের খবর জানি না। কিন্তু দৃশ্যটি আমাকে নিজের দিকেই তাকাতে বাধ্য করেছিল।


আমিও তো প্রতিদিন নানা বিষয়ে হিসাব করি। কোথায় কত টাকা বাঁচবে, কে আমাকে সম্মান দিল, কে দিল না, কার আচরণে আমি কষ্ট পেলাম। নিজের সুবিধার সময় অনেক কিছুই মেনে নিই, আবার অন্যের সামান্য ভুলে বিরক্ত হয়ে উঠি। মুখে নীতি ও বিশ্বাসের কথা বললেও প্রতিটি কাজে সেই নীতির প্রতিফলন ঘটাতে পেরেছি কি না, তার হিসাব কখনো ঠিকমতো করি না।


সেদিন ফুল হাতে উপাসনালয়ে ঢুকে যাওয়া লোকটিকে দেখে তাই শুধু তাঁর আচরণ নিয়ে ভাবিনি। নিজের ভেতরেও একই রকম কোনো বিভাজন আছে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছিল।


দোকান থেকে কেনা মাংসের ব্যাগ আর ফুলের তোড়া হয়তো কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিল। ফুল দিয়ে প্রার্থনা শেষ হয়েছে, মাংস রান্না হয়ে খাবার টেবিলে উঠেছে। দিনের ঘটনাটিও হয়তো তাঁর মনে আর নেই।


কিন্তু আমার মনে একটি প্রশ্ন রয়ে গেছে। আমরা যে পবিত্রতার খোঁজে উপাসনালয়ে যাই, সেই পবিত্রতার সামান্য অংশও কি সঙ্গে করে ফিরিয়ে আনতে পারি?


এই প্রশ্নের বাইরে আমিও নই।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 1 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1518 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 30677। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 5224
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
অন্যায়ের পবিত্র নাম মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণমূলক লেখা | ২৭ অক্টোবর ২০২৬ এক&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
21 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
চিনি কতটা দিতে হয় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প  | ৫ অক্টোবর ২০২৬ স্বামী-স্ত্রী যতই[...] বিস্তারিত পড়ুন...
41 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আমরা বন্দে মাতরম বুঝি কতটা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী। মার্চ ৩০, ২০২৬ শে&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
71 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ডানায় ধুলো, শহরে মুখোশ — আমরা আসলে কতটা জীবিত? মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী[...] বিস্তারিত পড়ুন...
486 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
পবিত্র শবেবরাতের রাত মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬ ই&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
79 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. Mayabi Ilmaz Megh

    603 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    30 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    423 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. মিস্টার পেন্সিল

    102 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Qrrier

    31 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...