Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

গল্প লিখতে গিয়ে যা হারিয়ে ফেলি

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
461 বার প্রদর্শিত
করেছেন (27,767 পয়েন্ট)   13 মার্চ "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

গল্প লিখতে গিয়ে যা হারিয়ে ফেলিimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণধর্মী | ১৩ মার্চ ২০২৬


গল্পটা লেখা শেষ হলো ২০১৯-এর একটি বৃষ্টির রাতে। সবাই পড়ে বলল—ভালো হয়েছে। কিন্তু আমি জানি, সেই পাতায় আমি এক বন্ধুকে মেরে ফেলেছি। রিফাত। আমরা আর কথা বলি না ২০২১ থেকে।


অপরাধ? না, আইনি কিছু নয়। কিন্তু সেই চরিত্রের কথা, হাঁটা, হাসি—সব তো রিফাতের। আমি তাকে কাগজে নামিয়ে এনে, গল্পের প্রয়োজনে একটা দুর্ঘটনায় শেষ করে দিলাম। পাঠকেরা কাঁদলো। আমিও কেঁদেছিলাম—তিন রাত ঘুমোতে পারিনি। তবু মনে হলো—অপরাধ করেছি। যেন সত্যিই কাউকে শেষ করে দিয়েছি।


চরিত্র তৈরি করতে গেলে মনের কোণ থেকে কিছু একটা বের করে আনতে হয়। ভয়, লোভ, ভালোবাসা—সব মিশিয়ে একটা মানুষ দাঁড় করাও। তারপর সেই চরিত্র মরে গেলে মনে হয় নিজের কিছু একটাও মরে গেল।


এক পরিচিত লেখকের কথা মনে পড়ে। তিনি লিখেছিলেন মায়ের মৃত্যু নিয়ে—যদিও তাঁর মা তখনো বেঁচে ছিলেন। বই শেষে তিনি বলেছিলেন, "মনে হলো মাকে সত্যিই হারিয়ে ফেললাম। গল্পে মা মরলো বলে মনে হলো ছাড়া হয়ে গেলাম।"


কল্পনার একটা মনস্তাত্ত্বিক দাম আছে—যা লেখো, তা তোমাকে বদলে দেয়। কখন তুমি আর কখন চরিত্র—এই সীমানা ধোঁয়াশায় মিশে যায়।


জীবন্ত চরিত্র করতে হলে তার ভেতরে ঢুকতে হয়। তার ব্যাথা তোমার ব্যাথা হয়। কখনো কখনো লেখা শেষে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মন খারাপ থাকে—চরিত্রের সাথে যা করেছো, তা মনে লেগে থাকে।


আমি একবার একাকীত্ব নিয়ে লিখেছিলাম। চরিত্রটা একা থাকতো, কারো সাথে কথা বলতো না। লেখার এক সপ্তাহ পর নিজেই লক্ষ্য করলাম—বন্ধুদের ফোন ধরছি না, বাইরে যাচ্ছি না। চরিত্রের একাকীত্বে এতটাই ডুবেছিলাম যে নিজের জীবন ভুলে গেছিলাম।


স্বাভাবিক কি? সম্ভবত নয়। কিন্তু সত্যি। লেখকরা নিজেদের ছড়িয়ে দেন চরিত্রে। সেই অংশগুলো আর ফেরত পাওয়া যায় না।


আত্মজীবনীমূলক কল্পনার একটা বিপজ্জনক আকর্ষণ আছে। জীবনের মানুষজনকে নিয়ে লেখো—নাম বদলাও, চেহারা বদলাও। কিন্তু তুমি জানো কে কে। কখনো কখনো নিজেও জানো না কোথায় সত্যি, কোথায় কল্পনা।


সুমন ছিল আমার স্কুলের বন্ধু। এখন আর যোগাযোগ নেই। কিন্তু সে আমার এক গল্পে আছে—ঠিক তার মতো কথা বলে, হাসে। গল্পে সে খারাপ হয়নি। তবু আমি জানি, তাকে ব্যবহার করেছি। তার ব্যক্তিত্ব নিয়ে নিয়েছি কাজের জন্য। এটা কি চুরি? নাকি শ্রদ্ধা?


উত্তর জানি না। তবে জানি—কেউ বলে "চরিত্রটা খুব বাস্তব লাগলো"—তখন একটা শিহরণ কাজ করে। কারণ হ্যাঁ, বাস্তব ছিল। খুবই বাস্তব।


লেখো, আশা করো পাঠক বুঝবে। কিন্তু তারা বোঝে নিজেদের মতো করে। কেউ বলে ভালো, কেউ বলে হতাশাজনক। কেউ চরিত্রকে নিজের মতো ভাবে—তোমার ভাবনার সাথে নাও মিলতে পারে।


কষ্ট দেয়? মাঝে মাঝে। যে চরিত্র নিয়ে রাত কেটেছে, কেউ বলে দেয় "বাড়াবাড়ি লাগলো।" চুপ থাকো। কারণ জানো—সেটা বাড়াবাড়ি ছিল না। সেটা ছিল তোমার সত্যি কান্না, কাগজে নামানো।


আবার কেউ বলে "আমার সাথে মিলে গেলো।" সেই মুহূর্তে মনে হয় কষ্ট সার্থক। ব্যাথা ভাগ করে দিয়েছো, কেউ নিজের বলে নিয়েছে।


গল্প লেখা মানে নিজেকে কাটাকাটি। মনের টুকরো ছড়িয়ে দেওয়া কাগজে। কিছু টুকরো ফেরত পাওয়া যায় না। তবু লেখো—কারণ লেখা ছাড়া বাঁচা যায় না মনে হয়।


আমি রিফাতকে গল্পে মেরেছিলাম। কিন্তু সে আমার মনে বেঁচে আছে। প্রতিবার কেউ পড়ে, সে জেগে ওঠে। হয়তো এভাবেই লেখকরা অমরত্ব দেন চরিত্রদের—নিজের কিছু হারিয়ে।


তুমি কি কখনো জীবনের কাউকে কল্পনায় রেখেছো? জানাও—সেই চরিত্র কে ছিল?

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1374 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 27767। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3586
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
হারিয়ে যাওয়া গ্রামের গল্প শেষ পল্লীগানের আসর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
41 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাসঃ-ছইয়ের নিচে জীবন গল্প-৬-হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ২৬ জù[...] বিস্তারিত পড়ুন...
44 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিশি উপাখ্যান সিরিজ   গল্প-৫   হারিয়ে যাওয়া আমি   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ২৯, জু[...] বিস্তারিত পড়ুন...
54 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
হারিয়ে যাওয়া গ্রামের গল্প হারিয়ে যাচ্ছে লোকজ পেশা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্ল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
43 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
পথ যা শেখায় মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন   অনুলিখন । ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫ যারা বিলাসিতার উ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
68 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    163 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    3 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    82 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    61 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    41 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...