Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ছায়ার গল্প

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
5 বার প্রদর্শিত
করেছেন (24,278 পয়েন্ট)   14 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

ছায়ার গল্প

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন 

বিশ্লেষণধর্মী। ৪ আগষ্ট, ২০২৬


পুরোনো বাংলা সাহিত্য হাতে নিলেই মাঝে মাঝে কেমন যেন থমকে যেতে হয়। ভাষা আমাদের, মানুষগুলোও চেনা। তবু কোথাও একটা অচেনা ভঙ্গি লেগে থাকে। 


গল্পের মাটি এখানকার, কিন্তু তার হাঁটাচলায় অন্য কোনো ছাঁচের ছাপ দেখা যায়।


উপনিবেশিক সময়টা কেবল শাসনের সময় ছিল না। ওটা ছিল অভ্যাস ভাঙা আর নতুন অভ্যাস গড়ার সময়ও। ইংরেজি স্কুল-কলেজে পড়ে যে সমাজ তৈরি হলো, তারা শেক্সপিয়ার পড়ল, ইউরোপীয় উপন্যাস পড়ল, নতুন ধরনের নাটক দেখল। 


তারা যখন কলম ধরল, তখন তাদের চিন্তার সঙ্গে ওই পড়াশোনার ছাপ মিশে গেল। ফলে বাংলা গল্পের গড়নটাই বদলে গেল। 


আগে গল্প বলার ধরন ছিল সোজাসাপ্টা। ঘটনার পর ঘটনা। উনিশ শতকের শেষ থেকে সেই গল্পের ভেতর চরিত্রের মন ঢুকতে শুরু করল। মানুষ শুধু কাজ করছে না, সে ভাবছে। দ্বিধায় পড়ছে। নিজের সঙ্গে লড়াই করছে। এই ভেতরের টানাপোড়েনটা পাশ্চাত্য উপন্যাস থেকে এসেছে, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।


কিন্তু তাই বলে সবটাকে নকল বললে অন্যায় হবে। কাঠামো হয়তো ধার করা। ভেতরের রক্ত, মাংস, হাড়—সবই এ দেশের। 


বাংলার পরিবার, বাংলার সমাজ, উপনিবেশের চাপ, জমিদারের অত্যাচার, মেয়েদের নীরবতা—এসবই তো সেই গল্পের বিষয়। বঙ্কিম, রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র কেউই ইউরোপের নকল করেননি। তাঁরা ইউরোপীয় যন্ত্র দিয়ে নিজেদের পৃথিবী বানিয়েছেন।

image

তবু মনের মধ্যে একটা অস্বস্তি থেকেই যায়। লোকসাহিত্য, পালাগান, মঙ্গলকাব্য—হাজার বছরের এই ধারাগুলো হঠাৎ করে “উচ্চ সাহিত্য”র তালিকা থেকে বাদ পড়ে গেল কেন? 

কারণটা সহজ। শহরের শিক্ষিত পাঠকের রুচি বদলাল। প্রকাশক, সম্পাদক, পত্রিকাও সেই রুচির দিকে তাকাল। ইংরেজি শিক্ষায় তৈরি যে মানদণ্ড, তার সঙ্গে যেটা মিলল না, সেটা ধীরে ধীরে পেছনে পড়ে গেল। আঞ্চলিক ভাষা, গ্রামের অভিজ্ঞতা, মৌখিক গল্প—সব একটু কোণঠাসা হয়ে গেল।


এখানেই আসে আত্মপরিচয়ের প্রশ্ন। আমরা কি তখন নিজের চোখে নিজেকে দেখছিলাম? 

নাকি অন্যের চোখ ধার নিয়ে দেখছিলাম? 

সাহিত্যে যে সমাজ উঠে এল, সেটা কি পুরো বাংলা সমাজ? 

নাকি শুধু শিক্ষিত ভদ্রসমাজের জীবন? 

এই প্রশ্নের উত্তর এক কথায় দেওয়া যায় না।


আবার পুরো ব্যাপারটাকে কালো আর সাদায় ভাগ করাও ঠিক হবে না। পাশ্চাত্য আঙ্গিক এসেছে ঠিকই। কিন্তু সেই আঙ্গিকের ভেতর দিয়ে আমাদের গল্পই বলা হয়েছে। ফলে একটা মিশ্র অবস্থা তৈরি হলো। না পুরোপুরি অনুকরণ, না পুরোপুরি স্বাধীনতা। এই টানাপোড়েন, এই দোটানা—এটাই আসলে বাংলা আধুনিক সাহিত্যের আসল চেহারা।


উপনিবেশের আরেকটা মানসিক প্রভাব ছিল আরও গভীর। ইংরেজি জানা মানেই আধুনিক। ইংরেজি জানা মানেই উন্নত। এই ধারণা সমাজে শেকড় গাড়ল। তার ফলেই “উচ্চ সাহিত্য” আর “লোকজ সাহিত্য”র মধ্যে একটা দেওয়াল উঠে গেল। নিজের ধারাগুলো নিজের কাছেই ছোট হয়ে গেল। একটা সাংস্কৃতিক দ্বিধা জন্ম নিল। আমরা কি নিজেরা যথেষ্ট?


আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে প্রশ্নটা একই আছে। আমরা কি সেই প্রভাব থেকে পুরোপুরি বের হতে পেরেছি? পারিনি। এখনো আমরা পাশ্চাত্য তত্ত্ব দিয়ে নিজের সাহিত্যের বিচার করি। আবার একই সঙ্গে লোকজ ধারাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করি। টানাপোড়েনটা শেষ হয়নি। শুধু তার রূপটা বদলেছে।


তাই উপনিবেশিক প্রভাবকে শুধু ক্ষতিকর বলা যায় না। আবার শুধু উপকারীও বলা যায় না। এটা একই সঙ্গে চাপ ছিল, আবার সুযোগও ছিল। আসল প্রশ্নটা অন্য জায়গায়। এই ধার নেওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে আমরা নিজের সত্তাটাকে কতটা বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছি?


আমার মনে হয়, ওই প্রভাব আমাদের সাহিত্যকে না পুরোপুরি ক্ষতি করেছে, না শুধু দরজা খুলেছে। বরং এই দ্বন্দ্বটাই আমাদের সাহিত্যকে এত জটিল, এত বহুস্তর আর এত প্রাণবন্ত করেছে। আমরা যদি শুধু নিজের ছাঁচে থাকতাম, হয়তো গল্পগুলো আলাদা হতো। আবার যদি পুরোটা ধার নিতাম, তাহলে গল্পগুলো আমাদের থাকত না। আমরা দাঁড়িয়ে আছি ঠিক মাঝখানে। আর সেই মাঝখানটাই আমাদের জায়গা।


আপনার কী মনে হয়?

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1202 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 24278। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4563
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


ছায়ার প্রাসাদ লেখকঃ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন লেখার ধরনঃ ভৌতিক গল্প তারিখঃ ২৯ অক্টোবর[...] বিস্তারিত পড়ুন...
110 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

হারিয়ে যাওয়া গ্রামের গল্প হারিয়ে যাওয়া গ্রামের গল্প দাদুর মুখের গল্প মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ০২ আগষ্ট,  ২০২৬ একটা সময় রাতের খাবার শেষ হলেই গল্পের আসর বসত। এখন সেই সময়ট�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
5 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

হারিয়ে যাওয়া গ্রামের গল্প মাটির ঘরের শেষ গল্প মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ০২ আগষ্ট,  ২০২৬ ইটের বাড়ি বেড়েছে, কিন্তু মাটির ঘরের সেই উষ্ণ অনুভূতিটা যেন কোথাও হারিয়ে গেছে। একটা �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
5 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
হারিয়ে যাওয়া গ্রামের গল্প শেষ পল্লীগানের আসর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
7 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
গল্প আছে, সাহিত্যে নেই    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   বিশ্লেষণধর্মী । ১২ জুন, ২০২৬ চারপ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
418 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    444 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    22 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    2 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...