Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

প্রত্যাশার সীমা: বাবা-মায়ের আর সন্তানের চোখে

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
482 বার প্রদর্শিত
করেছেন (27,767 পয়েন্ট)   25 নভেম্বর 2025 "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

প্রত্যাশার সীমা: বাবা-মায়ের আর সন্তানের চোখেimage

মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণধর্মী। ২৫ নভেম্বর ২০২৫


রহিমা বেগম তার সন্তানের কবরের পাশে এসে কাঁদতে কাঁদতে কিছু ফুল রাখল।

বলল, “বাবা, আমাকে ক্ষমা করে দিও… আমি বুঝতে পারিনি।”


ঘরে ফিরে রনি, রহিমা বেগমের ছেলে, বলল,

“মা, আমি ইউনিভার্সিটিতে সেকেন্ড ক্লাস পেয়েছি।

এর জন্য আমার অনেক কষ্ট হয়েছে।”


রহিমা বলল, “সেকেন্ড ক্লাস? তোর তো ফার্স্ট ক্লাস পাওয়াটা উচিত ছিল।

আমি তোকে নিয়ে কত স্বপ্ন দেখেছি। আর তুই… এ কী রেজাল্ট করলি?”


রনি চোখের পানি মুছতে মুছতে বলল,

“মা, তুমি কি খুশি নও এই রেজাল্টে?”

“না, একদম না। আমি যা চেষ্টা করেছি, তাতে তোর কোনো অর্জন চোখে পড়ে না।

পাশের বাসার ছেলেটি ফার্স্ট ক্লাস পেয়েছে, এখন সে বড় একটি কোম্পানিতে চাকরি করে, লাখ টাকার বেতন পায়… আর তুই এখানে বসে আছিস।”


রনি স্থির গলায় বলল,

“মা, আমার যতটুকু সামর্থ্য, আমি তাই দিয়েছি। সত্যি বলছি, আমি অনেক পরিশ্রম করেছি।

এত পরিশ্রমের ফল যদি থাকে না, তবে কী লাভ?”


“পাশের বাসার আরেক ছেলেটি অ্যামেরিকা যাচ্ছে, আর তুই বাংলাদেশেই পড়ছিস। দেশে থাকা কি অপরাধ? নিজের দেশে থাকলে কি সম্মান থাকে না?”

রনি নিজেকে শান্ত করতে চাইলেও কান্না থামছিল না।

“মা, সবাই সমান না। হাতের পাঁচ আঙুল সমান না। আমি সবার মতো নই, সবাই সব করতে পারবে না।

যতটুকু সামর্থ্য আমার আছে, আমি ততটুকুই অর্জন করতে পারব।

আমি শুধু চাই, মা… আমি চাই তুমি আমাকে বড় অবস্থায় দেখো।”


রহিমা বোঝার চেষ্টা করল,

“হ্যাঁ, দেখতে চাই—তবে তুমি কেন সবসময় আমাকে হতাশ করো?”


রনি বিষণ্ণ হয়ে বলল,

“মা, তোমার সঙ্গে কথা বললেই হতাশ হই। এই জীবন আর ভালো লাগে না। কেউ আমাকে বোঝে না। পৃথিবী শুধু হতাশা, কাছের মানুষ বলতে কেউ নেই। বেঁচে থাকা বৃথা মনে হয়।”


এক মুহূর্তের জন্য চুপচাপ বসে রনি একগাদা ওষুধ খেয়ে ফেলল।


পরের দিন সকাল বেলায় রহিমা বেগম রনির রুমে গিয়ে ডাক দিলেন।

কিন্তু রনি আর ঘুম থেকে উঠল না।

অনেক ডাকাডাকি করেও সে আর উঠল না।

শেষ পর্যন্ত রহিমা বুঝতে পারল, তার ছেলে আর বেঁচে নেই।


রনির হাতের কাছে একটি কাগজ দেখতে পেলেন।

কাগজে লেখা ছিল,

“মা, আমি ফার্স্ট ক্লাস পেলাম না। চাকরিও পেলাম না। আমি তোমার মনের মতো ছেলে হতে পারিনি। তাই আমি এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিলাম। আমাকে ক্ষমা করে দিও।”


রহিমা বেগম কাঁদতে কাঁদতে বললেন,

“আমি যদি বুঝতে পারতাম… আজ তুই বেঁচে থাকতিস। বাবা এখন এই বৃদ্ধ বয়সে আমি কাকে নিয়ে থাকব?”


বর্তমান সমাজে অনেক সন্তানের মানসিক চাপ একই রকম।

অনেক বাবা-মায়ের অতিরিক্ত প্রত্যাশা সন্তানদের উপর মারাত্মক চাপ তৈরি করে।

প্রত্যেক বাবা-মা তাদের সন্তানের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রত্যাশা রাখলে ভালো হয়।


সন্তানদের মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিয়ে, তাদের হতাশ না করে, নেতিবাচক না হয়ে, সর্বদা ইতিবাচকভাবে পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব।


মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই সুন্দর পৃথিবীতে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন। আমিন।



#প্রত্যাশারসীমা #সন্তানমানসিকস্বাস্থ্য #হতাশানিবারণ #ইতিবাচকপাশে থাকা #মানবলিখিত #পিতামাতারদায়িত্ব #মানুষেরকাহিনী



 ‌

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1374 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 27767। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
"নিজস্ব আইডিয়া"
Enolej ID(eID): 1559
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
আটটা কুকুর ছানার চোখে আমি আর তুমি মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন | প্রবন্ধ। ০৩ ডিসেম্বর, ২০২ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
471 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বাবার চোখে পরিবার ও সন্তানের ভবিষ্যৎ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ফেব্রু[...] বিস্তারিত পড়ুন...
469 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
মানবজীবনের প্রতিটি পর্যায়ের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। তবে কৈশোর বা টিনএজ (১৩–১৯ বছর) হল&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
262 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বাবা-মায়ের সঙ্গে দূরত্ব মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  বিশ্লেষণধর্মী। ৩০ জুন, ২০২৬ "বাবা-&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
56 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বৃদ্ধ বাবা-মায়ের একাকীত্ব মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী কলাম | ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ আমার বাবার চশমাটা ভাঙা। ডান দিকের কাঁচটা ফাটল ধরেছে, তিনি সেলোটেপ লাগিয়ে চালাচ্ছেন। আমি বলেছিল�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
451 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    163 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    3 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    82 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    61 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    41 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...