Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

বিচার দিতে গিয়ে (দাম্পত্য, পরিবার ও সামাজিক মনস্তত্ত্ব)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (29,185 পয়েন্ট)   13 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

বিচার দিতে গিয়ে

(দাম্পত্য, পরিবার ও সামাজিক মনস্তত্ত্ব)image

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণমূলক লেখা

২২ অক্টোবর ২০২৬


সেদিন বিকেলে নিশি ব্যাগ গোছাচ্ছিল। অভিক পাশের ঘরে বসে ছিল। দুজনের মধ্যে কথা বন্ধ। যাওয়ার আগে নিশি একবার বলল, ‘তোমার সঙ্গে কথা বলে আর লাভ নেই।’


অভিক মুখ তুলে তাকাল, কিন্তু কিছু বলল না। তার এই চুপ করে থাকাটাই নিশির আরও রাগ বাড়িয়ে দিল। ব্যাগটা হাতে নিয়ে সে বাবার বাড়ির উদ্দেশে বেরিয়ে গেল।


ঝগড়াটা খুব বড় কোনো বিষয় নিয়ে শুরু হয়নি। অভিক অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত ছিল। নিশি সারাদিনের কিছু কথা বলতে চেয়েছিল। অভিক মন দিয়ে না শুনে বলেছিল, ‘এখন একটু বিশ্রাম নিতে দাও, পরে কথা বলব।’


কথাটা সাধারণ হলেও নিশির মনে হয়েছিল, তার কথার কোনো মূল্য নেই। সেখান থেকে শুরু হয় তর্ক।


বাবার বাড়িতে পৌঁছে নিশি প্রথমে চুপ করে ছিল। মা বারবার জিজ্ঞেস করায় একসময় সব খুলে বলল। মা মেয়ের চোখের পানি দেখে নিজেকে সামলাতে পারলেন না। বাবা শুনে রেগে গেলেন - ‘আমরা কি মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি এমন ব্যবহার সহ্য করার জন্য?’


নিশি সেদিন বাবার কথায় স্বস্তি পেয়েছিল। কিন্তু সে ভাবেনি, তার বলা কথাগুলো মা-বাবার মনে অভিক সম্পর্কে কী ধারণা তৈরি করছে।


কয়েক দিন পর অভিক নিজেই নিশিকে ফোন করল। ধীরে ধীরে অভিক বলল, সে সেদিন অফিসের চাপ নিয়ে বাড়ি ফিরেছিল, খারাপভাবে কথা বলা ঠিক হয়নি। নিশিও স্বীকার করল, রাগের মাথায় কিছু কথা বেশি বলে ফেলেছে। কথা বলতে বলতে দুজনের অভিমান কমল। নিশি বাড়ি ফিরে এল।


অভিক দরজা খুলে দাঁড়িয়েছিল। নিশি ভেতরে ঢুকল, ব্যাগটা ঘরের এক পাশে রাখল।


কিন্তু কয়েক দিন পর নিশি বুঝতে পারল, সবকিছু ঠিক হয়নি।


বাবা ফোন করে জানতে চাইলেন, অভিক আবার কোনো খারাপ ব্যবহার করেছে কি না। মা বললেন, ‘তোর মুখ দেখলেই বোঝা যায়, তুই ভালো নেই।’


অভিকও শ্বশুরবাড়িতে গেলে আগের মতো স্বচ্ছন্দ বোধ করত না।


এক রাতে অভিক জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি কি তোমার বাবাকে বলেছ, আমি তোমার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করি না?’


নিশি বলল, ‘আমি তো শুধু কী হয়েছে, সেটাই বলেছি।’


অভিক বলল, ‘আমরা তো পরে নিজেদের মধ্যে সব ঠিক করে নিয়েছি। তাঁদের কাছে কি সেই কথাটাও পৌঁছেছে?’


নিশি উত্তর দিতে পারল না।


রাগের সময় মানুষ নিজের কষ্টটাই সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখতে পায়। পরিবারের মানুষ যখন সেই কষ্টের কথা শোনেন, তখন তাঁরা নিরপেক্ষ দর্শক হয়ে থাকতে পারেন না।


সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন স্বামী-স্ত্রী নিজেদের মধ্যে মিটমাট করে ফেলেন, কিন্তু পরিবারের মনে তৈরি হওয়া ক্ষোভ আর দূর হয় না।


অবশ্য মারধর বা নিরাপত্তার ভয় থাকলে চুপ করে থাকা যায় না, তখন বাইরের সাহায্য লাগেই। কিন্তু সাধারণ ঝগড়া আর নির্যাতন এক নয়।


কিছুদিন পর নিশি মাকে বলল, ‘মা, আমাদের মধ্যে সমস্যা হয়। কিন্তু সব সময় শুধু ওর ভুলগুলো বললে তোমরা ওকে অন্যভাবে দেখবে। পরে আমাদের মিটমাট হলেও তোমাদের মনে সেই রাগটা থেকে যাবে।’


সেদিন রাতে অভিক বাড়ি ফিরলে নিশি তার জন্য খাবার বাড়ল। দুজনের মধ্যে সেদিনও সব বিষয়ে একমত হওয়া হয়নি। কিন্তু তারা কথা বলার চেষ্টা করছিল—একে অন্যকে হারানোর জন্য নয়, নিজেদের বোঝার জন্য।


কারণ স্বামী-স্ত্রী হয়তো একদিনের ঝগড়া ভুলে আবার পাশাপাশি বসতে পারেন। কিন্তু সেই ঝগড়ার কথা শুনে পরিবারের মনে যে অবিশ্বাস জন্মায়, তা মুছে যেতে অনেক বেশি সময় লাগে।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1444 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 29185। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 5045
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
না বলার অপরাধ (নারী, পরিবার ও সামাজিক মনস্তত্ত্ব) মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণমূ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিজের জীবন, নিজের ভয় (নারী, পরিবার ও সামাজিক মনস্তত্ত্ব) মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্ল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আদর্শ পরিবার: স্বামী-স্ত্রীর অধিকার ও যৌথ কর্তব্য (শেষ পর্ব) মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  [...] বিস্তারিত পড়ুন...
262 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আদর্শ পরিবার: বিবাহোত্তর কু-প্রথা ও স্বামীর কর্তব্য (ষষ্ঠ পর্ব) মোহাম্মদ জাহিদ হোসú[...] বিস্তারিত পড়ুন...
212 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আদর্শ পরিবার: বিবাহোত্তর কর্তব্য ও সুন্নাত (পঞ্চম পর্ব) মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   প্র&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
213 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1581 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    8 মন্তব্য

    78 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    126 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    83 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. অমিত দত্ত দিলু

    65 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...