Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

নিজেকেই কেন্দ্র করে

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (27,747 পয়েন্ট)   55 মিনিট পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

নিজেকেই কেন্দ্র করেimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণমূলক লেখা | ৪ অক্টোবর ২০২৬


কিছু মানুষ ঘরে থাকেন, অথচ ঘরের মানুষগুলোর সঙ্গে যেন থাকেন না। একই টেবিলে বসে খাওয়া হয়, একই সংসারের হিসাব চলে, অথচ কোথাও একটা দূরত্ব থেকেই যায়। তারা কথা বলেন, কিন্তু অন্যের কথা খুব একটা শোনেন না। নিজের কষ্ট সত্যি, নিজের অপমান বড়, নিজের প্রয়োজন জরুরি। অন্যের কষ্ট বা প্রয়োজন ধীরে ধীরে পেছনে পড়ে যায়।


এ ধরনের আচরণে নার্সিসিস্টিক প্রবণতা থাকতে পারে। তবে দু-একটি আচরণ দেখেই কাউকে নার্সিসিস্ট বলা ঠিক নয়। আত্মবিশ্বাসী হওয়া, নিজের সাফল্যে আনন্দ পাওয়া কিংবা নিজের মতকে গুরুত্ব দেওয়া স্বাভাবিক। বিষয়টি তখনই ভাবার মতো হয়, যখন নিজের গুরুত্ব এতটাই বড় হয়ে ওঠে যে অন্যের অনুভূতি, প্রয়োজন বা মর্যাদা বারবার তুচ্ছ হয়ে যায়।


এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে কাছের মানুষগুলোর ওপর।


স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো কথা নিয়ে মনোমালিন্য হয়েছে। স্ত্রী বললেন, “তোমার কথায় আমি কষ্ট পেয়েছি।”


উত্তর এল, “তুমি সবকিছুতেই বেশি সংবেদনশীল।”


এরপর আর তার কষ্ট নিয়ে কথা হলো না। আলোচনা ঘুরে গেল, তিনি কেন এত কিছু মনে করেন, কেন পুরোনো কথা টেনে আনেন, কেন সামান্য বিষয়কে বড় করেন। কিছুক্ষণ পর যে মানুষটি কষ্ট পেয়েছিলেন, তিনিই হয়তো ভাবতে শুরু করলেন, “আমি কি সত্যিই বাড়াবাড়ি করছি?”


দিনের পর দিন এমন হলে মানুষ একসময় নিজের অনুভূতিকেই সন্দেহ করতে শুরু করে। যে কথায় আগে কষ্ট লাগত, সেটাকে পরে স্বাভাবিক মনে হয়। প্রতিবাদ করার জায়গায় চুপ থাকাই সহজ লাগে।


পরিবারেও এর অন্য রূপ দেখা যায়।


একজন বাবা ছেলের ভালো রেজাল্টের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দিয়ে লিখলেন, “আমার ছেলের জন্য গর্বিত।” সবাই প্রশংসা করল। অথচ আগের রাতে সেই ছেলেটাই পরীক্ষার ভয় নিয়ে বাবার পাশে বসেছিল। বাবা তখন ফোনে ব্যস্ত ছিলেন।


বাইরের মানুষ বাবার গর্ব দেখল। ছেলেটা মনে রাখল, তার ভয়টা কেউ শুনতে চায়নি।


বন্ধুত্বেও একই ঘটনা ঘটে। একজন বন্ধু চাকরি হারানোর কথা বলতে শুরু করল। কিছুক্ষণ পর অন্যজন নিজের সমস্যার গল্প শুরু করে দিল। তারপর নিজের সংগ্রাম, নিজের কষ্ট, নিজের সাফল্য। যে মানুষটি কথা বলতে চেয়েছিল, সে চুপ হয়ে গেল।


কথোপকথন তখন আর দুজনের থাকে না। একজন বলছে, অন্যজন অপেক্ষা করছে কখন আবার নিজের কথাটা বলা যাবে।


“আজ অফিসে আমার কাজটার অনেক প্রশংসা হয়েছে।”


কথাটা শুনে হয়তো উত্তর এল, “আমার সময়ে তো তিন মাসের মাথায় প্রমোশন হয়েছিল।”


আবার কেউ বলল, “এই কয়েকদিন খুব খারাপ লাগছে।”


সামনের মানুষটি নিজের কষ্টের কথা বলতে শুরু করল, “আমার সমস্যাগুলো জানলে বুঝতে পারতে কষ্ট কাকে বলে।”


এভাবেই তৈরি হয় অদৃশ্য এক প্রতিযোগিতা—কার কষ্ট বেশি, কার সাফল্য বড়, কার কথা আগে শোনা হবে।


নার্সিসিস্টিক প্রবণতার সঙ্গে স্বীকৃতির এই তাগিদটিও থাকতে পারে। নিজের সাফল্যকে গুরুত্ব দেওয়া চাই, কিন্তু অন্যের সাফল্যকে জায়গা দেওয়া তখন কঠিন হয়ে পড়ে। বাইরে থেকে এমন মানুষকে আবার বেশ আত্মবিশ্বাসী ও আকর্ষণীয়ও মনে হতে পারে। নতুন পরিচয়ে তাদের এই দিকটা ধরা কঠিন। সম্পর্ক যত গভীর হয়, ততই আচরণগুলো স্পষ্ট হতে থাকে।


তাই কাউকে তকমা দেওয়ার আগে বরং কিছু প্রশ্ন করা যায়।


ভুল হলে সে কি নিজের ভুল স্বীকার করে? অন্যের কষ্ট শুনে কি একটু থামতে পারে? “না” শুনলে কি সেটাকে সম্মান করে? আপনার ভালো কিছু হলে কি সত্যিই খুশি হয়? নাকি প্রায় প্রতিবারই কথাটা ঘুরে তার নিজের দিকে চলে যায়?


একটি-দুটি ঘটনার চেয়ে এসব আচরণ যদি নিয়মিত হয়, তখন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।


আর তখন অনেকেই ভাবেন, মানুষটাকে বুঝিয়ে বদলে দেবেন।


“আরেকটু ধৈর্য ধরলে বুঝবে।”


“কথাটা অন্যভাবে বললে হয়তো বুঝবে।”


“আমি নিজেই একটু বদলে গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে।”


কখনো মানুষ বদলায়। কিন্তু তার জন্য নিজের আচরণ নিয়েও ভাবতে হয়। ভুল স্বীকার করতে হয়। অন্যের কষ্টকেও সত্যি বলে মেনে নিতে হয়। এই কাজটা একজন মানুষ একা করে ফেলতে পারে না।


তাই এমন সম্পর্কে নিজের জায়গাটাও মনে রাখা দরকার। সব কথার উত্তর দিতে হবে না। প্রতিটি অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে হবে না। কেউ আপনার কষ্টকে “বাড়াবাড়ি” বললেই সেটাকে সত্যি ধরে নেওয়ারও দরকার নেই।


নিজের কষ্টকে গুরুত্ব দেওয়া মানে এই নয় যে আমি সবসময় ঠিক। আমিও ভুল করতে পারি। কিন্তু আমার কষ্টটা যে কষ্ট, সেটুকু বলার অধিকার অন্তত থাকা দরকার।


শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা শুধু এই নয় যে, মানুষটি নার্সিসিস্টিক কি না।


আরও বড় প্রশ্ন হলো, তার সঙ্গে থাকতে থাকতে আপনি কেমন মানুষ হয়ে যাচ্ছেন?


আগের মতো কি নিজের কথা বলতে পারছেন? কষ্ট পেলে বলতে পারছেন? নাকি প্রতিটি কথা বলার আগে ভাবতে হচ্ছে, সে কীভাবে নেবে?


একসময় হয়তো খেয়াল করবেন, মানুষটি ঘরেই আছে। কথা বলছে, হাসছে, সংসারও চলছে। শুধু ঘরের অন্য মানুষগুলো তার পাশে থেকেও আর নিজেদের মতো নেই।


ঘরে থাকা আর ঘরের মানুষ হয়ে থাকা—দুটো এক জিনিস নয়।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1373 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 27747। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4926
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
শিক্ষা কি শ্রেণীভেদ তৈরি করে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, প্রাবন্ধিক প্রবন্ধ। এপ্রিল ১১, [...] বিস্তারিত পড়ুন...
68 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
পরিবার যেখানে নিঃশব্দে আঘাত করে    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  বিশ্লেষণধর্মী। জানুয়ার&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
479 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
মৃত ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে প্রচলিত বিদ‘আত ও কুসংস্কার মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন প্রবন[...] বিস্তারিত পড়ুন...
197 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সিরিজের নামঃ- নিজের জীবনটাও ছিল গল্প ৪-একটা জীবন ধার করে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
96 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
#তুমি_অনিবার্য পর্ব: ১১ লেখনি: ইসরাত জাহান  বৃষ্টি থেমেছে অনেক রাতে, কিন্তু রায়বা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
194 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    143 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    3 মন্তব্য

    7 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. ফাহিম আহমাদ

    61 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    61 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    41 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...