Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

#প্রিন্স_ফ্রেরাসে #কোরআন তকমাধারী সাম্প্রতিক ব্লগগুলো


পর্ব ৬: মৃত্যুর কাউন্টডাউন "সবাই পিছিয়ে যাও!" মেহেদীর চিৎকার শেষ হতেই মারুফ এক ঝটকায় মিতু আর সৌরভকে টেনে সরিয়ে দিলেন। শাহীনুর মাটিতে গড়িয়ে পাশের একটি কংক্রিটের স্তম্ভের আড়ালে চলে গেল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনের ভাষার একটি সূক্ষ্ম বৈশিষ্ট্য হলো, "নামানো" বোঝাতে সব জায়গায় একই ক্রিয়া ব্যবহার করা হয়নি। কখনো أَنزَلَ (আনযালা), আবার কখনো نَزَّلَ (নাযযালা) ব্যবহৃত হয়েছে। যদিও উভয়ই نزل (নাযালা) ধাতু থ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
15 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনে মানুষের অন্তর সত্য গ্রহণ না করার অবস্থা বোঝাতে একই শব্দ ব্যবহার করা হয়নি। কোথাও বলা হয়েছে "মোহর মেরে দেওয়া হয়েছে", আবার কোথাও বলা হয়েছে "তালা লাগানো আছে"। এই দুটি শব্দ সমার্থক নয়;[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনের অন্যতম ভাষাগত বৈশিষ্ট্য হলো التوكيد (তাওকীদ), অর্থাৎ বক্তব্যকে বিভিন্ন ভাষাগত উপায়ে আরও দৃঢ় ও নিশ্চিত করা। আরবি ভাষায় জোর প্রকাশের জন্য একাধিক কৌশল রয়েছে, আর কোরআন প্রয়োজন অনুযা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনের ভাষার একটি সূক্ষ্ম বৈশিষ্ট্য হলো, বহু আয়াতে "শ্রবণ" বোঝাতে السَّمْع (আস-সাম্') একবচন ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু "দৃষ্টি" বোঝাতে الأَبْصَار (আল-আবসার) বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন: �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনের ভাষাশৈলীর একটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও আলোচিত বৈশিষ্ট্য হলো, কয়েকটি সূরার শুরুতে আল্লাহ বলেন: «لَا أُقْسِمُ بِيَوْمِ الْقِيَامَةِ "না, আমি কিয়ামতের দিনের শপথ করছি।" (সূরা আল-কিয়ামাহ ৭৫:১)» আবার বল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনের ভাষার একটি আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো, অধিকাংশ স্থানে "আকাশ" এসেছে বহুবচনে (السماوات), কিন্তু "পৃথিবী" এসেছে একবচনে (الأرض)। আল্লাহ বলেন: «اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ وَمِنَ الْأَرْضِ مِثْلَهُنَّ "আল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বাংলায় আমরা সাধারণত "সৃষ্টি করা" শব্দটিই ব্যবহার করি। কিন্তু কোরআনে সৃষ্টি বোঝাতে একাধিক আরবি ক্রিয়া ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি ক্রিয়া সৃষ্টির ভিন্ন দিককে প্রকাশ করে। ১. خَلَقَ (খালাকা) :[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বাংলায় আমরা সাধারণত "মানুষ" শব্দটিই ব্যবহার করি। কিন্তু কোরআনে মানুষকে বোঝাতে একাধিক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি শব্দ মানুষের ভিন্ন পরিচয়, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্যকে প্রকাশ করে। ১. الإِنس[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনের ভাষাশৈলীর একটি অসাধারণ দিক হলো, এটি মানুষের জ্ঞান ও উপলব্ধির কেন্দ্রকে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে প্রকাশ করে। আল্লাহ বলেন: «فَإِنَّهَا لَا تَعْمَى الْأَبْصَارُ وَلَٰكِن تَعْمَى الْقُلُوبُ الَّتِي فِي الصُّدُورِ [...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

আরবি ভাষায় "জ্ঞান" বোঝাতে একাধিক শব্দ রয়েছে। কিন্তু একটি বিষয় লক্ষণীয়, কোরআনে 'عِلْم' (ইলম) শব্দটি শত শতবার ব্যবহৃত হলেও 'مَعْرِفَة' (মা'রিফাহ) শব্দটি "জ্ঞান" অর্থে প্রায় ব্যবহারই করা হয়নি। এটি [...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনের ভাষার একটি সূক্ষ্ম বৈশিষ্ট্য হলো, "বছর" বোঝাতে সব জায়গায় একই শব্দ ব্যবহার করা হয়নি। আরবি ভাষায় سنة (সানাহ) এবং عام (আম) উভয়ের অর্থই "বছর", কিন্তু কোরআনে এদের ব্যবহার প্রসঙ্গ অনুযায়ী [...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনে "হাঁটা" বা "চলা" বোঝাতে সব জায়গায় একই আরবি ক্রিয়া ব্যবহার করা হয়নি। বরং প্রসঙ্গ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন শব্দ এসেছে, এবং প্রতিটি শব্দ নিজস্ব অর্থ বহন করে। ১. مَشَى (মাশা) : সাধারণভাবে হাঁট�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনে "বলা" বোঝাতে একই শব্দ ব্যবহার করা হয়নি। কখনো এসেছে قُلْ (কুল), আবার কখনো قَالَ (ক্বালা)। যদিও উভয়ই ق و ل (ক-ও-ল) ধাতু থেকে এসেছে, তবে তাদের ব্যাকরণগত রূপ ও উদ্দেশ্য ভিন্ন। ১. قُلْ (কুল) : আদেশসূচক (Im[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনে জাহান্নামকে সব জায়গায় একই নামে ডাকা হয়নি। বরং বিভিন্ন প্রসঙ্গে বিভিন্ন নাম ব্যবহার করা হয়েছে। এটি শুধু ভাষার বৈচিত্র্য নয়, বরং প্রতিটি নাম জাহান্নামের একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনে আল্লাহ কখনো নিজের জন্য "أنا" (আমি) ব্যবহার করেছেন, আবার অনেক জায়গায় "نحن" (আমরা) ব্যবহার করেছেন। এটি আরবি ভাষার একটি সুপরিচিত অলঙ্কারিক রীতি, যাকে جمع التعظيم (জামউত-তা'যীম) বা Plural of Majesty বলা হয়। �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনের ভাষার একটি সূক্ষ্ম বৈশিষ্ট্য হলো, সব জায়গায় "জীবন" (الحياة) আগে এবং "মৃত্যু" (الموت) পরে আসেনি। বরং প্রসঙ্গ অনুযায়ী শব্দের ক্রম পরিবর্তন হয়েছে। এটি কাকতালীয় নয়, বরং অর্থের সঙ্গে সামঞ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কোরআনের একটি অসাধারণ ভাষাগত বৈশিষ্ট্য হলো, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের আগে আল্লাহ বিভিন্ন সৃষ্টির শপথ করেছেন। এটি আরবি বালাগাহর একটি শক্তিশালী অলঙ্কার, যার উদ্দেশ্য পরবর্তী বক্তব্যের গুরুত্ব �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বাংলায় আমরা সাধারণত "হৃদয়" বা "মন" শব্দ ব্যবহার করি। কিন্তু কোরআনে হৃদয়ের বিভিন্ন অবস্থা বোঝাতে একাধিক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। প্রতিটি শব্দ মানুষের অন্তরের ভিন্ন ভিন্ন দিক প্রকাশ করে। ১. قَل[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বাংলায় আমরা সাধারণত "দেখা" শব্দটিই ব্যবহার করি। কিন্তু কোরআনে "দেখা" বোঝাতে বিভিন্ন প্রসঙ্গে বিভিন্ন ক্রিয়া ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি শব্দের অর্থ ও উদ্দেশ্য আলাদা। ১. رَأَى (রা'আ) : চোখে দে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    2510 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    125 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1941 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    96 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    242 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...