Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

বাবা-মায়ের সঙ্গে দূরত্ব

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (21,469 পয়েন্ট)   9 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

বাবা-মায়ের সঙ্গে দূরত্বimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন 

বিশ্লেষণধর্মী। ৩০ জুন, ২০২৬


"বাবা-মা বুড়ো হওয়ার আগে আমরা ব্যস্ত হয়ে যাই, আর ব্যস্ততা একটু কমতে কমতে দেখি, তারা অনেকটাই একা হয়ে গেছেন।"


কয়েক দিন আগে এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছিলাম। রাতের খাওয়া শেষ। সবাই যে যার মতো ব্যস্ত। কেউ ফোনে, কেউ টেলিভিশনের সামনে।


ওর বাবা একা বারান্দায় বসে ছিলেন।


হঠাৎ হেসে বললেন,

 "তোদের ছোটবেলায় খেতে বসলে কত গল্প হতো। এখন সবাই একসঙ্গে বসে, কিন্তু কারও সঙ্গে যেন কারও দেখা হয় না।"


কথাটা খুব সাধারণ ছিল। কিন্তু বাড়ি ফেরার পরও মাথা থেকে নামেনি।


আমার মনে হয়, বাবা-মায়ের সঙ্গে দূরত্ব কোনো বড় ঝগড়া দিয়ে শুরু হয় না। 


শুরু হয় খুব ছোট ছোট জায়গা থেকে। 

আজ একটা ফোন ধরা হলো না। 

কাল বললাম, "এখন একটু ব্যস্ত, পরে কথা বলি।" তারপর সেই "পরে" আর এল না।


এভাবেই দূরত্ব তৈরি হয়।


ছোটবেলায় স্কুল থেকে ফিরে আমরা সব গল্প বাবা-মাকে বলতাম। ক্লাসে কী হলো, কার সঙ্গে ঝগড়া হলো, পরীক্ষায় কত পেলাম—সব। তারা শুনতেন। কখনও ক্লান্ত থাকলেও শুনতেন।


আজ আমরা বড় হয়েছি। দায়িত্ব বেড়েছে। ব্যস্ততাও বেড়েছে। ব্যস্ত হওয়া স্বাভাবিক। 


কিন্তু একটা সময় সেই ব্যস্ততার তালিকায় বাবা-মায়ের নামটা অজান্তেই নিচে নেমে যায়।


আমরা ভাবি, মাসে টাকা পাঠাচ্ছি, ওষুধ কিনে দিচ্ছি, দরকার হলে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি—দায়িত্ব তো পালনই করছি।


কিন্তু একটা বয়সের পর বাবা-মা টাকার চেয়ে বেশি খোঁজেন মানুষকে।


তারা হয়তো শুধু জিজ্ঞেস করতে চান,

"আজ সারাদিন কেমন কাটল?"

অথবা বলতে চান,

"আজ তোর ছোটবেলার একটা ঘটনা মনে পড়ছিল।"


এই কথাগুলো শোনার মতো মানুষটাই যদি পাশে না থাকে, তাহলে বাড়ি ভরা মানুষ থাকলেও একাকীত্ব থেকে যায়।


আমার মনে হয়, 

বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শত্রু রাগ নয়, অবহেলা।


রাগ হলে মানুষ তর্ক করে। অভিমান হলেও একদিন না একদিন প্রকাশ পায়। 


কিন্তু অবহেলা কোনো শব্দ করে না। 

একজন অপেক্ষা করেন, 

আরেকজন ভাবেন, "আগামীকাল সময় দেব।" তারপর সেই আগামীকাল কবে যেন হারিয়ে যায়।


আজকাল একটা দৃশ্য খুব পরিচিত।


রাতে সবাই একসঙ্গে খেতে বসেছে। সামনে ভাতের প্লেট। কথাবার্তা হচ্ছে শুধু, "ডালটা দাও", "পানিটা দাও।"


বাকি সময় সবার চোখ ফোনের স্ক্রিনে।


একই টেবিলে বসে থেকেও কেউ জানে না, আজ বাবা সারাদিন কী ভাবলেন। মা কেন এত চুপচাপ।


এভাবেই সম্পর্ক ভাঙে না, 

কিন্তু আস্তে আস্তে ফাঁকা হয়ে যায়।


তাহলে কী করা যায়?


হয়তো খুব বড় কিছু না।

আজ রাতে ভাতের প্লেটটা সরানোর আগে ফোনটা সরিয়ে রাখুন। তারপর শুধু জিজ্ঞেস করুন,

"মা, আজ শরীরটা কেমন?"


অথবা,

"বাবা, আজ দিনটা কেমন গেল?"


হয়তো উত্তর খুব সাধারণ হবে। কিন্তু সেই কয়েক মিনিটের কথোপকথন তাদের পুরো দিনটাকে বদলে দিতে পারে।


আর একটা কথা আমরা প্রায়ই বুঝতে পারি না।


বাবা-মা অনেক সময় নিজের কষ্টটা মুখে বলেন না। তারা ভাবেন, "ছেলেমেয়েটা এত ব্যস্ত, আর বিরক্ত করব না।"


আমরা সেই নীরবতাকে স্বাভাবিক ভেবে নিই।


অথচ ওই চুপ করে থাকার মধ্যেই অনেক অভিমান জমে থাকে।


অবশ্যই সব পরিবারের গল্প এক রকম নয়। কোথাও পুরোনো কষ্ট আছে, কোথাও সম্পর্কের জটিলতা। 

তাই সব সমস্যার সমাধানও এক হবে না।


তবু যেখানে ভালোবাসা এখনও বেঁচে আছে, সেখানে সময় আর কথোপকথন অনেক দূরত্ব কমিয়ে দিতে পারে।


হয়তো সম্পর্ক ঠিক করার জন্য কোনো বড় সিদ্ধান্তের দরকার নেই।


দরকার শুধু আজ রাতে পাঁচ মিনিট আগে উঠে গিয়ে বলা,

"মা, বাবা... ফোনটা পরে দেখি। আগে তোমাদের সঙ্গে একটু গল্প করি।"


হয়তো এই একটি বাক্যই এমন একটা কথোপকথনের শুরু হবে, যার অপেক্ষায় তারা অনেক দিন ধরে আছেন।


আপনার মতে, বাবা-মায়ের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় কী?

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1063 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 21469। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4181
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


বৃদ্ধ বাবা-মায়ের একাকীত্ব মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী কলাম | ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ আমার বাবার চশমাটা ভাঙা। ডান দিকের কাঁচটা ফাটল ধরেছে, তিনি সেলোটেপ লাগিয়ে চালাচ্ছেন। আমি বলেছিল�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
415 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
প্রত্যাশার সীমা: বাবা-মায়ের আর সন্তানের চোখে মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্[...] বিস্তারিত পড়ুন...
447 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
একজন ভালো বাবা হওয়ার আগে ভালো স্বামী হওয়া জরুরি  মোহাম্মদ জাহিদ হোসন বিশ্লেষণধর্[...] বিস্তারিত পড়ুন...
498 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
টেবিলের দূরত্ব মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প।  ২৩ জুন,২০২৬ পঁচিশ বছরের সংসারে এó[...] বিস্তারিত পড়ুন...
8 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যে ঋতুতে বাবা থাকেন না   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোটগল্প। ২৫ জুন, ২০২৬ অভিকের মনে হ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2167 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    666 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    33 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    428 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    230 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    11 টি আইডিয়া ব্লগ

...