Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

অবহেলা আর মূল্য

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
507 বার প্রদর্শিত
করেছেন (21,713 পয়েন্ট)   05 জানুয়ারি "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

অবহেলা আর মূimage ল্য

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

মোটিভেশনাল গল্প। জানুয়ারি ০৪,২০২৬


আমার জীবনের একটা সময় এসেছিল যখন মনে হতো, আমি যেন অদৃশ্য হয়ে গেছি। আমার নাম রায়হান। ঢাকার একটা মাঝারি কোম্পানিতে মার্কেটিংয়ে কাজ করি। 


প্রতিদিন অফিসে গিয়ে নতুন আইডিয়া নিয়ে যাই, কিন্তু মিটিংয়ে বললেও কেউ কান দেয় না। সবাই ফোনে মগ্ন, বা নিজেদের কথায় ব্যস্ত। একদিন একটা বড় প্রজেক্টের মিটিংয়ে আমি আমার প্ল্যানটা বিস্তারিত বললাম—কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন ক্যাম্পেইন চালিয়ে কাস্টমার বাড়ানো যায়। শেষ হলে কেউ একটা কথাও বলল না। না প্রশংসা, না সমালোচনা। শুধু সবাই উঠে চলে গেল।


বাড়ি ফিরে আয়নায় দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখলাম। চোখের নিচে কালো দাগ, মুখে অবসাদের রেখা। মনে একটা প্রশ্ন বারবার ঘুরছে: আমি কি এতটাই অপ্রয়োজনীয়? 

এই অবহেলা আমাকে ভিতর থেকে খেয়ে ফেলছিল। আমি আরও বেশি চেষ্টা করলাম—অফিসে লেট করে থাকা, উইকেন্ডে কাজ করা, সবকিছু করে প্রমাণ করতে চাইলাম যে আমি দরকারি। কিন্তু যত দিচ্ছিলাম, ততই নিজেকে ছোট লাগছিল। রাতে ঘুম হতো না, দিনে মন খারাপ থাকত। বন্ধুরা বলত, “তুই বড্ড সিরিয়াস হয়ে গেছিস।”


একটা শীতের বিকেলে, অফিস থেকে বেরিয়ে আমি আমার পুরোনো এলাকার একটা চায়ের দোকানে বসলাম। মন ভারী। পাশের টেবিলে একজন বুড়ো চাচা বসে ছিলেন। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে হঠাৎ বললেন, “বাবা, দামি জিনিস কখনো দোকানের সামনে রাখা হয় না। অনেক কিছু থাকে তালাবদ্ধ আলমারিতে। যে সত্যি কিনতে চায়, সে খুঁজে নেয়।”


এই কথাগুলো আমার মনে গেঁথে গেল। রাতে বাড়ি ফিরে অনেক ভাবলাম। সত্যি তো! যারা আমাকে বুঝছে না, তাদের জন্য এত ত্যাগ করার মানে কী? 


যে আমার মূল্য দেবে, সে নিজে থেকে বুঝবে। আর যে বুঝবে না, তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে সময় নষ্ট করা। এই চিন্তাটা আমাকে নতুন শক্তি দিল।


পরদিন থেকে আমি বদলে গেলাম। অফিসে কাজ করি, কিন্তু আর কারো অনুমোদনের জন্য নিজেকে মারি না। ভুল হলে স্বীকার করি, নতুন শিখি।


যেখানে সম্মান নেই, সেখান থেকে দূরে সরে আসি। নিজের জন্য সময় বের করলাম—জিমে যাওয়া, বই পড়া, পরিবারের সাথে সময় কাটানো। ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস ফিরে এল। অফিসের লোকজনও লক্ষ্য করতে শুরু করল। 


একদিন একই মিটিংয়ে আমি কথা বললাম, আর একজন সিনিয়র বলল, “রায়হান, তোমার পয়েন্টটা ভালো। আরেকটু ডিটেলে বলো।” আমার মনটা ভরে গেল।


এখন অফিসের ছাদে দাঁড়িয়ে বাগান দেখি। একটা ছোট্ট গোলাপ ফুল ফুটেছে, রোদে ঝকঝক করছে। ভাবি, এই ফুলের মতোই আমি—কারো প্রশংসার অপেক্ষায় না থেকে নিজের সৌন্দর্য নিয়ে বেঁচে আছি।


জীবনে অনেকে চলে যায়, কিন্তু নিজের মূল্য যদি নিজের হাতে থাকে, কেউ কেড়ে নিতে পারে না। একদিন এক পুরোনো কলিগ ফোন করে বলল, “তুই তো অনেক চেঞ্জড।” আমি হেসে বললাম, “হ্যাঁ, এখন নিজেকে আর ছাড়ে দিই না।”


আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহ যাকে সরিয়ে দেন, তা আমাদের ভালোর জন্যই। আর যা রেখে দেন, তা সবচেয়ে দামি। 


অবহেলা আমাকে শিখিয়েছে নিজেকে ভালোবাসতে। সময় সব প্রমাণ করে। দামি জিনিসের কদর সবাই করতে পারে না—এটা মেনে নিয়ে নিজের পথে চলতে হবে। 


নিজেকে এমন করে গড়ে তুলতে হবে যাতে আমরাই নিজেদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হয়ে উঠি।



#আত্মমর্যাদা #নিজেরমূল্য #জীবনেরশিক্ষা  

#অবহেলা  #মানবিকগল্প  #বাংলালেখা

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1075 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 21713। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
"নিজস্ব আইডিয়া"
Enolej ID(eID): 2759
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
অভিমান ও অবহেলা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । ০৩ জুন , ২০২৬ ভালোবাসার সঙ্গ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
208 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ডিজিটাল ঔপনিবেশিকতার লুকানো মূল্য মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন   বিশ্লেষণধর্মী। ডিসে&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
442 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
 টাকা আর জীবন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী। ০৩,জুন ২০২৬ দোকানের সামনে ছেল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
217 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ঈদ আর বৈষম্য মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । ২৮ মে, ২০২৬ ঈদের আগে শহরটা বদলে &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
219 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
শিশুর কান্না আর রাষ্ট্রের নীরবতা  মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । ২৩ মে, ২০২&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
419 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    244 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    22 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...