Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

বুদ্ধের সময়ের পৃথিবী

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
5 বার প্রদর্শিত
করেছেন (26,541 পয়েন্ট)   22 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

বুদ্ধের সময়ের পৃথিবীimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণধর্মী। ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বুদ্ধের সময়ের পৃথিবী কল্পনা করলে আমরা সাধারণত বোধিবৃক্ষের নিচে ফিরে যাই। চোখ বন্ধ করে বসে থাকা এক মানুষ, চারপাশে নীরবতা, তারপর নির্বাণের দিকে যাত্রা।


কিন্তু সেই নীরবতার বাইরে পৃথিবী তখন বেশ ব্যস্ত ছিল।


রাজারা যুদ্ধ করছিলেন। নতুন নগর উঠছিল। দূরদেশের পণ্য এক বাজার থেকে আরেক বাজারে যাচ্ছিল। সাম্রাজ্য তার সীমানা বাড়াচ্ছিল। আর এসবের মাঝখানে কিছু মানুষ পুরোনো প্রশ্নগুলোকেই নতুন করে করতে শুরু করেছিল।


বুদ্ধকে বুঝতে হলে সেই পৃথিবীটাকে একবার দেখা দরকার।


খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ ও পঞ্চম শতাব্দীর ভারত ছিল বদলে যাওয়া এক ভূখণ্ড। গঙ্গার সমভূমিতে কৃষি ও বসতি বাড়ছিল, লোহার ব্যবহার বিস্তৃত হচ্ছিল, বাণিজ্য ও নগরজীবনের গুরুত্ব বাড়ছিল। মগধ ও কোশলের মতো শক্তিশালী রাষ্ট্র নিজেদের প্রভাব বাড়াচ্ছিল।


এই নতুন বাস্তবতার সঙ্গে পুরোনো ধর্মীয় কাঠামোর সব উত্তর আর ঠিকমতো মিলে যাচ্ছিল না।


সেখানেই শ্রমণদের আবির্ভাব।


বুদ্ধ, মহাবীর এবং তাঁদের সমসাময়িক আরও অনেক চিন্তক মানুষের সামনে এমন প্রশ্ন রাখছিলেন, যার উত্তর শুধু যজ্ঞের বেদিতে পাওয়া যাচ্ছিল না। দুঃখ কেন? কর্মের অর্থ কী? জন্ম-মৃত্যুর এই ঘূর্ণি থেকে বের হওয়ার কোনো পথ আছে?


বুদ্ধের বিশেষত্ব ছিল, তিনি মানুষের সমস্যার সমাধান খুঁজলেন কোনো নতুন রাজ্য বা বাহ্যিক শক্তির মধ্যে নয়। তিনি তাকালেন মানুষের নিজের আচরণ ও চেতনার দিকে।


কিন্তু ভারতের পশ্চিমে তখন মানুষকে সংগঠিত করার একেবারেই অন্য ধরনের পরীক্ষা চলছে।


পারস্যে সাইরাসের হাতে যে সাম্রাজ্যের শুরু, দারিয়ুসের সময়ে সেটি পরিণত হয়েছিল এক বিশাল প্রশাসনিক ব্যবস্থায়। তার বিস্তার উত্তর-পশ্চিম ভারতীয় উপমহাদেশ পর্যন্ত পৌঁছেছিল।


এই সাম্রাজ্যের সবচেয়ে মানবিক ছবি হয়তো রাজাদের ভাস্কর্যে নেই। আছে হিসাবের ফলকে।


পারসেপোলিসের দুর্গ-সংরক্ষণাগারের মাটির ফলকগুলোর অনেকগুলোতে এলামীয় ভাষায় লেখা আছে খাদ্য ও রসদের হিসাব—কোথায় কত শস্য গেল, কত শ্রমিক রেশন পেল, কত পশু বা যাত্রীর জন্য কী সরবরাহ করা হলো। কিছু নথিতে নারী ও পুরুষ শ্রমিকদের খাদ্যবণ্টনের হিসাবও পাওয়া যায়।


রাজাদের নাম ইতিহাসে থেকে যায়। কিন্তু একটি সাম্রাজ্য প্রতিদিন টিকে থাকে এই ছোট ছোট হিসাবের ওপর।


কতজন শ্রমিক।

কত শস্য।

কত পশু।

কত রসদ।


সাম্রাজ্য মানুষকে গুনছিল।


বুদ্ধ মানুষকে গুনছিলেন অন্যভাবে।


কে কতটা লোভ বহন করছে। কতটা ক্রোধ। কতটা দুঃখ।


এই জায়গাটাই আমার কাছে বুদ্ধের সময়ের পৃথিবীকে দেখার সবচেয়ে আকর্ষণীয় জানালা।


একদিকে পারস্য মানুষকে একটি বিশাল রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে আনছিল। অন্যদিকে বুদ্ধের সংঘ তৈরি হচ্ছিল এমন একটি সম্প্রদায় হিসেবে, যেখানে মানুষের জন্ম বা বংশের চেয়ে তার অনুশীলন ও আচরণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছিল।


দুটি ব্যবস্থা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। তাদের উদ্দেশ্যও এক নয়। তবু মানুষের জীবনকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তাদের পার্থক্যটি চোখে পড়ার মতো।


একটি ব্যবস্থা বাইরে থেকে শৃঙ্খলা তৈরি করে।


অন্যটি ভেতর থেকে।


এই সময়ের পৃথিবীকে আরও বড় করে দেখলে চীনেও আরেক ধরনের উত্তর খুঁজতে দেখা যায় কনফুসিয়াসকে। তাঁর সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে প্রশ্ন ছিল—পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে মানুষের দায়িত্ব কোথায়? একজন শাসক কেমন হলে তার অধীনে মানুষ ভালোভাবে থাকতে পারে?


ভারতে প্রশ্নটা ক্রমে মানুষের দুঃখ ও মুক্তির দিকে যাচ্ছে। চীনে সামাজিক সম্পর্ক ও নৈতিকতার দিকে।


গ্রিসেও তখন রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে নতুন চিন্তার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। পারস্যের সঙ্গে যুদ্ধ শুধু সেনাবাহিনীর সংঘর্ষ ছিল না; এথেন্সের মতো নগররাষ্ট্রগুলোর রাজনৈতিক জীবনকেও তা বদলে দিচ্ছিল। কয়েক দশক পর সেই পৃথিবীতেই সক্রেটিস মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে জানতে চাইবেন—ন্যায় কী, জ্ঞান কী, ভালো জীবন বলতে কী বোঝায়?


তাঁদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের প্রমাণ নেই। তাই বুদ্ধ, কনফুসিয়াস ও সক্রেটিসকে নিয়ে “একই সময়ে পৃথিবী জেগে উঠেছিল”—এই কথাটা শুনতে যত সুন্দর, ইতিহাসের বিচারে ততটা সরল নয়।


তবু সময়টার মধ্যে একটা গভীর মিল ছিল।


পুরোনো কাঠামো বদলাচ্ছিল।


ভারতে নগর ও রাষ্ট্রের উত্থান, চীনে রাজনৈতিক ভাঙন, গ্রিসে নগররাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর পারস্যে বিশাল সাম্রাজ্যের বিস্তার—সব মিলিয়ে মানুষের জীবন আগের জায়গায় থাকছিল না।


সমাজ বদলালে মানুষের প্রশ্নও বদলায়।


হয়তো বুদ্ধের সময়ের পৃথিবীর আসল গল্প এখানেই।


বুদ্ধ কোনো সাম্রাজ্য বানাননি। তাঁর হাতে সেনাবাহিনী ছিল না, কর আদায়ের ব্যবস্থা ছিল না, কোনো রাজপ্রাসাদও ছিল না। তিনি তৈরি করেছিলেন সংঘ—মানুষকে ভেতর থেকে বদলানোর একটি অনুশীলনভিত্তিক সম্প্রদায়।


পারস্য মানুষকে শাসনের জন্য সংগঠিত করেছিল।


বুদ্ধ মানুষকে নিজের ওপর কাজ করার জন্য।


একজনের শক্তি মাপা যায় তার নিয়ন্ত্রিত ভূখণ্ডে। অন্যজনের শক্তি মাপা যায় কত মানুষ নিজের লোভ, ক্রোধ আর মোহকে প্রশ্ন করতে শিখল—সে হিসাবে।


আড়াই হাজার বছর পরেও এই দুই দৃশ্য পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে।


পারসেপোলিসের মাটির ফলক আমাদের বলে দেয় একটি সাম্রাজ্য কীভাবে শস্য গুনত।


বুদ্ধের শিক্ষা আমাদের অন্য একটি হিসাবের কথা মনে করিয়ে দেয়—মানুষ নিজের ভেতরে কী জমিয়ে রাখছে।


সম্ভবত এই কারণেই বুদ্ধের সময়ের পৃথিবী আজও এত দূরের মনে হয় না।


সাম্রাজ্য বদলেছে। রাষ্ট্র বদলেছে। প্রযুক্তি বদলেছে।


কিন্তু মানুষকে বাইরে থেকে শাসন করা আর ভেতর থেকে বদলে দেওয়া—এই দুই পথের টানাপোড়েন এখনো শেষ হয়নি।


কেউ সাম্রাজ্য বানাচ্ছিল। কেউ সংঘ।


ইতিহাসের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এসে প্রশ্নটা তাই আজও রয়ে যায়—


মানুষকে বদলানো কঠিন, নাকি মানুষকে শাসন করা?

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 11 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1314 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 26541। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4798
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
সময়ের পালাবদল মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । ২৫ মে, ২০২৬ এক সময় যে পোস্ট অফি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
427 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সময়ের কাছে মানুষের নীরব পরাজয় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । মে ১৭, ২০২৬ আম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
438 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
 সময় লেখক: আল মামুন রেজা  সময় আমি বলছি তোমায়  একটু কথা শোনো - জীবন তোমার ফুরিয়ে যে য&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
245 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
❝ মরীচিকা পৃথিবী ❞⏳🕝⌛.- আমরা এখন ছাত্র জীবনে আছি..আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে ভালো একটা চাক[...] বিস্তারিত পড়ুন...
59 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বাবার কাঁধেই লুকিয়ে থাকে সন্তানের পৃথিবী  মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   বিশ্লেষণধর্মী |[...] বিস্তারিত পড়ুন...
255 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    442 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    22 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    20 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. Anandamoye Roy

    11 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...