Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

সরে আসার সময়

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (28,620 পয়েন্ট)   4 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সরে আসার সময়image

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণমূলক লেখা | ১৭ অক্টোবর ২০২৬


সব জায়গায় জোর করে থাকতে নেই। কিছু জায়গা থেকে সময় থাকতে নিজে থেকেই সরে আসতে হয়।


জীবনে এমন কিছু সম্পর্ক আসে, যেখানে আমরা প্রয়োজনের চেয়েও বেশি চেষ্টা করি। ভুল বোঝাবুঝি হলে আমরাই ফোন করি। অভিমান হলে আমরাই ভাঙাই। অন্যজন দূরে সরে গেলে তার কারণ খুঁজি। কখনো নিজের নয় এমন দোষও নিজের কাঁধে নিই, শুধু মানুষটাকে হারাতে চাই না বলে।


কিন্তু একটা সময় বুঝতে হয়, কাউকে ধরে রাখা আর একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা এক কথা নয়।


সম্পর্ক দুজনের। একজন একা দুইজনের জায়গা থেকে চেষ্টা করতে পারে না।


কাউকে আপন ভাবলেই সে আপন হয়ে যায় না। এই সত্যিটা বুঝতে মানুষের অনেক সময় লাগে। কারণ আমরা সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাস্তবতার চেয়ে স্মৃতিকে বেশি বিশ্বাস করি। মানুষটি একদিন ভালো ছিল, বিপদের সময় পাশে ছিল, কোনো এক সন্ধ্যায় খুব আপন করে কথা বলেছিল। তাই মনে হয়, আজও সে আগের মতোই আছে।


কিন্তু মানুষ বদলায়। সম্পর্কও বদলায়।


কখনো বদলটা এত ধীরে আসে যে আমরা টেরই পাই না। কথার মধ্যে আগের উষ্ণতা থাকে না। প্রয়োজন ছাড়া ফোন আসে না। আপনার কথা শোনার সময় তার হয় না, অথচ তার কথা শোনার জন্য আপনাকে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হয়।


তবু আমরা থেকে যাই।


কারণ চলে যাওয়ার চেয়ে থেকে যাওয়াকে সহজ মনে হয়।


একজন মানুষ যখন বারবার বুঝতে পারেন, তার কথার কোনো গুরুত্ব নেই, তখন সামনে দুটো পথ থাকে। আরও জোরে নিজের গুরুত্ব বোঝানোর চেষ্টা করা, অথবা চুপ করে নিজের জায়গাটা সরিয়ে নেওয়া।


প্রথম পথটা খুব ক্লান্তিকর। বারবার বলতে হয়, “আমার কথাটাও একটু শুনো।” আবার আশা করতে হয়, “হয়তো এবার মানুষটা বুঝবে।”


কিন্তু যে জায়গায় নিজের গুরুত্ব বোঝাতে প্রতিদিন নিজেকেই প্রমাণ দিতে হয়, সেখানে একসময় প্রশ্নটা অন্য জায়গায় চলে যায়।


আমি এখানে কেন আছি?


এই প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ।


আত্মসম্মান সবসময় বড় কোনো অপমানের পর ভেঙে যায় না। ছোট ছোট অবহেলাও ধীরে ধীরে মানুষকে নিজের চোখে ছোট করে দেয়। আপনার কথা মাঝপথে থামিয়ে দেওয়া, অনুভূতিকে তুচ্ছ করা, প্রয়োজনের সময় আপনাকে মনে পড়া, অথচ আপনার প্রয়োজনের সময় অদৃশ্য হয়ে যাওয়া, এসব একদিনের ঘটনা নয়। দীর্ঘদিন চলতে থাকলে সম্পর্কের ভেতরের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।


তখন দূরত্ব তৈরি করা নিষ্ঠুরতা নয়। কখনো কখনো সেটাই সবচেয়ে শান্ত সিদ্ধান্ত।


অবশ্য সব দূরত্বের কারণ অবহেলা নয়। মানুষ ব্যস্ত হতে পারে, ভুল করতে পারে, নিজের সমস্যার মধ্যেও থাকতে পারে। একটা খারাপ দিন বা কয়েকটা ভুল আচরণ দিয়ে কোনো সম্পর্কের পুরো বিচার করা ঠিক নয়।


কিন্তু একই আচরণ বারবার ফিরে এলে, কথা বলেও কোনো পরিবর্তন না হলে, পরিস্থিতিটাকে মেনে নেওয়ারও একটা সীমা থাকে।


সেই সীমাটা প্রত্যেক মানুষকেই নিজের জন্য ঠিক করতে হয়।


কিছু সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা সবচেয়ে বড় ভুলটা করি প্রত্যাশা দিয়ে। ভাবি, “আমি তার জন্য এত কিছু করেছি, সে-ও নিশ্চয়ই আমার জন্য করবে।”


কিন্তু সম্পর্কের জমা-খরচের হিসাব সবসময় মেলে না।


আপনি কাউকে ভালোবাসলেন মানেই সে একইভাবে ভালোবাসবে, এমন কোনো নিয়ম নেই। আপনি তাকে সম্মান করলেন বলেই সে আপনাকে সম্মান করবে, এমন নিশ্চয়তাও নেই।


এই সত্যিটা মেনে নেওয়া কষ্টের। কিন্তু মেনে নিতে পারলে অনেক অপ্রয়োজনীয় অপেক্ষা শেষ হয়।


চলে আসার অর্থ সবসময় সম্পর্ক শেষ করে দেওয়া নয়। কখনো এর অর্থ শুধু নিজের সীমাটা ঠিক করা। ফোন কমানো। অকারণ ব্যাখ্যা দেওয়া বন্ধ করা। প্রত্যেক কথার উত্তর দেওয়ার দায় না নেওয়া। যে জায়গায় আপনার উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবে সম্মান পায় না, সেখানে নিজের উপস্থিতিকে জোর করে প্রতিষ্ঠা না করা।


চুপ করে সরে আসার মধ্যে একটা অদ্ভুত শান্তি আছে।


অভিযোগ কমে যায়। প্রত্যাশা কমে যায়। অন্য মানুষটি কেন এমন করল, সেই প্রশ্নটাও একসময় গুরুত্ব হারায়। সবচেয়ে বড় কথা, নিজের ভেতরের অস্থিরতাটা ধীরে ধীরে থেমে আসে।


তবে সরে আসার আগে নিজের কাছেও সৎ হওয়া দরকার।


আমি কি সত্যিই অবহেলিত, নাকি শুধু আমার প্রত্যাশা পূরণ হয়নি?


অন্য মানুষটি কি আমাকে অসম্মান করছে, নাকি আমি তার কাছ থেকে এমন কিছু চাইছি, যা দেওয়ার দায়িত্ব তার নেই?


এই পার্থক্যটা বুঝতে না পারলে দূরত্বও ভুল সিদ্ধান্ত হয়ে যেতে পারে।


সম্পর্ক বাঁচানোর চেষ্টা করা যেমন পরিণত আচরণ, তেমনি কোনো সম্পর্ক আর সুস্থ নেই বুঝে সরে আসাও পরিণত হওয়ার অংশ।


সব মানুষকে জীবনে একই দূরত্বে রাখতে হয় না। কেউ খুব কাছে থাকবে, কেউ পরিচিত হয়ে থাকবে, কেউ শুধু একটা স্মৃতি হয়ে যাবে। এতে জীবনের ব্যর্থতা নেই। জীবনের স্বাভাবিক গতিটাই এমন।


একসময় আমরা বুঝতে শিখি, মানুষ হারানোর ভয়েই সব সম্পর্ক ধরে রাখতে নেই।


কিছু মানুষকে ছেড়ে দিলে তারা হারিয়ে যায়। আবার কিছু মানুষকে ছেড়ে দিলে আমরা নিজেদের ফিরে পাই।


আর সেই ফিরে পাওয়াটাই কখনো কখনো সবচেয়ে জরুরি।


কারণ একটা সম্পর্ক বাঁচাতে গিয়ে যদি প্রতিদিন নিজের আত্মসম্মানটাকে একটু একটু করে বিসর্জন দিতে হয়, তাহলে প্রশ্ন থেকে যায়, যে সম্পর্কটা বেঁচে আছে, সেখানে আপনি নিজে কতটা বেঁচে আছেন?


হয়তো তাই জীবনের কিছু সময়ে দরজা বন্ধ করার দরকার নেই। শুধু দরজা থেকে সরে দাঁড়ালেই হয়।


কেউ ডাকলে ফিরবেন কি না, সেটা পরে ভাবা যাবে।


যেখানে আপনার থাকার জন্য আপনাকেই প্রতিদিন নিজের মূল্য বোঝাতে হয়, সেখানে একটু দূরে দাঁড়ানোও অন্যায় নয়।


কখনো কখনো সরে আসা মানে কাউকে ছেড়ে দেওয়া নয়।


কখনো কখনো সরে আসা মানে নিজেকে আরেকবার বেছে নেওয়া।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1416 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 28620। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 5004
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
তওবা: ফিরে আসার সাহস মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন তুলনামূলক ধর্মীয় প্রবন্ধ ৷ ১৬ অক্টোবর ২&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
9 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
থমকে যাওয়া সময় লেখকঃ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ধরনঃ বিশ্লেষণধর্মী তারিখঃ ২৭ অক্টোবর [...] বিস্তারিত পড়ুন...
569 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ফিরে আসার ঠিকানা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প | ২৪ আগস্ট ২০২৬ সেদিন বিকেল থেকে বৃষ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
53 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
191 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ছায়া হারানোর সময় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন গদ্যকবিতা। ডিসেম্বর ২১,২০২৫ দেশের প্রান্[...] বিস্তারিত পড়ুন...
512 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1016 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    7 মন্তব্য

    50 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    125 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    83 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    82 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

...