Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ফোনটা আর এলো না (সম্পর্ক, কৃতজ্ঞতা ও মানবমন)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (29,185 পয়েন্ট)   13 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

ফোনটা আর এলো না

(সম্পর্ক, কৃতজ্ঞতা ও মানবমন)image

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণমূলক লেখা

২১ অক্টোবর ২০২৬


বিকেল থেকে বারান্দায় বসে আছেন রহিম সাহেব। সামনের বাড়ির ছাদে কয়েকটা চড়ুই পাখি লাফালাফি করছে। টেবিলের ওপর চায়ের কাপটা ঠান্ডা হয়ে গেছে। হাতে মোবাইল ফোন। ছেলের চাকরির ব্যাপারে একটা ফোন করতে হবে তাঁকে।


নম্বরটা পরিচিত। খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, এই ছেলেটাই একদিন তাঁর সামনে বসে কাঁদছিল।


চাকরি নেই, বাড়িভাড়া বাকি, পরিবারের কাছে টাকা চাওয়ার মুখ নেই। কথাগুলো বলতে বলতে ছেলেটা বারবার চোখ মুছছিল। রহিম সাহেব সেদিন তাকে শুধু টাকা দেননি, পরিচিত একজনের সঙ্গে কথা বলে কাজের ব্যবস্থাও করে দিয়েছিলেন। ছেলেটা বিদায় নেওয়ার সময় হাত ধরে বলেছিল, ‘স্যার, আপনার কথা কোনো দিন ভুলব না।’


সেই কথাটা রহিম সাহেবের মনে আছে।


এখন ছেলেটার ভালো চাকরি হয়েছে। সংসার হয়েছে। শুনেছেন, বেশ ভালোই আছে। তাই নিজের ছেলের জন্য একটু সহযোগিতা চাইতে তাঁর সংকোচ হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত ভাবলেন, বিপদে তো একদিন ছেলেটার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। আজ একটা কথা বললে নিশ্চয়ই খারাপ ভাববে না।


তিনি ফোন করলেন।


ওপাশ থেকে ছেলেটা ধরল। বলল, ‘স্যার, একটা মিটিংয়ে আছি। একটু পরে আপনাকে ফোন করছি।’


রহিম সাহেব বললেন, ‘আচ্ছা, ঠিক আছে। তুমি কাজ শেষ করে ফোন দিয়ো।’


ফোন রেখে তিনি আবার বারান্দায় বসলেন।


সেদিন আর ফোন আসেনি।


পরদিন সকালে ভাবলেন, হয়তো ব্যস্ত ছিল। দুপুরে আবার নম্বরটা খুললেন, কিন্তু ফোন করলেন না। মানুষকে নিজের প্রয়োজনের কথা বারবার বলতে তাঁর ভালো লাগে না। বিকেলে ছেলের কাছে শুনলেন, ছেলেটার সঙ্গে নাকি বাজারে দেখা হয়েছে এক পরিচিতের। বেশ হাসিমুখেই কথা বলেছে, কারও সঙ্গে ফোনে কথাও বলছিল।


রহিম সাহেব আর কিছু বললেন না।


কয়েক দিন পর একটি অনুষ্ঠানে তাদের দেখা হলো। ছেলেটা দূর থেকে রহিম সাহেবকে দেখে এগিয়ে এল। সালাম দিল, কুশল জিজ্ঞেস করল। মুখে হাসি, কথাবার্তায় ভদ্রতা। রহিম সাহেবও স্বাভাবিকভাবে কথা বললেন। চাকরির কথা জানতে চাইলেন, পরিবারের খবর নিলেন। ছেলেটা বলল, সব ভালো।


সুযোগ বুঝে রহিম সাহেব নিজের ছেলের কথা তুলতে গিয়েও থেমে গেলেন। ছেলেটা ততক্ষণে অন্য একজনকে দেখে বলেছে, ‘স্যার, একটু আসছি।’ তারপর ভিড়ের মধ্যে চলে গেল।


রহিম সাহেব দাঁড়িয়ে রইলেন। তাঁর হাতে তখনো চায়ের কাপ। কাপের চা শেষ হয়ে গিয়েছিল অনেক আগেই।


বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে ঘটনাটা বলেননি। ছেলে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘বাবা, ওনার সঙ্গে কথা হয়েছে?’


তিনি শুধু বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ, দেখা হয়েছিল।’


ছেলেটার চাকরির ব্যবস্থা সেদিনও হলো না। অন্য জায়গায় চেষ্টা চলতে থাকল। সংসারের স্বাভাবিক কাজকর্মও থেমে থাকল না। শুধু রহিম সাহেবের মনে একটা পুরোনো কথা মাঝেমধ্যে ফিরে আসত—‘আপনার কথা কোনো দিন ভুলব না।’


কথাটা যে মিথ্যা ছিল, তা হয়তো পুরোপুরি বলা যায় না। যে সময় ছেলেটা বিপদে ছিল, সে হয়তো সত্যিই কৃতজ্ঞ ছিল। কিন্তু সময় বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই কৃতজ্ঞতার জায়গায় অন্য কিছু এসে বসেছে। নতুন পরিচয়, নতুন ব্যস্ততা, নিজের অবস্থান নিয়ে নতুন হিসাব। যে মানুষটির সাহায্যে সে একদিন একটু সামনে এগিয়েছিল, সেই মানুষটির কাছে ফিরে তাকানোর প্রয়োজন আর সে অনুভব করেনি।


রহিম সাহেবও তো প্রতিদানের খাতা খুলে বসেননি। ছেলেটার কাছ থেকে টাকা ফেরত চাননি, পুরোনো উপকারের কথা মনে করিয়ে দেননি। শুধু ভেবেছিলেন, প্রয়োজনের সময় একটা কথা বলবেন। ছেলেটা সাহায্য করতে না পারলেও সমস্যা ছিল না। সরাসরি বললেই পারত, ‘স্যার, এই মুহূর্তে আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।’


রহিম সাহেব হয়তো মন খারাপ করতেন, কিন্তু বুঝতেন।


অপমানটা সেখানে নয় যে ছেলেটা তাঁর ছেলের চাকরি করে দিতে পারেনি। অপমানটা হলো, সে কথাটা বলার প্রয়োজনও অনুভব করেনি। একসময় যে মানুষটির সামনে নিজের অসহায়ত্ব লুকাতে পারেনি, আজ সেই মানুষটির সামনেই নিজের সুবিধামতো ব্যস্ত হয়ে গেল।


আমাদের সম্পর্কগুলোতে এমন পরিবর্তন খুব নিঃশব্দে ঘটে। কেউ একদিনে পর হয়ে যায় না। প্রথমে ফোনের উত্তর দিতে দেরি হয়, তারপর কথা ছোট হয়ে আসে, দেখা হলে তাড়াহুড়ো থাকে। একসময় পুরোনো সম্পর্কের স্মৃতি থাকে, কিন্তু সেই সম্পর্কের প্রতি দায়বোধ আর থাকে না।


যিনি সাহায্য করেছিলেন, তিনি হয়তো ঘটনাটা বহু বছর মনে রাখেন। আর যিনি সাহায্য পেয়েছিলেন, তাঁর কাছে সেটা জীবনের অনেক ঘটনার মধ্যে একটি হয়ে যায়। দুজনের স্মৃতিতে একই ঘটনার ওজন সমান থাকে না।


এ কারণেই কৃতজ্ঞতা চাইলেই পাওয়া যায় না। কাউকে বিপদ থেকে তুলে আনা যায়, কিন্তু তার মনে আপনার জন্য কতটুকু জায়গা থাকবে, সেটা ঠিক করে দেওয়া যায় না। এই সত্যটা মেনে নেওয়া সহজ নয়, বিশেষ করে যখন নিজের ভালোবাসা বা আন্তরিকতাকে কেউ এমনভাবে পাশ কাটিয়ে যায়, যেন তার কোনো মূল্যই ছিল না।


রহিম সাহেব পরে আর ছেলেটিকে ফোন করেননি। কোনো অভিযোগও করেননি। পরিচিতদের কাছে তার বদনাম করেননি, পুরোনো সাহায্যের গল্প শুনিয়ে তাকে ছোট করেননি। ছেলের জন্য অন্য জায়গায় যোগাযোগ করেছেন। নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থেকেছেন।


তবু মাঝে মাঝে বারান্দায় বসে ফোন হাতে নিলে তাঁর সেই বিকেলের কথা মনে পড়ে। ফোনটা তিনি করেছিলেন সাহায্য চাওয়ার জন্য। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বুঝেছিলেন, কিছু মানুষের কাছে আপনার প্রয়োজনের চেয়ে আপনার উপকারের স্মৃতিটাই বেশি অস্বস্তিকর হয়ে উঠতে পারে।


সেদিন বিকেলে ফোনটা আর এলো না। তারপর অনেক দিন কেটে গেছে।


রহিম সাহেবের ফোনে ছেলেটার নম্বরটি এখনো আছে। মুছে ফেলার কোনো বিশেষ কারণ তিনি খুঁজে পাননি। শুধু নম্বরটা দেখলে আর আগের মতো ফোন করতে ইচ্ছে করে না।


কিছু সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার শব্দ হয় না। শুধু একদিন দেখা যায়, যে মানুষটির জন্য একসময় দরজা খোলা থাকত, তার জন্য অপেক্ষা করাটাই বন্ধ হয়ে গেছে।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1444 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 29185। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 5046
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
সম্পত্তির হিসাবে আপনজন (উত্তরাধিকার ও পারিবারিক সম্পর্ক) মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
না বলার অপরাধ (নারী, পরিবার ও সামাজিক মনস্তত্ত্ব) মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণমূ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সম্পর্ক ও বিচ্ছেদ শামীমা আকতার আমরা যাদের সাথে জীবন শুরু করি, তারা শেষ পর্যন্ত কেউ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
51 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যদি একদিন আর ডাকো না মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  গদ্য কবিতা। ২১ জুলাই, ২০২৬ যদি একদিন আর ö[...] বিস্তারিত পড়ুন...
59 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–৪ : যে হারট[...] বিস্তারিত পড়ুন...
63 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1581 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    8 মন্তব্য

    78 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    126 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    83 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. অমিত দত্ত দিলু

    65 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...