Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

উৎখনন ও অন্বেষণ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
25 বার প্রদর্শিত
করেছেন (27,603 পয়েন্ট)   22 সেপ্টেম্বর "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

উৎখনন ও অন্বেষণimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

প্রবন্ধ। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পুরোনো একটা বাড়ি ভাঙার সময় মাটির নিচে একটা মাটির কলস পাওয়া গেল।


খুব সাধারণ কলস। গায়ে কোনো রাজচিহ্ন নেই, কারও নাম খোদাই করা নেই। দেখে বোঝারও উপায় নেই, কতদিন আগে কে এটাকে ব্যবহার করেছিল। অথচ হাতে তুলে নিলে অকারণে একটু থেমে যেতে হয়।


কার ছিল?


কোনো এক বাড়ির রান্নাঘরে কি রাখা থাকত?

 সকালে কেউ পানি ভরত? 

বৃষ্টির দিনে বারান্দার এক পাশে পড়ে থাকত?


তারপর বাড়িটা বদলেছে। মানুষ বদলেছে। কেউ মারা গেছে, কেউ অন্য শহরে চলে গেছে। একসময় বাড়িটাও আর থাকেনি। কলসটা কোনোভাবে মাটির নিচে চলে গেছে।


বাকি গল্পটা মাটি জানে।


পুরোনো জিনিসের প্রতি আমার আগ্রহটা বোধহয় এখানেই। জিনিসটার দাম কত, সেটা নয়; তার আগে কী ছিল, সেটা ভাবতে ভালো লাগে।


একটা কলসেরও তো একটা জীবন থাকতে পারে।


মানুষের জীবনের মতো খুব নাটকীয় নয়। বরং একেবারেই সাধারণ। প্রতিদিনের ব্যবহার, তারপর একদিন আর ব্যবহার না হওয়া। ধীরে ধীরে ঘরের বাইরে চলে যাওয়া। শেষে মাটির নিচে।


অদ্ভুতভাবে আমাদের কিছু স্মৃতিও এমন।


সেগুলোকে আমরা মাটির নিচে পুঁতে রাখি না। শুধু জীবনের এত নিচে সরিয়ে রাখি যে নিজেরাই ভুলে যাই সেখানে কী আছে।


তারপর কোনো একদিন হঠাৎ সেটা উঠে আসে।


আমার এমন হয়েছে।


এক রাতে পুরোনো একটা গান শুনছিলাম। গানটা খুব পরিচিত। বহু বছর আগে নিয়মিত শুনতাম। তখন বিশেষ কিছু মনে হয়নি। কিন্তু সেদিন মাঝপথে এসে কেন যেন বাবার কথা মনে পড়ল। কোনো বড় ঘটনা নয়। বাবার সঙ্গে শেষ কথাও নয়। বরং তারও অনেক আগের একটা সাধারণ সন্ধ্যা—আমি বাইরে যাব বলে তৈরি হচ্ছি, বাবা ঘরের ভেতর থেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, “কখন ফিরবি?”


প্রশ্নটা খুব সাধারণ ছিল।


আমি উত্তরও দিয়েছিলাম।


এত বছর পর সেই কথাটাই কেন মনে পড়ল, জানি না।


গান বন্ধ করে কিছুক্ষণ বসেছিলাম।


সেদিন বুঝেছিলাম, স্মৃতি সবসময় বড় ঘটনার ভেতর থাকে না। অনেক সময় একটা সাধারণ বাক্য, একটা গন্ধ, একটা গান—কোথা থেকে যেন একটা পুরোনো দরজা খুলে দেয়।


আমরা নিজেদের বেশ ভালোই চিনি বলে মনে করি।


আসলে কি চিনি?


নিজের অতীতের দিকে একটু মন দিয়ে তাকালেই এই আত্মবিশ্বাসে ফাটল ধরে। যে সিদ্ধান্তটাকে এতদিন সঠিক বলে এসেছি, তার মধ্যে নিজের জেদটাও দেখা যায়। যে সম্পর্ক ভাঙার জন্য অন্য মানুষটাকে দায়ী করেছি, সেখানে নিজের নীরবতাটাও চোখে পড়ে। যে ব্যর্থতার কথা বলতে গিয়ে ভাগ্যের কথা বলেছি, সেখানে হয়তো আমার নিজের ভুল হিসাব ছিল।


এসব আবিষ্কার খুব আনন্দের নয়।


বরং বিরক্তিকর।


কারণ অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার সময় গল্পটা সহজ থাকে। নিজের নামটা সেখানে ঢুকিয়ে দিলে হিসাব জটিল হয়ে যায়।


তখন প্রশ্ন আসে—আমি কি সত্যিই ঠিক ছিলাম?


এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে মানুষ নিজের সম্পর্কে অনেক পুরোনো ধারণা হারায়।


হয়তো সেটাই উৎখননের আসল ঝুঁকি। মাটি সরাতে গিয়ে শুধু হারানো জিনিস পাওয়া যায় না; নিজের সম্পর্কে বানানো কিছু ধারণাও ভেঙে যায়।


তবু মাটি সরাতে হয়।


না হলে নিচে কী আছে, সেটা জানব কী করে?


কিন্তু শুধু খুঁড়তে থাকাও তো জীবন নয়।


অতীত আমাকে বলতে পারে কী ঘটেছিল। কোথায় ভুল হয়েছিল। কী হারিয়েছি। কিন্তু সে আমার হয়ে পরের দিনটা ঠিক করে দিতে পারবে না।


পরের সিদ্ধান্তটা আমাকে নিতে হবে।


এখানেই হয়তো ‘উৎখনন’ আর ‘অন্বেষণ’ পাশাপাশি দাঁড়ায়। একটি আমাকে পেছনের দিকে তাকাতে বাধ্য করে, অন্যটি পেছনে তাকিয়েও সামনে যাওয়ার কারণ খোঁজে।


সব হারানো জিনিস ফেরত পাওয়া যায় না। এটা মেনে নিতে আমারও সময় লেগেছে।


বাবাকে ফিরিয়ে আনা যাবে না। কোনো পুরোনো সন্ধ্যায় ফিরে গিয়ে অন্যভাবে কথা বলা যাবে না। বলা হয়ে যাওয়া কথাগুলোও মুখ থেকে তুলে নেওয়া যায় না। কিছু সম্পর্কের শেষ বদলানো যায় না, যত ইচ্ছে ব্যাখ্যা করলেও।


কিন্তু সেখানেই তো জীবন থেমে থাকে না।


কিছু একটা থেকে যায়।


একটা শিক্ষা হতে পারে। কোনো ভুলের স্মৃতি হতে পারে। নিজের সম্পর্কে একটু পরিষ্কার ধারণা হতে পারে। অথবা শুধু এই বোধ—পরেরবার একই জায়গায় দাঁড়ালে অন্যভাবে সিদ্ধান্ত নেব।


এটুকুই কি অন্বেষণ?


হয়তো।


বড় কোনো আবিষ্কার নয়। জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন খুব ছোট জায়গা থেকেই শুরু হয়। কাউকে ফোন করা, যাকে অনেকদিন ফোন করিনি। নিজের ভুলের কথা স্বীকার করা। কোনো পুরোনো অভ্যাস নিয়ে সত্যিই প্রশ্ন তোলা। কিংবা এক সন্ধ্যায় নিজের সঙ্গে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকা।


সব উত্তর তখনও পাওয়া যায় না।


কিছু প্রশ্ন থেকে যায়।


থাকুক।


আমার মনে হয়, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ভেতরে এমন কিছু ঘর তৈরি হয়, যেগুলো সে নিজেই বহুদিন খোলে না। কোনো ঘরে রাগ, কোনো ঘরে আফসোস। কোথাও পুরোনো একটা স্বপ্ন। কোথাও এমন একজন মানুষ, যে একসময় ছিলাম আমি নিজেই।


সব দরজা খুলতে হবে না।


কখনো শুধু একটা দরজা একটু ফাঁক করলেই হয়।


ভেতরে তাকিয়ে যদি দেখি, এতদিন যেটাকে কেবল কষ্ট বলে ভেবেছিলাম, তার ভেতরেই একটা শিক্ষা পড়ে আছে?


যে ভুলটাকে শুধু আফসোস মনে হয়েছিল, সেটাই যদি পরের সিদ্ধান্তে আমাকে থামায়?


তাহলে পুরোনো জায়গায় ফিরে যাওয়াটা একেবারে বৃথা নয়।


সেই মাটির কলসটার কথাই আবার মনে পড়ে।


তার মালিককে আমরা কোনোদিন জানতে পারব না। কোন বাড়ির রান্নাঘরে ছিল, সেটাও নয়। কলসটা যে হাতগুলো ছুঁয়েছিল, সেগুলোও নেই।


তবু কলসটা উঠে এসেছে।


মাটি সরানোর পর সে আর আগের জায়গায় নেই।


আমাদের স্মৃতির ক্ষেত্রেও বোধহয় ব্যাপারটা এমন। অতীতকে বদলানো যায় না। কিন্তু তার নিচে চাপা পড়ে থাকা কথাগুলো একবার তুলে হাতে নিলে, তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা বদলাতে পারে।


আমার কাছে উৎখনন সেখানেই।


আর অন্বেষণ হলো—কলসটা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার পর, এবার কোথায় যাব, সেটা ঠিক করা।


হয়তো সব উত্তর জানা হবে না।


তবু মাঝে মাঝে মাটি সরাতে ইচ্ছে করে।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1366 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 27603। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4884
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
অভিমান ও অবহেলা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । ০৩ জুন , ২০২৬ ভালোবাসার সঙ্গ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
247 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
রামিসার বিদায় ও আইন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । ২৩ মে, ২০২৬ রাষ্ট্রের এক[...] বিস্তারিত পড়ুন...
455 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

রিজিক ও মানবজীবনের ভারসাম্য মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । মে ১৪,২০২৬ রিজিককে সাধারণত আয় বা সম্পদের সমার্থক বলে ধরে নেওয়া হয়, কিন্তু এই সীমিত সংজ্ঞা পুরো বাস্তবতাকে ধরে না। বিশ্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
453 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

রিজিক ও মানবজীবনের ভারসাম্য মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । মে ১০,২০২৬ রিজিককে সাধারণত আয় বা সম্পদের সমার্থক বলে ধরে নেওয়া হয়, কিন্তু এই সীমিত সংজ্ঞা পুরো বাস্তবতাকে ধরে না। বিশ্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
442 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ফেসবুক কবিতা ও সাহিত্য সংকট মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । এপ্রিল ২৭, ২০২৬ [...] বিস্তারিত পড়ুন...
481 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1504 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    74 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    350 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    17 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    125 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. অমিত দত্ত দিলু

    124 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

...