Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

আমার কে আছে?

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
3 বার প্রদর্শিত
করেছেন (26,360 পয়েন্ট)   3 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

আমার কে আছে?image

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প | ১ সেপ্টেম্বর  ২০২৬


অবসর নেওয়ার পর প্রথম কয়েকদিন করিম সাহেবের বেশ ভালোই লেগেছিল।


সকালে ঘুম থেকে ওঠার তাড়া নেই। অফিসে দেরি হবে না। ইস্ত্রি করা শার্ট খুঁজতে হবে না। নাশতা শেষ করে ফাইল হাতে ছুটতে হবে না।


এত বছর ধরে যে জীবনটা ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে বাঁধা ছিল, এবার সেটাকে নিজের মতো করে কাটাবেন—এমনই ভেবেছিলেন তিনি।


কিন্তু এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই সকালগুলো অদ্ভুত লম্বা হয়ে গেল।


ঘড়িতে সাড়ে আটটা।


নাশতা শেষ।


চা শেষ।


পত্রিকার প্রথম পাতাটাও পড়া হয়ে গেছে।


তবু দিন শুরু হচ্ছে না।


আগে এই সময়টায় তিনি অফিসের পথে থাকতেন। রাস্তার মোড়ের চায়ের দোকানের লোকটা দূর থেকে বলত, “স্যার, আজও দেরি?”


অফিসে ঢুকলে পিয়ন সালাম দিত।


দুপুরে কেউ এসে বলত, “স্যার, ফাইলটা একবার দেখবেন?”


কেউ দরজায় দাঁড়িয়ে থাকত।


কেউ ফোন করত।


সন্ধ্যায় বের হওয়ার সময় সহকর্মীরা বলত, “কাল দেখা হবে।”


ছোট ছোট কথাগুলো তখন বিরক্তিকর লাগত।


এখন সেগুলোর কথাই মনে পড়ে।


অবসরের পর মানুষ যে শুধু কাজ হারায়, করিম সাহেব সেটা ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করলেন।


কাজের সঙ্গে সঙ্গে একটা পরিচয়ও চলে যায়।


আগে তিনি ছিলেন—করিম সাহেব, হিসাব বিভাগের ম্যানেজার।


এখন তিনি শুধু করিম সাহেব।


পেনশনের টাকা ঠিকমতো আসে। ব্যাংকে সঞ্চয় আছে। নিজের ফ্ল্যাট আছে। ছেলেমেয়েরা প্রতিষ্ঠিত।


অভাব নেই।


শুধু এমন একটা অভাব আছে, যার কোনো হিসাব ব্যাংকের খাতায় পাওয়া যায় না।


কথা বলার মানুষ কমে গেছে।


ছেলে সুমন বিদেশে থাকে। মেয়েটা নিজের সংসারে ব্যস্ত। স্ত্রী মারা গেছেন চার বছর আগে।


প্রথম প্রথম সুমন প্রায় প্রতিদিন ফোন করত।


“বাবা, খেয়েছ?”


“হ্যাঁ।”


“ওষুধ খেয়েছ?”


“হ্যাঁ।”


“কিছু লাগবে?”


“না, কিছু লাগবে না।”


তারপর ফোন কেটে যেত।


করিম সাহেব জানতেন, ছেলের সময় কম।


তিনি কখনো অভিযোগ করেননি।


বন্ধুদের বলতেন, “ছেলেটা অনেক ব্যস্ত। ভালোই করছে।”


একদিন দুপুরে পুরোনো আলমারি খুলতে গিয়ে তিনি অফিসের একটা পরিচয়পত্র পেলেন।


ছবিটা বহু বছরের পুরোনো।


চুল কালো।


চোখে একরকম তেজ।


কার্ডের নিচে লেখা—


করিম উদ্দিন

ব্যবস্থাপক


তিনি অনেকক্ষণ ছবিটার দিকে তাকিয়ে রইলেন।


তারপর নিজেই হেসে ফেললেন।


“এই লোকটা কোথায় গেল?”


ঘরে কেউ ছিল না।


তবু কথাটা বলে ফেললেন।


সন্ধ্যায় পাশের বাসার সাত বছরের ছেলে রাফি দরজায় এসে দাঁড়াল।


“চাচা, আপনার কাছে দাবার বোর্ড আছে?”


করিম সাহেব বললেন, “আছে তো।”


“খেলবেন?”


“আমি কিন্তু তোমাকে হারিয়ে দেব।”


রাফি হেসে বলল, “দেখা যাবে।”


সেদিন প্রায় দেড় ঘণ্টা তারা দাবা খেলল।


রাফি হেরে গিয়ে ঘুঁটিগুলো আবার সাজাতে সাজাতে বলল,


“কাল আবার আসব।”


করিম সাহেব বললেন,


“আয়।”


রাফি চলে যাওয়ার পর ঘরটা আবার চুপ হয়ে গেল।


তবে সেদিনের নীরবতাটা অন্যরকম ছিল।


পরদিন রাফি আবার এল।


তারপর প্রায় প্রতিদিন।


কখনো দাবা।


কখনো গল্প।


কখনো শুধু বসে থাকা।


একদিন রাফি হঠাৎ জিজ্ঞেস করল,


“চাচা, আপনি সারাদিন বাসায় একা থাকেন?”


করিম সাহেব একটু থেমে বললেন,


“হ্যাঁ।”


“আপনার ভয় লাগে না?”


করিম সাহেব হাসলেন।


“ভয় লাগে না।”


কথাটা পুরো সত্যি ছিল না।


একদিন সুমন ফোন করে বলল,


“বাবা, তোমার জন্য একটা নতুন ফোন পাঠাব। ভিডিও কলে কথা বলতে সুবিধা হবে।”


“পুরোনো ফোনটা তো চলছে।”


“ওটা অনেক পুরোনো।”


“আমার কাজ চলে যায়।”


ওপাশে একটু চুপ থেকে সুমন বলল,


“বাবা, তোমার কিছু লাগলে আমাকে বলবে।”


করিম সাহেব জানালার বাইরে তাকালেন।


“হ্যাঁ, বলব।”


তিনি বলতে চেয়েছিলেন—


“একদিন একটু সময় নিয়ে আমার সঙ্গে বসিস।”


কথাটা মুখে এল না।


বললেন,


“টাকা লাগবে না।”


ফোন রাখার পর তিনি অনেকক্ষণ মোবাইলটা হাতেই ধরে বসে রইলেন।


মানুষ বয়স হলে কী চায়?


করিম সাহেবের মনে হলো, তিনি নিজেও জানতেন না।


একসময় অনেক টাকা চেয়েছেন।


তারপর নিজের বাড়ি।


তারপর ছেলেমেয়ের ভালো ভবিষ্যৎ।


তারপর নিরাপদ জীবন।


সবই কমবেশি পেয়েছেন।


শুধু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাওয়ার ভাষাটা বদলে গেছে।


এখন আর বড় কিছু দরকার হয় না।


বাজার থেকে ফিরে কেউ যদি জিজ্ঞেস করে, “কী কিনলেন?”


খাওয়ার সময় কেউ যদি বলে, “আরেকটু নেবেন?”


বিকেলে কেউ যদি বলে, “চলুন, একটু হাঁটি।”


এই সামান্য কথাগুলোই কেমন বড় হয়ে যায়।


এক শুক্রবার বিকেলে সুমন ফোন করল।


“বাবা, আগামী মাসে দেশে আসছি।”


করিম সাহেবের বুকের ভেতরটা হঠাৎ কেমন করে উঠল।


“কত দিনের জন্য?”


“দশ দিনের মতো।”


“ভালো।”


দুজনেই চুপ করে রইল।


করিম সাহেব জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।


“সুমন?”


“হ্যাঁ, বাবা?”


“দেশে এলে একদিন কোথাও যাবি আমার সঙ্গে?”


ওপাশে একটু নীরবতা।


তারপর সুমন বলল,


“অবশ্যই যাব।”


করিম সাহেব হেসে ফেললেন।


“দূরে যেতে হবে না। আমাদের পুরোনো চায়ের দোকানটায় যাবি। মনে আছে?”


সুমনও হেসে বলল,


“মনে আছে।”


“ওখানে এখনও সেই লোকটা আছে কি না কে জানে।”


“থাকলে ভালোই হবে।”


“হুম।”


আবার একটু নীরবতা।


তারপর সুমন বলল,


“বাবা?”


“হ্যাঁ?”


“তুমি ভালো আছ তো?”


করিম সাহেব জানালার বাইরে তাকিয়ে রইলেন।


তারপর বললেন,


“হ্যাঁ রে। ভালো আছি।”


ফোনটা রাখার পর তিনি বুঝলেন, কথাটা পুরো সত্যি নয়।


কিন্তু মিথ্যাও নয়।


বাইরে তখন বিকেল নামছে।


রাস্তার ওপর কয়েকজন ছেলে খেলছে।


দূর থেকে রাফির গলা ভেসে এল—


“চাচা! দাবা খেলবেন?”


করিম সাহেব দরজা খুলে দিলেন।


“আয়।”


রাফি দৌড়ে ঢুকে পড়ল।


“আজ কিন্তু আমি জিতব।”


করিম সাহেব বললেন,


“দেখা যাবে।”


দাবার বোর্ডটা বিছিয়ে দুজন মুখোমুখি বসল।


রাফি ঘুঁটিগুলো সাজাতে সাজাতে বলল,


“চাচা, আপনার ছেলে দেশে এলে আমাকেও নিয়ে যাবেন?”


করিম সাহেব একটু থেমে বললেন,


“কোথায়?”


“ওই চায়ের দোকানে।”


করিম সাহেব হেসে বললেন,


“নিয়ে যাব।”


“কথা দিলেন?”


“কথা দিলাম।”


রাফি প্রথম চালটা দিল।


করিম সাহেব তার ঘুঁটির দিকে তাকিয়ে রইলেন।


কেন জানি না, সেদিন অনেকদিন পর তাঁর মনে হলো—এই ঘরটা পুরো খালি নয়।


দরজার বাইরে কারও পায়ের শব্দ আছে।


ভেতরে একটা শিশুর গলা আছে।


আর বহু দূরের কোনো শহরে একজন মানুষ আছে, যে আগামী মাসে এই ঘরে ফিরে আসবে।


করিম সাহেব জানতেন না, ভবিষ্যৎ কী নিয়ে আসবে।


শুধু জানতেন, সন্ধ্যাটা আজ একা কাটবে না।


তিনি দাবার বোর্ডের দিকে ঝুঁকে বললেন,


“চাল দে।”


রাফি হেসে উঠল।


করিম সাহেবও হাসলেন।


ঘরের ভেতর সেই হাসিটা কিছুক্ষণ থেকে গেল।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 11 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1305 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 26360। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4790
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
ফুটপাতের শৈশব পর্ব ৭ — পথশিশুরও স্বপ্ন আছে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ১[...] বিস্তারিত পড়ুন...
21 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
স্বাধীনতারও সীমা আছে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী সামাজিক প্রবন্ধ ১৩ জুল&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
35 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
গল্প আছে, সাহিত্যে নেই    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   বিশ্লেষণধর্মী । ১২ জুন, ২০২৬ চারপ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
427 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সুপারহিরো আমাদের গল্পেও লুকিয়ে আছে! মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | মার্চ ২&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
437 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সিরিজের নামঃ- নিজের জীবনটাও ছিল গল্প ৮ -সবাই ভালো আছে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
34 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    261 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. আল-মামুন রেজা

    20 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...