Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ডিভোর্স আদালতে শুরু হয় না

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (21,469 পয়েন্ট)   9 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

ডিভোর্স আদালতে শুরু হয় নাimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন 

বিশ্লেষণধর্মী। ৩০ জুন, ২০২৬


ডিভোর্সের সংখ্যা বাড়ছে। এটা এখন আর নতুন কোনো খবর নয়। আশপাশেই দেখি, কয়েক বছর আগেও যাদের দেখে মনে হতো বেশ সুখী, হঠাৎ শুনি তারা আলাদা হয়ে গেছে। তখন নানা রকম ব্যাখ্যা আসে। কেউ আইনকে দোষ দেন, কেউ বলেন এখনকার মানুষ আর মানিয়ে নিতে চায় না। 


কিন্তু আমার মনে হয়, ডিভোর্সের শুরু আদালতে হয় না। শুরু হয় অনেক আগে। যখন একই ঘরে থেকেও দুজন মানুষ ধীরে ধীরে একে অপরের কাছ থেকে দূরে সরে যেতে থাকে।


বেশিরভাগ সম্পর্ক একদিনে ভাঙে না। রাতে ছোট্ট একটা বিষয় নিয়ে ঝগড়া হলো। রাগের মাথায় একজন বলল, "থাক, আর কথা বলতে হবে না।" অন্যজনও চুপ করে গেল। তখন মনে হলো, সকালে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু হলো না। একদিনের নীরবতা দুই দিনে গেল, তারপর এক সপ্তাহে। একসময় কথা হয়, কিন্তু শুধু সংসারের দরকারি বিষয় নিয়ে।


"বাজার থেকে কী আনবে?"  

"বিদ্যুতের বিল দিয়েছ?"


সম্পর্কটা তখনও থাকে। কিন্তু ভেতরটা আস্তে আস্তে ফাঁকা হয়ে যায়।


আমরা পড়াশোনা করি, কাজ শিখি, টাকা উপার্জন করতে শিখি। 


কিন্তু সম্পর্ক কীভাবে ধরে রাখতে হয়, সেটা খুব কম মানুষই শেখে। 

মতের অমিল হলে কীভাবে কথা বলতে হয়, 

রাগের সময় কোন কথাটা না বলাই ভালো, 

কখন নিজের জেদটা একটু নামিয়ে রাখা দরকার—এসব কেউ শেখায় না। 

অথচ সংসারে এগুলোরই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।


আরেকটা বিষয় খুব চোখে পড়ে। 

অনেক সময় আমরা সম্পর্ক বাঁচানোর চেয়ে নিজের অবস্থানটা ঠিক প্রমাণ করতে বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ি। কে আগে ফোন করবে, 

কে আগে ক্ষমা চাইবে, 

কে আগে নরম হবে—এসব হিসাব করতে করতেই দূরত্ব বেড়ে যায়। 


অথচ সংসার কোনো প্রতিযোগিতা নয়। এখানে একজনকে হারিয়ে অন্যজনের জয় বেশিদিন টেকে না।


সম্পর্ক সব সময় বড় কোনো ভুলে ভাঙে না। 

ভাঙে ছোট ছোট অবহেলায়। একজন হয়তো দিনের শেষে শুধু দশ মিনিট কথা বলতে চেয়েছিল। অন্যজন ভাবল, "আজ না, কাল বলব।" সেই "কাল" অনেক সময় আর আসে না।


সম্মানের বিষয়টাও ঠিক তেমন। ভালোবাসা কমবেশি হতে পারে, মতের অমিলও থাকবে। 


কিন্তু একজন মানুষ যদি বারবার অনুভব করেন, 

তার কথা, তার অনুভূতি বা তার উপস্থিতির কোনো মূল্য নেই, তাহলে সেই সম্পর্ক বেশিদিন টেকে না। মানুষ শুধু ভালোবাসা চায় না, গুরুত্বও চায়।


তাহলে কী বদলানো দরকার?


আমার মনে হয়, 

আইন নয়, আগে বদলানো দরকার আমাদের সম্পর্ক দেখার দৃষ্টিভঙ্গি।


ঝগড়া হবেই। 

মতের অমিলও থাকবে। 

কিন্তু রাগের মুহূর্তে সব সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার নেই। অনেক সময় একটু থেমে যাওয়াও সমাধানের অংশ হতে পারে।


দিনে দশ মিনিট শুধু একে অপরের জন্য রাখাও কঠিন কিছু নয়। 

রাতে ভাতের প্লেট নিয়ে বসে টিভিটা বন্ধ করে শুধু জিজ্ঞেস করা, "আজ তোমার দিনটা কেমন গেল?" অনেক সময় এই সাধারণ প্রশ্নটাই আবার দুজন মানুষকে একে অপরের কাছে ফিরিয়ে আনে।


ক্ষমা চাইতে সবারই কষ্ট হয়। 

কিন্তু অন্তত অন্য মানুষটার কথা মন দিয়ে শোনা যায়। অনেক সময় মানুষ সমাধানের আগে এটুকুই চায়—কেউ তার কথা বিচার না করে শুনুক।


বিয়ের আগেও বাস্তব বিষয় নিয়ে কথা বলা জরুরি। শুধু ভালোবাসা দিয়ে সংসার চলে না। 

অর্থের দায়িত্ব, পরিবারের প্রত্যাশা, মতের অমিল হলে কীভাবে সামলানো হবে—এসব নিয়েও কথা হওয়া দরকার।


পরিবারেরও বড় ভূমিকা আছে। 

রাগের মুহূর্তে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার বদলে যদি তারা বলে, "আজ কোনো সিদ্ধান্ত নিও না। 

কাল সকালে ঠান্ডা মাথায় বসে কথা বলো।" 

অনেক সময় সেই এক রাতই নতুন করে ভাবার সুযোগ এনে দেয়। 


অবশ্যই, এটা সেই সম্পর্কগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে দুজনের নিরাপত্তা ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ আছে।


তবে একটা বিষয় পরিষ্কার করে বলা দরকার। 

সব সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য নয়। 

যেখানে মারধর, মানসিক নির্যাতন, প্রতারণা বা নিরাপত্তাহীনতা আছে, সেখানে ডিভোর্স অনেক সময় সঠিক এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত। 

কোনো মানুষকে কষ্টের সম্পর্কে আটকে থাকার পরামর্শ দেওয়া যায় না।


কিন্তু যে সম্পর্কগুলো শুধু অহংকার, নীরবতা, ছোট ছোট অবহেলা আর যোগাযোগের অভাবে ভেঙে যাচ্ছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে হয়তো এখনো দেরি হয়ে যায়নি।


কারণ অনেক সময় একটা সম্পর্ক বাঁচাতে বড় কোনো অলৌকিক ঘটনার দরকার হয় না। দরকার হয় শুধু একজনের বলা একটি বাক্য—


"চলো, আজ তর্ক না করি। আগে বসে কথা বলি।"


আপনার কি মনে হয়, বেশিরভাগ সম্পর্ক ভালোবাসা শেষ হয়ে যাওয়ায় ভাঙে, নাকি কথা বলা বন্ধ হয়ে যাওয়ায়? মন্তব্যে আপনার মতামত জানান।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1063 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 21469। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4180
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


 যে চিঠিগুলো কখনো শেষ হয় না মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী। মে ১২, ২০২৬ রঞ্জন &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
424 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
পরকীয়া-ডিভোর্স: সমাজ না নিজের অবহেলা? মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
171 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
কোথাও না কোথাও, একটু থেমে আবার শুরু করার নামই জীবন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   বিশ্লেষণ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
501 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ক্ষুধার আগে কোনো পাঠই দাঁড়ায় না মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । ২৩ মে, ২০২৬ &ldquo[...] বিস্তারিত পড়ুন...
414 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ডিজিটাল যুগে ছোটগল্প সংকোচন না বিবর্তন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  প্রবন্ধ। এপ্রিল ২২, &#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
127 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2167 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    107 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    666 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    33 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    428 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    230 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    11 টি আইডিয়া ব্লগ

...