সবি আছে, তবু যেন কিছু নেই
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
বিশ্লেষণধর্মী। ২২-১১-২০২৫
একটা একক পরিবারে যা লাগে, সবই আছে—ঘর, গাড়ি, টিভি, ইন্টারনেট, মোবাইল। টাকারও অভাব নেই, খাবার জুটছে নিয়মিত, শরীরও বেশ ভালো আছে। বাইরে থেকে দেখলে, এমন পরিবারে বুঝি কোনো দুঃখ নেই।
কিন্তু সন্ধ্যা নামলেই ঘরের মধ্যে একটা অদ্ভুত নিস্তব্ধতা। আলো আছে, মানুষও আছে, কিন্তু সবাই নিজের মতো ব্যস্ত—কেউ ফোনে, কেউ ল্যাপটপে, কেউবা সোশ্যাল মিডিয়ায় ডুবে। চারপাশে এত লোক, অথচ কেউ কাউকে ছুঁয়ে যায় না। সবার মাঝেই যেন এক ধরনের একাকিত্ব ঘোরাফেরা করছে, চুপচাপ, গভীর।
মায়ের ডাকে কেউ সাড়া দেয় না। বাবার হাসিটা দেখা যায়, কিন্তু চোখে চোখ রেখে কথা বলার মতো কেউ নেই। বাচ্চারা ঘরে আছে বটে, কিন্তু তাদের কথাবার্তায় সেই আন্তরিক স্পর্শ নেই। শরীরে সবাই একসাথে, মনটা কিন্তু আলাদা জায়গায়—এটাই একক পরিবারের কঠিন সত্যি।
ট্যাব, স্মার্টফোন, স্ট্রিমিং—সবই আছে। নেই শুধু প্রাণবন্ত আড্ডা। কেউ জিজ্ঞেস করে, “কেমন আছো?”—শব্দটা শোনা যায়, কিন্তু মন ছুঁয়ে যায় না। চ্যাটবক্সে মেসেজ আসে-যায়, মনে কিছুই লাগে না।
বাজারে যা যা দরকার, সব মেলে—ফল, দুধ, খেলনা, জামা-কাপড়, বই, ল্যাপটপ, ঘড়ি। তবুও ঘরটা ফাঁকা মনে হয়। কোনো টাকাপয়সা বা জিনিস এই শূন্যতা ভরতে পারে না। এই অভাবের নাম—মানবিক সংযোগ, স্নেহ, ভালোবাসা, বোঝাপড়া।
একক পরিবারে বড় হওয়া শিশুদের কাছেও একাকিত্ব স্বাভাবিক হয়ে যায়। বড়রাও—চাকরি, গাড়ি, টাকা—সব পেয়েও, একা থাকার যন্ত্রণা থেকে বেরোতে পারে না। সাফল্যের ভিড়েও আনন্দের ঘাটতি থেকেই যায়। এটাই একক পরিবারের নিঃসঙ্গ বাস্তবতা।
তাই দরকার, সম্পর্কটা ধরে রাখা—পরিবার, বন্ধু, প্রতিবেশীর সঙ্গে। ছোট্ট ধন্যবাদ, একটু প্রশংসা, ভালোবাসার কথা—আবেগটা প্রকাশ করুন। একসাথে সময় কাটান—রান্না হোক, হাঁটা হোক, গল্প হোক। শুধু শুনবেন না, মন দিয়ে অনুভব করুন।
এই ছোট ছোট কাজগুলোই একলা পরিবারের শূন্যতা একটু হলেও কমাতে পারে।
সব কিছু থাকলেও—যদি মানবিক সংযোগ না থাকে, সবই ফাঁকা।
অর্থ, সুবিধা, প্রযুক্তি—সব পেয়েও মনের অভাব রয়ে যায়।
সব শেষে, মানুষের হৃদয় আর সম্পর্কের অনুভূতিই জীবনকে পূর্ণ করে।
কারণ, সব কিছু পেলেও যদি মনটা খালি থাকে,
সেই শূন্যতা আর কিছুতেই ভরতে পারে না।
সব কিছু আছে, তবুও কোথায় যেন একটা শূন্যতা রয়ে যায়।
একটা একক পরিবারে যা লাগে, সবই আছে—ঘর, গাড়ি, টিভি, ইন্টারনেট, মোবাইল। টাকারও অভাব নেই, খাবার জুটছে নিয়মিত, শরীরও বেশ ভালো আছে। বাইরে থেকে দেখলে, এমন পরিবারে বুঝি কোনো দুঃখ নেই।
কিন্তু সন্ধ্যা নামলেই ঘরের মধ্যে একটা অদ্ভুত নিস্তব্ধতা। আলো আছে, মানুষও আছে, কিন্তু সবাই নিজের মতো ব্যস্ত—কেউ ফোনে, কেউ ল্যাপটপে, কেউবা সোশ্যাল মিডিয়ায় ডুবে। চারপাশে এত লোক, অথচ কেউ কাউকে ছুঁয়ে যায় না। সবার মাঝেই যেন এক ধরনের একাকিত্ব ঘোরাফেরা করছে, চুপচাপ, গভীর।
মায়ের ডাকে কেউ সাড়া দেয় না। বাবার হাসিটা দেখা যায়, কিন্তু চোখে চোখ রেখে কথা বলার মতো কেউ নেই। বাচ্চারা ঘরে আছে বটে, কিন্তু তাদের কথাবার্তায় সেই আন্তরিক স্পর্শ নেই। শরীরে সবাই একসাথে, মনটা কিন্তু আলাদা জায়গায়—এটাই একক পরিবারের কঠিন সত্যি।
ট্যাব, স্মার্টফোন, স্ট্রিমিং—সবই আছে। নেই শুধু প্রাণবন্ত আড্ডা। কেউ জিজ্ঞেস করে, “কেমন আছো?”—শব্দটা শোনা যায়, কিন্তু মন ছুঁয়ে যায় না। চ্যাটবক্সে মেসেজ আসে-যায়, মনে কিছুই লাগে না।
বাজারে যা যা দরকার, সব মেলে—ফল, দুধ, খেলনা, জামা-কাপড়, বই, ল্যাপটপ, ঘড়ি। তবুও ঘরটা ফাঁকা মনে হয়। কোনো টাকাপয়সা বা জিনিস এই শূন্যতা ভরতে পারে না। এই অভাবের নাম—মানবিক সংযোগ, স্নেহ, ভালোবাসা, বোঝাপড়া।
একক পরিবারে বড় হওয়া শিশুদের কাছেও একাকিত্ব স্বাভাবিক হয়ে যায়। বড়রাও—চাকরি, গাড়ি, টাকা—সব পেয়েও, একা থাকার যন্ত্রণা থেকে বেরোতে পারে না। সাফল্যের ভিড়েও আনন্দের ঘাটতি থেকেই যায়। এটাই একক পরিবারের নিঃসঙ্গ বাস্তবতা।
তাই দরকার, সম্পর্কটা ধরে রাখা—পরিবার, বন্ধু, প্রতিবেশীর সঙ্গে। ছোট্ট ধন্যবাদ, একটু প্রশংসা, ভালোবাসার কথা—আবেগটা প্রকাশ করুন। একসাথে সময় কাটান—রান্না হোক, হাঁটা হোক, গল্প হোক। শুধু শুনবেন না, মন দিয়ে অনুভব করুন।
এই ছোট ছোট কাজগুলোই একলা পরিবারের শূন্যতা একটু হলেও কমাতে পারে।
সব কিছু থাকলেও—যদি মানবিক সংযোগ না থাকে, সবই ফাঁকা।
অর্থ, সুবিধা, প্রযুক্তি—সব পেয়েও মনের অভাব রয়ে যায়।
সব শেষে, মানুষের হৃদয় আর সম্পর্কের অনুভূতিই জীবনকে পূর্ণ করে।
কারণ, সব কিছু পেলেও যদি মনটা খালি থাকে,
সেই শূন্যতা আর কিছুতেই ভরতে পারে না।
তোমার ঘরেও কি এমনটা হয়?
যদি মনে একটুও লাগে, একটা শেয়ার করে দিও।
হয়তো আজ থেকেই একটু বদলানো যাবে।
#সবকিছুথাকলেও #শূন্যতা #এককপরিবার #চারপাশেএতলোক_কেউকাউকেছোঁয়েনা #ঘরভরা_মনফাঁকা #মোবাইলআছে_মানুষনেই #একা_থাকি_সবার_মাঝে #মানবিকসংযোগ #ভালোবাসারঅভাব #মনেরকথা #সন্ধ্যারনিস্তব্ধতা #পরিবারেরসময়
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।