Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

কুসংস্কার অশিক্ষা না মানুষের গভীর মনস্তত্ত্ব

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
221 বার প্রদর্শিত
করেছেন (19,302 পয়েন্ট)   10 এপ্রিল "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
কুসংস্কার অশিক্ষা না মানুষের গভীর মনস্তত্ত্ব মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, প্রাবন্ধিক নিবন্ধ। এপ্রিল ১০, ২০২৬ রাত অনেক হয়েছে। হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেল। শহরের ফ্ল্যাট, তবুও চারপাশটা অচেনা লাগতে শুরু করে। বারান্দার দিকে তাকালে অন্ধকারটা স্বাভাবিকের চেয়ে ঘন ঠেকে। আপনি জানেন—এখানে কোনো অস্বাভাবিক কিছু নেই। তবুও শরীরটা একটু সজাগ হয়ে ওঠে। যেন শরীরই আগে জানে। এই ছোট অভিজ্ঞতাটাই প্রশ্ন তোলে—শিক্ষিত মানুষও এমন মুহূর্তে অকারণে এমন সাড়া দেয় কেন? আমরা সহজ উত্তর পছন্দ করি। কুসংস্কার মানেই অশিক্ষা—এই ধারণাটা তাই বেশ স্বস্তিদায়ক। এতে বিষয়টা পরিষ্কার থাকে: শিক্ষা বাড়লে কুসংস্কার কমবে। কিন্তু অভিজ্ঞতা অন্য কথা বলে। একই মানুষ, যে যুক্তি দিয়ে সব ব্যাখ্যা করতে চায়, সে-ই নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে হঠাৎ অদ্ভুত কিছু বিশ্বাস করতে শুরু করে। দিনের বেলায় যা অস্বীকার করে, রাতে সেটাকেই এড়িয়ে চলে। এখানেই বোঝা যায়, বিষয়টা কেবল তথ্যের অভাব না। মানুষের মস্তিষ্ক অনিশ্চয়তা সহ্য করতে পারে না—এটা প্রায় প্রাথমিক সত্য। আমরা প্রতিটি ঘটনার কারণ জানতে চাই। কিন্তু সবকিছুর ব্যাখ্যা মেলে না। কিছু ঘটনা হঠাৎ ঘটে, কিছু ব্যাখ্যা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এই ফাঁকটাই সমস্যার জায়গা। মস্তিষ্ক সেই ফাঁক খালি রাখে না; দ্রুত কোনো ব্যাখ্যা বসিয়ে দেয়, সেটি দুর্বল হলেও। কুসংস্কার সেই তাড়াহুড়ো করে বসানো ব্যাখ্যাগুলোর একটি। একটা দৃশ্য ধরা যাক। গ্রামে টিনের ঘর। রাতে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। হঠাৎ ছাদের ওপর টুপ করে শব্দ হল। আপনি জানেন—জল পড়েছে, বা শুকনো ডাল। তবুও কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হয়, অন্য কিছু? এই ‘অন্য কিছু’ ভাবনাটা কোথা থেকে আসে? কারণ মস্তিষ্ক শুধু ব্যাখ্যা খোঁজে না, ঝুঁকিও হিসাব করে। এই প্রবণতার শিকড় পুরোনো—যখন অজানাকে দ্রুত হুমকি হিসেবে ধরা বেঁচে থাকার জন্য দরকার ছিল। ফলে অল্প সন্দেহও গুরুত্ব পায়। এখানেই কুসংস্কারের সঙ্গে বিবর্তনীয় ভয়-এর যোগ তৈরি হয়। একদিকে ব্যাখ্যার অভাব, অন্যদিকে অতিরিক্ত সতর্কতা—দুটো মিলে একটি মানসিক শর্টকাট তৈরি করে। তবে এটুকু বললে ছবিটা পুরো হয় না। আরেকটি স্তর আছে—নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন। আমরা যা বুঝি না, সেটাকে অন্তত মানসিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে চাই। এই চেষ্টাটা খুব সূক্ষ্ম। কেউ দরজার পাশে লোহা রাখে, কেউ নির্দিষ্ট দিনে কিছু এড়িয়ে চলে, কেউ নির্দিষ্ট শব্দে গা ছমছম অনুভব করে। এগুলো বাস্তব পরিবর্তন করে না। কিন্তু মনে হয়, কিছু একটা করা হচ্ছে। এই অনুভূতিটাই গুরুত্বপূর্ণ। সাহিত্য এই জায়গাটাকে খুব নিখুঁতভাবে ধরেছে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়-এর ‘তারানাথ তান্ত্রিক’-এর গল্পগুলোতে বারবার দেখা যায়—ঘটনা এমনভাবে সাজানো, যেখানে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। সবকিছু ব্যাখ্যা করা সম্ভব, আবার পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়াও কঠিন। পাঠক মাঝখানে আটকে থাকে। এই আটকে থাকা—এই অনির্ধারিত অবস্থাটাই আসল খেলা। মানুষ প্যাটার্ন খোঁজে। এটা আমাদের স্বাভাবিক প্রবণতা। দুটো ঘটনা পাশাপাশি ঘটলেই আমরা তাদের মধ্যে সম্পর্ক কল্পনা করি। অনেক সময় তা সত্যি হয় না, তবুও অভ্যাসটা যায় না। ধরা যাক, একদিন অকারণে খারাপ কিছু ঘটল। তারপর থেকে সেই দিনটাকে আলাদা চোখে দেখা শুরু হলো। যুক্তি দিয়ে জানি—এটা কাকতালীয়। তবুও ভেতরে একটা খচখচানি থেকে যায়। কারণ বিষয়টা তখন আর তথ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; সেটা অভিজ্ঞতার অংশ হয়ে যায়। এই জায়গায় এসে কুসংস্কার বাইরের কিছু নয়। এটা ভেতরের প্রতিক্রিয়া। আমরা নিজেরাই সেটাকে তৈরি করি, আবার নিজেরাই সেটাকে টিকিয়ে রাখি। তাহলে কুসংস্কার কি অশিক্ষার ফল? আংশিকভাবে, হ্যাঁ। কিন্তু এটুকু বললে ভুল হবে। কারণ শিক্ষা বাড়লেও এই প্রবণতা পুরোপুরি মুছে যায় না। বরং তা আড়ালে চলে যায়, রূপ বদলায়। এখানেই একটা অস্বস্তিকর সত্যি সামনে আসে—আমরা যতটা যুক্তিবাদী ভাবি, আসলে ততটা নই। আমি অন্তত নই। সব ব্যাখ্যা জানা থাকার পরও, অমাবস্যার রাতে ছাদের একদম কোণায় গিয়ে দাঁড়ালে পা সরে না। কুসংস্কার ঠিক এই জায়গাতেই দাঁড়িয়ে থাকে—যেখানে যুক্তি পুরোপুরি জেতে না, অনুভূতিও হার মানে না। আমরা কি সত্যিই সেটাকে অস্বীকার করি? নাকি অস্বীকার করার ভান করি, আর প্রয়োজনমতো আবার তার কাছেই ফিরে যাই? শেষ পর্যন্ত, প্রশ্নটা আর তাত্ত্বিক থাকে না। সত্যি করে বলুন—আপনারও কি এমন একটা রাত আছে, যেটা যুক্তি দিয়ে ঢাকেন, কিন্তু ভয় দিয়ে মানেন?
আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 956 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 19302। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3738
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


কুসংস্কার কেন গল্পে এত আকর্ষণীয় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, প্রাবন্ধিক নিবন্ধ। এপ্রিল ১০, ২০২৬ মানুষের মানসিক গঠনের ভেতরে এক ধরনের টানাপোড়েন কাজ করে—একদিকে জানার তীব্র আগ্রহ, অন্যদিকে অজানাকে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
222 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সময়ের কাছে মানুষের নীরব পরাজয় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । মে ১৭, ২০২৬ আম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
211 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ক্ষুধার আগে কোনো পাঠই দাঁড়ায় না মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । ২৩ মে, ২০২৬ &ldquo[...] বিস্তারিত পড়ুন...
206 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

 যে চিঠিগুলো কখনো শেষ হয় না মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী। মে ১২, ২০২৬ রঞ্জন &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
218 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ডিজিটাল যুগে ছোটগল্প সংকোচন না বিবর্তন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  প্রবন্ধ। এপ্রিল ২২, &#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
71 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1687 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    83 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    16 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    191 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    9 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. মাহাতাব হোসেন অপল

    170 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

...