“বন্ধুর সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু কাঁধ কমছে।”
যে প্রজন্ম সবচেয়ে বেশি সংযুক্ত, তারাই কেন সবচেয়ে একা?
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
বিশ্লেষণধর্মী। ২৭ নভেম্বর ২০২৫
তুমি হয়তো ভাবছো—আমরা সবাই একে অপরের সাথে ২৪/৭ সংযুক্ত। ফোন, মেসেঞ্জার, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ… প্রতিদিন অগণিত বার্তা, লাইক, স্ট্যাটাস, পোস্ট। কিন্তু এই সংযোগ কি সত্যিই আমাদের কাছে মানুষ এনে দিয়েছে? না, বরং অনেক সময় দূরত্ব তৈরি করেছে।
সালমা সকালবেলা তার ফোনে নতুন নোটিফিকেশন দেখে। বন্ধুদের স্টোরি, ভাইব, মিম—সবই দেখল। কিন্তু যখন নিজের দুঃখ বা চাপের কথা বলার চেষ্টা করল, কেউ শুনল না। স্ক্রিনের অগণিত বন্ধুদের মধ্যেও তার অনুভূতিটি অন্তরে ফাঁকা।
কেন এমন হচ্ছে? কারণ আমরা “সংযুক্ত” হতে যাই, কিন্তু তা শুধু superficial level-এ। Like, share, emoji—all are just digital validation। সত্যিকারের সংযোগ, যেখানে কেউ তোমার জন্য সময় দেয়, চোখে চোখ রেখে বোঝে, সেটাই কমে গেছে।
আরও বড় সমস্যা—এই constant exposure। আমাদের মস্তিষ্ক প্রতিদিন হাজারো signal পাই, যা stress, comparison, এবং self-doubt তৈরি করে। আমরা অন্যের জীবন দেখি, নিজের সাথে তুলনা করি, আর নিজেকে কম মনে করি। ফলে “একাকিত্ব” গড়ে ওঠে।
কিন্তু সমাধান আছে। প্রথমে, আমরা চাই নির্বাচিত সংযোগ—যেখানে কেউ সত্যিই শোনে। দ্বিতীয়ত, offline সময়। বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে একসাথে থাকুন, না যে শুধু স্ক্রিনে reaction দেয়। তৃতীয়ত, নিজের অনুভূতিকে priority দিন। সংযোগ মানে সবসময় online থাকা নয়; সংযোগ মানে সেই মানুষটির সাথে আছি যিনি সত্যি বোঝে।
তোমার মনে হবে—কিন্তু আমরা তো technology–এ এত এগিয়েছি। ঠিকই, কিন্তু একা থাকার অনুভূতি কমে না। কারণ সংযোগের সংখ্যা না, গুণমান গণনা করে। যাদের সঙ্গে আমরা deepest conversations করি, তাদেরই companionship আসল।
“যারা সর্বাধিক সংযুক্ত, তাদের একাকিত্ব সবচেয়ে স্পষ্ট। কারণ প্রকৃত সংযোগ সংখ্যায় নয়, অনুভূতিতে তৈরি হয়।”
“আপনি কি কখনো এই একাকিত্ব অনুভব করেছেন, এমন সময় যখন সবাই online ছিল? আপনার গল্প লিখুন, আমরা শোনব।”
#DigitalLoneliness #ConnectedYetAlone #BanglaInsight #Mindfulness #SocialReality
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।