Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

অদৃশ্য অসুখ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
6 বার প্রদর্শিত
করেছেন (27,929 পয়েন্ট)   17 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

অদৃশ্য অসুখimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণমূলক লেখা | ৬ অক্টোবর ২০২৬


“আমার খাবারে বিষ মিশিয়ে দিচ্ছে।”


কথাটা শুনে ঘরের মানুষ প্রথমে অবাক হয়। মা হয়তো বলেন, “কে বিষ দেবে তোমাকে?” স্ত্রী হয়তো বোঝানোর চেষ্টা করেন, “খাবারটা তো আমি নিজেই রান্না করেছি।”


কিন্তু মানুষটি খাবারের প্লেটের দিকে তাকিয়ে থাকে। তার চোখে ভয়। সে বিশ্বাস করছে, খাবারটা নিরাপদ নয়।


পরিবারের কাছে বিষয়টি অদ্ভুত। কিন্তু তার কাছে এটা সত্যি।


সিজোফ্রেনিয়ার সবচেয়ে কঠিন দিকগুলোর একটি এখানেই। বাইরে থেকে মানুষটি হয়তো একই রকম দেখতে। হাঁটছেন, কথা বলছেন, খাচ্ছেন। কিন্তু তার মনের ভেতরে বাস্তবতাকে দেখার ধরন বদলে যেতে পারে।


কেউ বিশ্বাস করতে পারেন, পরিবারের মানুষ তার ক্ষতি করতে চাইছে। কেউ মনে করতে পারেন, কেউ তাকে অনুসরণ করছে। কেউ এমন কণ্ঠ শুনতে পারেন, যা আশপাশের অন্য কেউ শুনছে না। কেউ আবার এমন কিছু দেখতে বা শরীরে অনুভব করতে পারেন, যার বাস্তবে কোনো উৎস নেই।


তখন পরিবারের মানুষের জন্যও পরিস্থিতি কঠিন হয়ে যায়।


কারণ তারা যা দেখছে, রোগী তা দেখছে না।


একজন বলছে, “এখানে কেউ নেই।”


অন্যজন বলছে, “তুমি দেখতে পাচ্ছ না, কিন্তু আমি স্পষ্ট দেখছি।”


এই দুই বাস্তবতার মাঝখানে তৈরি হয় দূরত্ব।


সিজোফ্রেনিয়া একটি গুরুতর মানসিক অসুস্থতা। এতে মানুষের চিন্তা, অনুভূতি, আচরণ এবং বাস্তবতাকে বোঝার ক্ষমতায় পরিবর্তন আসতে পারে। তাই শুধু একটি লক্ষণ দেখে কাউকে সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত বলা ঠিক নয়।


তবু কিছু পরিবর্তন পরিবারের মানুষের নজরে আসতে পারে।


কেউ একা একা কথা বলতে শুরু করতে পারেন। কেউ দীর্ঘ সময় চুপচাপ থাকেন। কথা বললে উত্তর দেন না, কিংবা আগের মতো মানুষের সঙ্গে মিশতে চান না। কেউ অসংলগ্ন কথা বলতে পারেন। প্রতিদিনের স্বাভাবিক কাজকর্মেও অনিয়ম দেখা দিতে পারে।


আগে যে মানুষটি নিজের পোশাক, পরিচ্ছন্নতা, খাওয়া বা কাজের বিষয়ে সচেতন ছিলেন, তিনি হঠাৎ এসবের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন। বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দিতে পারেন। পরিবারের মানুষদের থেকেও দূরে সরে যেতে পারেন।


এসব দেখে অনেকেই বলেন, “ও বদলে গেছে।”


কেউ বলেন, “ও ইচ্ছে করেই এমন করছে।”


কেউ আবার ধরে নেন, “ওর মাথা খারাপ হয়ে গেছে।”


কিন্তু অসুস্থতার জায়গাটা বুঝতে হলে একটু থামতে হয়।


সিজোফ্রেনিয়ায় ভ্রান্ত বিশ্বাস তৈরি হতে পারে। মানুষ এমন কোনো বিষয়কে সত্যি বলে বিশ্বাস করতে পারেন, যার বাস্তব ভিত্তি নেই। যেমন, খাবারে বিষ দেওয়া হচ্ছে, কেউ তাকে মেরে ফেলতে চাইছে, কেউ তার ওপর নজর রাখছে।


অলীক অনুভূতিও হতে পারে। কেউ এমন কণ্ঠ শুনতে পারেন, যা অন্য কেউ শুনছে না। কেউ এমন দৃশ্য দেখতে পারেন, যার বাস্তব অস্তিত্ব নেই। কারও আবার শরীরে অদ্ভুত স্পর্শের অনুভূতি হতে পারে। এমনকি চামড়ার ভেতরে পোকা হাঁটছে বা শরীরের কোনো অংশে পোকা কিলবিল করছে—এমন অনুভূতিও কারও হতে পারে।


এখানে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। এই অভিজ্ঞতাগুলো রোগীর কাছে বানানো গল্প নাও হতে পারে। সে সত্যিই এমন কিছু অনুভব করতে পারে।


তাই তাকে নিয়ে হাসাহাসি করা, “নাটক করছ” বলা কিংবা ইচ্ছা করে ভয় দেখানো সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।


আবার পরিবারের মানুষকে তার প্রতিটি কথাকে সত্যি বলেও মেনে নিতে হবে না। কেউ যদি বলেন, “ওরা আমাকে মেরে ফেলবে”, তখন শান্তভাবে তার ভয়টা শোনা যায়, কিন্তু সেই সন্দেহকে আরও উসকে দেওয়া ঠিক নয়।


কীভাবে কথা বলতে হবে, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।


চিৎকার করে বোঝানোর বদলে শান্ত থাকা ভালো। অযথা তর্কে না যাওয়া ভালো। রোগী চিকিৎসার মধ্যে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে সাহায্য করা দরকার।


কারণ সিজোফ্রেনিয়ার চিকিৎসা সম্ভব।


চিকিৎসার প্রধান অংশ সাধারণত মনোরোগের ওষুধ। রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী মানসিক সহায়তা, পরিবারকে রোগটি সম্পর্কে বোঝানো, সামাজিক ও দৈনন্দিন দক্ষতা ফিরিয়ে আনার সহায়তাও প্রয়োজন হতে পারে। গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে রেখে চিকিৎসার দরকার হতে পারে।


সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় যখন পরিবার চিকিৎসার বদলে কুসংস্কারের দিকে যায়।


“জিন ধরেছে।”


“কেউ কিছু করেছে।”


“ওঝার কাছে নিয়ে গেলে ঠিক হয়ে যাবে।”


এভাবে চিকিৎসা শুরু করতে দেরি হলে রোগীর কষ্ট আরও দীর্ঘ হতে পারে। কোনো মানুষ অস্বাভাবিক আচরণ করলেই তাকে অলৌকিক কোনো শক্তির শিকার ভাবার আগে চিকিৎসার সম্ভাবনাটা ভাবা দরকার।


আরেকটি ভুল ধারণা হলো, মানসিক রোগের ওষুধ শুরু করলে মানুষ সারাজীবন “পাগল” হয়ে থাকবে। এই ভয়েও অনেকে চিকিৎসা শুরু করতে চান না। আবার কিছুদিন ভালো থাকার পর নিজেরাই ওষুধ বন্ধ করে দেন।


দুটিই সমস্যা তৈরি করতে পারে।


চিকিৎসা কতদিন চলবে, কোন ওষুধ প্রয়োজন, কখন কমানো বা বন্ধ করা যাবে—এসব সিদ্ধান্ত চিকিৎসকের। নিজের সিদ্ধান্তে ওষুধ বন্ধ করা ঠিক নয়।


সিজোফ্রেনিয়া শুধু রোগীর একার সমস্যা নয়। পরিবারের ওপরও এর চাপ পড়ে। একজন মা হয়তো দিনের পর দিন ছেলেকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। একজন স্ত্রী হয়তো বুঝতে পারেন না, কেন তার স্বামী হঠাৎ তাকে সন্দেহ করছেন। একজন বাবা হয়তো ভাবেন, এত শান্ত ছেলেটা এমন হয়ে গেল কীভাবে।


এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে গিয়ে পরিবার যেন রোগীকে হারিয়ে না ফেলে।


কারণ আচরণ বদলে গেলেও মানুষটি হারিয়ে যায় না।


সে হয়তো এমন কিছু শুনছে, যা আমরা শুনছি না। এমন কিছু বিশ্বাস করছে, যা আমরা বিশ্বাস করি না। এমন কিছু ভয় পাচ্ছে, যার কারণ আমরা দেখতে পাচ্ছি না।


তারপরও সে একজন মানুষ।


তাই সিজোফ্রেনিয়াকে ভয় পাওয়ার চেয়ে বোঝার চেষ্টা করা বেশি জরুরি। লক্ষণ দেখলে লুকিয়ে না রেখে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি। আর চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীর সম্মানটুকু ধরে রাখাও জরুরি।


কারণ শরীরের অসুখ হলে আমরা মানুষটাকে অসুস্থ বলি।


মনের অসুখ হলে কেন মানুষটাকেই অসুস্থ মানুষ বলে দূরে সরিয়ে দেব?


অসুখটা তার পরিচয় নয়। অসুখের আড়ালেও একজন মানুষ থাকে।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1382 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 27929। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4938
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
মনের ভেতরের অদৃশ্য দেয়াল মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণমূলক লেখা | ৬ অক্টোবর ২০২৬ [...] বিস্তারিত পড়ুন...
6 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
  অদৃশ্য হওয়ার আগে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন গদ্য কবিতা  । মে ১৬,২০২৬ শরীরটা আজকাল খুব ত&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
435 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাহিত্যে নীরবতা এক অদৃশ্য ভাষার শক্তি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন নিবন্ধ। এপ্রিল ০৫, ২০২&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
521 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

সাহিত্যের অদৃশ্য কাজ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী। মার্চ ২৪, ২০২৬ একটা বই কি সত্যিই সমাজ বদলাতে পারে? প্রশ্নটা ছোট। কিন্তু অস্বস্তিকর। কারণ বই—শেষ পর্যন্ত কাগজে ছাপা কিছু শব্দ। আর [...] বিস্তারিত পড়ুন...
447 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সফলতার আলোর পিছনে অদৃশ্য অন্ধকার মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ১৫ মার্চ ২০&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
462 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    325 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    4 মন্তব্য

    16 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    123 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    61 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    41 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...