Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

নিজের বিরুদ্ধে নিজেই

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
4 বার প্রদর্শিত
করেছেন (29,950 পয়েন্ট)   15 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

নিজের বিরুদ্ধে নিজেইimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণমূলক লেখা | ২৭ অক্টোবর ২০২৬


সকালে অফিসে ঢোকার সময় রাকিব সহকর্মীকে সালাম দিল। লোকটি কম্পিউটারের পর্দা থেকে চোখ তুলল না। রাকিব দ্বিতীয়বার কিছু বলল না। নিজের চেয়ারে বসে মনে মনে ভাবল, মানুষটা আজকাল তাকে এড়িয়ে চলছে।


দুপুরে বস সবার সামনে তার কাজের একটা ভুল ধরিয়ে দিলেন। ভুলটা সত্যিই হয়েছিল। তবু কথাটা শুনে রাকিবের মুখ গরম হয়ে উঠল। তার মনে হলো, বস বুঝি তাকে ছোট করার সুযোগ খুঁজছিলেন।


বিকেলে স্ত্রী ফোন করে বললেন, ফেরার পথে বাজার থেকে কিছু জিনিস নিয়ে যেতে। রাকিব ক্লান্ত গলায় বলল, ‘সারাদিন অফিস করে বাড়ি ফিরছি, একটু শান্তি নেই?’


ফোন রাখার পর তার বিরক্তি আরও বেড়ে গেল। অফিসে সম্মান নেই, বসের কাছে মূল্য নেই, বাড়িতেও কেউ তার ক্লান্তিটুকু বোঝে না।


বাড়ি ফিরে স্ত্রী জানতে চাইলেন, কী হয়েছে। রাকিব বলল, ‘কিছু হয়নি।’ তারপর মুখ ঘুরিয়ে শুয়ে পড়ল।


কিন্তু তার ভেতরে কিছু একটা চলতেই থাকল। সকালের সহকর্মী, দুপুরের বস আর বিকেলের ফোন—তিনটি আলাদা ঘটনা তার মনে এক হয়ে গেল। সে নিজের অজান্তেই একটা গল্প তৈরি করে ফেলল: কেউ তাকে সম্মান করে না, কেউ তার কথা ভাবে না।


রাতে ঘুমানোর চেষ্টা করেও পারল না। সহকর্মী কেন তাকাল না, বস কেন সবার সামনে ভুল ধরলেন, স্ত্রী কেন তার ক্লান্তি বুঝলেন না—একটার পর একটা প্রশ্ন ঘুরতে লাগল। প্রতিটি ঘটনার নতুন ব্যাখ্যা তৈরি হলো, আর প্রতিটি ব্যাখ্যাই তাকে আরও ক্ষুব্ধ করে তুলল।


অথচ দিনের ঘটনাগুলো বদলানোর ক্ষমতা তার ছিল না। কিন্তু সেগুলোর অর্থ কী হবে, তা নিয়ে নিজের মনে সে বারবার বিচার বসাচ্ছিল।


ঘটনা আর গল্প


সহকর্মী কথা বলেননি—এটি একটি ঘটনা। তিনি রাকিবকে অপছন্দ করেন—এটি তার অনুমান।


বস ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন—এটিও একটি ঘটনা। তিনি রাকিবকে অপমান করতে চেয়েছেন—এটি তার মনে তৈরি হওয়া ব্যাখ্যা।


স্ত্রী বাজারের কথা বলেছেন। কিন্তু রাকিব ধরে নিয়েছে, স্ত্রী তার ক্লান্তির কোনো মূল্য দেন না।


প্রতিটি ক্ষেত্রে সে যা ঘটেছে, তার সঙ্গে এমন কিছু অর্থ জুড়ে দিয়েছে, যার সত্যতা সে জানে না। তারপর সেই অর্থকেই সত্য ধরে কষ্ট পেয়েছে।


আমরা অনেক সময় নিজের মনেও এমনটা করি। কেউ উত্তর দিতে দেরি করলে ভাবি, সে আর আগের মতো নেই। কোনো কাজে ভুল হলে মনে করি, সবাই আমাদের অযোগ্য ভাবছে। কাছের মানুষটি নিজের মতো করে কোনো সিদ্ধান্ত নিলে ধরে নিই, আমাদের গুরুত্ব কমে গেছে।


ঘটনাটি হয়তো সামান্য। কিন্তু তার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া অর্থটি আমাদের পুরো দিন নষ্ট করে দিতে পারে।


এর অর্থ এই নয় যে মানুষের আচরণে কখনো অবহেলা থাকে না, কিংবা সব কষ্টই কল্পনা। রাকিবের বস সত্যিই অন্যায় করতে পারেন, সহকর্মীও হয়তো তাকে এড়িয়ে চলছেন। কিন্তু নিশ্চিত না হয়েই সবচেয়ে কষ্টদায়ক ব্যাখ্যাটি বেছে নেওয়ার কারণে সে এমন এক লড়াইয়ে নেমেছে, যার প্রতিপক্ষ সম্পর্কে তার ধারণাই অসম্পূর্ণ।


যে রাতটা তার নিজের ছিল


পরদিন অফিসে গিয়ে রাকিব জানতে পারল, আগের দিন সহকর্মীর বাড়িতে পারিবারিক সমস্যা হয়েছিল। তাই তিনি কারও সঙ্গে ঠিকমতো কথা বলেননি।


বসের কাছে কাজের ভুলটি সংশোধন করে দিলে তিনি শুধু বললেন, ‘এবার ঠিক হয়েছে।’


স্ত্রীও আগের দিনের কথার প্রসঙ্গ তুললেন না। স্বাভাবিকভাবেই জানতে চাইলেন, দুপুরে কী খেয়েছে।


রাকিবের মনে পড়ল, আগের রাতে সে কতক্ষণ জেগে ছিল। কতবার একই কথাগুলো মনে মনে বলেছে, কত অভিযোগ জমিয়েছে, কতটা রাগ নিয়ে স্ত্রীর কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে শুয়েছে।


সেদিন রাকিব বুঝেছিল, সারাদিন কেউ তার বিরুদ্ধে ছিল না। সারাদিন সে নিজেই নিজের বিরুদ্ধে ছিল।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 1 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1482 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 29950। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 5110
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
বাবার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য (পরিবার, স্মৃতি ও চাপা সত্য) মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প | ২&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
11 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

শেষের কবিতা: পূর্ণতার বিরুদ্ধে প্রেম মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । এপ্রিল ৩০, ২০২৬ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "শেষের কবিতা"-কে আমরা যতবার প্রেমের উপন্যাস হিসেবে পড়তে চাই, ততবারই এটি সেই স�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
475 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিজের সামনে দাঁড়ানোর সাহস মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণমূলক লেখা | ২৭ অক্টোবর ২০&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিজের জীবন, নিজের ভয় (নারী, পরিবার ও সামাজিক মনস্তত্ত্ব) মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্ল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
15 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নিজের ঘর, তবু পরের মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণমূলক লেখা  পরিবার, নারী ও সামাজিক [...] বিস্তারিত পড়ুন...
23 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2346 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    11 মন্তব্য

    116 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Mayabi Ilmaz Megh

    211 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    10 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. জামিনুল রেজা

    83 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

...