Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

ই-নলেজ আইডিয়া

আপনার লেখার কি আছে নিজস্ব পরিচয়, স্বীকৃতি ও স্থায়ী ঠিকানা?

Author ID, স্বতন্ত্র eID, লেখার পরিচয় যাচাই, জীবন্ত পোর্টফোলিও ও ফ্রি প্রমোশন—লেখালেখির পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম।

বিস্তারিত পড়ুন ↓

আমাদের মনের ভেতর প্রতিদিন কত শত ভাবনা আসে, কত অনুভূতি জন্ম নেয়, কত কথা কাউকে বলতে ইচ্ছে করে! অথচ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার অনেক কিছুই হারিয়ে যায়। কিছু কথা কাউকে বলা হয় না, কিছু অনুভূতি ভাষা খুঁজে পায় না, আবার কিছু ভাবনা মুহূর্তের ব্যস্ততায় হারিয়ে যায় চিরতরে।

অথচ সেই ভাবনাগুলোই হয়তো একদিন একটি সুন্দর গল্প হয়ে উঠতে পারত, একটি কবিতা হয়ে কারও হৃদয় ছুঁতে পারত, কিংবা এমন কোনো লেখা হয়ে উঠতে পারত, যার মধ্যে অন্য কেউ খুঁজে পেত নিজের জীবনের গল্প।

তাই যা কিছু ভাবনায় আসে, তা এক বাক্যে হলেও লিখে রাখা উচিত। কে জানে, আজকের ছোট্ট একটি ভাবনাই হয়তো একদিন আপনার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় লেখাটি হয়ে উঠবে!

আর একটা কথা ভেবেছেন? একদিন হয়তো আপনি অনেক দূরে চলে যাবেন। সময়ের সঙ্গে মানুষের স্মৃতি থেকেও আপনার নাম মুছে যেতে পারে। কিন্তু আপনার রেখে যাওয়া লেখাগুলো আপনার অনুভূতি, চিন্তা ও অস্তিত্বের সাক্ষী হয়ে বেঁচে থাকতে পারে। কেউ হয়তো আপনার লেখা পড়ে নিজের জীবনের মিল খুঁজে পাবেন, আপনার অজানা কোনো অনুভূতি বুঝতে পারবেন। আপনি তাঁর কাছে অপরিচিত হয়েও লেখার মধ্য দিয়ে তাঁর অনুভূতির সঙ্গী হয়ে উঠতে পারেন। এটাই তো লেখার এক অসাধারণ ক্ষমতা!

কিন্তু এত সৃষ্টির স্থায়ী ঠিকানা কোথায়?

সোশ্যাল মিডিয়ায় পুরোনো লেখা টাইমলাইনের নিচে হারিয়ে যায়, আইডির কিছু হলে লেখার সোর্সও মুছে যায়। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে লেখাগুলো ছড়িয়ে থাকায় নিজের লেখক পরিচয়ের একটি পূর্ণাঙ্গ পোর্টফোলিও তৈরি করা কঠিন। নিজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত লেখার তারিখ বা তথ্যও পরিবর্তন করা সম্ভব। আবার কেউ লেখা কপি করে নিজের নামে প্রকাশ করলে মূল লেখককেই অনেক সময় নিজের লেখার পরিচয় ও প্রকাশনার উৎস খুঁজে বের করে প্রমাণ করতে হয়।

একজন লেখক কি তাঁর সময় ও শ্রম লেখালেখিতে ব্যয় করবেন, নাকি নিজের লেখার লিংক ফেরি করে বেড়াবেন?

এই সমস্যাগুলোর সমাধানের ভাবনা থেকেই গড়ে উঠেছে Enolej Idea। এটি কেবল লেখা প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম নয়; লেখকের নিজস্ব পরিচয়, প্রতিটি সৃষ্টির স্বতন্ত্র পরিচয়, লেখার সংরক্ষণ, স্বীকৃতি এবং পাঠকের সঙ্গে সংযোগ গড়ে তোলার একটি সমন্বিত ডিজিটাল লেখালেখির ইকোসিস্টেম।

১. নিজস্ব লেখক পরিচয় — Author ID

প্রতিটি লেখকের জন্য রয়েছে স্বতন্ত্র লেখক আইডি নম্বর। নিজের লেখক প্রোফাইলে পরিচিতি, প্রকাশিত লেখা ও লেখালেখির পথচলা একসঙ্গে তুলে ধরতে পারবেন। এই Author ID Bio, CV কিংবা নিজের বইয়েও ব্যবহার করতে পারবেন। ফলে লেখক হিসেবে আপনার পরিচয়ের জন্য থাকবে একটি নির্দিষ্ট ডিজিটাল ঠিকানা।

২. প্রতিটি লেখার আলাদা পরিচয় — eID

একজন লেখকের প্রতিটি সৃষ্টির জন্য রয়েছে স্বতন্ত্র eID। এটি নির্দিষ্ট লেখাটিকে তার মূল প্রকাশনা ও লেখকের পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করে। মনে রাখবেন, Author ID হলো লেখকের পরিচয়, আর eID হলো নির্দিষ্ট লেখার পরিচয়।

৩. eID Verification System

eID Verified: লেখার সঙ্গে স্বতন্ত্র eID ও মূল প্রকাশনার রেফারেন্স যুক্ত করার ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে লেখাটির পরিচয় ও Enolej Idea-তে মূল প্রকাশনার তথ্য তুলে ধরা যায়।

eID Scan: eID Verified চিহ্নযুক্ত লেখা স্ক্যান করে কয়েক সেকেন্ডে সংশ্লিষ্ট লেখক, eID ও মূল প্রকাশনার পরিচয় যাচাই করার সুবিধা।

eID Bridge: বাইরের প্রকাশনা বা প্ল্যাটফর্মেও eID ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করে, যাতে মূল লেখার পরিচয় ও Enolej Idea-তে প্রকাশিত লেখার সঙ্গে সংযোগ বজায় থাকে।

eID ব্যবস্থা লেখার পরিচয় ও মূল প্রকাশনার তথ্য যাচাই এবং স্বত্বের দাবির পক্ষে প্রাসঙ্গিক তথ্য সংরক্ষণে সহায়ক। এটি নিজে থেকে আইনি কপিরাইট নিবন্ধনের বিকল্প নয়।

৪. জীবন্ত লেখক পোর্টফোলিও

আপনার সব লেখা এক জায়গায় সাজিয়ে তৈরি করুন নিজের জীবন্ত পোর্টফোলিও। সময়ের সঙ্গে নতুন লেখা যুক্ত হবে, সমৃদ্ধ হবে আপনার লেখক পরিচয়। পাঠকও সহজেই এক জায়গা থেকে আপনার সব সৃষ্টির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন।

৫. লেখালেখির আরও সুবিধা

সিরিজ ও পর্ব: ধারাবাহিক লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজিয়ে রাখুন, যাতে পাঠক সহজেই পরবর্তী পর্বগুলো খুঁজে পান।

Draft ও Notes: অসম্পূর্ণ লেখা, প্রাথমিক ভাবনা ও প্রয়োজনীয় নোট সংরক্ষণ করুন।

এক ক্লিকে ই-বুক ও পাণ্ডুলিপি: নিজের প্রকাশিত লেখাগুলো একত্র করে ই-বুক বা পাণ্ডুলিপি তৈরি করুন।

পাঠকের সঙ্গে সংযোগ: মন্তব্য, প্রতিক্রিয়া ও প্রশ্নের মাধ্যমে পাঠকের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকুন।

Points, Badges ও Ranking: লেখালেখি ও পাঠক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে পয়েন্ট, ব্যাজ ও র‍্যাঙ্কিং অর্জনের সুযোগ।

ফ্রি প্রমোশন ও Google Discoverability: নিজের লেখা ও লেখক পরিচিতি আরও পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ।

আপনার লেখালেখির যাত্রা শুরু করতে পারেন আজই।

আপনি নতুন লেখক হোন কিংবা দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি করছেন—নিজের ভাবনা প্রকাশ করতে ভালোবাসলেই শুরু করতে পারেন। প্রতিটি লেখাই অসাধারণ হতে হবে, এমন নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের ভাবনাগুলোকে হারিয়ে যেতে না দেওয়া এবং ধীরে ধীরে নিজের লেখকসত্তাকে গড়ে তোলা।

আপনার ভাবনাগুলো মূল্যবান। সেগুলো শুধু আজকের জন্য নয়, ভবিষ্যতের জন্যও যত্ন করে রেখে দিন।

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline] →

Enolej Idea — Write. Preserve. Be remembered.

কাল সকালে আবার

লেখা যখন কণ্ঠে! শুনতে প্রস্তুত? প্রতি শনি, সোম ও বুধবার | বিকেল ৪টা ▶ FACEBOOK | ▶ YOUTUBE
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (30,677 পয়েন্ট)   58 মিনিট পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
eID স্ক্যান · লেখাটি যাচাই করা হচ্ছে, একটু অপেক্ষা করুন…

কাল সকালে আবারimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন 

বিশ্লেষণমূলক লেখা 

৩ নভেম্বর ২০২৬


সকালে ঘুম থেকে উঠে ছেলেটি প্রতিদিনের মতো গোসল করে। আলমারি থেকে অপেক্ষাকৃত ভালো জামাটি বের করে পরে। টেবিলের ওপর রাখা জীবনবৃত্তান্তের কয়েকটি ফটোকপি ব্যাগে ঢুকিয়ে ঘর থেকে বের হয়। কোথায় যাবে, কার সঙ্গে দেখা করবে, কোন প্রতিষ্ঠানে লোক নিচ্ছে, এসব নিয়ে আগের রাতে অনেকক্ষণ ভেবেছে।


একসময় তার সকালগুলো এমন ছিল না। অফিসে যাওয়ার তাড়া থাকত। মাসের প্রথম সপ্তাহে বেতন পাওয়ার অপেক্ষা থাকত। নিজের খরচের পাশাপাশি বাড়িতে কিছু টাকা দেওয়ার অভ্যাসও তৈরি হয়েছিল। মাস শেষে মায়ের হাতে টাকা তুলে দিলে মা খুব বেশি কিছু বলতেন না। শুধু টাকাটা রেখে দিতেন।


চাকরিটা চলে যাওয়ার পর প্রথম কয়েক দিন সে কাউকে কিছু বুঝতে দেয়নি। পরিচিতদের ফোন করেছে, পুরোনো সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ভেবেছিল, কয়েক দিনের মধ্যেই অন্য কোথাও একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে। কিন্তু দিন গড়িয়ে সপ্তাহ হয়েছে, সপ্তাহ পেরিয়ে মাস।


এখন সকালে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় মায়ের সঙ্গে চোখাচোখি হলে মা কিছু জিজ্ঞেস করেন না। হয়তো বুঝতে পারেন, ছেলেটি কোথায় যাচ্ছে। তবু যাওয়ার আগে বলেন, দুপুরে কিছু খেয়ে নিস।


ছেলেটি মাথা নেড়ে বেরিয়ে যায়।


সারাদিন এক অফিস থেকে আরেক অফিসে ঘোরে। কোথাও জীবনবৃত্তান্ত জমা দেয়, কোথাও পরিচিত কারও সঙ্গে দেখা করে। কোনো কোনো জায়গায় তাকে বসিয়ে রাখা হয়। কেউ বলে, পরে যোগাযোগ করবেন। কেউ বলে, আপাতত লোক নেওয়া হচ্ছে না। আবার কোথাও তার অভিজ্ঞতার সঙ্গে কাজের মিল পাওয়া যায় না।


একদিন একটি প্রতিষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, আগের চাকরিটা ছাড়লেন কেন?


সে একটু থেমে উত্তর দিল। প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক সমস্যার কারণে কয়েকজন কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছিল। কথাটা বলার সময় তার মনে হলো, নিজের কোনো দোষ না থাকলেও তাকে যেন একটা ব্যাখ্যা দিতে হচ্ছে।


বাড়ি ফেরার পথে বাসে বসে সে ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকে। কোনো নতুন বার্তা এসেছে কি না, কোনো পরিচিত মানুষ ফোন করেছে কি না। প্রতিবার ফোনের পর্দা জ্বলে উঠলে বুকের ভেতর সামান্য একটা আশা তৈরি হয়। তারপর আবার নিভে যায়।


বাড়িতে ফিরে মা জিজ্ঞেস করেন, দুপুরে খেয়েছে কি না। সে বলে, হ্যাঁ। মা আর কিছু বলেন না।


কিন্তু ঘরের টেবিলের ওপর জমতে থাকে জীবনবৃত্তান্তের ফটোকপি। কোনোটা একবার ভাঁজ করা, কোনোটা ব্যাগের মধ্যে থেকে কোণায় ছিঁড়ে গেছে। কয়েকটি কাগজের ওপর প্রতিষ্ঠানের নাম ও ফোন নম্বর লেখা। একদিন সে হিসাব করতে বসেছিল, গত দুই মাসে কতগুলো প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করেছে। হিসাবটা শেষ করেনি।


বন্ধুরা মাঝেমধ্যে ফোন করে। কেউ জানতে চায়, নতুন কোথাও যোগ দিয়েছে কি না। কেউ বলে, চিন্তা করিস না, কিছু একটা হয়ে যাবে। সে হাসিমুখে কথা শেষ করে। কিন্তু ফোন রাখার পর অনেকক্ষণ চুপচাপ বসে থাকে।


আগে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরলে তার হাতে বাজারের ব্যাগ থাকত। কখনো মায়ের জন্য ওষুধ আনত, কখনো ছোটখাটো সংসারের জিনিস। এখন বাড়ি ফেরার সময় তার হাতে থাকে একটি ব্যাগ, যার ভেতরে কয়েকটি জীবনবৃত্তান্ত আর পানির বোতল।


একদিন মা তার ঘরে এসে টেবিলের ওপর ছড়িয়ে থাকা কাগজগুলো গুছিয়ে দিতে চাইলেন। ছেলেটি বলল, থাক, আমি গুছিয়ে নেব।


মা কাগজগুলো আর সরালেন না। শুধু টেবিলের এক পাশে রাখা খালি পানির গ্লাসটি নিয়ে চলে গেলেন।


রাত বাড়ে। ছেলেটি আবার মুঠোফোনে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেখে। নিজের যোগ্যতার সঙ্গে মেলে এমন কয়েকটি পদে আবেদন করে। কোথাও অভিজ্ঞতা বেশি চাওয়া হয়েছে, কোথাও বয়সের শর্ত আছে, কোথাও আবার বেতন এত কম যে যাতায়াত খরচ হিসাব করতেই দ্বিধা হয়।


তবু সে আবেদন করে।


পরদিনও সকালে গোসল করে জামা পরে বের হয়। ব্যাগে নতুন কয়েকটি জীবনবৃত্তান্ত রাখে। আগের দিনের কাগজগুলোও ফেলে দেয় না। সেগুলোর পেছনে নতুন ঠিকানা লিখে রাখে।


এভাবে কত দিন চলবে, সে জানে না। মাকেও আর কিছু বলে না।


একদিন সকালে একটি প্রতিষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দিয়ে বের হওয়ার সময় তাকে জানানো হলো, নির্বাচিত হলে জানানো হবে। কথাটা সে আগেও অনেকবার শুনেছে। তাই এবার খুব বেশি আশা করেনি।


তিন দিন পর দুপুরে তার মুঠোফোনে একটি ফোন আসে। ওপাশ থেকে জানানো হয়, তাকে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। পরদিন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলা হয়।


ফোন রেখে সে কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকে। তারপর মাকে ফোন করে শুধু বলে, মা, একটা চাকরি হয়েছে।


ওপাশ থেকে মা কী বলেছিলেন, তা পাশের মানুষটি শুনতে পায়নি। শুধু দেখেছিল, ছেলেটি অনেক দিন পর একটু হাসল।


সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে মা জিজ্ঞেস করেন, কিছু হলো? ছেলেটি মাথা নেড়ে বলে, হ্যাঁ।


টেবিলের ওপর তার জীবনবৃত্তান্তের ফটোকপিগুলো তখনো পড়ে আছে। কয়েকবার ভাঁজ হওয়া, কোথাও কালির দাগ, কোথাও পুরোনো প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা কেটে নতুন ঠিকানা লেখা।


সে কাগজগুলো একসঙ্গে করে টেবিলের ড্রয়ারে রাখতে যায়। তারপর একটি কাগজ হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে।


কাল সকালে আর ওগুলো নিয়ে বের হতে হবে না। তবু কাগজগুলো ফেলে দিতে তার ইচ্ছে করে না।


কতগুলো দরজায় যে এগুলো নিয়ে দাঁড়িয়েছিল, তার হিসাব কাগজগুলোই জানে।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 1 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1518 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 30677। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 5226
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
নিজেকে আবার গুছিয়ে নেওয়া যায় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । ২৫ মে, ২০২৬ ভেঙ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
466 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
শ্রাবণদিনের হাহাকার প্রথম পর্ব: এক আষাঢ়ের সকালে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  ২২ জুলাই[...] বিস্তারিত পড়ুন...
51 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাসঃ-ছইয়ের নিচে জীবন গল্প-১০ -আবার দেখা হবে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ২৬ জুলাই, ২০২&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
54 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
কখনো কি মনে হয়েছে—সবাই তোমার পিছনে লেগে আছে, তোমার একটা ভুল দেখলেই হাসছে, আর তুমি দাঁ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
492 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আবার আসিব ফিরে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, প্রাবন্ধিক প্রবন্ধ। এপ্রিল ১৪, ২০২৬ “মানুষ ক&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
175 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. Mayabi Ilmaz Megh

    603 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    30 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    423 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. মিস্টার পেন্সিল

    102 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Qrrier

    31 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...