Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

বড়দের জুতা, ছোটদের পা

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
99 বার প্রদর্শিত
করেছেন (28,256 পয়েন্ট)   24 মে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

বড়দের জুতা, ছোটদের পাimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণধর্মী । ২৪ মে, ২০২৬


“ওর পায়ের মাপ ৫। আমরা জোর করে ৮ নম্বর জুতা পরায় দিছি।

বলে দিছি—‘বড় হইলে ফিট হবে’।

এই মেয়েটা হাঁটবে কীভাবে?”


আমরা কিশোরী মেয়েদের কাছে একসাথে তিনটা জিনিস চাই।


এক: বড়দের মতো ম্যাচিউরিটি। সব বুঝতে হবে। রাগ দেখানো যাবে না।

দুই: বাচ্চাদের মতো বাধ্যতা। মুখে মুখে তর্ক না। যা বলছি, তাই।

তিন: দেবীদের মতো ধৈর্য। সহ্য করো। মানিয়ে নাও। চুপ থাকো।


তিনটা রোল। একটা মানুষ।

একটা ব্রেইন — যেটা এখনো তৈরি হইতেছে।


ওর বয়স ১৩। অথচ আমরা চাই ২৫ বছরের মাথা।

সায়েন্স বলে, মস্তিষ্কের যে অংশটা সিদ্ধান্ত, আবেগ আর ঝুঁকি বোঝে—তা পুরোপুরি ম্যাচিউর হতে সময় লাগে প্রায় ২০–২৫ বছর।

মাঝখানের বয়সটা আমরা ওকে দিয়ে বাঁচতে দিই না।


রাগ হয়।

কিন্তু সেই রাগটা কখনো শব্দ পায় না।

ভেতরেই আটকে থাকে।


ও ভুল করবে। ভাঙবে। আবার শিখবে।

এটাই তো স্বাভাবিক।

কিন্তু আমরা ভুল করার স্পেস দেই না। শুধু রেজাল্ট চাই। A+। লক্ষ্মী মেয়ে। পারফেক্ট।


ফলাফল কী হয়?

৫ নম্বর পায়ে ৮ নম্বর জুতা পরলে দুইটা জিনিস হয়।

এক: পা ছিলে রক্ত বের হয়। সে সব সহ্য করে, নিজেকে শেষ করে দেয়। হাসে।

কিন্তু ভেতরে?

দুই: হাঁটা বন্ধ করে দেয়। দরজা লাগায়। ফোনের ভেতর ঢুকে যায়।

আমরা বলি, “মোবাইল খাইছে”।


আমরা দেখি সে ফোনে আছে। কিন্তু দেখি না সে আসলে কোথা থেকে পালাচ্ছে।

ফোনটা সমস্যা না।

ওটা শুধু পালানোর জায়গা।


আসলেই কি মোবাইল খাইছে?

নাকি আমরা ওর পা কাটছি?


আমরা কী কী “বড়দের জুতা” ওদের পরাই?

১. ইমোশনাল লেবার: “তোর মা অসুস্থ, সংসারটা তুই দেখ”। “ছোট ভাই কাঁদতেছে, থামা”।

যে বয়সে ওর নিজের কান্না থাকার কথা, সে অন্যের কান্না সামলায়।

ক্লান্ত লাগে।

খুব ক্লান্ত।

২. সম্মানের বোঝা: “কিছু করলে লোকে কী বলবে”। “আমাদের মান-সম্মান তোর হাতে”।

১৪ বছরের ঘাড়ে পুরা গুষ্টির প্রেস্টিজ।

৩. ডাবল লাইফ: বাইরে হাসিমুখ, ভেতরে চাপা কান্না। দিনের বেলা পারফেক্ট, রাতে ক্লান্ত একটা মানুষ।

জায়গা নাই।

৪. সিদ্ধান্তহীন জীবন: “সাইন্স নিতে হবে”। “ওই জামা না”। “ওই ছেলের সাথে মিশবা না”।

১৮ বছর পর হঠাৎ বলি, “এবার নিজের লাইফ নিজে ডিসাইড করো”।

হাস্যকর।


তাহলে করবো কী?

জুতা খুলেন।

একটু দাঁড়ান।

খুব তাড়াহুড়ো না।


ওর বয়স ১৪। ১৪ বছরের মতোই ট্রিট করেন। ৪০ বছরের ধৈর্য চাইয়েন না।

রাগ করবে। কাঁদবে। দরজা লাগাবে।

ঠিক আছে।

এটা ক্রাইম না।


পড়তে দেন। উঠতে হেল্প করেন।

ছোট সিদ্ধান্ত নিতে দেন। চুল কাটতে চাইলে কাটুক।

পরে হয়তো আবার শিখবে।

ভুল হলে বসে বুঝান।

চিৎকার না।

শুধু একটু থামেন।


‘বড়’ না, ‘মানুষ’ বানান।

‘না’ বলতে শেখা। হেল্প চাইতে শেখা। কাঁদতে শেখা।


কিছু জায়গা আছে, যেখানে আর কথা চলে না।

শুধু বোঝা যায়।


নিজের পায়ের দিকে তাকান।

আপনি কিশোরী বয়সে কোন জুতা পরছিলেন?

শ্বশুরবাড়ি সামলানোর জুতা? পড়া বাদ দেওয়ার জুতা?

ব্যথা লাগছিল?

এখনো লাগে?

তাহলে আপনার মেয়ের পায়ে ওই জুতা দিয়েন না।


কিশোরী মানে ছোট মানুষ না।

কিশোরী মানে তৈরি হতে থাকা মানুষ।


ওকে ছোট করে বানাবেন না। ওকে বড় হওয়ার সময় দিন।


জুতা না কেটে… পা বড় হতে দিন।


আপনি যদি কখনো এমন কিছু দেখে থাকেন, লিখে ফেলুন।

কারণ আপনার একটা লাইন হয়তো কারও জন্য নিজেকে প্রথমবার চিনে ফেলা।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1398 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 28256। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3917
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
এক পা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প  | ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ নিশির বিয়ের খবরটা অভিক প্&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
45 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ঘর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন জীবন নিয়ে ভাবনা। ২২ অক্টোবর ২০২৬ দরজা খুলে ঘরে ঢুকলাম। ড[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
মণ্ডপ থেকে জীবনে: দুর্গা পূজা নিয়ে ভাবনা শিকড়টা ভুলে গেলে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ব[...] বিস্তারিত পড়ুন...
10 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
মণ্ডপ থেকে জীবনে: দুর্গা পূজা নিয়ে ভাবনা মন্ত্রের ভেতরের মানুষ মোহাম্মদ জাহিদ হো&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
11 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
মণ্ডপ থেকে জীবনে: দুর্গা পূজা নিয়ে ভাবনা দুর্গাপূজা: পাঁচ দিনের পাঁচ অনুভব মোহাম্[...] বিস্তারিত পড়ুন...
12 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    652 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    6 মন্তব্য

    32 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    125 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    83 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    82 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

...