Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

ই-নলেজ আইডিয়া

আপনার লেখার কি আছে নিজস্ব পরিচয়, স্বীকৃতি ও স্থায়ী ঠিকানা?

Author ID, স্বতন্ত্র eID, লেখার পরিচয় যাচাই, জীবন্ত পোর্টফোলিও ও ফ্রি প্রমোশন—লেখালেখির পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম।

বিস্তারিত পড়ুন ↓

আমাদের মনের ভেতর প্রতিদিন কত শত ভাবনা আসে, কত অনুভূতি জন্ম নেয়, কত কথা কাউকে বলতে ইচ্ছে করে! অথচ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার অনেক কিছুই হারিয়ে যায়। কিছু কথা কাউকে বলা হয় না, কিছু অনুভূতি ভাষা খুঁজে পায় না, আবার কিছু ভাবনা মুহূর্তের ব্যস্ততায় হারিয়ে যায় চিরতরে।

অথচ সেই ভাবনাগুলোই হয়তো একদিন একটি সুন্দর গল্প হয়ে উঠতে পারত, একটি কবিতা হয়ে কারও হৃদয় ছুঁতে পারত, কিংবা এমন কোনো লেখা হয়ে উঠতে পারত, যার মধ্যে অন্য কেউ খুঁজে পেত নিজের জীবনের গল্প।

তাই যা কিছু ভাবনায় আসে, তা এক বাক্যে হলেও লিখে রাখা উচিত। কে জানে, আজকের ছোট্ট একটি ভাবনাই হয়তো একদিন আপনার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় লেখাটি হয়ে উঠবে!

আর একটা কথা ভেবেছেন? একদিন হয়তো আপনি অনেক দূরে চলে যাবেন। সময়ের সঙ্গে মানুষের স্মৃতি থেকেও আপনার নাম মুছে যেতে পারে। কিন্তু আপনার রেখে যাওয়া লেখাগুলো আপনার অনুভূতি, চিন্তা ও অস্তিত্বের সাক্ষী হয়ে বেঁচে থাকতে পারে। কেউ হয়তো আপনার লেখা পড়ে নিজের জীবনের মিল খুঁজে পাবেন, আপনার অজানা কোনো অনুভূতি বুঝতে পারবেন। আপনি তাঁর কাছে অপরিচিত হয়েও লেখার মধ্য দিয়ে তাঁর অনুভূতির সঙ্গী হয়ে উঠতে পারেন। এটাই তো লেখার এক অসাধারণ ক্ষমতা!

কিন্তু এত সৃষ্টির স্থায়ী ঠিকানা কোথায়?

সোশ্যাল মিডিয়ায় পুরোনো লেখা টাইমলাইনের নিচে হারিয়ে যায়, আইডির কিছু হলে লেখার সোর্সও মুছে যায়। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে লেখাগুলো ছড়িয়ে থাকায় নিজের লেখক পরিচয়ের একটি পূর্ণাঙ্গ পোর্টফোলিও তৈরি করা কঠিন। নিজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত লেখার তারিখ বা তথ্যও পরিবর্তন করা সম্ভব। আবার কেউ লেখা কপি করে নিজের নামে প্রকাশ করলে মূল লেখককেই অনেক সময় নিজের লেখার পরিচয় ও প্রকাশনার উৎস খুঁজে বের করে প্রমাণ করতে হয়।

একজন লেখক কি তাঁর সময় ও শ্রম লেখালেখিতে ব্যয় করবেন, নাকি নিজের লেখার লিংক ফেরি করে বেড়াবেন?

এই সমস্যাগুলোর সমাধানের ভাবনা থেকেই গড়ে উঠেছে Enolej Idea। এটি কেবল লেখা প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম নয়; লেখকের নিজস্ব পরিচয়, প্রতিটি সৃষ্টির স্বতন্ত্র পরিচয়, লেখার সংরক্ষণ, স্বীকৃতি এবং পাঠকের সঙ্গে সংযোগ গড়ে তোলার একটি সমন্বিত ডিজিটাল লেখালেখির ইকোসিস্টেম।

১. নিজস্ব লেখক পরিচয় — Author ID

প্রতিটি লেখকের জন্য রয়েছে স্বতন্ত্র লেখক আইডি নম্বর। নিজের লেখক প্রোফাইলে পরিচিতি, প্রকাশিত লেখা ও লেখালেখির পথচলা একসঙ্গে তুলে ধরতে পারবেন। এই Author ID Bio, CV কিংবা নিজের বইয়েও ব্যবহার করতে পারবেন। ফলে লেখক হিসেবে আপনার পরিচয়ের জন্য থাকবে একটি নির্দিষ্ট ডিজিটাল ঠিকানা।

২. প্রতিটি লেখার আলাদা পরিচয় — eID

একজন লেখকের প্রতিটি সৃষ্টির জন্য রয়েছে স্বতন্ত্র eID। এটি নির্দিষ্ট লেখাটিকে তার মূল প্রকাশনা ও লেখকের পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করে। মনে রাখবেন, Author ID হলো লেখকের পরিচয়, আর eID হলো নির্দিষ্ট লেখার পরিচয়।

৩. eID Verification System

eID Verified: লেখার সঙ্গে স্বতন্ত্র eID ও মূল প্রকাশনার রেফারেন্স যুক্ত করার ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে লেখাটির পরিচয় ও Enolej Idea-তে মূল প্রকাশনার তথ্য তুলে ধরা যায়।

eID Scan: eID Verified চিহ্নযুক্ত লেখা স্ক্যান করে কয়েক সেকেন্ডে সংশ্লিষ্ট লেখক, eID ও মূল প্রকাশনার পরিচয় যাচাই করার সুবিধা।

eID Bridge: বাইরের প্রকাশনা বা প্ল্যাটফর্মেও eID ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করে, যাতে মূল লেখার পরিচয় ও Enolej Idea-তে প্রকাশিত লেখার সঙ্গে সংযোগ বজায় থাকে।

eID ব্যবস্থা লেখার পরিচয় ও মূল প্রকাশনার তথ্য যাচাই এবং স্বত্বের দাবির পক্ষে প্রাসঙ্গিক তথ্য সংরক্ষণে সহায়ক। এটি নিজে থেকে আইনি কপিরাইট নিবন্ধনের বিকল্প নয়।

৪. জীবন্ত লেখক পোর্টফোলিও

আপনার সব লেখা এক জায়গায় সাজিয়ে তৈরি করুন নিজের জীবন্ত পোর্টফোলিও। সময়ের সঙ্গে নতুন লেখা যুক্ত হবে, সমৃদ্ধ হবে আপনার লেখক পরিচয়। পাঠকও সহজেই এক জায়গা থেকে আপনার সব সৃষ্টির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন।

৫. লেখালেখির আরও সুবিধা

সিরিজ ও পর্ব: ধারাবাহিক লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজিয়ে রাখুন, যাতে পাঠক সহজেই পরবর্তী পর্বগুলো খুঁজে পান।

Draft ও Notes: অসম্পূর্ণ লেখা, প্রাথমিক ভাবনা ও প্রয়োজনীয় নোট সংরক্ষণ করুন।

এক ক্লিকে ই-বুক ও পাণ্ডুলিপি: নিজের প্রকাশিত লেখাগুলো একত্র করে ই-বুক বা পাণ্ডুলিপি তৈরি করুন।

পাঠকের সঙ্গে সংযোগ: মন্তব্য, প্রতিক্রিয়া ও প্রশ্নের মাধ্যমে পাঠকের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকুন।

Points, Badges ও Ranking: লেখালেখি ও পাঠক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে পয়েন্ট, ব্যাজ ও র‍্যাঙ্কিং অর্জনের সুযোগ।

ফ্রি প্রমোশন ও Google Discoverability: নিজের লেখা ও লেখক পরিচিতি আরও পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ।

আপনার লেখালেখির যাত্রা শুরু করতে পারেন আজই।

আপনি নতুন লেখক হোন কিংবা দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি করছেন—নিজের ভাবনা প্রকাশ করতে ভালোবাসলেই শুরু করতে পারেন। প্রতিটি লেখাই অসাধারণ হতে হবে, এমন নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের ভাবনাগুলোকে হারিয়ে যেতে না দেওয়া এবং ধীরে ধীরে নিজের লেখকসত্তাকে গড়ে তোলা।

আপনার ভাবনাগুলো মূল্যবান। সেগুলো শুধু আজকের জন্য নয়, ভবিষ্যতের জন্যও যত্ন করে রেখে দিন।

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline] →

Enolej Idea — Write. Preserve. Be remembered.

সব কথা নয়

লেখা যখন কণ্ঠে! শুনতে প্রস্তুত? প্রতি শনি, সোম ও বুধবার | বিকেল ৪টা ▶ FACEBOOK | ▶ YOUTUBE
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
7 বার প্রদর্শিত
করেছেন (30,375 পয়েন্ট)   18 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
eID স্ক্যান · লেখাটি যাচাই করা হচ্ছে, একটু অপেক্ষা করুন…

সব কথা নয়image

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

বিশ্লেষণমূলক লেখা

১ নভেম্বর ২০২৬


রাতের খাবার টেবিলে দুজন মানুষ বসে আছেন। একজন কিছু একটা বলতে গিয়েও থেমে গেলেন। অন্যজন বুঝতে পারলেন, কথাটা বলা হয়নি। দুজনেই খাওয়া শেষ করলেন, তারপর যে যার কাজে চলে গেলেন। বাইরে থেকে দেখলে সংসারে কোনো অশান্তি নেই। অথচ সেই না-বলা কথাটাই হয়তো পরদিনও তাঁদের মাঝখানে বসে থাকবে।


সম্পর্কে এমন অনেক মুহূর্ত আসে, যখন মানুষ সত্যিটা জানে, কিন্তু বলতে চায় না। মনে হয়, এখন বললে ঝগড়া হবে। মানুষটি কষ্ট পাবে। কয়েক দিনের ভালো পরিবেশ নষ্ট হবে। তাই বিষয়টা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। কখনো সত্যিই এড়িয়ে যাওয়া ভালো। প্রতিটি কথার জবাব দিতে হয় না, প্রতিটি আচরণের ব্যাখ্যা চাইতে হয় না। কিন্তু সব সময় চুপ করে থাকাকে পরিণত আচরণ ভাবাও ভুল।


আমরা অনেক সময় সঠিক কাজটির চেয়ে সহজ কাজটি বেছে নিই। মুখ খুলে নিজের কষ্টের কথা বলা কঠিন। সামনাসামনি বসে ভুল বোঝাবুঝি পরিষ্কার করা কঠিন। পুরোনো কোনো ঘটনার কথা তুললে আবার মন খারাপ হতে পারে, সম্পর্কের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। তাই মানুষ চুপ থাকে। ভাবে, সময় গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে।


কিন্তু সময় সব সমস্যার সমাধান করে না। কিছু সমস্যা সময়ের সঙ্গে আরও জটিল হয়। যে কথাটি আজ শান্তভাবে বলা যেত, কয়েক মাস পরে সেটি জমে থাকা অভিমান নিয়ে বেরিয়ে আসে। তখন আলোচনার বিষয় আর শুধু একটি ঘটনা থাকে না। তার সঙ্গে যুক্ত হয় আগের অনেক অভিযোগ, পুরোনো অপমান, অবহেলার স্মৃতি। দুজন মানুষ তখন সমস্যার সমাধান করতে বসেন না, বরং কে কতটা কষ্ট পেয়েছেন, তার হিসাব মেলাতে থাকেন।


ধরা যাক, স্বামী প্রতিদিন কাজ শেষে বাড়ি ফিরে ক্লান্ত হয়ে চুপচাপ বসে থাকেন। স্ত্রী বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার কথা বলতে চেয়েছেন। তাঁর মনে হয়, স্বামী আর আগের মতো সময় দেন না। অন্যদিকে স্বামী ভাবেন, সারাদিনের পরিশ্রমের পর একটু নীরবতা চাইলে এত অভিযোগ কেন? দুজনেরই কিছু সত্য আছে। কিন্তু কেউই অন্যজনের কথাটা মন দিয়ে শুনছেন না। একজন অভিমান জমাচ্ছেন, অন্যজন কথা এড়িয়ে যাচ্ছেন। এভাবে একই ঘরে থেকেও তাঁদের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে।


এখানে কথা বলার অর্থ কাউকে দোষী করা নয়। বরং নিজের অনুভূতিটা এমনভাবে জানানো, যাতে অন্য মানুষটি আক্রমণের শিকার বোধ না করেন। ‘তুমি কখনো আমাকে সময় দাও না’ বললে সামনে থাকা মানুষটি আত্মপক্ষ সমর্থনে ব্যস্ত হয়ে পড়তে পারেন। তার বদলে বলা যায়, ‘ইদানীং তোমার সঙ্গে বসে কথা বলার সময় পাই না, বিষয়টা আমার খারাপ লাগে।’ কথার এই সামান্য পরিবর্তন আলোচনার দরজা খুলে দিতে পারে।


আবার সব সময় কথা বলারও দরকার হয় না। স্বামী একদিন বাড়ি ফিরে মন খারাপ করে চুপচাপ বসে আছেন। স্ত্রী হয়তো বুঝতে পারলেন, আজ তাঁর কিছু একটা হয়েছে। কিন্তু সেদিনই কারণ জানতে চেয়ে প্রশ্নের পর প্রশ্ন না করে ভাবলেন, আজ থাক, কাল কথা বলব। পরদিন সকালে এক কাপ চা এগিয়ে দিয়ে শুধু জিজ্ঞেস করলেন, ‘কাল তোমাকে একটু অন্যরকম লাগছিল, এখন কেমন আছ?’ এইটুকু অপেক্ষা অবহেলা নয়, বরং অন্য মানুষের মনের অবস্থাকে সম্মান করা।


জ্ঞান হলো কোন বিষয়টি ছেড়ে দিতে হবে আর কোনটি নিয়ে কথা বলা জরুরি, সেই পার্থক্য বুঝতে পারা। একবারের ভুল আর বারবার একইভাবে আঘাত করার মধ্যে পার্থক্য আছে। সাময়িক দূরত্ব আর দীর্ঘদিনের অবহেলা এক বিষয় নয়। কোনো মানুষ ভুল বুঝতে পারেন, আবার সেই ভুল সংশোধনের চেষ্টাও করতে পারেন। কিন্তু কেউ যদি বারবার একই আচরণ করেন, আপনার কষ্টের কথা জানার পরও গুরুত্ব না দেন, তাহলে নীরব থাকাকে আর বোঝাপড়া বলা যায় না।


আরেকটি বিষয় মনে রাখা দরকার, সম্পর্কের প্রতিটি আলোচনার শেষেই সমাধান আসবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। আপনি শান্তভাবে নিজের কথা বলতে পারেন, অন্যজন শুনতেও পারেন, তবু তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি বদলাবে না। কারণ সম্পর্ক দুজনের হলেও পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত প্রত্যেককে নিজের ভেতর থেকে নিতে হয়। একজন বারবার কথা বলবেন, আর অন্যজন প্রতিবার এড়িয়ে যাবেন, এমন হলে শুধু ধৈর্য ধরে সম্পর্কের ভার বহন করা যায় না।


কথা বলারও একটা সময় আছে, ভাষা আছে। রাগের মাথায় বলা সত্যও অনেক সময় আঘাতের কারণ হয়। তাই উত্তেজনার মুহূর্তে সিদ্ধান্ত না নিয়ে দুজনের মন শান্ত হলে আলোচনা করা ভালো। পুরোনো ক্ষত নিয়ে কথা বলতে হলে উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ক্ষতটা সারানো, নতুন করে কাউকে দোষী বানানো নয়। আর নিজের ভুল থাকলে সেটি স্বীকার করার মানসিকতাও থাকতে হবে।


সম্পর্কে আরাম দরকার, কিন্তু সেই আরাম যদি সত্য এড়িয়ে যাওয়ার নাম হয়, তাহলে একসময় তার মূল্য দিতে হয়। আজকের সামান্য অস্বস্তি হয়তো দুজন মানুষকে কাছাকাছি আনতে পারে। আবার আজকের নীরবতা কাল এমন দূরত্ব তৈরি করতে পারে, যেখান থেকে ফিরে আসা কঠিন।


সব কথা বলতে হবে না। সবকিছু সহ্যও করতে হবে না। কোন কথাটি না বললে সম্পর্কের ক্ষতি হবে, আর কোন কথাটি না বললেও চলে, সেই বোধটুকুই সম্পর্কের পরিণত আচরণ।


কারণ কখনো কখনো একটি সম্পর্ক ভেঙে যায় বড় কোনো ঝগড়ায় নয়, বরং বছরের পর বছর বলা হয়নি এমন কয়েকটি কথার ভারে।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 1 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1503 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 30375। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 5167
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
ভাবনার সঙ্গে লড়াই নয় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণমূলক লেখা | ২৭ অক্টোবর ২০২৬ র[...] বিস্তারিত পড়ুন...
19 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সবার জন্য নয় (সম্পর্ক ও সামাজিক মনস্তত্ত্ব) মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণমূলক লú[...] বিস্তারিত পড়ুন...
18 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

সবার খোঁজ নেন, নিজেরটা নয়Upload failed: [object Object] মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণমূলক লেখা  বিষণ্নতা ও বাইরে স্বাভাবিক থাকার চাপ ১৯ অক্টোবর ২০২৬ সকাল থেকে তিনি সবার রান্না করেন, সন্তানের স্কুলে যাওয়�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
24 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
শব্দের পেছনে নয় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণমূলক লেখা | ১৭ অক্টোবর ২০২৬ জীবনট[...] বিস্তারিত পড়ুন...
29 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সীমাবদ্ধতা নয়, ভিত্তি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  বিশ্লেষণধর্মী। ৪ আগষ্ট, ২০২৬ তৎকাল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
51 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. Mayabi Ilmaz Megh

    202 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    10 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    121 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Qrrier

    31 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. Mirza

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...