Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

অভিমানী সমাজ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
107 বার প্রদর্শিত
করেছেন (30,112 পয়েন্ট)   13 জুলাই "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

অভিমানী সমাজ  image

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  

বিশ্লেষণধর্মী সামাজিক প্রবন্ধ

১৩ জুলাই, ২০২৬


আজ সবাই নিজের কষ্টের কথা বলতে চায়, কিন্তু অন্যের কষ্ট শুনতে চায় না।


কথাটা শুনতে কঠিন লাগলেও, চারপাশে তাকালেই এর সত্যতা টের পাওয়া যায়।


আগে মানুষ গল্প করত। এখন মানুষ বক্তব্য দেয়। আগে একজন বললে আরেকজন মন দিয়ে শুনত। এখন একজন কথা শেষ করার আগেই অন্যজন নিজের গল্প শুরু করে দেয়। যেন শোনার জন্য নয়, বলার জন্যই সবাই মুখিয়ে আছে।


আমরা ক্রমেই এমন এক সমাজে পরিণত হচ্ছি, যেখানে প্রত্যেকের নিজস্ব অভিমান আছে, নিজস্ব কষ্ট আছে, নিজস্ব না-পাওয়ার হিসাব আছে। কিন্তু অন্য মানুষের ভেতরেও যে একই যুদ্ধ চলছে, সেটা বোঝার ধৈর্য আমাদের ফুরিয়ে আসছে।


সম্ভবত এ কারণেই, এত মানুষের ভিড়েও অনেকে ভীষণ একা।


আমরা প্রায়ই বলি, “কেউ আমাকে বোঝে না।” অথচ খুব কম মানুষই নিজেকে প্রশ্ন করি, “আমি শেষ কবে কাউকে মন দিয়ে শুনেছি?”


আসলে শোনাটাও একটা শিল্প। শুধু শব্দ শোনা নয়, মানুষের ভেতরের অস্থিরতাটুকুও টের পাওয়ার চেষ্টা। সেই চর্চাটা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এই বদলটাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। সেখানে সবাই নিজের কথা বলছে— নিজের সাফল্য, নিজের কষ্ট, নিজের মতামত। এতে দোষ নেই। সমস্যা তখনই হয়, যখন অন্যের কথার জন্য আর জায়গা থাকে না।


আজকাল কেউ নিজের কষ্টের কথা বললেই আমরা শুনতে চাই না। বরং সঙ্গে সঙ্গে রায় দিয়ে বসি। বলি, “এটা তেমন কিছু না”, “তোমারই ভুল ছিল”, “এত ভাবছ কেন?”


এই কয়েকটা কথাই একজন মানুষকে আরও নিঃসঙ্গ করে তোলে।


মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে বিষয়টার গভীর সম্পর্ক আছে। একজন মানুষ সবসময় সমাধান চায় না। অনেক সময় সে শুধু চায়, কেউ তাকে না থামিয়ে একটু শুনুক। কোনো উপদেশ নয়, কোনো বিচার নয়— শুধু একটু মনোযোগ।


কিন্তু আমরা কী করি?  

কেউ কথা শেষ করার আগেই পরামর্শ দিতে শুরু করি। নিজের অভিজ্ঞতার ঝাঁপি খুলে বসি। কিংবা এমনভাবে বিচার করি, যেন পুরো ঘটনাটা নিজের চোখেই দেখেছি।


এভাবে ধীরে ধীরে মানুষ নিজের কষ্ট নিজের ভেতরেই গুটিয়ে রাখতে শেখে। বাইরে হাসে, ভেতরে ভেঙে পড়ে। কারণ সে জানে, তার কথা শোনার লোকের চেয়ে তাকে বিচার করার লোকই বেশি।


সমাজ তখনই রূঢ় হয়ে ওঠে, যখন সহানুভূতির পরিসর ছোট হতে থাকে।


সহানুভূতি মানে সব কথায় সায় দেওয়া নয়। সহানুভূতি মানে অন্য মানুষের অনুভূতির অস্তিত্বকে সম্মান করা। তার কষ্টকে ছোট না করা। তার অভিজ্ঞতাকে তুচ্ছ না ভাবা।


এই অভ্যাসটা পরিবার থেকেই ফিরিয়ে আনা দরকার। প্রতিদিন অন্তত কিছুটা সময় এমন থাকুক, যেখানে সবাই নিজের কথা বলতে পারবে, আর অন্যরা বাধা না দিয়ে শুনবে।


বন্ধুত্বেও এমন মানুষ দরকার, যার কাছে নিজের দুর্বলতার কথাও নির্দ্বিধায় বলা যায়। সংসারেও দরকার এমন পরিবেশ, যেখানে বিচারের চেয়ে বোঝার চেষ্টা বেশি হবে।


আমার বিশ্বাস, সমাজ বদলানোর শুরুটা বড় কোনো প্রকল্প দিয়ে হয় না। শুরু হয় ছোট ছোট অভ্যাস দিয়ে। কাউকে মাঝপথে না থামানো, তার কথা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা, তাড়াহুড়ো করে রায় না দেওয়া— এই ছোট কাজগুলোই একদিন বড় পরিবর্তন আনবে।


আমরা সবাই চাই, কেউ আমাদের বুঝুক। কিন্তু সেই সমাজ তৈরি হবে তখনই, যখন আমরা নিজেরাও অন্যকে বোঝার চেষ্টা করব।


হয়তো আজ আমাদের সবচেয়ে বড় সংকট টাকার নয়, প্রযুক্তিরও নয়। সবচেয়ে বড় সংকট হলো— আমরা বলতে শিখেছি, কিন্তু শুনতে ভুলে যাচ্ছি।


আপনার মতে, মানুষ এখন কম শোনে, নাকি বেশি বিচার করে? মন্তব্যে আপনার মতামত জানান।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 1 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1490 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 30112। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4237
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

1 প্রতিক্রিয়া

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
প্রিয় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন,

️ অভিনন্দন!

আপনা ''অভিমানী সমাজ” লেখাটি “লেখা যখন কণ্ঠে | Writing Comes Alive” সিরিজের এপিসোড নং ০৯ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।

ই-নলেজ আইডিয়ায় প্রকাশিত নির্বাচিত ও মানসম্মত লেখাগুলোর মধ্য থেকে আপনার লেখাটি এই সিরিজের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। আপনার মূল লেখা ও ভাষা অক্ষুণ্ণ রেখে লেখাটিকে ভয়েসওভার ভিডিওতে রূপ দেওয়া হয়েছে, যাতে আপনার ভাবনা আরেকটি মাধ্যমে আরও মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে।

ভিডিওটি দেখুন

ফেসবুক: https://www.facebook.com/share/v/1L67FFYwPp/

▶️ ইউটিউব: https://youtu.be/-cPnjxUPOCw

eID: 4237

আপনার লেখাকে “লেখা যখন কণ্ঠে” সিরিজের অংশ হিসেবে তুলে ধরতে পেরে আমরা আনন্দিত। আপনার সৃষ্টিশীলতার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা। ❤️

— ই-নলেজ আইডিয়া

লেখা যখন কণ্ঠে | Writing Comes Alive
করেছেন ♛ (142 পয়েন্ট)   17 অক্টোবর প্রতিক্রিয়া প্রদান
info_outline
করেছেন ♛ 18 অক্টোবর সম্পাদিত

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
সমাজ ও পরিবারে ব্যক্তিগত উদাসীনতার দাম মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ৭ মার&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
276 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সমাজ গঠনে নৈতিকতা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী।জানুয়ারি, ০৩,২০২৬ নীতিমা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
738 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বিয়ে কখনোই বিল্ডিং, পাকা ঘর বা বড় সম্পদের উপর নির্ভর করে না। বিয়ের আসল মানে হলো দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা, সৎ চরিত্র, নৈতিকতা আর হালাল পথে জীবন চালানোর চেষ্টা। আমাদের নবী আমাদের শিখিয়েছেন—বিয়[...] বিস্তারিত পড়ুন...
201 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সমাজ বদলে নারী সমতার গুরুত্ব  মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  বিশ্লেষণধর্মী | জানুয়ারি ৩০, [...] বিস্তারিত পড়ুন...
478 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
পরকীয়া-ডিভোর্স: সমাজ না নিজের অবহেলা? মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
217 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2508 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    12 মন্তব্য

    124 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Mayabi Ilmaz Megh

    393 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    19 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. মিস্টার পেন্সিল

    252 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

...