Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো (পর্ব–৪ : যে হারটা আর গলায় উঠল না)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (21,591 পয়েন্ট)   22 ঘন্টা পূর্বে "উপন্যাস" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো  

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  

০৩, জুলাই ২০২৬


পর্ব–৪ : যে হারটা আর গলায় উঠল নাimage


সকাল থেকে আকাশ মেঘলা। বৃষ্টি নাই, তাও বাতাসে ভেজা গন্ধ। রিকশা বের করতে গিয়া অভিক বুকের উপর হাত রাখল। হালকা ব্যথা। একটু দাঁড়ায়ে থাকল, তারপর হ্যান্ডেল ধরল।


নিশি দরজায় দাঁড়ায়ে। “শরীর খারাপ লাগলে আজ বেশি দেরি কইরো না।”  

অভিক হাসল, “দেরি না করলে চুলায় হাঁড়ি চড়বে কেমনে?”


হাসিটা জোর কইরা আনা। দুইজনই বুঝল। অভিক বাইর হয়ে গেল।


আজকে রাস্তায় লোক কম। দুপুর পর্যন্ত যা কামাইল, গ্যারেজের টাকা দিয়া হাতে তেমন কিছু থাকবে না। চায়ের দোকানের সামনে রিকশা থামায়ে পকেট থেকে টাকা বের করল। গুনল। আবার গুনল। হিসাব পাল্টায় না।


ওদিকে নিশি আলমারির উপর থেকে ছোট লোহার বাক্সটা নামাইল। লাল কাপড়ে মোড়ানো হারটা বের করল। বিয়ের পর খুব একটা পরা হয় নাই। তাও জিনিসটা কাছেই ছিল সবসময়।


হারটার দিকে তাকায়ে থাকতে থাকতে মনে পড়ল, একদিন অভিক হাইসা বলছিল, “এইটা থাক। কোনোদিন বেচা লাগবে না।”


নিশি চোখ মুছল। সব কথা মানুষ রাখতে পারে না। সংসার সুযোগই দেয় না অনেক সময়।


হারটা ব্যাগে ভইরা চুপচাপ বের হইল। গলির মোড়ের পুরান সোনার দোকানে ঢুকল। হারটা কাউন্টারে রাখল। দোকানদার ওজন করল। দাম বলল।


নিশি দামাদামি করল না। টাকাগুলা নিয়া শুধু বলল, “একটা রসিদ দিবেন?” দোকানদার মাথা নাড়ল।


দোকান থেকে বাইর হয়া নিশি রাস্তার পাশে দাঁড়ায়ে থাকল কিছুক্ষণ। কেমন ফাঁকা লাগতেছিল। মনে হইল, হারটা না, অন্য কিছু রাইখা আসছে।


বিকালে মাইশা বাসায় ঢুইকা টেবিলে টাকা দেইখা থামল। “আম্মু, টাকা কই পাইলা?”  

নিশি রান্নাঘর থেকে বলল, “ব্যবস্থা হইছে।”  

“কেমনে?”  

নিশি একটু থামল। “পরে কমু।”


মাইশা আর ঘাঁটল না। পানি খাইতে গিয়া মায়ের দিকে তাকাইল। গলা খালি। বুঝতে বাকি থাকল না। চুপচাপ নিজের ঘরে চইলা গেল।


সন্ধ্যার পর অভিক ফিরল। আজকে আরও ভাঙা লাগতেছে। চেয়ারে বইসাই জুতা খুইলা ফেলল। নিশি পানি দিল। অভিক আস্তে আস্তে খাইল।  

“আজকে তেমন কিছু হয় নাই।”  

“কাল হবে।”  

“মাইশার টাকার চিন্তা।”


নিশি টেবিলের টাকাগুলার দিকে তাকাইল। “একটু জোগাড় করছি।”


অভিক অবাক, “কই থিকা?”


নিশি এবার লুকাইল না। শান্ত গলায় বলল, “হারটা বেইচা দিছি।”


কথাটা শুইনা অভিক একদম চুপ। মনে হইল, কথাটা বুঝতে টাইম লাগতেছে। অনেক পরে বলল, “আমারে বললা না?”  

“বললে করতে দিতা?”


অভিক কিছু কইল না। কারণ জবাবটা দুইজনই জানে। উইঠা বারান্দায় চইলা গেল। নিশি একটু পর পাশে গিয়া দাঁড়াইল।


অভিক রেলিং ধইরা বলল, “একটা কথা দিছিলাম তোমারে।”  

নিশি ওর দিকে না তাকায়েই বলল, “তুমি কথা ভাঙো নাই। সময় ভাঙছে।”


এর বেশি কেউ কিছু কইল না।


তখনই মিম আসল। হাতে একটা খাম। “আব্বু...”  

অভিক ফিরল। “এইটা রাখো।”  

“কী?”  

“আমি আর আপু টিউশনি কইরা একটু একটু কইরা জমাইছি। ভাবছিলাম পরে লাগবে। এখনই লাগবে মনে হয়।”


অভিক খাম নিতে চাইল না। “না মা, এইটা তোমাগো।”


এইবার মাইশাও আসল। “আব্বু, সবসময় তুমি আমাগো আগলায়া রাখো। এইবার আমাগোও একটু করতে দাও।”


অভিক মাথা নিচু কইরা রইল। মনে হইল, মেয়ে দুইটা কবে এত বড় হইয়া গেল, টেরই পায় নাই।


রাতে চারজন একসাথে খাইতে বসল। অনেক দিন পর টেবিলে হাসির শব্দ। হাসির মধ্যেও ক্লান্তি। তাও হাসি ছিল।


রাত গভীর হইলে অভিক বারান্দায় গিয়া দাঁড়াইল। আজকে বৃষ্টি নাই। আকাশের ফাঁকে ছোট একটা তারা। পিছন থেকে নিশি আসতেই শুধু কইল, “সব ঠিক হইয়া যাবে তো?”


নিশি জবাব দিল না। শুধু পাশে দাঁড়ায়ে রইল।


মাঝে মাঝে কোনো জবাব না থাকাও একরকম ভরসা।


(চলবে... পর্ব–৫ : বৃষ্টির ওপাশে আলো)

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1069 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 21591। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4187
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–১ : সকালটা [...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–৫ : বৃষ্টিø[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–৩ : ফোসকা প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
উপন্যাস-বৃষ্টির ওপাশে আলো   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ০৩, জুলাই ২০২৬ পর্ব–২ : প্রথম দ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যে নামটা আর ডাকা হয় না মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন গদ্য কবিতা । ২১ জুন,২০২৬ রাত বাড়লে মা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
9 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    122 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...