Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

বিয়ের দিন পাওয়া চিঠি

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (29,003 পয়েন্ট)   15 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

বিয়ের দিন পাওয়া চিঠিimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ভালোবাসা ও বিচ্ছেদের ছোটগল্প

১৯ অক্টোবর ২০২৬


বিয়ের সাজে বসে নিশি পুরোনো একটা বইয়ের ভেতর চিঠিটা পেল।


চিঠিটা তার ছোট ভাই দিয়েছে। সকালে আলমারি গোছাতে গিয়ে বইয়ের মধ্যে পেয়েছে। খামের ওপর নিশির নাম, নিচে প্রেরকের নাম নেই। তবে খাম খোলার আগেই হাতের লেখাটা চিনে ফেলেছিল সে।


অভিক।


সাত বছর পরেও হাতের লেখা বদলায় না।


নিশি দরজার দিকে তাকাল। বাইরে আত্মীয়দের কথাবার্তা, থালাবাসনের শব্দ, কারও হাসি। ঘরে সে ছাড়া আর কেউ নেই। চিঠিটা খুলে দেখল, ভেতরে ছোট্ট এক টুকরো কাগজ।


‘নিশি, সেদিন তোমার বাবা আমাকে ডেকেছিলেন। আমি তোমাকে কিছু না বলেই চলে গিয়েছিলাম। পারলে মাফ করে দিও।


— অভিক’


নিশি কাগজটা আবার ভাঁজ করল।


সেদিন?


সাত বছর আগের সেই বিকেলটা তার মনে আছে। অভিক বলেছিল, পরদিন তাদের বাড়িতে যাবে। তারপর আর আসেনি। ফোন বন্ধ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতদের কাছে খোঁজ নিয়েও কোনো খবর পায়নি নিশি। প্রথমে রাগ হয়েছিল, পরে অপমান। একসময় সে ধরে নিয়েছিল, অভিক অন্য কাউকে বেছে নিয়েছে।


এখন হাতে মাত্র দুটো লাইন।


নিশি কাগজটা উল্টে দেখল। পেছনে কিছু লেখা নেই।


দরজায় ছোট ভাইয়ের মুখ দেখা গেল। “আপু, সবাই ডাকছে। আর কতক্ষণ?”


নিশি কাগজটা তার দিকে বাড়িয়ে দিল।


“এটা যে বইতে ছিল, ওখানেই রেখে দে।”


ভাই কাগজটা নিতে গিয়ে থেমে গেল। “চেনো নাকি?”


“চিনি।”


“কে?”


নিশি তার দিকে তাকাল। “তুই যা। আমাকে একটু সময় দে।”


ভাই চলে গেল। দরজা বন্ধ হলো না, শুধু একটু ফাঁক রইল।


নিশি উঠে আয়নার সামনে দাঁড়াল। কপালের টিকলিটা একদিকে সরে গেছে। সে আঙুল দিয়ে ঠিক করল। তারপর আবার বসে পড়ল।


কাগজটা ছোট ভাইয়ের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছে, কিন্তু প্রশ্নটা ফিরিয়ে দিতে পারেনি।


বাবা কি সত্যিই অভিককে ডেকেছিলেন?


কেন?


এই সাত বছরে বাবার সঙ্গে কতবার এক টেবিলে খেয়েছে, কতবার তাঁর কাছে টাকা চেয়েছে, কতবার নিজের পছন্দ-অপছন্দ নিয়ে ঝগড়া করেছে। অথচ এই একটা কথা কোনো দিন জিজ্ঞেস করেনি। তখন জানতই না যে জিজ্ঞেস করার মতো কিছু ছিল।


এখন জিজ্ঞেস করলে কী হবে?


বাইরে থেকে মা বললেন, “নিশি, তৈরি হয়েছিস তো?”


“হ্যাঁ, মা।”


মা ঘরে ঢুকে মেয়ের ওড়না ঠিক করে দিলেন। নিশি মায়ের হাতের দিকে তাকিয়ে রইল। একবার মনে হলো, মাকে জিজ্ঞেস করে। কিন্তু মা ওড়নার ভাঁজ ঠিক করতে করতে বললেন, “গাড়ি চলে এসেছে।”


প্রশ্নটা আবার আটকে গেল।


নিশি জানত, আজ সে বাবাকে জিজ্ঞেস করতে পারে। বিয়ের আগে কয়েক মিনিটের জন্য হলেও। উত্তরটা শুনতে পারে। হয়তো সাত বছরের ভুল বোঝাবুঝি মিটে যাবে, হয়তো নতুন কোনো কষ্টের শুরু হবে।


কিন্তু উত্তর জানার জন্য তার হাতে যে সময়টুকু আছে, সেই সময়ের শেষে তাকে অন্য একটা জীবনে চলে যেতে হবে।


সে বাবাকে না জিজ্ঞেস করার সিদ্ধান্ত নিল না। আবার জিজ্ঞেস করার সাহসও পেল না।


শুধু ব্যাগ থেকে ছোট্ট কাগজটা বের করে মায়ের হাতে দিল।


“এটা আলমারির পুরোনো বইয়ের মধ্যে রেখে দিও।”


মা কাগজটা খুলে দেখলেন না। মেয়ের মুখের দিকে একবার তাকিয়ে ভাঁজ করা কাগজটা নিজের আঁচলে রাখলেন।


তারপর নিশির হাত ধরে বললেন, “চল, মা।”


নিশি উঠে দাঁড়াল।


বাইরে ক্যামেরার আলো জ্বলে উঠেছে। উঠোনে সবাই অপেক্ষা করছে। বাবা দরজার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মেয়েকে দেখে এগিয়ে এলেন, মাথায় হাত রেখে বললেন, “ভালো থাকিস।”


নিশি বাবার হাতটা নিজের মাথা থেকে নামিয়ে দুই হাতে ধরল।


“বাবা, তোমার সঙ্গে একটা কথা ছিল।”


বাবা তাকালেন। “কী কথা?”


নিশি তাঁর মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। পেছন থেকে কেউ ডাকল, “মামা, তাড়াতাড়ি আসেন। গাড়ি ছাড়বে।”


বাবা মেয়ের হাত চেপে ধরে বললেন, “ফিরে এসে বলিস, মা।”


নিশি মাথা নেড়ে গাড়ির দিকে হাঁটল।


রাতের দিকে নতুন বাড়িতে পৌঁছে ব্যাগ খুলতে গিয়ে সে দেখল, ছোট ভাই ভুল করে পুরোনো বইটা তার ব্যাগে ঢুকিয়ে দিয়েছে। বইয়ের ভেতর সাদা খামটা নেই। শুধু পাতার মাঝখানে ভাঁজের দাগ।


নিশি বইটা বন্ধ করে ব্যাগের তলায় রেখে দিল।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1435 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 29003। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 5024
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
লালচে নীরবতার দিন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প । ১৮ মে, ২০২৬ সকালের টেবিলে বসে মুন[...] বিস্তারিত পড়ুন...
391 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

শেষ মজুরির দিন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  ছোট গল্প। মে ০১,২০২৬ মে মাসের প্রথম সকাল। শহরজুড়ে লাল পতাকা, মাইকে স্লোগান—“শ্রমিকের অধিকার চাই”—সবই যেন ঠিকঠাক আছে। তবুও কোথাও একটা অস্বস্তি রয়ে যায়; [...] বিস্তারিত পড়ুন...
546 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
রজনীগন্ধার দিন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  ছোট গল্প। এপ্রিল ১৯,২০২৬ জানালার ধারে দাঁড়[...] বিস্তারিত পড়ুন...
456 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যে চিঠি কখনো পোস্ট হয়নি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছয় পর্বের ছোটগল্প ২৪ আগষ্ট, ২০২৬ প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
57 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যে চিঠি কখনো পোস্ট হয়নি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছয় পর্বের ছোটগল্প ২৪ আগষ্ট, ২০২৬ প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
49 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1419 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    7 মন্তব্য

    69 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    126 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    83 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    82 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

...