Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

শেষ সাক্ষী

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (19,954 পয়েন্ট)   23 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!


 শেষ সাক্ষীimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

গল্প । ১৪, জুন ২০২৬


লোকটা মারা গেল ভোরের ঠিক আগে।


রাতটা না-শান্ত, না-অস্থির। হাসপাতালের করিডোরে বাতাসটা শুধু শব্দ না করে কিছু টেনে নিচ্ছিল, এমন একটা টানাপোড়েন যা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু দাঁড়িয়ে থাকলে শরীরে লাগে।


জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকালে ধূসর আলো। ভোর আসছে কি না বোঝা যায় না, শুধু বোঝা যায় রাত আর আগের জায়গায় নেই।


ভেতরে বেডে মাহবুব শুয়ে ছিল।


নাকে অক্সিজেন মাস্ক, বুকটা ধীরে ওঠানামা করছে। মাঝে মাঝে মনে হচ্ছিল সে আছে, মাঝে মাঝে মনে হচ্ছিল শরীরটা শুধু পড়ে আছে, মানুষটা আগেই কোথাও সরে গেছে।


ডাক্তার পরে শুধু বলল, “হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।”


এই ধরনের বাক্য মৃত্যুকে ব্যাখ্যা করে না। শুধু একটা রিপোর্ট বানায়।


মাহবুব। এই নামটাই ছিল তার।


কিন্তু নাম থাকলেই মানুষকে ধরা যায় না।


লাশটা মসজিদে রাখা হলো দুপুরের আগে।


শহরের এই অংশটা এমন—অফিস, দোকান, ভাড়া ফ্ল্যাট। মানুষ আসে, কাজ করে, চলে যায়। কিছুই থাকে না।


মাহবুবও সেই ভিড়েরই একজন ছিল।


তার নাম জানত কয়েকজন সহকর্মী, দারোয়ান, আর দু-একজন প্রতিবেশী। এর বাইরে না।


মসজিদের ভেতরে দুপুরের আগেই ঠান্ডা বাতাস জমে গেল।


লাশ রাখা জায়গাটার চারপাশে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু কেউ খুব কাছে যাচ্ছে না। একটা অদ্ভুত দূরত্ব। যেন কাছাকাছি গেলে কিছু একটা সত্যি হয়ে যাবে।


কেউ চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে।


কেউ বারবার বের হয়ে যাচ্ছে, আবার ঢুকছে।


কেউ শুধু সময় কাটাচ্ছে, অপেক্ষা করছে জানাজা কখন হবে।


পরদিন সকালে জানাজার আগে ভিড় জমতে শুরু করল।


প্রথমে কয়েকজন। তারপর আরও।


ভিড় বাড়ল, কিন্তু পরিচয় বাড়ল না।


“উনি কে ছিলেন?”


“অফিসে কাজ করতেন।”


“ভালো মানুষ ছিল।”


এই বাক্যটাই বারবার ফিরে এল।


যেন কারও মৃত্যু হলে এই বাক্যটাই সবচেয়ে নিরাপদ উত্তর।


এর বাইরে কিছু বললে দায়িত্ব নিতে হয়।


মাহবুবের অফিস থেকে কয়েকজন এসেছিল।


ম্যানেজার ছিল, আর কয়েকজন সহকর্মী।


তাদের মুখে সেই পরিচিত অভিব্যক্তি—না খুব দুঃখী, না খুব স্বাভাবিক। মাঝামাঝি একটা জায়গা, যেখানে অনুভূতি রাখা নিরাপদ।


একজন নিচু গলায় বলল,

“চুপচাপ ছিল।”

আরেকজন,

“নিজের মতো।”


এই “নিজের মতো”—এই শব্দটা আসলে একটা দেয়াল। যার ভেতরে আর কিছু ঢোকা যায় না।


ইমাম জিজ্ঞেস করলেন,

“নাম?”

“মাহবুব হোসেন।”

নামটা পড়া হলো।


কিন্তু নামের সঙ্গে কোনো গল্প উঠল না।

যেন নামটা শুধু ডাকের জন্য, পরিচয়ের জন্য না।


জানাজার সময় মানুষ দাঁড়িয়ে আছে।

কেউ দোয়া করছে।

কেউ ফোন পকেটে ঢোকাচ্ছে, আবার বের করছে, যেন কিছু একটা মিস হয়ে যাচ্ছে।


কেউ শুধু সামনে তাকিয়ে আছে, কিন্তু আসলে কোথাও না।


একজন ফিসফিস করে বলল,

“লোকটা তো খুব বেশি মিশত না।”


আরেকজন বলল,

“হ্যাঁ, নিজের কাজ নিয়ে থাকত।”


এই বাক্যগুলো এমনভাবে বলা হয় যেন এগুলোই একজন মানুষের পুরো ব্যাখ্যা।


জানাজা শেষ হলো।

মাটি পড়ল।


একটা ভারী নীরবতা কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকল, তারপর সেটাও চলে গেল।


মানুষ সরে যেতে লাগল।

কিছুক্ষণের মধ্যে জায়গাটা আবার স্বাভাবিক হয়ে গেল।


যেন কিছুই ঘটেনি।

অফিসে ফিরে সব আগের মতো হয়ে গেল।


ফাইল খুলল।

ইমেইল গেল।

মিটিং শুরু হলো।


একটা চেয়ার খালি করা হলো খুব স্বাভাবিকভাবে।


ডেস্কটা গুছিয়ে ফেলা হলো।

ক্যালেন্ডার আপডেট হলো।


কেউ কিছু বলল না।

যেন সেই চেয়ারটা কখনো কারও ছিল না।


কিন্তু ছিল।

শুধু এখন আর দরকার রইল না।


বিকেলে একজন জুনিয়র স্টাফ জিজ্ঞেস করল,

“এই নামটা কোথাও যেন শুনেছি…”

এক মুহূর্ত নীরবতা।

তারপর কেউ বলল,

“হ্যাঁ… ভালোই ছিল।”


এই “ভালোই ছিল”—এটা কোনো বর্ণনা না। এটা একটা বন্ধ দরজা।


মাহবুবের ফোন পরে পরিবারের হাতে গেল।

খুব বেশি কিছু ছিল না।

কিছু কল।

কিছু মেসেজ।

“খেয়েছ?”

“দেরি করো না।”

“কেমন আছো?”


এই প্রশ্নগুলো খুব সাধারণ, কিন্তু আসলে এগুলোই সম্পর্কের কাঠামো।


মানুষ বড় কথা কম বলে, ছোট প্রশ্নে জীবন চালায়।


একটা মেসেজ ছিল—“তুমি বদলে গেছ।”


উত্তর—“হতে পারে।”


এরপর আর কিছু নেই।


এই “এরপর আর কিছু নেই”—এটাই অনেক জীবনের শেষ লাইন।


দিন যায়। সপ্তাহ যায়।


নামটা ধীরে ধীরে কথার বাইরে চলে যায়।


মানুষ আবার ব্যস্ত হয়ে পড়ে।


কেউ মনে রাখে না, কারণ মনে রাখার মতো কিছু নির্দিষ্ট থাকে না।


মাহবুব একা থাকত। একা খেত। একা ঘুমাত।

একা হাঁটত। একা বাজারে যেত।

একা ফিরে আসত।


এই “একা”—শুরুতে অবস্থা ছিল, পরে অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল।


একদিন একজন প্রতিবেশী বলেছিল,


“চাচা, কারও কাছে চলে যান না?”

মাহবুব একটু হেসেছিল।


“কার কাছে যাব?”

এই প্রশ্নের পরে আর প্রশ্ন হয়নি।


কখনো কখনো সন্ধ্যায় সে জানালার পাশে বসে থাকত।


রাস্তায় মানুষ চলাচল করত।


কেউ কাউকে চিনত, কেউ চিনত না।


সবাই ব্যস্ত, কিন্তু কেউ একা না এমন না।


মাহবুব সেটা দেখত। কিন্তু কিছু বলত না।

শুধু বসে থাকত।


কয়েক বছর আগে তার জীবনও অন্যরকম ছিল।

কাজ ছিল, ব্যস্ততা ছিল, কিছু আশা ছিল।

তারপর ধীরে ধীরে সব ছোট হয়ে আসে।

আলো কমে আসে।

ফোন কমে আসে।

মানুষ কমে আসে।

শেষে শুধু সময় থাকে।


কবরটা শহরের এক কোণে।সাধারণ মাটি।

একটা ছোট পাথর।

নাম লেখা।


তার ওপর ধুলো জমে।

বর্ষা আসে। শুকিয়ে যায়।

রোদ আসে। ঢেকে দেয়।


কেউ পরিষ্কার করে না।

কারণ কেউ খোঁজ করে না।


অনেক পরে একদিন একজন লোক এসে দাঁড়াল।


চারপাশে তাকিয়ে বলল, “এটা কার কবর?”


কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারল না।


শেষে একজন বলল,“একজন ছিল।”


এই “একজন”—এই শব্দটার মধ্যে কোনো পরিচয় নেই।


তবু পুরো একটা জীবন এখানে চাপা পড়ে আছে।


যার কোনো নাম নেই এখন, শুধু একটা জায়গা আছে।


রাত নামার আগে কবরস্থান আবার চুপ হয়ে যায়।


বাতাস নড়ে। পাতা কাঁপে। তারপর থেমে যায়।

যেন কিছুই ঘটেনি।


কিন্তু প্রশ্নটা থেকে যায়।

খুব ধীরে। খুব সাধারণভাবে।

আর ঠিক ততটাই অস্বস্তিকরভাবে।

আমরা কি মানুষকে সত্যিই চিনি?

নাকি শুধু তাদের উপস্থিতির শব্দটা মনে রাখি?


আর যখন কেউ চলে যায়, তখন আমরা কি সত্যিই তাকে বিদায় দিই?


নাকি শুধু নিজের ভেতরের অস্বস্তিটা দ্রুত বন্ধ করি?


শেষ প্রশ্নটা আরেকটু কাছে এসে দাঁড়ায়।


আজ যদি আপনার জানাজা হয়—


সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলোর মধ্যে কতজন আপনাকে সত্যিই চিনত?

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 988 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 19954। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4063
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


 গোধূলির আগে শেষ হিসাব   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোট গল্প। মে ০৬, ২০২৬   দিন অভিক হ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
350 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

  আষাঢ়ের শেষ ঠিকানা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। মে ০২, ২০২৬ আষাঢ় এলে আকাশটা এমন&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
510 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

শেষ মজুরির দিন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  ছোট গল্প। মে ০১,২০২৬ মে মাসের প্রথম সকাল। শহরজুড়ে লাল পতাকা, মাইকে স্লোগান—“শ্রমিকের অধিকার চাই”—সবই যেন ঠিকঠাক আছে। তবুও কোথাও একটা অস্বস্তি রয়ে যায়; [...] বিস্তারিত পড়ুন...
505 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

  শেষ হাসিটামোহাম্মদ জাহিদ হোসেনছোট গল্প । মে ০১, ২০২৫(লেখাটি সম্পূর্ণ বাস্তব কাহি÷[...] বিস্তারিত পড়ুন...
504 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বাবার শেষ দিনগুলোর স্মৃতি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন স্মৃতিচারণ। এপ্রিল ২৭,২০২৬ আমরা প্রায়ই ভাবি সময় আমাদের হাতে। দিনগুলোকে আমরা ব্যবহার করি, পরিকল্পনা করি, সামনে এগিয়ে নিয়ে যাই। কিন্তু কিছু ক�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
63 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    652 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    32 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. জামিনুল রেজা

    428 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    224 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    11 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. ক্বলমী সুর

    134 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

...