Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

গোধূলির শেষ আলো

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
434 বার প্রদর্শিত
করেছেন (27,909 পয়েন্ট)   29 সেপ্টেম্বর 2025 "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

এটি অভিক ও নিশির কাহিনি—জীবন, ভালোবাসা আর মৃত্যুর দরজায় দাঁড়িয়ে শেষ প্রশ্নের গল্প।


অভিক ছোটবেলা থেকেই ছিল দুষ্টু আর প্রাণবন্ত। স্কুলের মাঠে দৌড়ঝাঁপ, গলির ছেলেদের সাথে খেলাধুলা, আর মায়ের আঁচলের আড়ালে নিরাপদ শৈশব। কিন্তু জন্ম থেকেই তার হৃদপিণ্ড ছিল দুর্বল। চিকিৎসকেরা বলেছিলেন—“সতর্ক থাকতে হবে।” কিন্তু শিশু বয়সে কে আর তা মানে?


কৈশোরে উঠতে না উঠতেই শরীর তাকে মনে করিয়ে দিল—সে আর সবার মতো নয়। হঠাৎ দৌড়াতে গিয়ে বুক ধড়ফড়, সিঁড়ি উঠলেই শ্বাসকষ্ট। বন্ধুদের হাসি-ঠাট্টার আড়ালে কষ্ট লুকাতো অভিক। কিন্তু ভেতরে ভেতরে ভয় জমে যাচ্ছিল।


কলেজ জীবনে প্রথমবার অভিকের দেখা হলো নিশির সাথে। বৃষ্টিভেজা বিকেল, লাইব্রেরির সিঁড়িতে বই হাতে দাঁড়ানো সেই মেয়েটির চোখে ছিল অদ্ভুত এক শান্তি। অভিক প্রথমবার বুকের ব্যথার বাইরে অন্য এক ব্যথা অনুভব করলো—ভালোবাসার।


নিশির সাথে বন্ধুত্ব থেকে প্রেমে রূপান্তর হলো অচিরেই। অভিক যখনই অসুস্থ হতো, নিশি তার পাশে বসে হাত ধরে বলতো,

“তুমি ভেবো না, আমি আছি।”

অভিক জানতো, এই মেয়ে ছাড়া পৃথিবী শূন্য।


দু’জনে একসাথে কত স্বপ্ন বুনেছিল,

একটা ছোট্ট বাড়ি, বারান্দায় ফুল, সন্ধ্যায় দু’কাপ চা, আর অনেক গল্প।

অভিক বলতো,

“আমার হার্ট হয়তো দুর্বল, কিন্তু তোমার জন্য হৃদয়টা সবচেয়ে শক্ত।”

নিশি হাসতো—আর সেই হাসি অভিকের অসুখ ভুলিয়ে দিত।


তবে শরীরের শত্রু যে সহজে ছাড়বে না, তা কে জানতো?

হাসি-আড্ডার মাঝেই মাঝে মাঝে অভিক হঠাৎ নিস্তব্ধ হয়ে যেত, বুক চেপে বসে পড়তো।

ডাক্তার বারবার সতর্ক করতো—“বেশি চাপ নিও না, সময় হলে অপারেশন করতে হবে।”

কিন্তু অভিক ভাবতো—“জীবন এত ছোট, ভালোবাসা বাঁচাতে অপারেশনের দরকার নেই, নিশি-ই আমার ওষুধ।”


একদিন অফিস থেকে ফেরার পথে হঠাৎ তীব্র ব্যথা বুক বিদীর্ণ করে দিল। রাস্তার মাঝেই লুটিয়ে পড়লো অভিক। চারপাশে হৈচৈ, মানুষজন দৌড়ঝাঁপ।

অ্যাম্বুলেন্স এলো, নিশি কেঁদে ভিজে গেল।


আইসিইউতে ঢোকার সময় দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে নিশি চিৎকার করে বললো,

“অভিক, আমাকে ছেড়ে যেও না…!”

কিন্তু দরজা বন্ধ হয়ে গেল। অভিকের চোখে ভেসে রইলো কেবল তার অশ্রুসিক্ত মুখ।


ভেতরে কেবল মেশিনের শব্দ—বিপ… বিপ…

সাদা আলো, ঠান্ডা বাতাস, আর চারদিকে মৃত্যুর গন্ধ।

এক বৃদ্ধা নার্সের হাত ধরে কাঁদছিলেন,

“আমি মরতে চাই না।” এক যুবক শ্বাসের জন্য হাঁপাচ্ছিল। মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ এখানে প্রতিদিনের অভ্যাস।


ডাক্তাররা দৌড়ঝাঁপ করছে, নার্সরা ইনজেকশন দিচ্ছে।

কারও কণ্ঠে শোনা গেল,

“Pressure dropping… hurry up!”

সবাই প্রাণপণ চেষ্টা করছে।

কিন্তু অভিকের ভেতরে অদ্ভুত এক শান্তি নেমে এলো। সে বুঝলো—এই লড়াই আর তার জন্য নয়।


বাইরে থেকে নিশির কণ্ঠ ভেসে এলো,

“ডাক্তার, আমার অভিককে বাঁচান! আমি ওকে ছাড়া বাঁচতে পারবো না।”

অভিকের চোখে জল এসে গেল।

মনে মনে বললো,

“নিশি, আমি থাকবো তোমার চারপাশে, বাতাসে, আলোয়, স্বপ্নে।”


অভিক জানালার বাইরে তাকালো। সূর্য অস্ত যাচ্ছিল, গোধূলি রঙ আকাশে ছড়িয়ে পড়েছে।

তার মনে হলো,

“কি সুন্দর মুহূর্ত! এমন সময়ে মৃত্যু হলে, সেটাই তো জীবনের পূর্ণতা।”


চোখের সামনে ভেসে উঠলো, শৈশবের হাসি, মায়ের মমতা, বন্ধুদের আড্ডা, নিশির প্রথম হাসি, হাত ধরে হাঁটা বিকেল। সব স্মৃতি মিলেমিশে যেন আলো হয়ে ঝলসে উঠলো।


অভিক অনুভব করলো চারপাশের গাছ যেন হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, ফুল ঝরে পড়ছে তার কপালে, হাওয়া বলছে, “ফিরে এসো…”

কিন্তু সে জানে—ফেরার পথ আর নেই।

সে এগিয়ে যাচ্ছে অচেনা এক আলোর ভেতর।


সবকিছু থেমে গেল। মেশিনের শব্দ মিলিয়ে গেল নিস্তব্ধতায়।অভিকের ঠোঁট নীরবে বললো, 


“তখন কি আর ফেরা সম্ভব?”


নিশির কান্না ভরিয়ে দিল সারা হাসপাতাল।

আকাশের গোধূলি ধীরে ধীরে অন্ধকারে ঢেকে গেল।

image
আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1381 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 27909। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
"নিজস্ব আইডিয়া"
Enolej ID(eID): 1115
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


 গোধূলির আগে শেষ হিসাব   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোট গল্প। মে ০৬, ২০২৬   দিন অভিক হ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
387 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

নিশি: এভাবে আর কতজনকে প্রত্যাখ্যান করবি আশফি ? তোর এই আত্মঅহংকারের জন্য একদিন দেখবি কেউ তোর পাশে নেই।কেউ আর তোকে যেচে পড়ে প্রেম নিবেদন করতে আসবেনা? তুই সত্যি করে বলতো তুই কি কাউকে ভালোবাসিশ ?[...] বিস্তারিত পড়ুন...
121 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন   ছোটগল্প। ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ সে বসে আছে ফুটপাথের কিনারে। পা&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
441 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ফেরার দেশে, শেষ দেখাটুকু মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোটগল্প ⋄ ১৯ নভেম্বর ২০২৫ রাত তিন&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
458 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প।১১ নভেম্বর ২০২৫ রাত তখন সাড়ে তিনটে। বাইরে বৃষ্টি [...] বিস্তারিত পড়ুন...
478 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    305 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    3 মন্তব্য

    15 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    122 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    61 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    41 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...