Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

না পাঠানো চিঠির শহর

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (17,169 পয়েন্ট)   17 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

না পাঠানো চিঠির শহরimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প। এপ্রিল ২২, ২০২৬


শহরটা এখন আগের মতো শব্দ করে না, যদি “আগে” বলে সত্যিই কোনো স্থির সময়কে বোঝানো যায়। এখন শব্দগুলো বাইরে শোনা যায় না; তারা কোথাও ভেতরে জমা হতে থাকে, ধীরে ধীরে, নীরবে। বিষয়টা হয়তো শহরের পরিবর্তন নয়, বরং শোনার অভ্যাসের বদল।


সে একসময় চিঠি লিখত। নিয়মিত না, আবার পুরোপুরি অনিয়মিতও না। মাঝামাঝি কোথাও। কখনো পূর্ণ চিঠি, কখনো কয়েক লাইনের চিরকুট। পাতার পর পাতা ভরে উঠত, কিন্তু প্রায়ই মাঝপথে থেমে যেত। দেখে মনে হতো, বাক্যগুলো ঠিক গন্তব্য খুঁজে পাচ্ছে না; বা অনুভূতিটাই ভাষার ভেতর ঠিকভাবে বসতে পারছে না।


লিখতে গিয়ে ভুল হতো, নতুন করে শুরু করত। পৃষ্ঠার একপাশ শেষ করে অন্য পাশে চলে যেত লেখা, পরে হঠাৎ মনে পড়ত—কিছু একটা বাদ গেছে। তখন আবার “পুনশ্চ:” দিয়ে নতুন পাতা। যেন জীবন নিজেই বারবার নিজের খসড়া বদলাচ্ছে।


চিঠির ভাঁজে কখনো শুকনো শিউলি থাকত। কখনো গন্ধরাজের পাপড়ি। আর কখনো দু’টাকার ভিউকার্ড—হাতে আঁকা ছবি, রং অসম্পূর্ণ, কিন্তু মনোযোগে পূর্ণ। পাশে ছোট ছোট নোট: প্রিয় ফুল, প্রিয় রং।


“যেদিন তুমি আমার হবে,” সে হয়তো লিখত, “সেদিন কোনো একদিন হঠাৎ তুমি মনে করবে… আমাকে চমকে দেবে।”


খামের উপর নাম লেখার সময় তার হাত কখনো কাঁপত না, এটা একটু অদ্ভুত শোনালেও সত্যি। সবচেয়ে স্থির থাকত এই অংশটুকু। নামটা যত্ন করে লেখা হতো, যেন সেটাই সবচেয়ে নিশ্চিত জিনিস।


সে মাঝে মাঝে বইয়ের দোকানে দাঁড়িয়ে থাকত। কবিতা বা গল্পের বই খুলে দাগ দিত, পৃষ্ঠা নম্বর মনে রাখত। মনে হতো, কোনো একদিন সেই অংশগুলো পড়ে শোনাবে। মানুষটা শুনবে, চুপ করে থাকবে—আর সেই নীরবতাই হয়তো উত্তর হয়ে থাকবে।


সময় এগিয়েছে। শহর বদলেছে, মানুষও। কিন্তু তার লেখা চিঠিগুলো আর কোথাও পাঠানো হয়নি।


খামের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু ডাকবাক্সে হাত যাচ্ছে না। কাগজগুলো জমছে—ড্রয়ারে, খাতার ভাঁজে, টেবিলের কোণে। কিছু চিঠি অর্ধেক লেখা, কিছু শুরুই হয়নি।


কারণটা সে নিজেও জানে না। হয়তো সাহসের অভাব, হয়তো সিদ্ধান্তের মুহূর্তটা কখনোই আসে না ঠিকভাবে। কিংবা যাকে লেখা হচ্ছে, তার উপস্থিতি আর অনুপস্থিতির মাঝখানের জায়গাটা এতটাই বড় ছিল যে সেখানে ভাষা পৌঁছায় না।


একসময় সে চিঠিগুলো নিজের জন্যই পড়ত। তখন একটা প্রশ্ন ভেতরে ভেসে উঠত—এগুলো কি সত্যিই কাউকে লেখা, নাকি নিজের সঙ্গে কথা বলার একটা উপায়?


শিউলিগুলো শুকিয়ে যেত, গন্ধরাজের গন্ধ মিলিয়ে যেত। তবু কাগজগুলো ফেলে দেওয়া যেত না।


একদিন হঠাৎ বৃষ্টি নামল। জানালার কাচ কেঁপে উঠছিল। সে পুরোনো খাতার পাতা উল্টাচ্ছিল। সেখানে একটা চিঠি—অসম্পূর্ণ, অগোছালো, কিন্তু খুব চেনা।


লিখা ছিল—“একদিন তোমাকে প্রতিদিন চিঠি লিখতাম…” এরপর থেমে গেছে।


সে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে রইল। তারপর খাতাটা বন্ধ করল। বাইরে বৃষ্টি চলছে। ভেতরের শব্দটা আরেকটু ভারী মনে হলো।


পরদিন সকালে সে সব চিঠি একসাথে করল। ড্রয়ার বন্ধ করার সময় থামল।


সে জানালার দিকে তাকাল। শহরটা একই রকম আছে। কিন্তু আর নতুন খামে নাম লেখার তাড়া নেই। তবু কোথাও একটা নাম থেকে যায়, যেটা মুছে ফেলার চেষ্টা করলেও পুরোপুরি মুছে যায় না।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 6 মাস 4 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 851 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 17169। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3785
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
ডিজিটাল যুগে ছোটগল্প সংকোচন না বিবর্তন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  প্রবন্ধ। এপ্রিল ২২, &#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
শেষ না হওয়া শ্বাস মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প এপ্রিল ২০, ২০২৬ সিসিইউর নিঃশব্দ স[...] বিস্তারিত পড়ুন...
8 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
পান্তা ইলিশ ঐতিহ্য না পরিচয়ের নির্মাণ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, প্রাবন্ধিক প্রবন্ধ। &#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
7 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
কালবৈশাখী প্রকৃতি না প্রতীক মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, প্রাবন্ধিক প্রবন্ধ। এপ্রিল ১৩, &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
13 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কুসংস্কার অশিক্ষা না মানুষের গভীর মনস্তত্ত্ব মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, প্রাবন্ধিক নিবন্ধ। এপ্রিল ১০, ২০২৬ রাত অনেক হয়েছে। হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেল। শহরের ফ্ল্যাট, তবুও চারপাশটা অচেনা লাগতে শুরু ক�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
12 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1399 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    69 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    203 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. আল-মামুন রেজা

    105 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

...