Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

নামটা

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
3 বার প্রদর্শিত
করেছেন (19,954 পয়েন্ট)   5 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
info_outline
করেছেন 5 ঘন্টা পূর্বে সম্পাদিত

পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

 নামটাimage   

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  

ছোটগল্প। ১৪ জুন, ২০২৬


সেদিন রাফি স্কুল থেকে এসে সোজা ঘরে ঢোকেনি। অংকের খাতাটা কোথায় রাখছে মনে পড়ছিল না। মনে হয় বাবার ঘরেই কোথাও পড়ে আছে। বাবা তখন গোসল করছিল। খাটের পাশে ফোনটা রাখা। হঠাৎ বেজে উঠল। রাফি তাকাতে চায়নি। তবু চোখ চলে গেল স্ক্রিনে। “তোমাকে খুব মিস করছি…” নাম—মেহরিন। সে কয়েক সেকেন্ড ওখানেই দাঁড়িয়ে থাকল। নামটা চেনা লাগছে? না। কিন্তু মেসেজটা অচেনা লাগল না। বুকের ভেতর কেমন যেন করে উঠল। ফোন ধরল না। খুললও না। শুধু ওই কটা শব্দ মাথা থেকে যাচ্ছিল না।


সন্ধ্যায় খেতে বসে বাবা একদম নরমাল। অফিসের কথা বলল, মাকে বাজারের কথা জিগেস করল। মাও নরমাল। কিন্তু রাফির কাছে সব কেমন আলাদা লাগছিল। মনে হচ্ছিল কেউ কিছু চাপা দিয়ে নরমাল থাকার নাটক করছে। ওই রাতে ঘুম আসেনি।


পরদিন আবার। বাবা বারান্দায় ফোনে কথা বলছে। রাফি পানি নিতে গিয়ে থমকে দাঁড়াল। ভেতর থেকে বাবার গলা— “আর কয়েকটা দিন ধৈর্য ধরো।” ব্যস, ওইটুকুই। এরপর রাফি আস্তে আস্তে বদলাতে লাগল। আগে স্কুল থেকে ফিরে মায়ের পাশে বসত। এখন ঘরে ঢুকেই দরজা বন্ধ। আগে পড়ার টাইম ছিল, এখন বই খুললেও কিছু ঢোকে না। ক্লাসে চুপচাপ। বন্ধুদের এড়িয়ে যায়। একদিন সাদ বলল, “তোর কী হইছে রে? একদম চুপ হয়ে গেছিস।” রাফি শুধু হাসল। বলার মতো কিছু ছিল না।


মায়ের মুখটা দেখতে সবচেয়ে কষ্ট লাগত। মা রোজকার মতো চা বানায়, বাবার জামা গুছায়, অপেক্ষা করে। আর রাফির ভেতর একটা ভার জমতে থাকে। কেউ দেখে না। এক সন্ধ্যায় মা জিগেস করল, “রাফি, কী হইছে?” “কিছুনা।” “স্কুলে ঝামেলা?” “না।” “তাহলে এত চুপ কেন?” রাফি চুপ। বলতে গিয়েও বলতে পারল না। মনে হচ্ছিল বললেই সব ভেঙে যাবে। তাই কথাটা গলাতেই আটকে রইল। ওই রাতে অনেকক্ষণ চুপচাপ কাঁদল।


কয়েক সপ্তাহ পর রেজাল্ট দিল। নম্বর আগের মতো না। মা রিপোর্ট কার্ড হাতে নিয়ে থমকে গেল। “রাফি… এটা কী?” রাফি মুখ তুলে তাকাতে পারল না। সেই রাতেই সব বের হয়ে গেল। রাফি পানি খেতে উঠে দেখে ড্রয়িংরুমে লাইট জ্বলছে। মা বসে আছে, বাবা পাশে দাঁড়িয়ে। টেবিলের ওপর ফোন। মায়ের চোখ ভেজা, বাবার মাথা নিচু। রাফি একটু দাঁড়াল। বুঝে গেল—আর লুকানোর কিছু নাই। ফিরে যেতে চাইছিল। মা দেখে ফেলল। তিনজন চুপ। কেউ কিছু বলল না। কিন্তু ওই চুপটাই সব বলে দিল।


এরপর দিনগুলো সহজ ছিল না। ঝগড়া, চুপচাপ, ভাঙা রাত—ঘরটাই বদলে গেল। আর রাফি সবচেয়ে বেশি বদলাল। সে বুঝল—বড়দের ভুলের ভার শেষে ছোটদের কাঁধেই পড়ে। একদিন বাবা এসে ওর ঘরে বসল। অনেকক্ষণ চুপ থেকে বলল, “জানি, তুই কষ্ট পাইছিস।” রাফি জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে ছিল। বাবা বলল, “কিছু ভুল শুধু একজনরে ভাঙে না। পুরা ঘরটারে ভেঙে দেয়। আমি সেই ভুলটাই করছি।” রাফি কিছু বলল না। ক্ষমা করা সহজ না। বিশ্বাস ফেরানোও না। তবু সেদিন বাবার চোখে মিথ্যা ছিল না। রাতে শুয়ে রাফি একটা জিনিসই বুঝল— একটা সম্পর্ক ভাঙলে শুধু দুইটা মানুষ ভাঙে না। ভেঙে যায় ঘরের ভেতরের নিরাপত্তা। একটা ছেলের ভরসা। আর সেই ভাঙনের শব্দ বাইরে শোনা যায় না।



আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 988 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 19954। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4065
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
 নামটা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোটগল্প। ১২ জুন, ২০২৬ সেদিন রাফি স্কুল থেকে ফিরে সো[...] বিস্তারিত পড়ুন...
171 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
 নামহীন কবর    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোট গল্প | ১৪ জুন, ২০২৬ দুপুরের কবরস্থানটা কে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বেতন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প । ১৪, জুন ২০২৬ বাবা ফোন করেছিলেন বিকেলের দিকে। õ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
 শেষ সাক্ষী মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন গল্প । ১৪, জুন ২০২৬ লোকটা মারা গেল ভোরের ঠিক আগে। [...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ভাঙা মগ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প। ১৩ জুন ১০২৬ ডিভোর্সের কাগজে সই করার সময় মেহ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    652 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    32 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. জামিনুল রেজা

    428 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    224 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    11 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. ক্বলমী সুর

    134 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

...