Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

নীরব ভাঙন

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
191 বার প্রদর্শিত
করেছেন (22,802 পয়েন্ট)   31 মে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

 নীরব ভাঙনimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প  । ৩১ মে , ২০২৬


রাত ২:১৭।


অভিকের ঘুম ভেঙে গেল। এটা নতুন কিছু না। গত কয়েক মাসে এমন অনেকবার হয়েছে। তবু প্রতিবারই মনে হয়, হয়তো আজ রাতে আবার ঘুমিয়ে পড়তে পারবে।


সে বিছানায় উঠে বসল। জানালার ফাঁক দিয়ে রাস্তার লাইটের আলো এসে দেয়ালে একটা চৌকো দাগ এঁকে রেখেছে। ঘরের ভেতর সিলিং ফ্যান ঘুরছে ধীর শব্দে।


মোবাইলটা হাতে নিল। হোমস্ক্রিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছবি। পাঁচজন ছেলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে। একজনের হাতে চায়ের কাপ। রায়হানের।


ছবিটা বদলানোর কথা অনেকবার ভেবেছে অভিক। বদলানো হয়নি। রায়হানের নাম্বারটাও এখনও ফোনে আছে। চ্যাটবক্সটাও। শেষ মেসেজটাও।


"ঠিক আছে, তোর যা ইচ্ছা।"


তিন বছর আগে পাঠানো।


মেসের একটা সিট নিয়ে ঝগড়া হয়েছিল। কে আগে ছাড়বে, কে কথা রাখেনি, এসব নিয়ে তর্ক। এখন মনে করলে তুচ্ছ লাগে। সেদিন লাগেনি।


সেদিন দুজনেই ভেবেছিল, অন্যজন আগে ফোন করবে। কেউ করেনি।


অভিক ফোনটা উল্টো করে রাখল। ঘরের ভেতর নিঃশব্দতা জমে আছে। পাশের বাসার ছাদে একটা বিড়াল দৌড়ে গেল। তারপর আবার সব চুপচাপ।


পানি খেতে গিয়ে রান্নাঘরে থামল সে। ডিশ র্যাকে উল্টো করে রাখা একটা স্টিলের বাটি চোখে পড়ল।


বাটিটা চিনতে পারল।


তিন দিন আগে রাতের খাবারের সময় মা ডাল এগিয়ে দিয়েছিল ওই বাটিতে। অভিক তখন ফোনে চোখ রেখেছিল। মা কিছু একটা বলেছিল। সে শুনেনি। "হুম" বলেছিল শুধু।


তারপর কী বলেছিল মা?


মনে নেই।


বাটিটায় হাত ছুঁয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল সে। ফ্রিজ থেকে পানি বের করে খেল। তারপর আবার ঘরে ফিরে এল।


মোবাইলে কয়েকটা নোটিফিকেশন জমে আছে। একজনের নতুন চাকরি হয়েছে। আরেকজন সমুদ্র দেখতে গেছে। কেউ সন্তানের ছবি দিয়েছে। কেউ লিখেছে, "জীবন সুন্দর।"


অভিক কোনোটা খুলল না।


ফোনটা আবার লক করে রাখল।


মাঝে মাঝে তার মনে হয়, খবর আগের চেয়ে অনেক বেশি জানে মানুষ। শুধু মানুষগুলোর খবরই কম জানা হয়।


রাত ২:৪৩।


অভিক আবার ফোনটা হাতে নিল। রায়হানের চ্যাটবক্স খুলল। কীবোর্ড উঠে এলো।


সে কয়েকটা শব্দ লিখল। মুছে দিল।


আবার লিখল। সেটাও মুছে দিল।


শেষ পর্যন্ত শুধু লিখল,


"ঘুমাস নাকি?"


মেসেজটা পাঠিয়ে ফোনটা বুকের ওপর রেখে শুয়ে রইল। দেয়ালের আলোর চৌকো দাগটা একটু সরে গেছে। সম্ভবত বাতাসে রাস্তার লাইটটা দুলছে।


ঘরের কিছুই বদলায়নি।


তবু তার মনে হলো, অনেকদিন বন্ধ থাকা একটা দরজায় সে অন্তত কড়া নেড়েছে।


দশ মিনিট পর ফোনটা কেঁপে উঠল।


রায়হান।


অভিক স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইল। খুলল না। ফোনটা আবার উল্টো করে রাখল।


কিছুক্ষণ পরে স্ক্রিন অন করল।


"না।"


একটু পর আরেকটা মেসেজ।


"তোর বাসার সামনের চায়ের দোকানটা আছে এখনও?"


অভিকের চোখ চলে গেল জানালার দিকে। দোকানটা দেখা যায় না এখান থেকে। তবু সে জানে, আছে। রাত জেগে থাকা মানুষদের জন্য কিছু দোকান বোধহয় সহজে বন্ধ হয় না।


সে লিখল,


"আছে।"


মেসেজটা পাঠানোর আগেই আরেকটা উত্তর এলো।


"কাল সকালে অফিস আছে?"


অভিক লিখল,


"আছে।"


ওপাশ থেকে উত্তর এলো,


"তাও চল।"


অভিকের ঠোঁটের কোণে একটা হাসি লেগে রইল।


শব্দ হলো না।


ঘরের ভেতর তখনও একই নীরবতা। একই ফ্যান। একই রাত।


শুধু টেবিলের ওপর উল্টো করে রাখা ফোনটা আর নিঃশব্দ ছিল না।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1129 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 22802। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3962
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


 ভেতরের ঝড়, বাইরের ভাঙন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। মে ০৪, ২০২৬ বিকেলের আলোটা স[...] বিস্তারিত পড়ুন...
360 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নীরব মানুষটার শেষ সীমা   পর্ব–১০ : দোষটা কোথায় ছিল?   একটি ধারাবাহিক গল্প   লেখক: ম&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
9 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নীরব মানুষটার শেষ সীমা   পর্ব–৯ : নিয়ন্ত্রণে সুখ নেই   একটি ধারাবাহিক গল্প   লেখ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
12 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নীরব মানুষটার শেষ সীমা   পর্ব–৮ : শেষ চিঠি   একটি ধারাবাহিক গল্প   লেখক: মোহাম্মদ জ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
5 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নীরব মানুষটার শেষ সীমা   পর্ব–৭ : নিশির সবচেয়ে বড় ভুল   একটি ধারাবাহিক গল্প   লে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
7 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    66 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. রাকিব মুসাব্বির

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...