Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

ই-নলেজ আইডিয়া

আপনার লেখার কি আছে নিজস্ব পরিচয়, স্বীকৃতি ও স্থায়ী ঠিকানা?

Author ID, স্বতন্ত্র eID, লেখার পরিচয় যাচাই, জীবন্ত পোর্টফোলিও ও ফ্রি প্রমোশন—লেখালেখির পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম।

বিস্তারিত পড়ুন ↓

আমাদের মনের ভেতর প্রতিদিন কত শত ভাবনা আসে, কত অনুভূতি জন্ম নেয়, কত কথা কাউকে বলতে ইচ্ছে করে! অথচ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার অনেক কিছুই হারিয়ে যায়। কিছু কথা কাউকে বলা হয় না, কিছু অনুভূতি ভাষা খুঁজে পায় না, আবার কিছু ভাবনা মুহূর্তের ব্যস্ততায় হারিয়ে যায় চিরতরে।

অথচ সেই ভাবনাগুলোই হয়তো একদিন একটি সুন্দর গল্প হয়ে উঠতে পারত, একটি কবিতা হয়ে কারও হৃদয় ছুঁতে পারত, কিংবা এমন কোনো লেখা হয়ে উঠতে পারত, যার মধ্যে অন্য কেউ খুঁজে পেত নিজের জীবনের গল্প।

তাই যা কিছু ভাবনায় আসে, তা এক বাক্যে হলেও লিখে রাখা উচিত। কে জানে, আজকের ছোট্ট একটি ভাবনাই হয়তো একদিন আপনার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় লেখাটি হয়ে উঠবে!

আর একটা কথা ভেবেছেন? একদিন হয়তো আপনি অনেক দূরে চলে যাবেন। সময়ের সঙ্গে মানুষের স্মৃতি থেকেও আপনার নাম মুছে যেতে পারে। কিন্তু আপনার রেখে যাওয়া লেখাগুলো আপনার অনুভূতি, চিন্তা ও অস্তিত্বের সাক্ষী হয়ে বেঁচে থাকতে পারে। কেউ হয়তো আপনার লেখা পড়ে নিজের জীবনের মিল খুঁজে পাবেন, আপনার অজানা কোনো অনুভূতি বুঝতে পারবেন। আপনি তাঁর কাছে অপরিচিত হয়েও লেখার মধ্য দিয়ে তাঁর অনুভূতির সঙ্গী হয়ে উঠতে পারেন। এটাই তো লেখার এক অসাধারণ ক্ষমতা!

কিন্তু এত সৃষ্টির স্থায়ী ঠিকানা কোথায়?

সোশ্যাল মিডিয়ায় পুরোনো লেখা টাইমলাইনের নিচে হারিয়ে যায়, আইডির কিছু হলে লেখার সোর্সও মুছে যায়। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে লেখাগুলো ছড়িয়ে থাকায় নিজের লেখক পরিচয়ের একটি পূর্ণাঙ্গ পোর্টফোলিও তৈরি করা কঠিন। নিজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত লেখার তারিখ বা তথ্যও পরিবর্তন করা সম্ভব। আবার কেউ লেখা কপি করে নিজের নামে প্রকাশ করলে মূল লেখককেই অনেক সময় নিজের লেখার পরিচয় ও প্রকাশনার উৎস খুঁজে বের করে প্রমাণ করতে হয়।

একজন লেখক কি তাঁর সময় ও শ্রম লেখালেখিতে ব্যয় করবেন, নাকি নিজের লেখার লিংক ফেরি করে বেড়াবেন?

এই সমস্যাগুলোর সমাধানের ভাবনা থেকেই গড়ে উঠেছে Enolej Idea। এটি কেবল লেখা প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম নয়; লেখকের নিজস্ব পরিচয়, প্রতিটি সৃষ্টির স্বতন্ত্র পরিচয়, লেখার সংরক্ষণ, স্বীকৃতি এবং পাঠকের সঙ্গে সংযোগ গড়ে তোলার একটি সমন্বিত ডিজিটাল লেখালেখির ইকোসিস্টেম।

১. নিজস্ব লেখক পরিচয় — Author ID

প্রতিটি লেখকের জন্য রয়েছে স্বতন্ত্র লেখক আইডি নম্বর। নিজের লেখক প্রোফাইলে পরিচিতি, প্রকাশিত লেখা ও লেখালেখির পথচলা একসঙ্গে তুলে ধরতে পারবেন। এই Author ID Bio, CV কিংবা নিজের বইয়েও ব্যবহার করতে পারবেন। ফলে লেখক হিসেবে আপনার পরিচয়ের জন্য থাকবে একটি নির্দিষ্ট ডিজিটাল ঠিকানা।

২. প্রতিটি লেখার আলাদা পরিচয় — eID

একজন লেখকের প্রতিটি সৃষ্টির জন্য রয়েছে স্বতন্ত্র eID। এটি নির্দিষ্ট লেখাটিকে তার মূল প্রকাশনা ও লেখকের পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করে। মনে রাখবেন, Author ID হলো লেখকের পরিচয়, আর eID হলো নির্দিষ্ট লেখার পরিচয়।

৩. eID Verification System

eID Verified: লেখার সঙ্গে স্বতন্ত্র eID ও মূল প্রকাশনার রেফারেন্স যুক্ত করার ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে লেখাটির পরিচয় ও Enolej Idea-তে মূল প্রকাশনার তথ্য তুলে ধরা যায়।

eID Scan: eID Verified চিহ্নযুক্ত লেখা স্ক্যান করে কয়েক সেকেন্ডে সংশ্লিষ্ট লেখক, eID ও মূল প্রকাশনার পরিচয় যাচাই করার সুবিধা।

eID Bridge: বাইরের প্রকাশনা বা প্ল্যাটফর্মেও eID ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করে, যাতে মূল লেখার পরিচয় ও Enolej Idea-তে প্রকাশিত লেখার সঙ্গে সংযোগ বজায় থাকে।

eID ব্যবস্থা লেখার পরিচয় ও মূল প্রকাশনার তথ্য যাচাই এবং স্বত্বের দাবির পক্ষে প্রাসঙ্গিক তথ্য সংরক্ষণে সহায়ক। এটি নিজে থেকে আইনি কপিরাইট নিবন্ধনের বিকল্প নয়।

৪. জীবন্ত লেখক পোর্টফোলিও

আপনার সব লেখা এক জায়গায় সাজিয়ে তৈরি করুন নিজের জীবন্ত পোর্টফোলিও। সময়ের সঙ্গে নতুন লেখা যুক্ত হবে, সমৃদ্ধ হবে আপনার লেখক পরিচয়। পাঠকও সহজেই এক জায়গা থেকে আপনার সব সৃষ্টির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন।

৫. লেখালেখির আরও সুবিধা

সিরিজ ও পর্ব: ধারাবাহিক লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজিয়ে রাখুন, যাতে পাঠক সহজেই পরবর্তী পর্বগুলো খুঁজে পান।

Draft ও Notes: অসম্পূর্ণ লেখা, প্রাথমিক ভাবনা ও প্রয়োজনীয় নোট সংরক্ষণ করুন।

এক ক্লিকে ই-বুক ও পাণ্ডুলিপি: নিজের প্রকাশিত লেখাগুলো একত্র করে ই-বুক বা পাণ্ডুলিপি তৈরি করুন।

পাঠকের সঙ্গে সংযোগ: মন্তব্য, প্রতিক্রিয়া ও প্রশ্নের মাধ্যমে পাঠকের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকুন।

Points, Badges ও Ranking: লেখালেখি ও পাঠক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে পয়েন্ট, ব্যাজ ও র‍্যাঙ্কিং অর্জনের সুযোগ।

ফ্রি প্রমোশন ও Google Discoverability: নিজের লেখা ও লেখক পরিচিতি আরও পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ।

আপনার লেখালেখির যাত্রা শুরু করতে পারেন আজই।

আপনি নতুন লেখক হোন কিংবা দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি করছেন—নিজের ভাবনা প্রকাশ করতে ভালোবাসলেই শুরু করতে পারেন। প্রতিটি লেখাই অসাধারণ হতে হবে, এমন নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের ভাবনাগুলোকে হারিয়ে যেতে না দেওয়া এবং ধীরে ধীরে নিজের লেখকসত্তাকে গড়ে তোলা।

আপনার ভাবনাগুলো মূল্যবান। সেগুলো শুধু আজকের জন্য নয়, ভবিষ্যতের জন্যও যত্ন করে রেখে দিন।

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline] →

Enolej Idea — Write. Preserve. Be remembered.

পরে কোনো একদিন

লেখা যখন কণ্ঠে! শুনতে প্রস্তুত? প্রতি শনি, সোম ও বুধবার | বিকেল ৪টা ▶ FACEBOOK | ▶ YOUTUBE
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
6 বার প্রদর্শিত
করেছেন (30,375 পয়েন্ট)   15 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
eID স্ক্যান · লেখাটি যাচাই করা হচ্ছে, একটু অপেক্ষা করুন…

পরে কোনো একদিনimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোটগল্প 

১ নভেম্বর ২০২৬


আলমারির নিচের তাকে পুরোনো খাতাটা খুঁজে পেল রাশেদ। মেয়ের পুরোনো স্কুলের কাগজপত্র সরাতে গিয়ে খাতাটা বেরিয়ে এসেছে। মলাটের এক কোণে ইঁদুরে কেটেছে। ধুলো ঝাড়তেই কয়েকটা পাতা আলগা হয়ে মেঝেতে পড়ল।


খাতার ভেতর থেকে বাসের একটা পুরোনো টিকিটও বের হলো। অর্ধেক ছেঁড়া। গন্তব্য লেখা ছিল, নীলক্ষেত।


রাশেদ টিকিটটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকল।


সতেরো বছর আগে এক শুক্রবার সে নীলক্ষেতে গিয়েছিল। একটা বইয়ের দোকানের মালিক দোকান ভাড়া দেবেন বলে কথা দিয়েছিলেন। দোকানটা খুব বড় ছিল না। সামনে সরু একটা জায়গা, পেছনে ছোট ঘর। ভাড়া একটু বেশি, তবু রাশেদের পছন্দ হয়েছিল। জানালার পাশে দুটো চেয়ার রাখার জায়গা ছিল।


সেদিন ফেরার পথে বাসে বসে সে খাতায় দোকানের হিসাব লিখেছিল। কত টাকায় তাক বানানো যাবে, কত টাকার বই কিনতে হবে, দোকানের নাম কী হবে।


নাম ঠিক করেছিল, ‘জানালার পাশে’।


খাতার প্রথম পাতায় এখনো সেই নাম লেখা আছে।


রাশেদ পাতা উল্টাল। কয়েকটা বইয়ের নাম, দোকানের নকশা, মাসিক খরচের হিসাব। এক জায়গায় নিজের হাতের লেখায় লিখেছে, ‘প্রথম মাসে লাভ না হলেও সমস্যা নেই। অন্তত নিজের একটা জায়গা থাকবে।’


লাইনটা পড়ে তার মুখে হাসি এল না।


সেদিনই ছোট ভাই সুমনের ফোন এসেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে টাকা লাগবে। বাবা মারা যাওয়ার পর সংসারের অনেক কিছু রাশেদের কাঁধে এসে পড়েছিল। মায়ের ওষুধ, ছোট ভাইয়ের পড়াশোনা, বাড়ির খরচ। দোকানের জন্য জমানো টাকাটা সুমনের ভর্তির পেছনে চলে গেল।


টাকা দেওয়ার সময় সে আপত্তি করেনি। সুমনের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাক, সেটা চায়নি। কিন্তু নীলক্ষেত থেকে ফেরার পথে বাসের জানালার পাশে বসে তার খুব রাগ হয়েছিল। কার ওপর, ঠিক বুঝতে পারেনি।


সুমনের ওপর? মায়ের ওপর? নাকি নিজের ওপর?


খাতায় সেদিন সে শুধু লিখেছিল, ‘দোকানটা পরে করব।’


রাশেদ এবার টিকিটটা খাতার ভেতর ঢুকিয়ে দিল।


সুমন এখন ঢাকায় থাকে না। চাকরি ছেড়ে কয়েক বছর আগে নিজের ব্যবসা শুরু করেছে। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভালোই আছে। মাঝেমধ্যে ফেসবুকে তার ঘোরাঘুরির ছবি আসে। নতুন গাড়ি কিনেছে, গ্রামের বাড়ি মেরামত করেছে। রাশেদ ছবিগুলো দেখে কখনো ভালো বোধ করে, কখনো ফোনটা সরিয়ে রাখে।


একবার সুমন বলেছিল,

‘ভাই, তোমার জন্যই তো পড়াশোনাটা শেষ করতে পেরেছিলাম।’


রাশেদ বলেছিল,

‘হ্যাঁ, মনে আছে।’


সুমন আর কিছু বলেনি।


কিন্তু রাশেদের মনে হয়েছিল, কথাটা বলার সময় সুমনের মুখে যে সহজ হাসি ছিল, সেই হাসির পেছনে তার নিজের অনেকগুলো বছর আটকে আছে। সে কি কখনো ভেবেছে, যে টাকায় তার ভর্তি হয়েছিল, সেই টাকায় একটা দোকান হতে পারত? হয়তো ভেবেছে। হয়তো ভাবেনি।


রাশেদ নিজেও জানে, ভাইয়ের কাছে সেই টাকা ফেরত চাওয়ার কোনো মানে হয় না। তবু মাঝেমধ্যে মনে হয়, সবাই নিজের জীবনটা গুছিয়ে নিল, শুধু সে-ই যেন একটা পুরোনো হিসাবের খাতায় আটকে রইল।


এই ভাবনাটা এলে নিজের ওপরই বিরক্ত হয়। সুমনকে সাহায্য করেছিল বলে কি সারাজীবন তার কাছে কৃতজ্ঞতা দাবি করবে? আবার নিজের স্বপ্নটা হারিয়ে গেছে বলে কষ্ট পাওয়াও কি অপরাধ?


খাতাটা বন্ধ করে সে বিছানায় রাখল।


রান্নাঘর থেকে শারমিনের গলা এল,

‘ওই কাগজগুলো আবার বিছানায় ছড়িয়েছ কেন? মেয়ের বইয়ের সঙ্গে মিশে যাচ্ছিল।’


‘পুরোনো খাতা।’


‘ফেলে দেবে?’


‘দেখি।’


শারমিন আর কথা বাড়াল না। সংসারে এমন অনেক পুরোনো জিনিস আছে, যেগুলো ফেলে দিতে গেলেই কেউ না কেউ বলে, থাক, পরে দেখা যাবে।


রাশেদেরও এই ‘পরে দেখা যাবে’ কথাটার ওপর ভীষণ রাগ। অথচ নিজের জীবনটা সে এই কথার ওপরই রেখে দিয়েছে।


পরদিন অফিস থেকে ফেরার পথে সে নীলক্ষেতের দিকে গেল না। বাসায় ফেরার জন্য যে বাসে ওঠে, সেটাতেই উঠল। কিন্তু বাসটা শাহবাগ পার হওয়ার পর তার মনে হলো, নামতে পারত। একটু ঘুরে পুরোনো দোকানগুলোর দিকে যেতে পারত।


সে নামল না।


বাড়ি ফিরে মেয়ের পড়ার টেবিলে কয়েকটা নতুন বই দেখল। মেয়ে অনলাইনে অর্ডার করেছে। বইয়ের প্যাকেটের গায়ে দোকানের নাম ও ঠিকানা ছাপা। রাশেদ প্যাকেটটা হাতে নিয়ে উল্টেপাল্টে দেখল।


মেয়ে পাশ থেকে বলল,

‘বাবা, বইগুলো ভালো হয়েছে?’


‘দেখি।’


‘তুমি তো আগে অনেক বই পড়তে।’


‘এখন পড়ি না।’


‘কেন?’


‘সময় কোথায়?’


মেয়ে আর কিছু জিজ্ঞেস করল না। বইগুলো নিয়ে নিজের ঘরে চলে গেল।


রাতে খাওয়ার পর রাশেদ আবার পুরোনো খাতাটা বের করল। শেষের পাতায় অনেক ফাঁকা জায়গা। সেখানে একসময় সে দোকানের হিসাব লিখেছিল। এখন কিছু সংখ্যা কেটে গেছে, কিছু লেখা ঝাপসা।


সে মোবাইল হাতে নিয়ে নীলক্ষেতের কয়েকটি দোকানের ভাড়ার বিজ্ঞাপন খুঁজল। দু-একটা বিজ্ঞাপন খুলল। একটির ভাড়া দেখে আবার বন্ধ করে দিল। আরেকটির ঠিকানা পড়ে রাখল। ফোন নম্বরটায় আঙুল নিয়ে গিয়েও কল করল না।


শারমিন ঘরে এসে বলল,

‘ঘুমাবে না?’


‘একটু পরে।’


‘কাল সকালে উঠতে হবে।’


‘জানি।’


শারমিন বাতি নিভিয়ে চলে গেল।


রাশেদ খাতার পাতায় দোকানের পুরোনো নকশাটা দেখল। তখন সে জানালার পাশে দুটো চেয়ার রাখতে চেয়েছিল। এখন হিসাব করলে হয়তো একটা চেয়ারও রাখা যাবে না। দোকানের ভাড়া, অগ্রিম টাকা, বই কেনা, সব মিলিয়ে কত লাগবে, সে জানে না।


তারপরও খাতাটা ফেলে দিতে পারল না।


টেবিলের ওপর মেয়ের কেনা বইগুলো রাখা। পাশে নিজের পুরোনো খাতা। দুটো জিনিসের মধ্যে কোনো মিল নেই। তবু সে খাতাটা বইগুলোর নিচে চাপা দিল না। আলাদা করে টেবিলের এক কোণে রাখল।


পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার সময় খাতাটা ব্যাগে নিল রাশেদ।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 1 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1503 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 30375। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 5169
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
কোর্টপাড়ায় একদিন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ভ্রমণকাহিনি | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সেদিন কো&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
42 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সিএমসিতে একদিন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ভ্রমণ কাহিনি। ১৬ আগস্ট ২০২৬ ভ্রমণ বলতেই আমা&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
59 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
রিষড়া ভ্রমণের একদিন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ভ্রমণ কাহিনি | ১৫ আগস্ট, ২০২৬ ভ্রমণ মানে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
48 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সিরিজ -আমাদের না-বলা কথা। গল্প-১০  আলোটা একদিন ফিরবেই মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  ছোট গল&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
54 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নীরব মানুষটার শেষ সীমা   পর্ব–১ : কথা বলতে বলতে মানুষটা একদিন চুপ হয়ে গেল   একটি ধা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
62 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. Mayabi Ilmaz Megh

    202 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    10 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    121 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Qrrier

    31 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. Mirza

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...