Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

সাত বছর পর

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
3 বার প্রদর্শিত
করেছেন (26,541 পয়েন্ট)   22 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

সাত বছর পরimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোটগল্প | ০২-০৯-২০২৬


সাত বছর পর নিশিকে দেখে অভিক প্রথমে চিনতেই পারেনি।


স্কুলের ছুটির সময়। গেটের সামনে অভিভাবকদের ভিড়। কেউ বাচ্চার হাত ধরে রাস্তা পার হচ্ছে, কেউ রিকশাওয়ালার সঙ্গে ভাড়া নিয়ে কথা বলছে। অভিক রাস্তার ওপাশে দাঁড়িয়ে ছিল। একটা ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে বেরিয়েছে। হঠাৎ তার চোখ আটকে গেল গেটের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা এক মহিলার ওপর।


নিশি।


চেনার পরও কয়েক সেকেন্ড সে দাঁড়িয়ে রইল। সাত বছর আগে যে মুখটা সে শেষবার দেখেছিল, তার সঙ্গে এই মুখটার মিল আছে। কিন্তু আগের মতো নেই।


নিশি একটা ছেলের ব্যাগ ঠিক করে দিচ্ছিল। ছেলেটা বারবার হাত ছাড়িয়ে সামনে যেতে চাইছিল। 


নিশি বলল, “আস্তে যা। গাড়ি আছে।” ছেলেটা বিরক্ত হয়ে উত্তর দিল, “মা, আমি জানি।” নিশি হেসে তার মাথায় হাত রাখল।


অভিক তখনও রাস্তার ওপাশে দাঁড়িয়ে।


নিশি হঠাৎ মুখ তুলে তাকাল। চোখাচোখি হলো। নিশির মুখের হাসিটা থেমে গেল। কয়েক সেকেন্ড কেউ নড়ল না। তারপর নিশি ছেলেটার হাত ছেড়ে এক পা এগিয়ে এসে বলল, “তুমি এখানে?”


অভিক বলল, “ওষুধ নিতে এসেছিলাম।”

“ও।”


নিশি আর কিছু বলল না।


ছেলেটা মায়ের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল,

 “মা, উনি কে?”

নিশি একটু থেমে বলল, “পরিচিত।”

শব্দটা শুনে অভিক হেসে ফেলল।

নিশি সেটা দেখল। 

“কী?”

“কিছু না।”


ছেলেটা তখন জুতার ফিতা নিয়ে ব্যস্ত। নিশি নিচু হয়ে ফিতাটা বাঁধতে লাগল। অভিক দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখল। একসময় সে-ও কারও জুতার ফিতা বাঁধতে বসত। মনে পড়তেই তার নিজের পুরোনো কথাটা মনে হলো—“তুমি নিজে পারো না?” 

আর নিশি তখন বলত, 

“পারি। কিন্তু তুমি করে দিলে ভালো লাগে।”


এই স্মৃতিটা এতদিন পর হঠাৎ কেন মনে পড়ল, অভিক জানে না।


নিশি উঠে দাঁড়াল। বলল, 

“কোথায় থাকো এখন?”

অভিক ঠিকানা বলল।

“বিয়ে করেছ?”

প্রশ্নটা শুনে অভিক একটু থামল। “না।”


নিশি মাথা নাড়ল। আর কিছু জিজ্ঞেস করল না।


ছেলেটা মায়ের হাত টেনে বলল, “চলো মা।”

“হ্যাঁ, চল।”


নিশি অভিকের দিকে তাকিয়ে একটু অস্বস্তি নিয়ে বলল, “ভালো থেকো।”

অভিক বলল, “তুমিও।”


নিশি ছেলেটার হাত ধরে হাঁটতে শুরু করল। অভিক সেদিকেই তাকিয়ে রইল। কিছুদূর গিয়ে নিশি একবার পেছনে ফিরল। দুজনের চোখ আবার মিলল। এবার কেউ হাত নাড়ল না।


অভিকও ফিরে দাঁড়াল।


সেদিন রাতে পুরোনো একটা বাক্স গোছাতে গিয়ে সে একটা ছোট্ট কাগজ পেল। কাগজটা হলুদ হয়ে গেছে। ভাঁজ খুলতেই নিজের হাতের লেখা দেখতে পেল। একটা বাজারের তালিকা—চাল, ডাল, ডিম, চা, জুঁই ফুল।


শেষ শব্দটার দিকে তাকিয়ে অভিক অনেকক্ষণ বসে রইল।


জুঁই ফুল নিশির খুব পছন্দ ছিল।


পরদিন সকালে কাগজটা সে ফেলে দিল না। আবার ভাঁজ করে বাক্সের ভেতর রেখে দিল।


দুপুরে ফোনে একটা অচেনা নম্বর থেকে কল এল। ধরবে কি না, ভেবে কিছুক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকল অভিক। তারপর ফোনটা বেজে বেজে থেমে গেল। একটু পর আবার বেজে উঠল।


এবার সে ধরল।


ওপাশ থেকে নিশির গলা, 

“অভিক?”

অভিক কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, 

“হ্যাঁ।”

“কাল তোমার সঙ্গে ঠিকমতো কথা বলা হলো না।”

“হুম।”

“তোমার কি খুব তাড়া ছিল?”

“না।”


ওপাশে কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।

তারপর নিশি বলল,

 “ছেলেটা তোমার কথা জিজ্ঞেস করছিল।”


অভিক জানালার বাইরে তাকাল।

 “কী বলেছ?”


“বলেছি, তুমি আমার পুরোনো পরিচিত।”


অভিক মৃদু হেসে বলল, 

“ঠিকই বলেছ।”


নিশিও একটু হাসল। তারপর বলল, 

“আচ্ছা, রাখি।”

“হুম।”


ফোন কেটে গেল। অভিক ফোনটা টেবিলে রেখে জানালার পাশে গিয়ে দাঁড়াল।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 11 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1314 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 26541। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4802
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
শেষ এক বছর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প | ১ সেপ্টেম্বর  ২০২৬ সেদিন রাতে রাশেদের ঘু[...] বিস্তারিত পড়ুন...
7 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যদি দশ বছর আগে দেখা হতো মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। এপ্রিল ২২, ২০২৬ কিছু প্রশ্ন [...] বিস্তারিত পড়ুন...
436 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
শেষ আপসের পর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ২৪ আগস্ট ২০২৬ “কথা দিচ্ছি শবযাত[...] বিস্তারিত পড়ুন...
19 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অতঃপর বেঁচে থাকা শামীমা আকতার ভর দুপুর। সূর্য মাথার উপর। পিটার বেড়াবার জন্য সবসময়[...] বিস্তারিত পড়ুন...
112 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ইংরেজি নতুন বছর একটি উৎসব না কি সাংস্কৃতিক আধিপত্যের প্রতীক? মোহাম্মাদ জাহিদ হোসে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
453 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    442 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    22 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    20 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. Anandamoye Roy

    11 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...