Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পথের ওপারের মানুষ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
24 বার প্রদর্শিত
করেছেন (24,421 পয়েন্ট)   23 জুন "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

পথের ওপারের মানুষimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প।  ২৩ জুন,২০২৬


কলেজ থেকে ফেরার পথে রাহাত মোড়ের ফুচকার দোকানটায় দাঁড়ায়। প্রায় রোজই।


দাঁড়ালে রাস্তাটা পুরো চোখে পড়ে। রিকশার বেল, স্কুল ছুটির ভিড়, বাজারের নাইলনের ব্যাগ হাতে হন্তদন্ত লোকজন। আর ওপাশে কয়েকটা ছেলে। তারা থাকে। প্রতিদিন, একই রেলিংটায় হেলান দিয়ে।


সেদিনও ছিল।


রাহাত তখন দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে একটা ঠান্ডা পানির বোতল খুলছিল। বোতলের গায়ে ঘাম জমে আছে।


তখনই রিমি আপুকে দেখল। রাস্তার ওপারে। কলেজ থেকে ফিরছে, কাঁধে ব্যাগ, হাতে সেই চেনা নীল রঙের ফাইলটা, কোণাটা একটু ছেঁড়া।


ছেলেগুলোর একজন রিমির দিকে তাকিয়ে কিছু একটা বলল। নিচু গলায়। বাকিরা হেসে উঠল।


কথাটা রাহাত শুনতে পায়নি। শুনেছে শুধু হাসিটা। আর দেখেছে রিমির মুখটা।


মেয়েটা কিছু বলেনি। শুধু হাঁটার গতি একটু বাড়িয়ে দিল। ব্যাস।


পুরো ঘটনাটা দুই মিনিটও হয়নি, হয়তো আরও কম। কিন্তু বাসায় ফিরেও রাহাত মাথা থেকে সেটা নামাতে পারল না।


রাতে খেতে বসে সে টের পেল, রিমি আজ অস্বাভাবিক চুপ। মা দু-একবার জিজ্ঞেস করলেন, ভাত নিবি? রিমি শুধু "হুম" বলল।


খাওয়া শেষে রাহাত ওর ঘরের দরজায় গিয়ে দাঁড়াল।


"আপু।"

"কী?"

"আজ কিছু হয়েছে?"

রিমি বইয়ের পাতা উল্টাচ্ছিল। চোখ তুলল না।

"না।"

"সত্যি বল।"


এবার সে বিরক্ত হয়ে তাকাল।

"তোর এত জানতে হবে কেন?"


রাহাত থমকে গেল।

"এমনিই।"

"এমনিই কিছু না। পড়তে যা।"


রিমি আবার বইয়ে মুখ গুঁজল। কিন্তু গলায় যে রাগটা ছিল, সেটা রাগ মনে হলো না রাহাতের। অন্য কিছু মনে হলো।


পরদিন বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা চলছিল। পাশ দিয়ে একটা মেয়ে হেঁটে গেল, সালোয়ার কামিজ পরা, কানে ইয়ারফোন।


রাহাতের এক বন্ধু হেসে একটা মন্তব্য ছুড়ে দিল। বাকিরা হেসে উঠল।


আগে হলে রাহাতও হয়তো হাসত। সেদিন পারল না।


হঠাৎ নীল ফাইল হাতে রাস্তা পার হওয়া রিমির মুখটা ভেসে উঠল।


সে বলে ফেলল, "এইসব বলে কী মজা পাস?"


বন্ধুরা প্রথমে ভেবেছিল মজা করছে। একজন বলল, "কী রে, আজ এত ভদ্র?" আরেকজন বলল, "জ্ঞান দিস না তো।"


রাহাত আর কথা বাড়াল না। আড্ডাটা কেমন পানসে লাগল।


এরপর সব আগের মতোই চলল, মোটামুটি। মোড়ে আড্ডা হলো, হাসাহাসি হলো, মাঝে মন্তব্যও হলো। পৃথিবী রাতারাতি বদলে যায়নি।


শুধু রাহাত টের পেল, সে আর আগের মতো হেসে উঠতে পারছে না। একসময় নিজেই একটু সরে আসতে শুরু করল।


বন্ধুরা খোঁচা দিল। "কী রে, প্রেমে পড়েছিস?" সে হেসে উড়িয়ে দিল।


এক বিকেলে আবার সেই মোড়ে দাঁড়িয়ে ছিল রাহাত। ফুচকার টক পানির ঝাঁজালো গন্ধ আসছে। আকাশে জুনের ভ্যাপসা মেঘ, বৃষ্টি নামবে নামবে করছে।


তখনই রিমিকে দেখল। আজ হাতে নীল ফাইলটা নেই।


ছেলেগুলোর একজন মুখ খুলতে যাচ্ছিল। পাশের ছেলেটা তাকে থামিয়ে দিল। "থাক না। ওসব বলার দরকার কী?"


খুব সাধারণ একটা কথা। অন্য দিন হলে কেউ খেয়ালই করত না, সম্ভবত।


রাহাত করল। রিমিও করল।


রাস্তা পার হওয়ার সময় রিমি এক সেকেন্ডের জন্য থামল। মাথা ঘুরিয়ে ছেলেটার দিকে তাকাল। কিছু বলল না।


তারপর আবার হাঁটা শুরু করল। রাহাত দেখল, হাঁটতে হাঁটতে রিমির মুখের কোণে খুব আলতো একটা হাসি ফুটে উঠেছে।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1209 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 24421। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4117
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
নিশি উপাখ্যান সিরিজ   গল্প-৬   বন্ধ দরজার মানুষ   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ২৯ জুন,২[...] বিস্তারিত পড়ুন...
28 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ছবির বাইরের মানুষ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প | ২৬ জুন, ২০২৬ বিয়ের তিন বছর পর। ঘ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
23 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
 নীরব তৃতীয় মানুষ    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোটগল্প। ১২ জুন, ২০২৬ সেদিন রাতের ভাত&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
193 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আয়নার মানুষ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোট গল্প। ১০ জুন, ২০২৬ অফিসে ঢুকেই রাশেদের মন&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
198 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অদৃশ্য মানুষ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প। মার্চ ২০, ২০২৬ শহরের ভিড়ে সে হাঁটে। প[...] বিস্তারিত পড়ুন...
382 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    587 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    29 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    42 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    2 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...