Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

জানালার ওপাশে একটু আলো

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
3 বার প্রদর্শিত
করেছেন (19,240 পয়েন্ট)   1 দিন পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

জানালার ওপাশে একটু আলোimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প  । ২৮ মে, ২০২৬


বিকেল নামার আগেই ঘরটা অন্ধকার হয়ে যায়। 


আগে অভিক জানালাটা খোলা রাখত। এখন বেশিরভাগ দিন বন্ধই থাকে। বাইরের শব্দ তার সহ্য হয় না। পাশের বাসার বাচ্চারা খেলতে খেলতে চিৎকার করলে, রিকশার বেল একটার পর একটা বাজলে, কিংবা নিচের দোকানে হঠাৎ হাসির শব্দ উঠলে তার মনে হয়—পৃথিবীর মানুষজন বোধহয় এখনও বেঁচে থাকার ভেতর কিছু খুঁজে পায়। শুধু সে পারে না।


শুধু সে পারে না।


ঘড়িতে দুপুর দুইটা। তবু সে বিছানা ছাড়েনি।


বালিশের পাশে ফোনটা উল্টো করে রাখা। স্ক্রিনে আলো জ্বলে আবার নিভে যায়। একটা মেসেজ এসে ছিল সকালে—“ভাই, বেঁচে আছেন নাকি?” অভিক নোটিফিকেশনটা দেখেছিল, কিন্তু উত্তর দেয়নি।


তার মা দরজার বাইরে এসে দাঁড়ান—“খাবি?”

অভিক বলে—“পরে।”


পরে। দুপুরে। রাতে। কখনও ভোরের দিকে।


অভিক একসময় খুব কথা বলত। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে মাইক হাতে কবিতা পড়ত, বন্ধুদের নিয়ে রাত জেগে চা খেতে যেত, নদীর পাড়ে বসে হুটহাট গান ধরত। তখন তার হাসি ঘর ভরিয়ে দিত। এখন আয়নার সামনে দাঁড়ালেও চোখ সরিয়ে নেয় দ্রুত।


একদিন আলমারি ঘাঁটতে গিয়ে পুরোনো আইডি কার্ডটা হাতে আসে। ছবিটার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে। কাঁধে ব্যাগ, চোখে অচেনা একটা জেদ—যেন অন্য কেউ। তারপর ড্রয়ারটা বন্ধ হয়ে যায়।


সেদিন রাতে মা জিজ্ঞেস করেছিলেন—“তুই কি কোনো কষ্টে আছিস?”

অভিক হালকা হাসে—“না তো।” তারপর আর কিছু না।


রাতে ঘুম আসে না। ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ভোরের আজান শোনা যায়। কখনও বুক ধড়ফড় করে, কখনও সবকিছু একেবারে নিঃশব্দ হয়ে যায়।


একসময় সে লিখত। ছোট ছোট গল্প, মাঝরাতের চিন্তা, ভেতরের ভয়। মানুষ পড়ত, শেয়ার করত, প্রশংসা করত। কয়েক মাস আগে সে লিখেছিল—“কিছুদিন ধরে খুব খারাপ লাগছে।” নিচে কমেন্ট—“এত চিন্তা কেন?”, “বাইরে যান”, “সব মাথার ভেতর।” একজন শুধু হা-হা রিয়্যাক্ট দিয়েছিল। তারপর লেখা থেমে যায়।


তারপর খোঁজ নেওয়াও ধীরে ধীরে কমে যায়। আগে ফোন, তারপর মেসেজ, তারপর শুধু নামটা।


একদিন বিকেলে অনেকদিন পর অভিক বাইরে বের হয়। আকাশ মেঘলা। রাস্তার পাশে জমে থাকা পানিতে নীয়ন আলো কাঁপছে। মোড়ের চায়ের দোকানে ক্রিকেট নিয়ে তর্ক চলছে। একজন রিকশাওয়ালা খুব আস্তে পুরোনো গান গাইছে।


হাঁটতে হাঁটতে সে একটা ছোট লাইব্রেরির সামনে গিয়ে থামে। ভেতরে পুরোনো বইয়ের গন্ধ, কাঠের তাক একটু বেঁকে আছে, কোণায় ছোট্ট ফ্যান কষ্ট করে ঘুরছে।


বৃদ্ধ দোকানদার তাকান—“কী বই লাগবে?”

অভিক কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলে—“মন ভালো করার মতো বই আছে?”

বৃদ্ধ হেসে ফেলেন—“মন ভালো করার বই? ওই জিনিস থাকলে আমি নিজেই পড়তাম।”প


তারপর নিচের তাক থেকে একটা বই বের করেন—“তবে কিছু বই আছে… পড়লে মনে হয়, নিজের মতো মানুষ আরেকজনও ছিল।”


অভিক বইটা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। বুকের ভেতর ভারটা একটু নড়ে ওঠে।


বাসায় ফিরে সে সেদিন জানালাটা খুলে দেয়। বাইরে হালকা বৃষ্টি, দূরের বিল্ডিং ঝাপসা, বাতাসে ভেজা মাটির গন্ধ। বই খুলে পড়ে, তারপর হঠাৎ থেমে যায়। অনেকক্ষণ বই বন্ধ করে বসে থাকে।


রাতটা বদলায় না, ভেতরের ক্লান্তিও যায় না। তবু কিছুটা হালকা লাগে—যেন আগামীকাল পুরোটা না হলেও একটু সহজ হতে পারে।


পরদিন সকালে সে রান্নাঘরের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়—“চা দিবা?”

মা তাকিয়ে থাকেন, তারপর চুলার আঁচ বাড়িয়ে দেন।


অভিক জানালার পাশে দাঁড়ায়। রোদ ধীরে ধীরে ঘরের মেঝেতে নামে। নিচে একটা ছোট ছেলে সাইকেল শিখছে—পড়ে যাচ্ছে, আবার উঠছে, হাঁটু ঝাড়ছে, আবার চেষ্টা করছে।


অভিক তাকিয়ে থাকে।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 953 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 19240। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3955
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
রঙহীন ক্যানভাসের ভেতরের আলো মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। এপ্রিল ২২, ২০২৬ ঢাকার [...] বিস্তারিত পড়ুন...
174 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বই পড়ে আমরা বদলাই, নাকি শুধু একটু ভালো থাকি? মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । এ÷[...] বিস্তারিত পড়ুন...
225 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#একটু_উষ্ণতার_খোঁজে #মো_নাছির_উদ্দিন  তোমাকে মনে পড়ে— কুয়াশাচ্ছন্ন হাড়-কাঁপানো শীতের ভোরে, যখন হিমশীতল মৃদু হাওয়া হীরক-কাটা ছুরির মতো লাগছে জোরে। তোমাকে মনে পড়ে— সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা ও গভী�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
77 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আলো-অন্ধকারের মাঝখানে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী । ২৫ মে, ২০২৬ আমরা আলোক&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
201 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আলো নিভে যাওয়ার আগে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। এপ্রিল ২৩, ২০২৬ সেদিন মনটা অস্ব[...] বিস্তারিত পড়ুন...
174 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1625 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    80 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    16 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    189 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    9 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. মাহাতাব হোসেন অপল

    170 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

...