Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

অচেনা নামের আড়ালে

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
93 বার প্রদর্শিত
করেছেন (27,603 পয়েন্ট)   22 জুন "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

 অচেনা নামের আড়ালেimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প।  ২৩ জুন,২০২৬


স্বামীর ফোনে অন্য এক নারীর নাম দেখে সেদিন মিতার মনে হয়েছিল, হয়তো সব শেষ।


অথচ আসলে কিছুই শেষ হয়নি। শুধু একটা নাম তাদের দুজনের মাঝখানে এমন একটা নীরবতা এনে দিয়েছিল, যেটা ভাঙতে দুজনেরই কয়েকটা দিন লেগে গেল।


আরিফ আর মিতার বিয়ের আট বছর হয়ে গেছে।


সংসারে খুব বড় কোনো সমস্যা ছিল না। মাসের শেষে একটু টানাটানি হতো। ছেলের স্কুল, বাজার, বাসার খরচ, এসব নিয়ে ব্যস্ততা ছিল।


কখনো অভিমান। কখনো রাগ। তারপর আবার ঠিক হয়ে যাওয়া। এইভাবেই চলছিল।


সেদিন রাতে আরিফ গোসল করতে যাওয়ার আগে ফোনটা টেবিলের ওপর রেখে গিয়েছিল।


মিতা সাধারণত আরিফের ফোন ধরত না। বিশ্বাসের অভাব ছিল না।


হঠাৎ ফোনে একটা মেসেজ এলো। স্ক্রিনে একটা নাম ভেসে উঠল।


"নীরা।"


মিতা নামটা আগে কখনো শোনেনি। তারপর মেসেজটা চোখে পড়ল।


"কালকের বিষয়টা ভুলে যেও না।"


ব্যস, এতটুকুই। কিন্তু অনেক সময় এতটুকুই যথেষ্ট হয়। মনের ভেতর লুকিয়ে থাকা ভয়গুলো তখন নিজের মতো করে গল্প বানাতে শুরু করে।


আরিফ ফিরে এসে ফোনটা হাতে নিল। মিতা তখন চুপ। আগের মতো কথা বলছে না।


আরিফ কয়েকবার তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, "কী হয়েছে?"


মিতা মাথা নাড়ল। "কিছু না।"


কিন্তু সে জানত, কিছু একটা হয়েছে। আরিফও বুঝেছিল। শুধু কেউ কথাটা শুরু করছিল না।


আগে রাতে খাওয়ার পর দুজন অনেকক্ষণ গল্প করত। এখন দুজন পাশাপাশি বসেও যেন দূরে থাকত।


আরিফ ভাবত, মিতা হয়তো কোনো কারণে কষ্ট পেয়েছে। মিতা ভাবত, আরিফ হয়তো কিছু লুকাচ্ছে।


দুজনেই নিজের নিজের ধারণার মধ্যে আটকে ছিল।


শেষ পর্যন্ত এক রাতে মিতা আর থাকতে পারল না। খাবার টেবিলে বসে হঠাৎ বলল, "নীরা কে?"


আরিফ থমকে গেল। "কোন নীরা?"


মিতা ফোনটা এগিয়ে দিল। আরিফ কিছুক্ষণ চুপ করে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইল।


তারপর বলল, "তুমি এটা নিয়ে এতদিন চুপ ছিলে?"


মিতা কিছু বলল না। তার রাগের চেয়ে কষ্টটাই বেশি ছিল।


আরিফ ধীরে বলল, "নীরা আমার অফিসের একজনের স্ত্রী।"


মিতা তাকিয়ে রইল।


"তাহলে আমাকে বলোনি কেন?"


আরিফ একটু চুপ করে বলল, "জানি না। মনে হয়নি আলাদা করে বলার মতো কিছু।"


তারপর ফোনটা খুলে দেখাল। কয়েক মাস আগে তার এক সহকর্মী, সজল, হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে। নীরা আর তার ছোট ছেলেটা অনেক সমস্যার মধ্যে পড়ে গেছে।


অফিসের পেনশনের কাগজপত্র আর ছেলের স্কুলের ভর্তির ব্যাপারে আরিফ সাহায্য করছিল।


মিতা চুপ করে বসে রইল। তার মনে পড়ল, কয়েকদিন আগে আরিফ বলেছিল, "অফিসের একজনের একটু সমস্যা হয়েছে। একটু সাহায্য করছি।"


সে সেদিন খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। নিজের ভয়টাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল।


আরিফ আস্তে করে বলল, "তুমি একবার জিজ্ঞেস করলেই তো হতো।"


মিতা নিচের দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর ধীরে বলল, "ভয় পেয়েছিলাম।"


"কিসের ভয়?"


কিছুক্ষণ পর মিতা বলল, "তোমাকে হারানোর।"


আরিফ কিছু বলল না। শুধু মিতার দিকে তাকিয়ে রইল।


এরপর থেকে দুজন একটা বিষয় ঠিক করল। কিছু মনে হলে চুপ করে থাকবে না। জিজ্ঞেস করবে। কথা বলবে।


কয়েকদিন পর রাতে আবার দুজন বারান্দায় বসে চা খাচ্ছিল।


আগের মতো সবকিছু হয়ে যায়নি। হয়তো পুরোপুরি হবেও না। কারণ সম্পর্কের ভেতরের ভয় একদিনে চলে যায় না।


কিন্তু তারা আবার কথা বলা শুরু করেছিল।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1366 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 27603। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4106
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্প-৬ অচেনা আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প ৯, জুলাই, ২০ý[...] বিস্তারিত পড়ুন...
44 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার   গল্প-১   অচেনা হাসি   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ২৮, জুন, ২০২[...] বিস্তারিত পড়ুন...
56 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অচেনা মানুষটা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প।  ২৩ জুন,২০২৬ সাবেরা বেগম কখনো ভাবে÷[...] বিস্তারিত পড়ুন...
97 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
একটি ধারাবাহিক প্রেমের গল্প নীল সাগরের ওপারে পর্ব ২ : অচেনা মেয়েটি   মোহাম্মদ জাহি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
48 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
জানালাটা খোলা থাক মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত প্রায় বার[...] বিস্তারিত পড়ুন...
26 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1504 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    74 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    350 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    17 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    125 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. অমিত দত্ত দিলু

    124 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

...