Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

অন্ধকারে একা

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
397 বার প্রদর্শিত
করেছেন (23,733 পয়েন্ট)   22 এপ্রিল "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

অন্ধকারে একাimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প।এপ্রিল ২২, ২০২৬


অন্ধকারে আমি একা ভিজতে থাকি। এই ভেজার ভেতরে কোনো ঘোষণা নেই, কোনো ব্যাখ্যা নেই—শুধু একটা ধীর, নীরব নামা। মাথার ওপর কোনো মেঘের ছাউনি নেই, নেই কোনো চেনা হাতের স্পর্শ। আকাশটা আজ দূরে সরে গেছে, যেন ইচ্ছা করেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছে।


শহরটা যখন ঘুমের চাদরে ঢেকে যায়, তখন সবকিছু আলাদা হয়ে পড়ে। দিনের শব্দ, মানুষের মুখ, চলাফেরা—সবই যেন অন্য কারও জীবনের অংশ ছিল। এখন শুধু ভেজা আলো আর থেমে থাকা বাতাস। জানালার কার্নিশ বেয়ে নেমে আসে স্মৃতির জলকণা। খুব ধীরে, খুব নিয়ম মেনে। প্রতিটা ফোঁটা আলাদা কিছু না হলেও একসাথে একটা ভার তৈরি করে, যেটা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু টের পাওয়া যায়।


আমি জানালার পাশে দাঁড়িয়ে থাকি। বাইরে রাস্তার আলো ভেজা দেয়ালে ছড়িয়ে ভেঙে যাচ্ছে। দূরে একটা কুকুর ডাকছে, তারপর হঠাৎ থেমে যাচ্ছে। শহর ঘুমায় না শুধু—নিজেকে কিছুটা ভুলেও থাকে। টেবিলে রাখা চায়ের কাপে বৃষ্টির ছাঁট পড়ে ছোট ছোট বৃত্ত তৈরি করছে, যেগুলো কয়েক সেকেন্ড পর আবার মিলিয়ে যায়।


বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা যেন কোনো পুরনো কথা। এমন কথা, যেটা শেষ হয়নি। শুধু সময়ের কারণে থেমে গেছে। মাটির গন্ধ তখন তীব্র হয়ে ওঠে। সেই গন্ধে মনে হয়—সব স্মৃতি হারিয়ে যায় না, শুধু জায়গা বদলায়।


আমি দাঁড়িয়ে থাকি। ভেতরে বাইরের এই নামা মিশে যায়। ভেজা পোশাক, ভেজা বাতাস, আর ভেতর থেকে ঝরে পড়া একটা স্থিরতা—সবকিছু একসাথে।


মাঝে মাঝে মনে হয়, এই বৃষ্টি শুধু আকাশ থেকে আসে না। কোথাও ভেতর থেকেও ঝরে। হয়তো তাই প্রতিটা ফোঁটা আলাদা আলাদা অনুভূতির মতো লাগে—কখনো ভারী, কখনো হালকা, কখনো অচেনা।


শহরের আলো এখন কমে এসেছে। দূরের একটা জানালায় এখনো আলো জ্বলছে। কেউ জেগে আছে, বা ঘুম আসছে না। এই ছোট্ট দৃশ্যটা অদ্ভুতভাবে একটা সংযোগ তৈরি করে—আমি একা নই, তবু একা।


তবু একাকীত্ব কমে না। বরং নিজের ভেতরেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।


কিছু একাকীত্ব একান্তই নিজের। সেটাকে ব্যাখ্যা করা যায় না, কাউকে দেখানোও যায় না। কিছু অনুভূতি থাকে, যেগুলো ভাষার বাইরে থেকে যায়—শুধু অবস্থান হিসেবে টিকে থাকে।


বাইরে বৃষ্টি এখন একটু বাড়ছে, অথবা তাই ঠেকছে। এই ঠেকা আর আসলে হওয়া—দুটোর মাঝখানেই মনে হয় অনেক কিছু নির্ভর করে।


মনে পড়ে যায় কিছু মুখ, কিছু সময়। খুব স্পষ্টভাবে না, ভাঙা ভাঙা। কোনো কথা, কোনো চুপ থাকা, কোনো অপ্রয়োজনীয় বিরতি। এগুলোকে ঠিক স্মৃতি বলা যায় না, আবার অস্বীকারও করা যায় না।


আমি বুঝতে পারি, কিছু রাতের কোনো সমাধান নেই। কোনো শেষও নেই। এই রাতগুলো শুধু বয়ে যাওয়ার জন্য। তারা মানুষকে অল্প একটু বদলে দেয়, তারপর রেখে যায় নিজের মতো করে।


আমি ভিজি।


আর আমার সাথে ভিজে যায় জমে থাকা অভিমান। না বলা কথাগুলো ধীরে ধীরে নরম হয়ে যায়, কিন্তু হারিয়ে যায় না। তারা কোথাও থেকে যায়—ভেতরের কোনো কোণে।


এই অন্ধকারের ভেতরে দাঁড়িয়ে কখনো মনে হয়, আমি নিজেকে হারাচ্ছি না। বরং খুব ধীরে, খুব অসম্পূর্ণভাবে নিজেকে আবার চিনতে শুরু করছি। যেন অনেক আগের কোনো সংস্করণ, যেটা এতদিন চুপচাপ ছিল।


বৃষ্টির শব্দ এখন শুধু বাইরে নেই। ভেতরেও আছে। বুকের ভেতর, চিন্তার ভেতর, নীরবতার ভেতর।


কখনো এটা অস্বস্তিকর লাগে, আবার কখনো খুব পরিচিত।


আমি জানালার কাচ থেকে একটু সরে আসি। ভেতরে ফিরে আসার মতো একটা ছোট নড়াচড়া। কাচে আমার হাতের ছাপটা কিছুক্ষণ থাকে, তারপর ধীরে ঝাপসা হয়ে যায়।


শহর তখনও ঘুমিয়ে আছে। কিন্তু আমার জানালার সামনে সময় জেগে থাকে। প্রতিটা ফোঁটা পড়ে আর কিছু না বলা কথা রেখে যায়।


আমি জানি না এই বৃষ্টি কখন থামবে। জানি না আমি কখন আবার স্বাভাবিক হয়ে ফিরব।


শুধু জানি — এই মুহূর্তটা পুরোপুরি আমার।

আর এই অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকা একা হওয়াটাই হয়তো আমার সবচেয়ে সত্যিকারের অবস্থা।


আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1175 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 23733। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3784
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
শেষ পর্যন্ত কেউ জেতেনি   পর্ব–৬ : একা বাবার সংসার   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন "নিজের কষ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
15 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
শেষ গল্পকথকের সন্ধানে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। ২৮ জুলাই, ২০২৬ অনেক বছর পর গ্[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বারান্দার নিস্তব্ধতা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প - ২৬ জুলাই, ২০২৬ রাত সাড়ে এগার[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অন্ধকারের দংশন মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। ২৪ জুলাই, ২০২৬ রাত তখন শেষ প্রহর ছ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
8 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ক্লান্ত নূপুরের ধ্বনি পঞ্চম পর্ব: নতুন ভোর মোহম্মদ জাহিদ হোসেন  ২৩ জুলাই, ২০২৬ ব[...] বিস্তারিত পড়ুন...
7 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3532 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2264 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    112 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...