Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ঘুমহীন

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
7 বার প্রদর্শিত
করেছেন (26,541 পয়েন্ট)   22 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

ঘুমহীনimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোটগল্প | ০২-০৯-২০২৬


রাত প্রায় দুটো।


ঘরের সব আলো নেভানো। শুধু জানালার পাশে ছোট বাতিটা জ্বলছে। তার আলোয় বিছানার একপাশ দেখা যায়, অন্যপাশটা অন্ধকারে।


অভিক চিৎ হয়ে শুয়ে আছে। ঘুম আসছে না। পাশে নিশি একবার এপাশ, একবার ওপাশ ফিরছে। বালিশটা ঠিক করে নেয়, চোখ বন্ধ করে। কিছুক্ষণ পর আবার চোখ খোলে।


অভিক জিজ্ঞেস করল, “ঘুমাওনি?”

“হুম।”

“কী হয়েছে?”

“কিছু না।”


অভিক আর কিছু বলল না।


নিশি কথাটা বললেই অভিক বুঝতে পারে, কিছু একটা আছে। গত কয়েক বছরে এই শব্দটার অনেক রকম মানে সে শিখেছে। কখনো সত্যিই কিছু থাকে না। আবার কখনো অনেক কিছু থাকে, শুধু বলার মতো করে সাজানো থাকে না।


কিছুক্ষণ পর নিশি বিছানায় উঠে বসল। পানির বোতলটা হাতে নিয়ে একটু খেল। তারপর বলল, 

“কাল কখন বের হবে?”

“সাড়ে আটটার দিকে।”

“ফিরবে?”

“জানি না। কাজ থাকলে দেরি হবে।”

“হুম।”


নিশি আবার শুয়ে পড়ল।

কিছুক্ষণ পর বলল, 

“আজ বাসা থেকে ফোন করেছিল।”

“কেন?”

“ছোট আপার মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছে।”

“ও।”

“সবাই যেতে বলছে।”

“যেও।”


নিশি চুপ করে রইল।

অভিক বলল, “কী হলো?”

“গেলে তো প্রশ্ন করবে।”

“কী প্রশ্ন?”

“এই সেই প্রশ্ন।”

অভিক কিছু বলল না।


“কতদিন হলো বিয়ে হয়েছে, বাচ্চা নেই কেন, কেমন আছ— এসব।”

“তাহলে যেও না।”


নিশি এবার ঘুরে তাকাল। 

“তুমি সবকিছুর উত্তর এত সহজে দিয়ে দাও কেন?”


অভিক চুপ।


“যাবে?” বললে “যাও।” 

“যাবে না?” বললে “যেও না।” 

সবকিছু কি এত সহজ?”

“আমি কী বলব?”

“আমি জানি না।”


ঘরটা আবার চুপ হয়ে গেল।

এই চুপচাপ থাকা তাদের নতুন কিছু নয়।


সকালে নিশি রান্নাঘরে থাকে, অভিক খবরের কাগজ পড়ে। দুপুরে যার যার কাজ। রাতে একই বিছানায় শুয়ে দুজন দুই দিকে মুখ করে থাকে। সংসার চলছে। বাজার হচ্ছে, বিল দেওয়া হচ্ছে, কাপড় ধোয়া হচ্ছে। শুধু কথাগুলো কমে গেছে।


আগে রাতে ঘুমানোর আগে কত কথা হতো। অফিসের মানুষজন, পাশের বাসার ঝামেলা, কে কী বলল, কোথায় বেড়াতে যাবে—কত কিছু। এখন প্রয়োজন ছাড়া কথা হয় না। দরকার হলে বলে, “লবণটা দেবে?” “কাল বিলটা দিয়ে দিও।” “ফ্রিজে সবজি আছে।”


কথা শেষ।


দুই বছর ধরে তাদের মধ্যে বড় কোনো ঝগড়া হয়নি। কিন্তু বড় কোনো ভালো কথাও হয়নি।


একসময় নিশি বলল, 

“তুমি কি আমার সঙ্গে এখনো থাকতে চাও?”

অভিক একটু নড়েচড়ে শুল।

“চাই।”

“তাহলে এত দূরে থাকো কেন?”


অভিক নিশির দিকে তাকাল।

কী বলবে, সে জানে না।


নিশির চোখ দুটো লাল, ঘুমহীন। অভিক এবার স্পষ্ট দেখল।


নিশি বলল, “আমি ক্লান্ত, অভিক।”

“জানি।”

“না, জানো না।”


অভিক চুপ করে রইল।


“আমি সারাদিন তোমার পাশে থাকি। অথচ মাঝে মাঝে মনে হয়, তোমার কাছে পৌঁছাতে আমার অনেক দূর হাঁটতে হয়।”


অভিক ধীরে বলল, “আমারও তাই মনে হয়।”


নিশি আর কিছু বলল না।


জানালার বাইরে কোনো গাড়ি চলে গেল। আলোটা কিছুক্ষণের জন্য পর্দার ফাঁক দিয়ে ঘরের দেয়ালে এসে পড়ল, তারপর মিলিয়ে গেল।


অভিক বুঝতে পারল, এতদিন ধরে তারা দুজনেই একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে। কেউ কোথাও যায়নি। তবু মাঝখানে একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে।


সে বলল, 

“আমি দুঃখিত।”

নিশি বলল, 

“কিসের জন্য?”

অভিক উত্তর দিল না।


নিশি আবার শুয়ে পড়ল। কিছুক্ষণ পর বলল, “তুমি কখনো কিছু বলতে চাও?”

“চাই।”

“তাহলে বলো না কেন?”


অভিক অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, “সব কথা বলা যায় না।”


নিশি আর প্রশ্ন করল না।


ঘড়ির কাঁটা ধীরে ধীরে এগোতে থাকল।


দুজনেই বিছানায় শুয়ে রইল। মাঝখানে আগের মতোই একটা জায়গা পড়ে রইল। খুব বেশি নয়। একজন হাত বাড়ালে হয়তো পৌঁছে যাওয়া যায়।


কেউ হাত বাড়াল না।


আজও তাদের মাঝখানে আগের মতোই একটু জায়গা রয়ে গেল।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 11 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1314 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 26541। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4803
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
অবশিষ্ট মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত এগারোটার পর অভিকের &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাত বছর পর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প | ০২-০৯-২০২৬ সাত বছর পর নিশিকে দেখে অভিক প্র[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
পরিচয়পত্র   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প। ০২-০৯-২০২৬ ইন্টারভিউ দিয়ে বেরিয়ে অভিক [...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
শেষ এক বছর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প | ১ সেপ্টেম্বর  ২০২৬ সেদিন রাতে রাশেদের ঘু[...] বিস্তারিত পড়ুন...
7 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
শেষ আপসের পর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ২৪ আগস্ট ২০২৬ “কথা দিচ্ছি শবযাত[...] বিস্তারিত পড়ুন...
19 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    442 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    22 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    20 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. Anandamoye Roy

    11 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...