Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

যেখানে বই ধীরে ধীরে ঘরে ফেরে

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (17,310 পয়েন্ট)   18 ঘন্টা পূর্বে "সাহিত্য(বিশ্লেষণ ধর্মী)" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

যেখানে বই ধীরে ধীরে ঘরে ফেরেimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প। এপ্রিল ২৫, ২০২৬


সন্ধ্যা নামার একটু আগেই কাজ শেষ করার একটা অস্থিরতা কাজ করে রফিকের ভেতর। গার্মেন্টসের হেলপার হিসেবে দিনভর কাজ শেষে শরীরটা এমনভাবে ভারী লাগে, মনে হয় ভেতরের চিন্তাগুলোও ক্লান্ত হয়ে গেছে। সেই ভার শুধু শারীরিক নাকি মানসিক ক্লান্তিরও, সেটা সে আলাদা করে নাম দিতে পারে না। তবু প্রতিদিন একই পথে ফিরে আসে সে, আর প্রায় অভ্যাসের মতোই দাঁড়িয়ে পড়ে একটা পুরোনো বইয়ের দোকানের সামনে।


দোকানটা বড় কিছু না। কাঁচের শোকেসে পুরোনো বই, যেগুলোর অনেকের পাতার ধার ভাঁজ খেয়ে গেছে। দরজাটা প্রায় সবসময় আধখোলা থাকে। ভেতর থেকে কাগজ আর পুরোনো কাঠের গন্ধ মিশে এসে রাস্তার ধুলোর সঙ্গে মিশে যায়। পুরো জায়গাটায় একটা থেমে থাকা সময়।


রফিক ঢোকে না। শুধু দাঁড়িয়ে থাকে।

দোকানদার প্রথমে খুব একটা খেয়াল করেনি। কিন্তু কয়েকদিন পর একই মানুষকে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তার ভেতরে একটা অস্বস্তি তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত সে জিজ্ঞেস করে, প্রায় অনিচ্ছার মতোই—


“প্রতিদিন আসো কেন?”

রফিক একটু থামে। উত্তর দিতে সময় নেয়।

“দেখি,” সে বলে।

“কী দেখো?”

“জানি না… কিছু একটা আছে।”


এই “কিছু একটা” দোকানদারের মাথায় থেকে যায়। সে আর কিছু বলে না।


পরদিন সে একটা বই বের করে কাউন্টারের ওপর রাখে।

“নিয়ে যাও। পড়ে দেখো।”

রফিক অবাক হয়। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে। তারপর হাত বাড়িয়ে আবার থেমে যায়।


“টাকা লাগবে না?”

“না।”


এই সহজ ‘না’ তার কাছে অচেনা লাগে। কারণ কিছু না দিলে কিছু পাওয়া যায়—এই ধারণাটা তার জীবনে খুব পরিচিত না।


সেদিন রাতে সে বইটা খোলে।

প্রথমে ধীরে পড়ে। মাঝে মাঝে থেমে যায়। শব্দগুলো কঠিন না, কিন্তু খুব চেনাও না। মনে হয়, এই ভাষাটা সে আগে কোথাও শুনেছিল—হয়তো কোনো গল্পে, হয়তো কারও মুখে, কিন্তু তখন গুরুত্ব দেয়নি।


ঘরের আলো টিমটিম করে জ্বলছিল। বাইরে রাস্তায় মানুষ চলাচল করছে, হর্ন বাজছে, জীবন তার নিজের মতো চলছে। কিন্তু রফিক ধীরে ধীরে বইয়ের ভেতরে ঢুকে যায়। বাইরের শব্দ আর আগের মতো গুরুত্বপূর্ণ থাকে না।


পরদিন সে আবার দোকানে আসে।

“পড়ে দেখলাম,” সে বলে।

“কেমন লাগল?”


রফিক কাঁধ ঝাঁকায়।

“মনে হলো… গল্পটা আমার না, কিন্তু আমার আশেপাশে ঘটছে।”


এই বাক্যটা দোকানদার চুপচাপ শুনে রাখে।


দিনগুলো চলতে থাকে।

রফিক এখন প্রতিদিন বই নেয় না। সপ্তাহে একদিন নেয়। কিন্তু তার ভেতরে একটা পরিবর্তন ধরা পড়ে—সে কম কথা বলে, বেশি ভাবে, আর কখনো কখনো হঠাৎ থেমে যায় কোনো সাধারণ কথার মাঝখানে।


একদিন সে জিজ্ঞেস করে,“সবাই বই পড়ে না কেন?”


দোকানদার একটু হাসে। “সময় নেই।”


রফিক সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দেয় না। একটু চুপ থেকে বলে,

“সময় নেই… নাকি অভ্যাসই নেই?”


দোকানদার এবার চুপ হয়ে যায়।

তার কথা বলার ধরন বদলায় না, কিন্তু চোখে একটা পুরোনো ছবি ভেসে ওঠে—তার ছেলেটা একসময় এই দোকানের সামনেই দাঁড়িয়ে থাকত। বইয়ের দিকে তাকিয়ে থাকত, ঠিক এই রফিকের মতো। তারপর একদিন আসা বন্ধ করে দেয়। সে এই কথা কাউকে বলেনি কোনোদিন।


কিছুদিন পর শহরের এক কোণে ছোট একটা লাইব্রেরি শুরু হয়।


দোকানদারই প্রথম কথা তোলে। একদিন এক তরুণী, যে প্রায়ই পুরোনো ম্যাগাজিন কিনতে আসে, তাকে সে বলে—


“আমার গোডাউনের একটা ঘর খালি পড়ে আছে। কাজে লাগতে পারে।”


মেয়েটা ভার্সিটিতে পড়ে। তার মাথায় আগে থেকেই এমন কিছু করার ভাবনা ছিল। ছোট পরিসরে একটা পাড়া-লাইব্রেরি। বড় আয়োজন না, কিন্তু শুরুটা হতে পারে।


ঘরটা পরিষ্কার করা হয়। কিছু চেয়ারের ব্যবস্থা হয়। ধীরে ধীরে কিছু বই আসে—দোকানদারের কাছ থেকে, আশপাশের মানুষের কাছ থেকে। খুব বড় কিছু না, কিন্তু একটা জায়গা তৈরি হয়।


প্রথম দিন খুব বেশি মানুষ আসে না।

রফিক আসে।


সে দরজার সামনে একটু দাঁড়িয়ে থাকে। ভেতরে তাকায়, তারপর ঢোকে। এক কোণে গিয়ে বসে পড়ে।


মেয়েটা জিজ্ঞেস করে,“আগে কোথাও পড়তেন?”

“না।”

“তাহলে আজ?”

রফিক শান্তভাবে বলে,“আজ শুরু করলাম।”


এই বাক্যে কোনো নাটক নেই, তবু একটা সিদ্ধান্তের ভার আছে।


ধীরে ধীরে আরও কয়েকজন আসে। কেউ কাজ শেষে, কেউ কৌতূহল থেকে, কেউ শুধু দেখে যায়। কেউ চুপচাপ বসে থাকে, যেন নিশ্চিত হতে চায়—এই জায়গাটা তাদের জন্য কি না।


একদিন ছোট একটা আলোচনা হয়।

বিষয়—দরিদ্র মানুষের সাহিত্যচর্চা কেন কম।

কেউ বলে সময় নেই। কেউ বলে সুযোগ নেই। কেউ বলে আগ্রহ নেই। সব কথার ভেতরে কিছু সত্য থাকে, আবার কিছু অসম্পূর্ণতাও।


রফিক এবার চুপ থাকে না।

“সমস্যা শুধু একটাই না,” সে বলে। “আমরা জানতামই না, পড়াটাও একটা জায়গা হতে পারে।”


ঘরটা কিছুক্ষণ চুপ থাকে।

এই চুপ থাকা অস্বস্তির না। এটা বোঝার চুপ।

এরপর থেকে লাইব্রেরিটা বদলাতে থাকে।

কেউ বই আনে, কেউ নিজের গল্প বলে, কেউ শুধু বসে থাকে। বড় কিছু ঘটে না, কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা অভ্যাস তৈরি হয়—ধীরে, প্রায় অদৃশ্যভাবে।


একদিন দোকানদারও আসে।

দূর থেকে দাঁড়িয়ে দেখে।


রফিক এখন অন্যদের সঙ্গে কথা বলে, বই নিয়ে আলোচনা করে, নতুন কাউকে বই ধরিয়ে দেয়। দোকানদার কিছু বলে না।


শুধু ভাবে—বইগুলো আসলে দোকানের জন্য না। তারা কোথাও না কোথাও জায়গা খুঁজে নেয়।


রফিক একদিন আবার দোকানে আসে।


“আমি এখন লাইব্রেরিতে যাই,” সে বলে।

দোকানদার মাথা নাড়ে।

“ভালো।”


রফিক একটু থেমে বলে,

“আগে ভাবতাম এটা আমাদের জন্য না। এখন মনে হয়… শুরুটা শুধু আমাদের ছিল না।”


দোকানদার এবারও কিছু বলে না।

কারণ এই কথার ভেতরে কোনো যুক্তি নেই, তবু একটা সত্য আছে—যেটা ব্যাখ্যা করলে ছোট হয়ে যায়।


বছরের শেষে লাইব্রেরিতে ছোট একটা অনুষ্ঠান হয়।

কেউ কবিতা পড়ে, কেউ গল্প বলে।

রফিক মঞ্চে ওঠে না। পেছনে বসে থাকে।

তার পাশে একজন নতুন ছেলে ফিসফিস করে বলে,“আপনি লেখেন?”


সে একটু হাসে।“এখনো না। শুধু পড়ি।”


এই “এখনো না” এবার আর অসম্পূর্ণ মনে হয় না। বরং একটা ধীরে তৈরি হওয়া সম্ভাবনার মতো লাগে।


বাইরে সন্ধ্যা নেমে আসে।

শহর আগের মতোই থাকে।


শুধু কিছু মানুষের ভেতরে বই আর দূরত্বটা আগের মতো আর একই থাকে না।


কারণ কখনো কখনো পরিবর্তন কোনো ঘোষণা দিয়ে আসে না।

সে আসে খুব সাধারণ একটা মুহূর্তে—কাউকে একটা বই এগিয়ে দেওয়ার ভেতর দিয়ে।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 7 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 858 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 17310। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3798
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
পরিবার যেখানে নিঃশব্দে আঘাত করে    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  বিশ্লেষণধর্মী। জানুয়ার&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
27 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যেখানে বিশ্বাসে জন্মায় স্বাধীনতা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন |  বিশ্লেষণধর্মী | ৮ মার্চ, [...] বিস্তারিত পড়ুন...
22 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#তুমি_অনিবার্য পর্ব: ১২ লেখনী: ইসরাত জাহান কৃষ্ণনগরের প্রান্তসীমায় যেখানে জলঙ্গী নদী তার চেনা বাঁক ছেড়ে এক নির্জন শ্মশান আর ভাঙা ঘাটের দিকে ধাবিত হয়েছে, সেখানকার বাতাস আজ ভারী হয়ে আছে এক অপ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
27 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বিবেক যেখানে নির্বাসিতশালীনতা আজ ডুকরে কাঁদে, নীতি যেথায় মৃত,রক্তের টানেও বিষ ঢুকে&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
16 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাহিত্যে বাস্তবতা সংকট মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী। এপ্রিল ২৫, ২০২৬ (“সা&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1540 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    76 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    203 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. আল-মামুন রেজা

    126 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

...