Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

নামটা

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
184 বার প্রদর্শিত
করেছেন (23,733 পয়েন্ট)   11 জুন "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

 নামটাimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  

ছোটগল্প। ১২ জুন, ২০২৬


সেদিন রাফি স্কুল থেকে ফিরে সোজা ঘরে যায়নি। গণিতের খাতাটা কোথায় রেখেছে সেটা মনে করতে পারছিল না। মনে হলো—হয়তো বাবার ঘরেই পড়েছিল।


বাবা তখন গোসল করছিলেন। বিছানার পাশে ফোনটা রাখা ছিল। হঠাৎ কেঁপে উঠল।


রাফি তাকাতে চায়নি। কিন্তু চোখটা চলে গেল স্ক্রিনে।


“তোমাকে খুব মিস করছি…”নামটা ছিল—মেহরিন।


সে কয়েক সেকেন্ড এক জায়গায় দাঁড়িয়ে রইল। এই নামটা কোথাও শোনা আছে কি না মনে করার চেষ্টা করল। নেই। তবু মেসেজটা অচেনা লাগল না—বরং ভেতরে কিছু একটা নড়ে উঠল।


সে ফোন ধরল না, খুললও না। কিন্তু ওই কয়েকটা শব্দ মাথা থেকে গেল না।


সন্ধ্যায় খেতে বসে বাবা একদম স্বাভাবিক ছিলেন। অফিসের কথা বললেন, মাকে বাজারের কথা জিজ্ঞেস করলেন। মাও স্বাভাবিক। শুধু রাফির কাছে সবকিছু একটু আলাদা লাগছিল—যেন কেউ কিছু লুকিয়ে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করছে।


রাতে ঘুম হলো না।


পরদিন আবার একই ঘটনা। বাবা বারান্দায় ফোনে কথা বলছিলেন। রাফি পানি নিতে গিয়ে থেমে যায়। ভেতর থেকে ভেসে আসে বাবার গলা—

“আর কয়েকদিন ধৈর্য ধরো।”


ওইটুকুই যথেষ্ট ছিল।


এরপর থেকে রাফি বদলাতে শুরু করল। আগে স্কুল থেকে ফিরে মায়ের পাশে বসত, এখন ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে রাখে। আগে পড়ার একটা রুটিন ছিল, এখন বই খুললেও মন বসে না। ক্লাসে চুপচাপ থাকে, বন্ধুদের এড়িয়ে যায়।


একদিন সাদ বলেছিল, “তোর কী হয়েছে? 

একদম বদলে গেছিস।”


রাফি শুধু হেসেছিল। কোনো উত্তর ছিল না তার কাছে।


মায়ের মুখটা দেখতে তার সবচেয়ে কষ্ট হতো। মা প্রতিদিন একইভাবে চা বানান, বাবার জামা গুছিয়ে দেন, অপেক্ষা করেন। আর রাফির ভেতরে একটা অদৃশ্য ভার জমে থাকে।


এক সন্ধ্যায় মা জিজ্ঞেস করলেন, “রাফি, কী হয়েছে?”

“কিছু না।”

“স্কুলে কিছু সমস্যা?”

“না।”

“তাহলে এমন চুপ কেন?”


রাফি কিছু বলল না। কথা গলায় উঠে আবার নেমে গেল। বললে সব ভেঙে যাবে কি না—এই ভয়টাই বেশি ছিল। কথা আটকে থাকল ভেতরেই।


সেই রাতে সে অনেকক্ষণ চুপচাপ কেঁদেছিল।


কয়েক সপ্তাহ পর পরীক্ষার ফল এলো। এবার নম্বর আগের মতো নেই।


মা রিপোর্ট কার্ড দেখে থমকে গেলেন। “রাফি… এটা কী?”


রাফি কিছু বলতে পারল না।


সেই রাতেই সবটা সামনে এলো।


সে পানি খেতে উঠে দেখে ড্রয়িংরুমে আলো জ্বলছে। মা বসে আছেন, বাবা পাশে দাঁড়িয়ে। টেবিলে ফোন। মায়ের চোখ ভেজা, বাবার মাথা নিচু।


রাফি কয়েক মুহূর্ত দাঁড়িয়ে রইল। বুঝে গেল—আর কিছু লুকানো নেই।


ফিরে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু মা দেখে ফেললেন।


তিনজন একসাথে চুপ।


কেউ কিছু বলল না। কিন্তু সেই চুপটাই অনেক কিছু বলে দিল।


এরপর দিনগুলো সহজ ছিল না। ঝগড়া, নীরবতা, ভাঙা রাত—সব মিলিয়ে ঘরটা বদলে গেল।


আর রাফি সবচেয়ে বেশি বদলে গেল।

সে বুঝল—বড়দের ভুলের ওজন অনেক সময় ছোটদের কাঁধেই পড়ে।


একদিন বাবা এসে তার ঘরে বসলেন। অনেকক্ষণ চুপ থেকে বললেন,

“আমি জানি তুই কষ্ট পেয়েছিস।”


রাফি জানালার বাইরে তাকিয়ে ছিল।

বাবা বললেন, “কিছু ভুল এমন হয়, যেটা শুধু একজনকে না, পুরো ঘরটাকে ভেঙে দেয়। আমি সেই ভুল করেছি।”


রাফি কিছু বলল না।


ক্ষমা সহজ না। বিশ্বাসও না।

তবু সেদিন বাবার চোখে কিছু একটা সত্যি ছিল।


রাতে শুয়ে রাফি শুধু একটা জিনিস বুঝল—

একটা সম্পর্ক ভাঙলে শুধু দুজন মানুষ ভাঙে না। ভেঙে যায় একটা ঘরের ভেতরের নিরাপত্তা, একটা সন্তানের ভরসা।


আর সেই ভাঙনের শব্দ সবসময় বাইরে শোনা যায় না।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1175 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 23733। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4057
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
 নামটা    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোটগল্প। ১৪ জুন, ২০২৬ সেদিন রাফি স্কুল থেকে এসে স[...] বিস্তারিত পড়ুন...
25 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যে নামটা আর ডাকা হয় না মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন গদ্য কবিতা । ২১ জুন,২০২৬ রাত বাড়লে মা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
26 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
শেষ গল্পকথকের সন্ধানে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। ২৮ জুলাই, ২০২৬ অনেক বছর পর গ্[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বারান্দার নিস্তব্ধতা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প - ২৬ জুলাই, ২০২৬ রাত সাড়ে এগার[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অন্ধকারের দংশন মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। ২৪ জুলাই, ২০২৬ রাত তখন শেষ প্রহর ছ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
8 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    3532 পয়েন্ট

    4 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    176 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2264 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    112 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    243 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    12 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...