Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

আইসিইউতে কাটানো আমার দিনগুলোর কথা (দ্বিতীয় খণ্ড)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (18,795 পয়েন্ট)   12 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

 

আইসিইউতে কাটানো আমার দিনগুলোর কথা 

(দ্বিতীয় খণ্ড)image

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

(বাস্তব ঘটনার আলোকে লেখা।)

ছোট গল্প। ২৩ মে,  ২০২৬



ভেন্টিলেশনের নলটা খোলার পর গলায় আগুন জ্বলছিল। তার চেয়েও বেশি জ্বলছিল পানির তৃষ্ণা। হাতের চামচ ধরার মতো জোরও তখন আমার শরীরে ছিল না। কিছুটা হলেও স্বস্তি পাচ্ছিলাম, কিন্তু এদিকে পানির জন্য জান যায় যায় অবস্থা।


ঠিক সে সময় নার্সদের উপর প্রচণ্ড রাগ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, “একটু পানি দিলে কী এমন ক্ষতি হবে?”


ডাক্তার রাউন্ডে এলেন। আমার বেডের পাশে এসে মনিটরের সব কিছু দেখলেন। তারপর দায়িত্বরত ডাক্তারকে বলে গেলেন, আগামী চার ঘণ্টা যেন কিছুতেই আমাকে পানি না দেওয়া হয়।


কথাটা শুনে অসহায়ের মতো শুধু তার দিকে তাকিয়ে রইলাম।


এদিকে চেতনানাশক ওষুধের প্রভাব কমে আসছিল। ধীরে ধীরে পায়ের কাটা অংশ থেকে তীব্র ব্যথা অনুভব করতে শুরু করলাম। সেই ব্যথা আস্তে আস্তে বুকের কাটা অংশ পর্যন্ত ছড়িয়ে যাচ্ছিল।


আমার সমস্ত শরীরে তখনও তিনটি ক্যানোলা লাগানো। ক্যাথেটার তো ছিলই। পাইপগুলো যেন পুরো শরীরকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে।


চিৎ হয়ে শুয়ে থাকতে আর ভালো লাগছিল না। মনে হচ্ছিল একটু কাত হয়ে শুতে পারলে হয়তো কিছুটা আরাম পেতাম, কিন্তু সেই উপায়ও নেই।


চারদিকের নিরবতা আমাকে ভয়ংকর এক মানসিক অবস্থার মধ্যে ফেলেছিল। সারাক্ষণ চেষ্টা করেও একটু ঘুমাতে পারলাম না। চোখের পাতা ভারী হয়ে এলেই শরীরের ব্যথাগুলো যেন আরও তীব্র হয়ে উঠছিল।


তখন আন্দাজ করলাম হয়তো দুপুর হয়েছে। কারণ সে সময় দু-একজন ভিজিটরকে ভেতরে দেখলাম।


মাথাটা একটু উঁচু করে দেখলাম আমাকে ব্লাড দেওয়া হচ্ছে। সম্ভবত এ কারণেই ডাক্তার আমাকে পানি দিতে নিষেধ করেছিলেন।


এদিকে নার্স বারবার আমার গলার ক্যানোলা থেকে সিরিঞ্জে করে রক্ত নিচ্ছিল আর তার ফলাফল লগবুকে লিখে রাখছিল।


ডিউটি ডাক্তার কাছে আসলে তাকে অনুরোধ করলাম আমাকে ঘুমের একটি ইনজেকশন দিতে। তিনি বললেন, রাতে দেওয়া হবে।


কিছুক্ষণ পর খাবারের ট্রলির শব্দ পেলাম। বুঝলাম দুপুরের খাবার দেওয়ার সময় হয়েছে। আমার বেডের পাশে খাবার রেখে যাওয়া হলো।


আমার জন্য দুইজন নার্স ছিল। একজন সারাক্ষণ মনিটর পর্যবেক্ষণ করছিলেন, আরেকজন অন্যান্য কাজ করছিলেন।


একজন নার্স এসে আমার বেডের মাথার দিকটা একটু উঁচু করে দিলেন। কারণ এখন আমাকে দুপুরের খাবার দেওয়া হবে।


খাবারের মেন্যুতে ছিল নরম ভাত। কিন্তু আমার যেটা সবচেয়ে প্রয়োজন, সেই পানি কোথাও দেখলাম না।


নার্স চামচ দিয়ে অল্প অল্প করে আমার মুখে খাবার তুলে দিচ্ছিলেন। কিন্তু দুই-তিন চামচের বেশি খেতে পারলাম না।


বেশ নিরবতার মধ্যেই সব চলছিল। হঠাৎ আমার পাশের বেডের রোগীর মনিটর প্রচণ্ড শব্দ করে উঠলো। সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন ডাক্তার দৌড়ে সেখানে গেলেন।


দুইজন ডাক্তার তার বুকে দ্রুত চাপ দিতে শুরু করলেন। বুঝতে পারলাম সম্ভবত সাডেন কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট।


ডাক্তাররা তাকে কার্ডিও পালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) দিচ্ছিলেন।


না, তাতেও কাজ হচ্ছিল না। এরপর দেখলাম তাকে শক দেওয়া হলো। তারপরও রোগীর কোনো সাড়া পাওয়া গেল না।


এভাবে কিছুক্ষণ চেষ্টার পর হঠাৎ সব শান্ত হয়ে গেল।


অর্থাৎ রোগী না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন।


আশ্চর্যের বিষয় হলো, এত কাছ থেকে একজন মানুষের মৃত্যু দেখলাম, অথচ নিজের ভেতরে সামান্যতম ভয়ও কাজ করছিল না।


বরং মনে হচ্ছিল আমার শরীরের ব্যথাগুলো আরও বেড়ে যাচ্ছে। মনটা কিছুটা বিষণ্ন হয়ে উঠলো।


নিজের অজান্তেই আমি নিজের শরীরের ত্রুটিগুলো খুঁজতে শুরু করলাম।


বুঝলাম, একজন মানুষ পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও হাসপাতালের কাজ থেমে থাকে না। মৃতদেহসহ বেডটা বাইরে নিয়ে যাওয়া হলো, তারপর আবার সব স্বাভাবিক।


মনে হচ্ছিল এখানে কিছুই হয়নি।


সেদিন প্রথমবার বুঝলাম, মানুষের জীবনের মূল্য আসলে কতটা ক্ষণস্থায়ী।


এভাবেই জীবন আর মৃত্যুর মাঝখানে কাটতে লাগলো আমার আইসিইউর প্রথম দিন।


কিছুক্ষণ পর ডিউটি ডাক্তার আমার কাছে এলেন। বললেন, “দেখেছেন, অতিরিক্ত পানি পান করলে কী ভয়ংকর অবস্থা হতে পারে?”


আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “আসলে কী হয়েছিল, একটু বুঝিয়ে বলবেন?”


ডাক্তার বললেন, অতিরিক্ত পানি পান করলে শরীরে তরলের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। অতিরিক্ত পানি শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা কমিয়ে দেয়, ফলে অন্যান্য ইলেক্ট্রোলাইটও পাতলা হয়ে যায়। ওই রোগীর ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছিল।


সদ্য অপারেশনের পর তার গ্রাফটিংয়ের উপর ভেজা ফুসফুসের প্রবল চাপ তৈরি হয়েছিল। তাকে বারবার নিষেধ করা হলেও তিনি অতিরিক্ত পানি পান করছিলেন। নার্সদের কথাও শোনেননি।


ডাক্তার আরও জানালেন, মাত্রাতিরিক্ত পানি পান করলে কিডনি অতিরিক্ত জল শরীর থেকে বের করতে পারে না।


এর ফলে বমি, বমি বমি ভাব, দুর্বলতা, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট, পেটে তীক্ষ্ণ ব্যথা, বুকের ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই অবস্থাকে ডাক্তারি ভাষায় “হাইপোনেট্রেমিয়া” বলা হয়।


যখন কেউ অতিরিক্ত পানি পান করেন, তখন মস্তিষ্কের কোষগুলো ফুলে যেতে শুরু করে। এতে মাথার খুলির ভেতরে চাপ বেড়ে যায়।


অতিরিক্ত পানি পানের ফলে “ওয়াটার ইনটক্সিকেশন” বা পানির নেশাও হতে পারে। এতে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়, কোষ ফুলে ওঠে। এর ফলে খিঁচুনি, কোমা, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে—যেটা ওই রোগীর ক্ষেত্রে ঘটেছিল।


সব কিছু শোনার পর আমার পানি খাওয়ার আগ্রহ একেবারে কমে গেল।


ধীরে ধীরে সময় এগোতে লাগলো। ডাক্তার, নার্স—সবাই তাদের ডিউটি পরিবর্তন করলেন। শুধু বেডের মাঝে পড়ে রইলাম আমরা কয়েকজন আইসিইউর রোগী।


সময়ের সঙ্গে রাত নেমে এলো। কিন্তু কোনোভাবেই ঘুম আসছিল না।


ডিউটি ডাক্তারকে আবার বললাম, “একটা ঘুমের ইনজেকশন দিন।”


তিনি নার্সকে ইশারা করলেন। দেখলাম নার্স স্যালাইনের লাইনে ইনজেকশন পুশ করলেন।


ভালোভাবেই বুঝতে পারছিলাম, এটা হয়তো ঘুমের ওষুধ নয়। তারপরও ধীরে ধীরে চোখের পাতা ভারী হয়ে এলো।


আর আমি তলিয়ে গেলাম। ব্যথা, ভয়, আইসিইউ—সব কিছু কয়েক ঘণ্টার জন্য মুছে গেল।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 7 মাস 4 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 931 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 18795। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3912
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
হাতের চামচ ধরার মতো জোরও পেলাম না। গলার মধ্যে থাকা নলটি (ভেন্টিলেশন) খোলার পর কিছুট[...] বিস্তারিত পড়ুন...
112 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ঘুম ভাঙলো মনিটরের টিকটিক শব্দে। আজ সেই শব্দটা আর ভয়ের নয়— বরং মনে হলো, এই টিকটিকই আম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
111 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সালটা ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর। আমার ওপেন হার্ট সার্জারির পর অপারেশন টেবিল থেকে সর&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
172 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যারা আমার “লাইফসাপোর্ট” গল্পটি পড়েছেন, তারা এই লেখাটি সহজেই বুঝতে পারবেন। আর যদি ক[...] বিস্তারিত পড়ুন...
131 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বাবার শেষ দিনগুলোর স্মৃতি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন স্মৃতিচারণ। এপ্রিল ২৭,২০২৬ আমরা প্রায়ই ভাবি সময় আমাদের হাতে। দিনগুলোকে আমরা ব্যবহার করি, পরিকল্পনা করি, সামনে এগিয়ে নিয়ে যাই। কিন্তু কিছু ক�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
39 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1180 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    58 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মাহাতাব হোসেন অপল

    170 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    167 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    145 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    7 টি আইডিয়া ব্লগ

...