Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

শেষ হাসিটা

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
5 বার প্রদর্শিত
করেছেন (17,636 পয়েন্ট)   17 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

 

শেষ হাসিটা
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
ছোট গল্প । মে ০১, ২০২৫
(লেখাটি সম্পূর্ণ বাস্তব কাহিনির উপর ভিত্তি করে লেখা)

আজ অনেক দিন হলো অভিকের সঙ্গে দেখা হয় না। সময় এগিয়েছে, জীবন ব্যস্ত হয়েছে, সম্পর্ক দূরে সরে যায়নি—শুধু দেখা হওয়াটাই কমে গেছে।

আজ শনিবার বলে মনে হলো, একবার দেখা করলে ভালো হয়। বিকেলের দিকে একটা মার্কেটের সামনে তাকে ডাকলাম। কিছুক্ষণ পরই অভিক এলো। মুখে সেই চিরচেনা হাসি, কিন্তু চোখের ভেতর ক্লান্তির স্তর জমে আছে। আমরা কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে কথা বললাম, তারপর পাশের একটি ছোট হোটেলে গিয়ে চা নিলাম। ধোঁয়া ওঠা দু’কাপ চা সামনে রাখা।

কাপটা তুলতেই আমার চোখ থেমে গেল। অভিকের হাতদুটো অস্বাভাবিকভাবে ফুলে আছে। আঙুলগুলো ভারী হয়ে ঝুলে আছে। মুখেও ফোলা ভাব, চোখের নিচে গভীর ক্লান্তি। মনে হলো শরীরটা নিজের ভেতরেই আটকে আছে, বাইরে শুধু একটা অবয়ব দাঁড়িয়ে আছে। আমি কিছু বলার আগেই অভিক চুপ করে রইল। তারপর আস্তে আস্তে বলতে শুরু করল।

কয়েক দিন ধরে শরীর ভালো যাচ্ছে না। মাথা ভার, বুক চেপে আসে, নিঃশ্বাসে অস্বস্তি—তবু সে ডাক্তারের কাছে যায়নি, কারণ যাওয়ার সামর্থ্য অভিকের নেই। মাগরিবের নামাজ শেষে বাসায় ফিরে আসে, তারপর থেকেই অবস্থার অবনতি শুরু হয়। এর মাঝেই এক বন্ধু ফোন করে ফুড কর্নারে যেতে বলে। প্রথমে যেতে চায়নি, শরীর সাড়া দিচ্ছিল না। তবু বারবার ফোন আসায় শেষ পর্যন্ত সে যায়।

সেখানে গিয়ে দেখে আরেক বন্ধু আগে থেকেই বসে আছে। হাসি-আড্ডা, খাবারের অর্ডার, স্বাভাবিক পরিবেশ। কিছুক্ষণ পর টেবিলের পাশের আরেক টেবিলে গরম বিরিয়ানি আসে। ধোঁয়া উঠছে, ঘন হয়ে চারপাশ ঢেকে দিচ্ছে। সেই ধোঁয়ার ভেতর হঠাৎ অভিকের চোখ থেমে যায়। ধোঁয়া কুণ্ডলী পাকিয়ে যেন একটা মুখ তৈরি করে—তার ছোট মেয়ে পরী। ছোট্ট হাসিমাখা মুখ, অপেক্ষার চোখ।

পরী বিরিয়ানি খুব ভালোবাসে। কিন্তু শেষ কবে তাকে খাওয়ানো হয়েছে, অভিকের মনে পড়ে না। এই চিন্তাটা তার বুকের ভেতর হঠাৎ ভারী হয়ে বসে যায়। শব্দগুলো দূরে সরে যায়, মানুষগুলো ঝাপসা হয়ে আসে। শুধু একটা ছবি স্পষ্ট থাকে—পরীর মুখ। সে চুপ হয়ে যায়। ভেতরে কিছু একটা ভেঙে পড়ে, কিন্তু বাইরে বোঝা যায় না। শুধু এক ফোঁটা পানি নীরবে গড়িয়ে এসে হাতের তালুতে পড়ে। সে সেটাও মুছে ফেলে, কাউকে কিছু বলে না।

এরপর আড্ডা চলতে থাকে, সময় গড়িয়ে যায়। কিন্তু অভিক সেখানে থাকে না। সে তখন অন্য কোথাও—পরীর মুখের ভেতর আটকে আছে।

রাত প্রায় ১০টা ২০। হঠাৎ মনে পড়ে বাসায় খাবার নেই। পরী হয়তো জেগে আছে। সে আর বসে থাকতে পারে না। সবাইকে বিদায় জানিয়ে বেরিয়ে যায়।

তার পকেটে কিছু টাকা ছিল। সেটা ঔষধ কেনার জন্য রাখা। ডাক্তার কড়া করে বলে দিয়েছিল—একটাও ডোজ বাদ দেওয়া যাবে না, না হলে ফুসফুসে পানি জমতে পারে। কিন্তু সেই মুহূর্তে সেই কথাগুলো দূরের কোনো শব্দের মতো হয়ে যায়। শুধু একটাই চিন্তা কাজ করে—পরী।

সে নিজের ঔষধ না কিনে সেই টাকা দিয়ে দুই প্যাকেট বিরিয়ানি কিনে নেয়। দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে তার শরীর থেকে ঘাম ঝরছিল। নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছিল, কিন্তু সে থামেনি।

ব্যাগ হাতে নিয়ে হাঁটতে শুরু করে। রাস্তার আলো, মানুষের ভিড়, গাড়ির শব্দ—সবকিছু ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়, শুধু সামনে একটা ছোট মুখ ভাসতে থাকে।

বাসায় ফিরে দেখে পরী তখনও জেগে আছে। দরজার শব্দেই সে দৌড়ে আসে। অভিক ওর হাতে বিরিয়ানি তুলে দিতেই পরীর চোখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

সে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, “বাবা, বিরিয়ানি কোথায় পেলে?” অভিক একটু থামে, তারপর ক্লান্ত হাসি দিয়ে বলে, “তোর জন্য এনেছি।” পরী খুশিতে খেতে শুরু করে। ছোট মুখে তৃপ্তির আলো জ্বলে ওঠে।

অভিক চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। তার ভেতরে অদ্ভুত এক শান্তি কাজ করে, আবার একই সঙ্গে অজানা এক ভয়ও।

তারপর সে ধীরে ধীরে গোসল করে বের হয়। কিন্তু শরীর আর আগের মতো নেই। বিছানায় বসতেই বুকটা চাপ দিয়ে ধরছিল, শ্বাস ভারী হয়ে আসে। অক্সিমিটার দেখায় ৭০–৭৮। সে বুঝে যায় অবস্থা ভালো না। তবু চেষ্টা করে, এক হাসপাতালে যায়। কিন্তু রাত গভীর, ভিড়, বেড নেই। তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। আর কোথাও যাওয়ার শক্তি থাকে না। ভোরের দিকে ক্লান্ত শরীরে বাসায় ফিরে আসে।

সারারাত সে বসে থাকে। কখনো দেয়ালে হেলান দেয়, কখনো চুপচাপ তাকিয়ে থাকে। টাকা নেই, সময় নেই, শরীরও নেই—শুধু একটা চিন্তা, পরী।

বাইরে ভোরের আলো ফোটে ধীরে ধীরে, কিন্তু তার ভেতরে অন্ধকার আরও ঘন হয়। সে বুঝে যায়, শরীর আর লড়াই করতে পারছে না।

অভিক বাসায় আসে। ঘর নীরব। পরী তখনও খাচ্ছে। অভিক আধশোয়া হয়ে তাকিয়ে থাকে। শ্বাস ভারী, চোখ স্থির, কিন্তু দৃষ্টি একটাই জায়গায় আটকে—পরীর মুখে। হঠাৎ পরী বলে, “বাবা, খাও না?” অভিক চুপ থাকে। তারপর খুব আস্তে বলে, “খেয়ে নে।”

পরী খেতে থাকে। অভিক তাকিয়ে থাকে। সময় যেন থেমে যায়। তার ঠোঁটের কোণে ধীরে ধীরে একটা হাসি ফুটে ওঠে। এই হাসি আনন্দের না, স্বস্তির না, জীবনেরও না—শুধু একটা নিঃশব্দ থেমে যাওয়ার ইঙ্গিত।

কিছুক্ষণ পর ঘরের শব্দগুলো ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়, সকালের আলোটা যেন দূরে সরে যায়। আর তখনই অভিকের চোখ স্থির হয়ে যায়।

পরী তখনও খাচ্ছিল। সে কিছুই জানে না। তার ছোট্ট পৃথিবী তখন শুধু খাবার আর বাবার দেওয়া ভালোবাসায় ভরা।

কিন্তু এই ঘরের অন্য প্রান্তে একজন মানুষ তার জীবনের সব যুদ্ধ শেষ করে ফেলেছে নীরবে। আর তার মুখে রয়ে গেছে একটাই অভিব্যক্তি—

শেষ হাসিটা।

আমি সেদিন চা শেষ না করেই উঠে গিয়েছিলাম।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 7 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 874 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 17636। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3816
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


শেষ মজুরির দিন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  ছোট গল্প। মে ০১,২০২৬ মে মাসের প্রথম সকাল। শহরজুড়ে লাল পতাকা, মাইকে স্লোগান—“শ্রমিকের অধিকার চাই”—সবই যেন ঠিকঠাক আছে। তবুও কোথাও একটা অস্বস্তি রয়ে যায়; [...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বাবার শেষ দিনগুলোর স্মৃতি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন স্মৃতিচারণ। এপ্রিল ২৭,২০২৬ আমরা প্রায়ই ভাবি সময় আমাদের হাতে। দিনগুলোকে আমরা ব্যবহার করি, পরিকল্পনা করি, সামনে এগিয়ে নিয়ে যাই। কিন্তু কিছু ক�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
5 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
শেষ না হওয়া শ্বাস মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প এপ্রিল ২০, ২০২৬ সিসিইউর নিঃশব্দ স[...] বিস্তারিত পড়ুন...
16 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#শেষ_চিঠি  #মো_নাছির_উদ্দিন  কৈশোর পেরিয়ে যৌবনে যখন পা দিয়েছি– প্রথম দেখাতেই সোনালির   বড্ড মায়ায় পড়ে গেলাম। সাহসহীন বুকে কোনো দিনই বলার সুযোগ হলো না। পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে শহর ছেড়ে  যখন কর্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
31 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অপেক্ষার শেষ প্রার্থনা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   গদ্যকবিতা। জানুয়ারি,০৩, ২০২৬   স[...] বিস্তারিত পড়ুন...
54 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মাহাতাব হোসেন অপল

    41 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...