Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

গ্রহের দোষ

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
7 বার প্রদর্শিত
করেছেন (27,685 পয়েন্ট)   20 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

গ্রহের দোষimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প।  ২ অক্টোবর ২০২৬



সুমন জানত, তার শনি খারাপ। পাড়ার জ্যোতিষী কুণ্ডলী দেখে বলেছিলেন - চাকরি নেই, বিয়ে ভাঙছে, হাতে টাকা টিকছে না, সব শনির দশা। 


"সময়টা ভালো না। ধৈর্য ধরতে হবে।"


সুমন কথাটা গেঁথে নিয়েছিল। কাজ আটকালেই বলত, "শনি ভাই ছাড়ছে না।" বন্ধুরা হাসত। সে হাসত না।


এক সকালে মা বললেন, "বাজার থেকে ফেরার সময় বাবার ওষুধটা আনিস।"


সুমন মোবাইল থেকে চোখ না তুলেই বলল, "কাল আনব।"


"কাল তো দুদিন ধরেই বলছিস।"


"টাকা নেই।"


মা চুপ করে গেলেন।


অথচ সেদিন বিকেলেই তার হাতে পাঁচশো টাকা এসেছিল। বন্ধুর কাছ থেকে ধার করা। ওষুধ কেনার কথা। ফেরার পথে একটা টি-শার্ট দেখে দাঁড়িয়ে গেল। তিনশো পঞ্চাশ টাকা। পছন্দ হয়ে গেল।


পরদিন কিনবে ভেবে টি-শার্টটা কিনে ফেলল।


রাতে বাবা ওষুধের কথা বললেন না। শুধু বললেন, "কাল হাসপাতালে যাবি?"


"দেখি।"


পরদিন সকাল থেকে আবার রিল। একটা, তারপর আরেকটা। দুপুর গড়িয়ে বিকেল। হঠাৎ স্ক্রিনের ওপর চোখ আটকাল। চার ঘণ্টা চলে গেছে।


সন্ধ্যায় রাকিব এসে বলল, "জ্যোতিষীর কাছে আবার যা। রাহুও খারাপ মনে হয়।"


"রাহু কী করল?"


"সারাদিন রিল দেখছিস। রাহু মাথা ঘুরাচ্ছে।"


সুমন উড়িয়ে দিল।


রাতে নিজের ঘরের দিকে তাকিয়ে অস্বস্তি হলো। চেয়ারে তিনটা ময়লা জামা, টেবিলে কালকের চায়ের কাপ, বিছানার পাশে কাগজের স্তূপ। একটা জামা তুলে নাকে নিল। আবার রেখে দিল। কবে ধোয়া হয়েছে মনে নেই।


পরদিন সে আবার জ্যোতিষীর কাছে গেল। লোকটা হাত দেখে বললেন, "শুক্র দুর্বল।"


"শুক্র কেন?"


"পরিচ্ছন্নতা, রুচি - এসব শুক্রের ব্যাপার।"


তারপর বললেন, "নিজের জীবনযাপনটা একটু ঠিক করো।"


ফেরার পথে কথাটা মাথায় ঘুরছিল। শুক্র দুর্বল, নাকি সে নিজেই নিজের যত্ন নেয় না? প্রশ্নটা প্রথমবার এলো।


ঘরে ফিরে কাপড় ধুতে দিল। টেবিল মুছল।


কয়েকদিন পর রাকিব টাকা চাইল। সুমন বলল, "দুই দিন দে।"


দুই দিন পর রাকিব ফোন করল। সুমন ধরল না। তৃতীয় দিনও না। চতুর্থ দিন রাকিব সামনে এসে বলল, "দিতে পারবি না বললেই হয়। ফোন ধরিস না কেন?"


সুমন বলল, "শনি খারাপ যাচ্ছে। সব আটকে আছে।"


রাকিব হাসল না। বলল, "তোর শনি খারাপ, নাকি তুই টাকা ফেরত দিস না?"


সুমন চুপ করে গেল।


সেদিন রাতে একটা খাতা বের করল। প্রথম পাতায় লিখল -


আমার সমস্যা কোথায়?


নিচে লিখল -


চাকরি নেই, সকালে দেরিতে উঠি, সিভি দিয়ে খোঁজ নিই না, দিনে অনেক ঘণ্টা ফোন দেখি, ধার ফেরত দিতে দেরি করি, বাবার ওষুধ আনতে ভুলি।


শেষ লাইনে হাত থেমে গেল। লিখল -


তাহলে গ্রহগুলো আসলে কোথায়?


পরদিন একটা ছোট বই কিনল। প্রতিদিন দশ পাতা পড়বে ঠিক করল। ফোনের সময় কমাল। প্রতিদিন তিনটা করে চাকরির আবেদন করতে লাগল। রাকিবের টাকা একবারে দিতে পারল না, মাসে মাসে অল্প করে দিতে শুরু করল।


তিন মাস পর একটা চাকরি হলো। বেতন বেশি না। প্রথম বেতন পেয়ে বাবার ওষুধ কিনল। ফেরার সময় একটা পারফিউমও কিনল।


মা বললেন, "তুই তো এসব কিনতিস না।"


সুমন হেসে বলল, "আগে ভাবতাম শুক্র খারাপ। এখন মনে হয় জামাটা পরিষ্কার রাখাও আমারই কাজ।"


মা পুরোটা বুঝলেন না। হাসলেন।


রাতে খাতাটা আবার খুলল। আগের প্রশ্নের নিচে একটা লাইন যোগ করল -


গ্রহ আকাশে থাকুক। ছায়া পড়ে আমার কাজের মধ্য দিয়ে।


খাতা বন্ধ করে ফোনটা টেবিলে রেখে দিল। আজ রিল দেখতে ইচ্ছে করছিল।


তবু তুলল না। কাল সকালে অফিস আছে।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1370 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 27685। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4916
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
নীরব মানুষটার শেষ সীমা   পর্ব–৪ : সব দোষ কি শুধু পুরুষের?   একটি ধারাবাহিক গল্প   লে&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
53 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
জানালাটা খোলা থাক মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত প্রায় বার[...] বিস্তারিত পড়ুন...
26 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
কোর্টপাড়ায় একদিন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ভ্রমণকাহিনি | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সেদিন কো&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
32 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যেখানে মনটা একটু থাকে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প | ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ অভিক জানা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
28 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
এক পা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প  | ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ নিশির বিয়ের খবরটা অভিক প্&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
38 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    81 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    3 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. ফাহিম আহমাদ

    61 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. শামীমা আকতার

    41 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Md Nayeem sheikh

    3 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...