Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

রজনীগন্ধার দিন

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
230 বার প্রদর্শিত
করেছেন (19,505 পয়েন্ট)   18 এপ্রিল "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

রজনীগন্ধার দিনimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন 

ছোট গল্প। এপ্রিল ১৯,২০২৬


জানালার ধারে দাঁড়িয়ে আছি। সামনের ফাঁকা জায়গাটায় ছোট্ট একটা খরগোশ ছানা বসে আছে—দুপুরের রোদে গা এলিয়ে দিয়েছে। এতটাই নিশ্চিন্ত, যেন পৃথিবীতে কোনো তাড়া নেই।


তাকিয়ে থাকি। ওর দিকে না, আসলে নিজের ভেতরের এক শূন্যতার দিকে।


গত রাতে ঘুম আসেনি। চোখ বন্ধ করলেই তুমি এসে দাঁড়াচ্ছিলে—অভিমানী মুখে, একটু হেসে, আবার হঠাৎ চুপ করে। ঘুমের ভেতরেও তোমাকে এড়িয়ে যাওয়া যায় না, আর জেগে থাকলে তো আরও না।


চোখের নিচে ভার জমেছে। আয়নায় তাকিয়ে মনে হলো—চশমা দরকার। হয়তো চোখের জন্য না, স্মৃতিগুলোকে একটু ঝাপসা করার জন্য।


আজ চশমা পরব, সাদা পাঞ্জাবিটাও পরব।


আলমারির ভেতর থেকে বের করতেই কাপড়টা একটু কুঁচকে উঠল। অনেকদিন পর পরছি। এই পাঞ্জাবিটা তোমার খুব পছন্দের ছিল। একবার তুমি মজা করে বলেছিলে, “এইটা পরে থাকলে তোমাকে অন্যরকম লাগে।”


তারপর একদিন নিজের হাতে এর ভেতরের পাশে আমার নাম লিখে দিয়েছিলে। কালো সুতো দিয়ে, একটু বাঁকা অক্ষরে।


আজ খুঁজলাম—পেলাম না।

হয়তো ধুতে ধুতে মুছে গেছে।

অথবা… আমি খেয়াল করিনি কখন হারিয়ে গেছে।


বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে একটু থামলাম। মনে হলো কিছু একটা বাদ পড়ছে। তারপর মনে পড়ল—ফুল।


মোড়ের ছোট্ট টিনের ছাউনির দোকানটা এখনো আছে।

ফুলওয়ালাকে আগেই বলে রেখেছিলাম—রজনীগন্ধা চাই।


সে আমাকে দেখেই বুঝে ফেলল। কিছু বলল না। শুধু এক গুচ্ছ ফুল এগিয়ে দিল।

সাদা, লম্বা, এক ধরনের নিরব সৌন্দর্য নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ফুল।


রাস্তাটা খুব চেনা। তবু আজ অন্যরকম লাগে।

হয়তো আমি বদলেছি, তাই সবকিছু বদলে গেছে।


হাঁটতে হাঁটতে ভাবছিলাম—আজ তুমি কী বলবে?

হয়তো রাগ করবে।

হয়তো বলবে, “এত দেরি করলে কেন?”


উত্তর দেব না।

জানি, তুমি উত্তর চাও না—তুমি শুধু সেই দেরিটা টের পেতে চাও।


কবরস্থানে ঢোকার আগে চশমাটা চোখে দিলাম।

কোনো লাভ হলো না। তোমার নামটা পাথরে জ্বলজ্বল করছে।


কবরস্থানে ঢুকতেই একটা ঠান্ডা নীরবতা আমাকে ঘিরে ধরল। বাইরে রোদ ছিল, এখানে ছায়া।

গাছের পাতা নড়ছে, কিন্তু শব্দ নেই।


তোমার কবরটা খুঁজে পেতে সময় লাগে না।

অজান্তেই ঠিক জায়গায় চলে আসি।


মাটিটা একটু উঁচু হয়ে আছে। নাম লেখা পাথরটা চুপচাপ দাঁড়িয়ে।


মনে হলো তুমি জিজ্ঞেস করলে—তাহলে তোমার মনে আছে?


হালকা হাসি চলে আসে।

কিছু বলি না।

ফুলগুলো তোমার কবরের ওপর রাখি।


রজনীগন্ধার গন্ধ ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে।


মনে হয় তুমি হাসছ।

চোখে সেই চেনা মায়া নিয়ে তাকিয়ে আছ।


বলতে চেয়েছিলাম—ঘড়িটা আর চলছে না।

তোমার দেওয়া সেই ঘড়ি।

সময় থেমে গেছে, ঠিক যেদিন তুমি গিয়েছিলে।

কিন্তু বললাম না।


তুমি আবার জিজ্ঞেস করবে, “আর কী এনেছ?”

কী বলব? এখনও বেতন হয়নি।


তবু পকেট থেকে ছোট্ট একটা বাক্স বের করি।

তোমার পায়েল।


অনেকদিন আগে খুলে রেখেছিলে। বলেছিলে, “হারিয়ে ফেলো না।”

আমি রাখিনি ঠিকমতো।

আজ আবার নিয়ে এসেছি।


বাক্সটা খুলে তোমার কবরের পাশে রাখি।

মনে মনে ভাবি—যদি পারতাম, আবার পরিয়ে দিতাম তোমার পায়ে।


হয়তো তুমি রাগ করে বলবে, “এতদিন কোথায় ছিলে?”


উত্তর দিই না।

কারণ সত্যিটা খুব সহজ—এই দেরিটুকুই বাঁচিয়ে রাখে তোমাকে।


কখন যে দুপুর গড়িয়ে বিকাল হয়ে গেছে, টের পাইনি।


সূর্যের আলো নরম হয়ে আসে।

ছায়া লম্বা হয়।

আজ তোমার চলে যাওয়ার বার্ষিকী।

সময় হচ্ছে, ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াই।

ফুলগুলো তোমার বুকের ওপর রেখে দিই।


আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 966 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 19505। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3766
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
লালচে নীরবতার দিন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প । ১৮ মে, ২০২৬ সকালের টেবিলে বসে মুন[...] বিস্তারিত পড়ুন...
174 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

শেষ মজুরির দিন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  ছোট গল্প। মে ০১,২০২৬ মে মাসের প্রথম সকাল। শহরজুড়ে লাল পতাকা, মাইকে স্লোগান—“শ্রমিকের অধিকার চাই”—সবই যেন ঠিকঠাক আছে। তবুও কোথাও একটা অস্বস্তি রয়ে যায়; [...] বিস্তারিত পড়ুন...
334 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ভাড়ার বাসা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প । ০২, জুন ২০২৬ মাসের শেষ সপ্তাহ এলেই বাসাø[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
 নীরব ভাঙন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প  । ৩১ মে , ২০২৬ রাত ২:১৭। অভিকের ঘুম ভেঙে গ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
9 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অন্যরকম শিশু মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প  । ২৯ মে, ২০২৬ ক্লাসের শেষ বেঞ্চে বসে থা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
10 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    203 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    10 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. ক্বলমী সুর

    91 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    61 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. রাতিন আহমেদ

    42 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...