Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

অভিকের নীরব পতন

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
6 বার প্রদর্শিত
করেছেন (17,737 পয়েন্ট)   21 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

অভিকের নীরব পতন
মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
ছোট গল্প। মে ০২, ২০২৬

অভিককে আমি প্রথম যেভাবে চিনেছিলাম, সেটা খুব নাটকীয় কিছু নয়। বরং অস্বস্তিকরভাবে সাধারণ। এমন মানুষ, যাকে একসময় সবাই চিনত, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে চিনলেও আর ঠিক করে দেখা হয় না।

২০১২ সাল থেকে তার শরীর ধীরে ধীরে তাকে সহ্য করা বন্ধ করে দেয়। হার্টের সমস্যাটা শুরুতে যতটা রোগ ছিল, পরে তা হয়ে ওঠে একটা দীর্ঘ উপস্থিতি—যেটা ঘরের আলো-আঁধারেও নিজের মতো করে টিকে থাকে। দিনে দিনে তার চলাফেরা কমে আসে, কিন্তু সেটাকে কেউ খুব বড় ঘটনা হিসেবে দেখে না। বরং ধীরে ধীরে একটা অভ্যাস তৈরি হয়—সে “কম সক্রিয়”, “কম কথা বলে”—এই ধরনের বাক্যেই তাকে ব্যাখ্যা করা শুরু হয়।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, এই রোগ একা ছিল না। তার পাশে ছিল মানুষের আচরণও—যেটা কোনোদিন সরাসরি আঘাত করে না, কিন্তু সময়ের সাথে ভেতরটা খালি করে দেয়। আগে যে মানুষকে ঘিরে ব্যস্ততা ছিল, পরে তাকে ঘিরে তৈরি হয় এক ধরনের নীরব এড়িয়ে চলা। কেউ ব্যস্ত, কেউ ক্লান্ত, কেউ আবার জানেই না কীভাবে কথা বলতে হয়—সব মিলিয়ে একটা দূরত্ব তৈরি হয়, যেটা কেউ ইচ্ছা করে না, কিন্তু হয়ে যায়।

অভিক সেটা বুঝত। কিন্তু বলত না। একদিন শুধু মাকে খুব আস্তে করে বলেছিল—“আমার কি আর আগের মতো থাকা হবে না?” মা কিছু বলেনি। শুধু ওষুধের পাতাটা টেবিলের এক পাশে রেখে দিয়েছিল, যেন উত্তরটা ওখানেই লুকিয়ে আছে।

এই নীরবতার ভেতর দিয়েই তার ভাঙন শুরু হয়। বাইরে থেকে সেটা বোঝা যায় না। মানুষ ভাবে, সে শুধু চুপচাপ হয়ে গেছে। কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা জায়গা ধীরে ধীরে সরতে থাকে, যেটা আগে তার নিজের ছিল।

সময়ের সাথে সাথে সে নিজের জায়গাটা হারাতে থাকে। যে মানুষ একসময় ব্যস্ততার কারণে দেখা করা কঠিন ছিল, সে-ই একসময় “পরে কথা হবে” বাক্যের ভেতর থেকে ধীরে ধীরে মুছে যায়। ফোন আসে কম, দেখা হয় না বললেই চলে, আর সম্পর্কগুলো এমন এক অবস্থায় চলে যায় যেখানে কেউ আর জোর করে ধরে রাখে না।

চিকিৎসার ভাষায় একসময় একটা নাম আসে—সিজোফ্রেনিয়া। কিন্তু নামটা আসার আগেই অনেক কিছু বদলে গেছে, যেগুলোর কোনো নাম থাকে না। নাম আসলে শুধু একটা ফ্রেম তৈরি হয়, কিন্তু ভেতরের ভাঙনটা তার অনেক আগেই শুরু হয়ে যায়।

সে এখন কম কথা বলে। অনেক সময় জানালার দিকে তাকিয়ে থাকে, কিন্তু আসলে বাইরে কিছু দেখছে কি না বোঝা যায় না। চোখ থাকে ঠিকই, কিন্তু মনটা যেন একটু দেরিতে কাজ করে। শব্দ আসে, কিন্তু অর্থটা ঠিকমতো পৌঁছায় না।

একবার প্রতিবেশী জিজ্ঞেস করেছিল—
“ভাই, ঠিক আছো?”
অভিক কিছুক্ষণ চুপ ছিল, তারপর বলেছিল—
“শব্দটা এখন বেশি জোরে লাগে।”
প্রতিবেশী আর কিছু জিজ্ঞেস করেনি।

তার দিনগুলো এরপর আর আলাদা কিছু না। সকালে উঠে বসে থাকা, দুপুরে অল্প কিছু খাওয়া, বিকেলে জানালার দিকে তাকিয়ে থাকা। কখনো মনে হয়, সে কোথাও অপেক্ষা করছে, কিন্তু কিসের জন্য—সেটা নিজেও পরিষ্কার না।

২০১৯ সালের দিকে একদিন রাতে তার স্ত্রী ক্লান্ত গলায় বলেছিল—“তুমি কি ওষুধটা খেয়েছো?”
অভিক একটু সময় নিয়ে বলেছিল— “আমি ভুলে যাই না… শুধু মনে থাকে না কখন খেতে হয়।”

এই বাক্যের পর ঘরটা আরও চুপ হয়ে যায়। কেউ আর বেশি কিছু বলে না, যেন বলার মতো কিছু অবশিষ্ট নেই।

মানুষ তখন সহজ সিদ্ধান্ত নেয়—সে বদলে গেছে। কিন্তু কীভাবে বদলেছে, সেটা আর কেউ জানতে চায় না। কারণ জানার জন্য যে ধৈর্য দরকার, সেটা ধীরে ধীরে কারও থাকে না।

সে কখনো কখনো এমনভাবে থেমে যেত, যেন কারও বলা কথা অনেক দেরিতে তার মাথায় পৌঁছায়। আবার কখনো এমন কিছু দেখে ফেলত, যেটা অন্যরা দেখত না। তখন তার চোখে একটা অচেনা স্থিরতা চলে আসত, যেটা ব্যাখ্যা করা কঠিন।

২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যা।

সে বের হয়েছিল এমনভাবে, যেন বের হওয়াটা আলাদা কোনো সিদ্ধান্ত নয়—শুধু হাঁটার একটা ধারাবাহিকতা। শহরের রাস্তা তাকে অস্থির করছিল। গাড়ির শব্দ, মানুষের ভিড়—সবকিছু তার মাথার ভেতর বাড়তি চাপ তৈরি করছিল। তাই সে রেললাইনের দিকে চলে যায়।

স্লিপারের ওপর পা রেখে সে হাঁটতে থাকে, ধীরে, একটার পর একটা। যেন হাঁটা ছাড়া আর কোনো কাজ নেই।

হঠাৎ তার ফোনটা বেজে ওঠে। সে থেমে যায়। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকে কিছুক্ষণ।
কণ্ঠটা আসে ওপাশ থেকে—
“তুমি কোথায় আছো?”
সে উত্তর দেয় না সঙ্গে সঙ্গে। কিছুক্ষণ চুপ থেকে শুধু বলে—
“আমি ঠিক আছি মনে হয়।”

লাইনটা শেষ হওয়ার পরও সে ফোনটা কানে ধরে রাখে। তারপর আস্তে করে পকেটে রেখে দেয়।

রেললাইনের পাশে দাঁড়িয়ে সে একটু হাসে, খুব ছোট একটা হাসি—যেন নিজের কোনো পুরোনো কথা মনে পড়েছে, কিন্তু সেটা ঠিক আনন্দ না কি কষ্ট, বোঝা যায় না।

দূরে একটা আলো দেখা যায়। প্রথমে ছোট, পরে ধীরে ধীরে বড় হয়। তার মুখে হঠাৎ একটা পরিচিত ভঙ্গি আসে—যেন সে কিছু চিনে ফেলেছে। চোখ একটু স্থির হয়ে যায়।

সে খুব আস্তে বলে—“ওই তো… আমার গাড়ি আসছে।”

তারপর কয়েকটা সেকেন্ড। শব্দটা বদলে যায়। এই সময়ের ভেতর শব্দ আর তার ভেতরের নীরবতা আলাদা থাকে না। কোনটা বাস্তব, কোনটা নয়—সেই সীমারেখা ধীরে ধীরে মুছে যায়।

সে আর এগোয় না। দাঁড়িয়ে থাকে, যেন অপেক্ষা করছে।

তারপর—

একটা দীর্ঘ শব্দ, আলো, আর হঠাৎ কেটে যাওয়া সময়।

পরের দৃশ্যটা কেউ ঠিকভাবে মনে রাখতে পারে না। শুধু একটা জায়গা থাকে, যেটা পরে মানুষ দূর থেকে দেখে, কিন্তু বেশি কাছে যায় না।

রেললাইনের ধারে একটা জিনিস পড়ে ছিল—যেটা আগে কোনো এক পায়ে ছিল। আর বাতাস সেখানে খুব সাধারণভাবে বইছিল, যেন কিছুই হয়নি।

বাকি সবকিছু শব্দের মতো ধীরে ধীরে মুছে যায়।

বিঃদ্রঃ এটি একটি গল্পভিত্তিক রচনা। চিকিৎসাবিষয়ক লক্ষণ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 7 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 879 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 17737। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3828
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
অভিকের ঈদের এক ফালি চাঁদ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প | ১০ মার্চ, ২০২৬ আমার নিয়মিত[...] বিস্তারিত পড়ুন...
21 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
নীরব যোদ্ধাUpload failed: [object Object] মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প। মার্চ ৮, ২০২৬ প্রায়ই মনে হয়, জীবনানন&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
19 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

লেখকদের নীরব অন্ধকার মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ১৪ মার্চ ২০২৬ রাত দুটো। টেবিলের ওপর খোলা খাতা। একজন লেখক বসে আছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটি বাক্য নিয়ে লড়াই করছেন—লিখছেন, মুছছেন, আ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
19 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
কবি হওয়ার নীরব লড়াই মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বিশ্লেষণধর্মী | ১২ মার্চ ২০২৬ রাত প্রা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
23 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ধর্ষণ: ক্ষমতার সংস্কৃতি, বিচারহীনতা এবং সমাজের নীরব সহিংসতা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
21 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    122 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মাহাতাব হোসেন অপল

    82 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. Mehedi Hasan akanda

    12 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...