Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পথটা দেখায়

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
1 বার দর্শন
করেছেন (18,040 পয়েন্ট)   18 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

 পথটা দেখায়  

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  

ছোট গল্প। মে ০৬, ২০২৬  

দিন অভিক


হাসপাতালের ঘরটা নতুন না—সাদা দেয়াল, ধীরে ঘোরা ফ্যান, এক কোণে স্যালাইনের বোতল। তবু জানালাটা অন্যরকম—খোলা, কিন্তু যেন পুরোটা খোলা না। বাইরে আকাশটা ভেতরে এসে থেমে গেছে, বেরোতে ভুলে গেছে।


বিছানার পাশে টেবিল। লাল মলাটের ডায়েরি। 

ভেতরে কোনো গল্প নেই, কোনো স্মৃতি নেই—শুধু হিসাব। 

“চাল ২ কেজি” 

“ডাল ১ কেজি” 

“তেল ৫০০ গ্রাম”


শেষ পাতায় এসে লেখা থেমে গেছে—“আজ—” 

এরপর কলম আর এগোয়নি।


সে তাকায়। হাত বাড়ায় না—যেন ছুঁলেই বাকি জীবনটা নড়ে উঠবে।


সময় এখানে ঠিক চলে না। ঘড়ির কাঁটা এগোয়, কিন্তু তার ভেতরে কিছু জমা হয় না। মাঝে মাঝে মনে হয়—সময় না, শুধু অভ্যাস চলছে।


ডাক্তাররা যা বলার বলে গেছে। শরীর আর আগের মতো থাকবে না। 

সে মাথা নাড়ে না, আবার সম্মতিও দেয় না। 

ভেতরে কোথাও শুধু একটা ভাবনা—এটা কি শেষ, নাকি শেষের অনুশীলন।


বিকেলের রোদ জানালা দিয়ে ঢোকে। 

চাদরের ভাঁজে আটকে যায়, বেরোতে পারে না। 

হঠাৎ মনে হয়—আলোটা যেন কারও হাত, কিন্তু ধরার মতো শক্ত নয়।


তার মাথায় আসে—আজকের বিকেলটা আলাদা। 

কোনো ঘটনার কারণে না। 

বরং কোনো কিছু ঘটছে না বলেই।


একসময় এই সময়েই সে দোকান গুটাতো। 

টাকা গুনতে গুনতে আঙুলে তেলের গন্ধ লেগে থাকত। 

শেষে দরজাটা টেনে দিত ধীরে—যেন দিনটা পুরোপুরি শেষ না হয়।


দরজা খোলে।


ছেলে ঢোকে। একটু দেরি হয়েছে। মুখে ক্লান্তি, কিন্তু বলার চেষ্টা আছে।


“তোমার জন্য সিঙ্গারা এনেছিলাম… গরম ছিল না।”


সে তাকায়। 

“গরম-ঠান্ডা এখন আলাদা কিছু না। রেখে দাও।”


প্যাকেটটা ডায়েরির পাশে রাখা হয়। 

হিসাবের পাশে এখন ঠান্ডা খাবার—যা খাওয়ার জন্য না, থাকার জন্য রাখা।


“আজ কেমন লাগছে?”


ছেলে বলতে চায়—সব ঠিক হয়ে যাবে। 

কিন্তু বাক্যটা মাঝপথে আটকে যায়। 

নিজের গলায়ও সেটা অপরিচিত শোনায়।


সে একটু সময় নেয়।


“মনে হচ্ছে… সব গুছিয়ে আসছে,” সে বলে। 

“যেমন দোকান বন্ধ করার আগে শেষবার হিসাবটা দেখা হয়—যদিও কিছুটা ভুল থেকেই যায়।”


গোধূলি ঘন হয়। 

আলো আর অন্ধকার একে অন্যকে ছাড়তে চায় না।


“দেখছো?” সে বলে। 

“গাছগুলো একটু কাছে এসেছে।”


ছেলে তাকায়। গাছ আগের জায়গাতেই আছে। 

তবু সে কিছু বলে না।


ছেলে তার হাত ধরে। এবার কোনো কথা নেই।


নিঃশ্বাস ধীরে আসে। 

একটা সময় ধরে শুধু শ্বাসই বাকি থাকে।


সে হঠাৎ ভাবে— 

যাবার সময় গোধূলিটা কেমন হবে?


সব কি এমনই ধীরে নামবে, 

নাকি হঠাৎ করে সব আলো একসাথে ছেড়ে দেবে?


তার মনে পড়ে নিশি।


নিশি বলেছিল, 

“তুমি গেলে আমি আটকাবো।”


সে তখন হেসেছিল। 

এখন সেই হাসিটা আর কোথাও নেই—শুধু একটা পুরোনো শব্দের মতো ভেসে থাকে।


দূরে জানালা কাঁপে। 

বাতাস ঢোকে।


চুলে লাগে।


এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়— 

বাতাসও যেন তাকে থামাতে চাইছে।


কিন্তু বাতাস শুধু ছুঁয়ে যায়। 

থামাতে পারে না।


সে ধীরে বলে—


“গোধূলি তো এমনই। 

থামায় না কাউকে… শুধু পথটা দেখায়।”


হঠাৎ সে বলে, 

“সিঙ্গারাটা… একটা দাও তো।”


ছেলে প্যাকেট খুলে।


কাগজের শব্দ।


ঘরটা ভারী হয়ে যায় না— 

আরও স্থির হয়ে যায়।


ডায়েরিটা খোলা।


শেষ পাতায় লেখা— 

“আজ—”


তার নিচে কিছু নেই।


সে কলমটা ধরে।


লিখতে চায়।


কিন্তু শব্দটা আর এগোয় না।


জানালার বাইরে গোধূলি নামে।


এইবার ধীরে না— 

একটানা, নিরব।


যেন সে জানে— 

কাউকে আটকানো তার কাজ না।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 7 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 894 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 18040। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3847
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


 গোধূলির আগে শেষ হিসাব   মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোট গল্প। মে ০৬, ২০২৬   দিন অভিক হ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

দুঃখ–সুখের সমান্তরাল রেখাUpload failed: [object Object] মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। মে ০৪, ২০২৬ দুঃখ আর সুখকে আমরা প্রায়ই আলাদা দুই প্রান্ত হিসেবে ভাবি। এক পাশে আলো, অন্য পাশে ছায়া—এই সহজ বিভাজনটা শিখে বড়[...] বিস্তারিত পড়ুন...
29 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

অনিশ্চয়তার ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা দিনগুলো মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। মে ০৪, ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে রিয়ান অনেকক্ষণ ধরে শুধু মানুষের চলাচল দেখছিল। কেউ দ্রুত পেরিয়ে যাচ্ছ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
20 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

 ভেতরের ঝড়, বাইরের ভাঙন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। মে ০৪, ২০২৬ বিকেলের আলোটা স[...] বিস্তারিত পড়ুন...
21 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

নদীর তীরে বিচারালয় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। মে ০৩, ২০২৬ নদীর ধারে বসে থাকা—এটা শুরুতে কোনো ঘটনা ছিল না। এখানে বিকেল প্রায়ই একই রকম আসে; চাঁদ ওঠে, আলো নামে, আর একটা স্থিরতা চারপাশে ছড়িয়ে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
34 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    425 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মাহাতাব হোসেন অপল

    106 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    42 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...