Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

বেতন

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
3 বার প্রদর্শিত
করেছেন (19,954 পয়েন্ট)   22 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

বেতনimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প । ১৪, জুন ২০২৬


বাবা ফোন করেছিলেন বিকেলের দিকে। খুব বেশি কথা না। যেন আগে থেকে কিছু ভেবে রাখা নেই।


“একটু টাকা লাগবে,” তিনি বললেন। থামলেন। “হাসপাতালে যেতে হবে।”


ছেলেটা কিছুক্ষণ কিছু বলতে পারল না। ফোনটা কানে ধরে রেখেই বসে রইল।


বাবা জীবনে এই প্রথম তার কাছে কিছু চাইলেন। আর সেটাও টাকা।


“কত?” সে শেষে জিজ্ঞেস করল।


বাবা একটা অঙ্ক বললেন।


অঙ্কটা খুব বড় না। কিন্তু তার অ্যাকাউন্টের জন্য বড়ই ছিল।


ফোনটা কেটে যাওয়ার পর সে অনেকক্ষণ চুপ করে বসে রইল। শরীরটা ভারী লাগছিল, কিন্তু ঠিক কোথায় ভারী লাগছে বোঝা যাচ্ছিল না।


বাবা এমন মানুষ ছিলেন না যিনি চাইতেন। বরং উল্টো। সারাজীবন দিয়ে এসেছেন—কখনো সময়, কখনো শরীর, কখনো নিজেরই ক্লান্তি যেটার নাম কেউ আলাদা করে রাখে না।


ছেলেটার ছোটবেলার একটা কথা মনে পড়ে। বাবা ক্লান্ত হন না—এটাই তার ধারণা ছিল।


বাবা তখন ভোরে বের হতেন। রিকশা বা কোনো কাজ। সন্ধ্যায় ফিরতেন। হাতে অল্প কিছু টাকা। মুখে কম কথা।


অনেক সময় শুধু জিজ্ঞেস করতেন, “খাওয়া হয়েছে?”


এখন সেই প্রশ্নটার মানে সে বুঝে।


কিন্তু বোঝা আর কিছু করতে পারা এক জিনিস না।


ছেলেটা শহরে চাকরি করে। মাসের বেতন আসে, কিন্তু মাস শেষ হওয়ার আগেই হিসাব বদলে যায়। ভাড়া, কিস্তি, আর কিছু এমন খরচ—যেগুলো না দিলেও চলে না, আবার দিলেও কমে না।


বিকাশ খোলে। ব্যালেন্স দেখে। আবার লক করে দেয়।


ফোনটা টেবিলে রাখে। আবার হাতে নেয়।


পরদিন সে টাকা পাঠাতে পারে না।


বাবা আর ফোন করেন না।


এটাই বেশি লাগে।


কয়েকদিন পর সে গ্রামে যায়।


বাড়িটা আগের মতোই। কিন্তু তবু কিছু বদলে গেছে—এই অনুভূতিটা সে দরজার সামনে দাঁড়িয়েই টের পায়।


বারান্দায় বাবা বসে আছেন। একটু কুঁজো হয়ে। হাতে পুরোনো কাপ।


ছেলেটা কিছু বলতে যায়, কিন্তু থেমে যায়।


“টাকা দিতে পারিসনি?” বাবা জিজ্ঞেস করেন।


গলায় অভিযোগ নেই। শুধু একটা সোজা প্রশ্ন।


ছেলেটা মাথা নিচু করে। “পারিনি।”


বাবা একটু চুপ থাকেন। তারপর বলেন, “ঠিক আছে।”


এই “ঠিক আছে” খুব সাধারণ শোনায়। কিন্তু ছেলেটার কাছে সেটা অস্বাভাবিক ভারী লাগে।


সেদিন রাতে ঘুম আসে না।


মনে হয়, বাবা এখন আর দেওয়ার জায়গায় নেই।


সকালে উঠে সে কিছু টাকা জোগাড় করে—যতটা পারে। পুরোটা না, কিন্তু কিছুটা।


সে বাবার হাতে দেয়।


বাবা গুনে দেখেন না। হাতে নেন শুধু।


তারপর হঠাৎ বলেন, “তুই ঠিক আছিস তো?”


প্রশ্নটা টাকার না।


ছেলেটা উত্তর দেয় না।


কারণ “ঠিক থাকা” এখন আর সহজ কিছু না।


ফিরে আসার সময় বাসে বসে সে জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকে।


মনে হয়, বাবা সারাজীবন যে দিয়েছেন, তার কোনো হিসাব হয় না। আর এখন সে যা ফিরিয়ে দিচ্ছে, সেটাও আসলে শোধ না—শুধু দেরিতে আসা কিছু একটা।


বাসটা এগিয়ে যায়।


রাস্তাটা বদলায়।


কিন্তু প্রশ্নটা একই থাকে—


একজন সন্তানের পক্ষে কি সত্যিই তার বাবার “বেতন” মেটানো যায়?

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 988 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 19954। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4064
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
 নামহীন কবর    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোট গল্প | ১৪ জুন, ২০২৬ দুপুরের কবরস্থানটা কে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
1 বার দর্শন 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
 নামটা    মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোটগল্প। ১৪ জুন, ২০২৬ সেদিন রাফি স্কুল থেকে এসে স[...] বিস্তারিত পড়ুন...
3 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
 শেষ সাক্ষী মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন গল্প । ১৪, জুন ২০২৬ লোকটা মারা গেল ভোরের ঠিক আগে। [...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
ভাঙা মগ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প। ১৩ জুন ১০২৬ ডিভোর্সের কাগজে সই করার সময় মেহ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
4 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
 নামটা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন   ছোটগল্প। ১২ জুন, ২০২৬ সেদিন রাফি স্কুল থেকে ফিরে সো[...] বিস্তারিত পড়ুন...
171 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    652 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    32 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. জামিনুল রেজা

    428 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    1 মন্তব্য

    21 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    224 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    11 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. ক্বলমী সুর

    134 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

...