Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

স্ক্রিনের ওপারে

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
38 বার প্রদর্শিত
করেছেন (27,228 পয়েন্ট)   29 জুলাই "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

স্ক্রিনের ওপারেimage

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প। ২৯ জুলাই, ২০২৬


স্ক্রিন শুধু বিনোদন দেয় না, অজান্তেই অনেক মূল্যবোধও শিখিয়ে দেয়।


অভিক প্রথমে বিষয়টাকে গুরুত্ব দেয়নি।


তার নয় বছরের ছেলে অয়ন স্কুল থেকে ফিরেই মোবাইল হাতে নিত। কার্টুন দেখত, ভিডিও দেখত, কখনো গেম খেলত। অভিক ভাবত, এ যুগের বাচ্চারা এমনই করে। এতে আর সমস্যা কী?


একদিন রাতের খাবার খেতে বসে অয়ন হঠাৎ বলল,

"বাবা, যার অনেক ফলোয়ার, সে-ই সবচেয়ে বড় মানুষ, তাই না?"


অভিক চামচ থামিয়ে ছেলের দিকে তাকাল।

"কে বলেছে তোমাকে?"


"সবাই তো তাই বলে। ভিডিওতেও দেখলাম।"


অভিক হেসে বিষয়টা উড়িয়ে দিতে চেয়েছিল, কিন্তু পারল না।


কয়েকদিন পর আরেকটা ঘটনা ঘটল। অয়ন তার মায়ের ওপর রাগ করে বলল,

"তোমার ফোনটা ভালো না। সবার নতুন ফোন আছে।"


এই কথাগুলো যেন তার নিজের নয়। কোথাও থেকে শেখা, কোথাও থেকে ধার করা।


সেদিন রাতে অভিক ছেলের পাশে এসে বসল। বলল,

"সারাদিন কী কী দেখো, আমাকে একটু দেখাবে?"


অয়ন খুব আগ্রহ নিয়ে একের পর এক ভিডিও চালাতে লাগল। কেউ দামি গাড়ি দেখিয়ে বড়লোকি দেখাচ্ছে, কেউ অদ্ভুত কাণ্ড করে হাসাচ্ছে, কেউ আবার অন্যকে অপমান করে জনপ্রিয় হচ্ছে।


অভিক বুঝতে পারল, ছেলেটা শুধু ভিডিও দেখছে না, অজান্তে মানুষ, সাফল্য আর জীবন নিয়ে একটা ভুল ছবি এঁকে নিচ্ছে।


পরদিন বিকেলে সে অয়নকে নিয়ে পার্কে গেল। মোবাইল সঙ্গে ছিল, কিন্তু পকেটেই পড়ে রইল।


অনেকদিন পর বাবা-ছেলে একসঙ্গে ক্রিকেট খেলল। তারপর ঘাসের ওপর বসে আইসক্রিম খেল।


ফেরার পথে অয়ন বলল, "বাবা, আজ ভিডিও দেখিনি, তবুও অনেক মজা হয়েছে।"


অভিক হেসে বলল, "সব আনন্দ স্ক্রিনের ভেতরে থাকে না।"


এরপর থেকে বাসায় কয়েকটা ছোট নিয়ম হলো।


রাতে খাওয়ার সময় কারও হাতে ফোন থাকবে না। ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে সব স্ক্রিন বন্ধ। আর অয়ন কী দেখছে, তা নিয়ে বকাঝকা নয়, আলোচনা হবে। অভিক আর তার স্ত্রী ঠিক করল, তারাও ছেলের সামনে অকারণে ফোন ঘাঁটবে না। কারণ শিশুরা নিষেধের চেয়ে অনুকরণ বেশি শেখে।


তারা একসঙ্গে ঠিক করল, অয়ন দিনে কতক্ষণ স্ক্রিন দেখবে এবং কী ধরনের ভিডিও দেখবে, সেটা দুজনে মিলে বাছাই করবে। ইউটিউবে কিডস প্রোফাইল চালু করা হলো, অপ্রয়োজনীয় চ্যানেলগুলো সরিয়ে শিক্ষামূলক আর সৃজনশীল চ্যানেল রাখা হলো।


কিছুদিন পর অয়ন নিজেই একটা ভিডিও দেখিয়ে বলল, "বাবা, এটা কি সত্যি, না বানানো?"


অভিকের ভালো লাগল। সে বুঝল, নিষেধ করতে শেখার চেয়ে প্রশ্ন করতে শেখাটা অনেক বেশি জরুরি।


আজকের শিশুরা শুধু পরিবার বা স্কুল থেকে শেখে না। তারা প্রতিদিন অসংখ্য পর্দা থেকে শেখে—কী সুন্দর, কী জনপ্রিয়, কী সফল, এমনকি কীভাবে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হয়।


তাই শুধু "মোবাইল নামিয়ে রাখো" বললেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না।


বরং তাদের পাশে বসে জানতে হয়, তারা কী দেখছে, কেন দেখছে, আর সেই দেখার ভেতর থেকে কী শিখছে। তাদের হাতে বিকল্প আনন্দ তুলে দিতে হয়—খেলা, গল্প, বই, পরিবারের সঙ্গে সময়।


কারণ একটা স্ক্রিন শুধু সময় কেড়ে নেয় না। নীরবে একটা শিশুর চিন্তা, অভ্যাস আর মূল্যবোধও গড়ে দেয়।


আর সেই কারণেই, শিশুদের হাতে মোবাইল দেওয়ার আগে তাদের পাশে একজন মানুষ থাকা আরও বেশি জরুরি।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 11 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1348 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 27228। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4524
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
অতীতের ওপারে অধ্যায় দুই  মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প  । ১৬, জুন ২০২৬ —তুমি কী বল[...] বিস্তারিত পড়ুন...
88 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অতীতের ওপারে অধ্যায় এক মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প  । ১৬, জুন ২০২৬ সন্ধ্যাটা ছি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
90 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অতীতের ওপারে অধ্যায় এক মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প  । ১৬, জুন ২০২৬ সন্ধ্যাটা ছি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
45 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
পাহাড়ের ওপারে মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  গদ্য কবিতা। ২৬ আগষ্ট, ২০২৬ পাহাড়ের গায়ে দাঁড়&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
44 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
দরজার ওপারে শামীমা আকতার ১১.০৬.২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ  দরজার ওপারে শামীমা আকতার সে&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
83 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1129 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    56 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    269 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    13 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    62 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

...